প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের শহীদ নেতা এবং তার পরিবারের সদস্যদের ঐতিহাসিক জানাজার প্রেক্ষাপটে একটি বার্তা প্রদান করেছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ।
বার্তায় তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘এ দেশের শহীদদের, বিশেষভাবে শহীদ উম্মাহর ইমামের হত্যাকারীরা তাদের কৃতকর্মের শাস্তি ভোগ করবে। চূড়ান্ত প্রতিশোধের পদক্ষেপ পবিত্র কুদস (জেরুজালেম) মুক্তির মাধ্যমে বাস্তব রূপ লাভ করবে।’
পার্সটুডে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার সূত্রে জানিয়েছেন, বাগের গালিবাফ তার বার্তায় বলেন, ‘আমাদের নেতাকে হারানোর বেদনা এবং দেশের রাজধানীতে তার পবিত্র, আহত দেহের শেষ উপস্থিতির দিনটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। আপনাদের নতুন জাগরণের মাধ্যমে এটি মহাকাব্য ও সচেতনতায় পরিণত হয়েছে। এটি ইসলামি ইরান এবং সম্পূর্ণ ইসলামি বিশ্বের বিজয়ের পথকে আরো ত্বরান্বিত করেছে।’
এছাড়া, বার্তায় বলা হয়েছে, যে জাতি ৪৭ বছর ধরে বিপ্লবের অগ্রসেনা হিসেবে ভূমিকা পালন করছে, তারা গত চার মাস ধরে প্রতি রাতে ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ এবং ‘ইসরাইলের মৃত্যু হোক’ ধ্বনি উচ্চারণ করেছে। এর মাধ্যমে তারা শহীদ ইমামের হত্যাকারীদের প্রতি ঘৃণা ও প্রতিশোধের দাবি জানিয়েছে।
স্পিকার আরও বলেন, আল্লাহর প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন নিশ্চিত। ইরানের ভূমিতে আগ্রাসনকারী এবং শহীদদের হত্যাকারীরা তাদের কর্মের জন্য উপযুক্ত শাস্তি পাবেন। অত্যাচারী শক্তির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিশোধ পবিত্র কুদস মুক্তির মাধ্যমে কার্যকর হবে।
তিনি আরও বলেন, এই জাগ্রত জাতি তাদের নেতাকে বিদায় জানিয়েছে। তারা গত চার মাসের মতো প্রজ্ঞাবান ধর্মীয় নেতা হযরত আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা হুসেইনি খামেনির প্রতি আনুগত্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। এই জাতির প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত, কারণ তারা ইমাম ও শহীদদের আলোকিত পথ থেকে সামান্যতম পিছপা হয়নি। আজ বিশ্ব উপলব্ধি করছে যে ইসলামী বিপ্লব ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান স্থায়ী ও চিরঞ্জীব। জনগণের সমর্থন থাকলে কোনো অচলাবস্থা বা পরাজয় নেই।
বাগের গালিবাফ আরো বলেন, এই জাতি ইমাম হুসাইন (রা.)-এর শিক্ষার অনুসরণ করেছে। শহীদ বিপ্লবী নেতার ৩৭ বছরের নেতৃত্বকালে তারা শুধু জিহাদ ও সংগ্রামের চেতনা ধরে রাখেনি, বরং বিশ্বের আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সংগঠিতভাবে দাঁড়িয়েছে।
অফিসারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের মর্যাদা বুঝতে হবে এবং অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কোনো প্রচেষ্টায় কমতি রাখা যাবে না। এটা হতে পারে ইরানকে রক্ষা করার জন্য ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে, কূটনীতি এবং আলোচনার ক্ষেত্রে, কিংবা জনগণের জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক সমস্যাগুলোর সমাধানে সেবার ক্ষেত্রেই হোক। শহীদ নেতা এবং ইসলামী বিপ্লবের নেতার গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করে জনগণের জন্য নিরলস ও কার্যকর কাজ করার ব্যাপারে কর্মকর্তাদের প্রচেষ্টা সফল হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন