ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানের ভয়ে মার্কিন ঘাঁটি ইসরাইলে সরিয়ে নিতে বললেন সাবেক সেন্টকম প্রধান


ইরানের ভয়ে মার্কিন ঘাঁটি ইসরাইলে সরিয়ে নিতে বললেন সাবেক সেন্টকম প্রধান

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পদকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা থেকে রক্ষা করার জন্য পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইসরাইল এবং তার প্রতিবেশী দেশগুলোতে স্থানান্তরিত করা প্রয়োজন বলে মত পোষণ করেছেন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের সাবেক প্রধান জেনারেল ফ্রাঙ্ক ম্যাকেঞ্জি।

গণমাধ্যমে তার বক্তব্য প্রকাশ চলাকালে, কাতারের আল-উদেইদ সামরিক ঘাঁটির কথা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন, 'কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ সেন্টকমের অগ্রবর্তী সদর দফতরকে ইরান থেকে মাত্র ১০০ মাইল দূরে (কাতারে) স্থাপন করবে না। অথচ বর্তমানে সেটি সেখানেই রয়েছে।'

ম্যাকেঞ্জি ২৮ মার্চ ২০১৯ থেকে ১ এপ্রিল ২০২২ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জানান, ২০২২ সালে তিনি এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা বাইডেন প্রশাসনকে সতর্ক করেছিলেন। তারা বলেছিলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার এবং বাহরাইনে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলার মুখে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সুতরাং, মার্কিন বাহিনীকে পশ্চিম দিকে, বিশেষ করে ইসরাইলে নিয়ে যাওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: চকরিয়ায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আকিত হোসেন সজিব গ্রেফতার

ম্যাকেঞ্জি বলেন, 'আমরা বাইডেন প্রশাসনের কাছে প্রস্তাব দিয়েছিলাম, যেন ঘাঁটিগুলো পশ্চিমে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়, যার মধ্যে ইসরাইল ও মিশর অন্তর্ভুক্ত, যাতে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ লাগলে আমরা দ্রুত পশ্চিমে সরে যেতে পারি।' তবে বাইডেন প্রশাসন এই প্রস্তাবটিকে নাকচ করে দিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ঘাঁটি ব্যবস্থা অতীতের ধারাবাহিকতায় চলছে। এটি মূলত স্নায়ুযুদ্ধের সময়ের উত্তরাধিকার, যখন যুক্তরাষ্ট্র তেল-সমৃদ্ধ আরব উপসাগরীয় দেশগুলোতে সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্ভাব্য আগ্রাসন নিয়ে চিন্তিত ছিল। পরে ইরাক ও আফগানিস্তানে মার্কিন বিদ্রোহবিরোধী অভিযানের সময়ও এগুলো ব্যবহৃত হয়েছিল। ম্যাকেঞ্জির মতে, 'যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান কৌশল মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার সাথে মিলছে না।'

ইরান কার্যত মার্কিন বাহিনীকে উপসাগরীয় উপকূল থেকে দূরে সরে যেতে বাধ্য করেছে। এর আগে 'মিডল ইস্ট আই'-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, রিয়াদের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে ইরান উপর্যুপরি আঘাত হানার পর গত মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের তায়েফ বিমান ঘাঁটিতে প্রবেশাধিকার পায়। এছাড়াও পারস্য উপসাগরীয় উপকূলের আরও পূর্বে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোও ইরানের তীব্র হামলার শিকার হয়েছে।

ইরান বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি, কাতারে অবস্থিত সেন্টকমের সদর দফতর, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমান ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানায়।

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ আখ্যা দিয়ে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সিপিবি কার্যালয়ে হামলা

স্যাটেলাইটের ছবি দেখে ঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতির সঠিক মূল্যায়ন করা কঠিন মন্তব্য করে ম্যাকেঞ্জি সতর্ক করেন, 'একটি ঘাঁটির হ্যাঙ্গার, রাডার বা ব্যারাক ধ্বংস হলেও এর ভূগর্ভস্থ জ্বালানি ব্যবস্থা এবং রানওয়ে অক্ষত থাকতে পারে, যা দিয়ে যুদ্ধবিমান ওঠানামা করতে পারে। পরিস্থিতি এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে, শত্রুর কাছাকাছি থাকা ভালো, কারণ যুদ্ধে দ্রুত যোগ দেওয়া যায়; কিন্তু আবার শত্রুর কাছাকাছি থাকা খারাপও, কারণ সে আপনাকে খুব দ্রুত আঘাত করার ক্ষমতা রাখে।'

অবশ্য আরব মিত্রদের সঙ্গে সংহতি বজায় রাখতে উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন উপস্থিতি বজায় রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন ম্যাকেঞ্জি। তবে তার প্রস্তাব, যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় ঘাঁটিগুলোকে কেবল জ্বালানি নেওয়ার কাজে ব্যবহার করতে পারে এবং এই ঘাঁটিগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী ঘাঁটি হিসেবে ইসরাইল, মিশর ও সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূলে বেছে নিতে পারে।

তিনি বলেন, 'আমাদের পশ্চিমের দিকে তাকাতে হবে, ইসরাইলে ঘাঁটি গড়ার কথা ভাবতে হবে। আমি মনে করি এটি একটি চমৎকার আইডিয়া।'

ম্যাকেঞ্জির মতে, অন্যান্য দেশের তুলনায় ইসরাইলকে বেছে নেওয়া ভালো, কারণ সেখানে প্রবেশাধিকার, ঘাঁটি স্থাপন এবং আকাশসীমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম বিধিনিষেধের মুখোমুখি হতে হবে। এছাড়াও উপসাগরীয় দেশগুলোর তুলনায় ইসরাইল উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারবে।

আরও পড়ুন: দেশ ছাড়ার ঘোষণা দিলেন রুমি, বললেন-‘আপনারা ভালো থাকেন’

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর খুললো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর খুললো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের পর বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবারও খুলে দেয়া হয়েছে। সরকার আশা করছে, আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে বিনা খরচে কর্মী পাঠানো শুরু হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে সিলেট সার্কিট হাউসে এ কথা জানান প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, খুব দ্রুতই মধ্যপ্রাচ্য, জাপান, মরিশাসের শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে।

তবে এবার মালয়েশিয়া নয়, বাংলাদেশই রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন করবে। তাই সিন্ডিকেট ও দুর্নীতি এড়াতে সরকার এবং এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে আবারও জনশক্তি রফতানিতে ধাক্কা আসতে পারে।

অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালে শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পর ২০১৬ সালে আবার এটি চালু হয়। পরে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়া আবারও বন্ধ করে মালয়েশিয়া।

এরপর ২০২২ সালের আগস্ট থেকে আবার কর্মী যাওয়া শুরু হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ১ জুন আবারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন শর্ত শিথিল নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে।

এদিকে ২০২৪ সালে মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ৭ হাজার ৮৭৩ জন কর্মীকে পাঠানোর দায়িত্ব সরকারি সংস্থা বোয়েসেলকে দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পেরেছেন। বাকি কর্মীদের বিষয়েও দ্রুত পৃথক সিদ্ধান্ত নেয়ার দাবি জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরেও দেশটির শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। দুই দেশের সরকারের আলোচনার মাধ্যমে আইনি জটিলতা দ্রুত কাটিয়ে শ্রমবাজার আবারও চালুর ঘোষণা এলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘর থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, সাটুরিয়ায় স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


ঘর থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, সাটুরিয়ায় স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ

 

মনিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় ৪৫ বছর বয়সী এক গৃহবধূ সুফিয়া বেগমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্বামী ইসমাইল হোসেনকে থানায় নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে উপজেলার হরগজ ইউনিয়নের বেপারীপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইসমাইল হোসেন একজন অটোরিকশাচালক। তিনি সকালে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন।

কিছুক্ষণ পর বাড়িতে ফিরে স্ত্রীকে খুঁজে না পেয়ে বাড়ির একটি টিনশেড ঘরের আড়ার সঙ্গে কাপড় পেঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত দেখেন। এরপর স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

খবর পেয়ে সাটুরিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের ছেলে ইসরাফিল দাবি করে, তার মা দীর্ঘদিন ধরে পেটের আলসারে ভুগছিলেন এবং মানসিক সমস্যাও ছিল।

এর ফলস্বরূপ তিনি মাঝে মাঝে অস্বাভাবিক আচরণ করতেন। তিনি আরও জানান, এসব বিষয় নিয়ে বাবার মাঝে মাঝে মাকে মারধর করার ঘটনাও ঘটেছে।

সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামীকে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্কের আঙ্কারায় শুরু হলো ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


তুরস্কের আঙ্কারায় শুরু হলো ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন

আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার প্রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সে পশ্চিমা সামরিক জোট নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন, যা সাধারণত ন্যাটো নামে পরিচিত, এর ৩৬তম শীর্ষ সম্মেলন চলছে।

এই সম্মেলন দুই দিনব্যাপী হবে এবং সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি, যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি, ইউক্রেন সংকট, শিল্প উৎপাদন ও উদ্ভাবন এ বিষয়ে মূল আলোচনার বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে নেতারা, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পসহ মোট ৩২টি সদস্য দেশের নেতারা এই শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।

আজ সন্ধ্যায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জায়ে মিয়ং, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন ন্যাটো নেতাদের সঙ্গে একটি নৈশভোজে যোগ দেওয়ার আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া, আঙ্কারায় ন্যাটোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বাহরাইন, কুয়েত, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তারা ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি প্রধান কায়া কাল্লাসের সঙ্গে একটি নৈশভোজ আলোচনাতেও অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ন্যাটোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রীরা অস্ট্রেলিয়া, জাপান, নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

ন্যাটো জানিয়েছে, এবারের শীর্ষ সম্মেলনে তিনটি বিষয়ের ওপর আলোকপাত করা হবে, যেগুলো হলো: প্রতিরক্ষা খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ইউরোপের প্রতিরক্ষা শিল্প ভিত্তি সম্প্রসারণ এবং ইউক্রেনের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সামরিক সহায়তা নিশ্চিত করা।

ইউরোপীয় নেতারা ট্রাম্পকে দেখাতে চাচ্ছেন যে, ২০৩৫ সালের মধ্যে জিডিপি থেকে ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা ও সংশ্লিষ্ট খাতে ব্যয় করার যে প্রতিশ্রুতি তারা গত বছর হেগে অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে দিয়েছিলেন, তা তারা বাস্তবায়ন করছেন।

সম্মেলনের অংশ হিসেবে আঙ্কারায় 'প্রতিরক্ষা শিল্প ফোরাম' নামে একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে কয়েক হাজার কোটি ডলার মূল্যের চুক্তি ঘোষণা করা হবে।

১৯৫২ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পর ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনী রয়েছে তুরস্কের। দেশটির একটি দ্রুত বর্ধনশীল প্রতিরক্ষা শিল্প রয়েছে এবং ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, কৃষ্ণ সাগর ও ককেশাস অঞ্চলে কৌশলগত অবস্থান রয়েছে।

শীর্ষ সম্মেলনের প্রাক্কালে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান তুরস্ককে একটি নির্ভরযোগ্য মিত্র হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যেটি ন্যাটোর দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে ধারাবাহিকভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে এবং জোটে একটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাবে।

এই সম্মেলনের মাধ্যমে তুরস্ক তার ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা তুলে ধরতে চাচ্ছে এবং ন্যাটোর মধ্যে প্রতিরক্ষা বাণিজ্যের উপর সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য সদস্যদের কাছে তার দীর্ঘদিনের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করবে।

এরদোয়ান ফ্রান্স ও ইতালির মতো মিত্রদের সঙ্গে এসএএমপি/টি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতার বিষয়েও অগ্রগতি করতে ইচ্ছুক। ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় এরদোয়ান এই কর্মসূচিতে প্রবেশাধিকার নবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৭ পি.এম


রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১২০

রাজধানী ঢাকার মিরপুর ক্রাইম ডিভিশনের আওতাধীন বিভিন্ন থানার অঞ্চল থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১২০ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এই গ্রেপ্তারগুলি ঘটেছে অপরাধ দমন, ওয়ারেন্ট তামিল, মাদকবিরোধী অভিযান এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার উদ্দেশ্যে পরিচালিত নিয়মিত ও বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে।

মঙ্গলবার ডিএমপির মিরপুর ক্রাইম ডিভিশনের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মিরপুর মডেল থানা থেকে ৪১ জন, পল্লবী থানার স্থানীয় এলাকা থেকে ৪২ জন, কাফরুল থানার এলাকা থেকে ৮ জন, দারুস সালাম থানার এলাকা থেকে ৯ জন, শাহআলী থানার এলাকা থেকে ৫ জন, ভাষানটেক থানার এলাকা থেকে ৬ জন এবং রূপনগর থানার এলাকা থেকে ৯ জন আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মধ্যে রয়েছে সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সদস্য, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য, ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য, বিভিন্ন নিয়মিত ও পূর্বের মামলার আসামি, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি, মাদককারবারি ও মাদকসেবী। এছাড়াও অভিযানের সময় বিভিন্ন অপরাধে ব্যবহৃত আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। এই উদ্ধারকৃত দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ৪টি হারানো মোবাইল ফোন। বিভিন্ন থানায় পরিচালিত অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ মাদকদ্রব্যও জব্দ করা হয়েছে।

মিরপুর ক্রাইম ডিভিশন জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক নির্মূল, সন্ত্রাস ও ছিনতাই প্রতিরোধ এবং পলাতক ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ভবিষ্যতেও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%