ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের জন্য বিএসএফকে ১ হাজার একর জমি প্রদান


বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের জন্য বিএসএফকে ১ হাজার একর জমি প্রদান

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের সুরক্ষা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এবং কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সকে (বিএসএফ) ১ হাজার একরের বেশি জমি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে হস্তান্তর করা হয়েছে। মে মাসে রাজ্যে নতুন সরকারের ক্ষমতায় আসার পর এই জমি দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে এ তথ্য জানান।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পোস্টে উল্লেখ করেছেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা এবং সীমান্তকে শক্তিশালী করা আমাদের সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।’ ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত সুরক্ষিত করার প্রতিশ্রুতি রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বেড়া নির্মাণের লক্ষ্যে বিএসএফের কাছে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৭২ দশমিক ৬ কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত মোট ১ হাজার ২৪ দশমিক ৭৫ একর জমি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তরিত হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত জেলাভিত্তিক তালিকা অনুসারে, সীমান্ত বেড়া নির্মাণের জন্য সবচেয়ে বেশি জমি মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রদান করা হয়েছে, যা মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল। এই জেলায় ৪৫ দশমিক ৪ কিলোমিটার সীমান্তের জন্য বিএসএফকে দেওয়া হয়েছে ৩৩৭ একর জমি, যা মোট জমির হস্তান্তরের প্রায় ৩৩ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনা, যেখানে ৪২ দশমিক ৭ কিলোমিটারের জন্য ২৪১ দশমিক ০৩ একর জমি দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: কমলনগরে নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ শিকারের দায়ে চারজনকে কারাদণ্ড ও জরিমানা

অন্য জেলার মধ্যে কোচবিহারে ১৩৫ দশমিক ৩৩ একর, মালদহে ১৭৬ দশমিক ৭৮ একর, নদীয়ায় ৯৫ দশমিক ১১ একর, দক্ষিণ দিনাজপুরে ২৬ দশমিক ৪১ একর, দার্জিলিংয়ে ৪ দশমিক ৩১ একর, উত্তর দিনাজপুরে ৬ দশমিক ৬১ একর এবং জলপাইগুড়িতে ২ দশমিক ১৭ একর জমি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএসএফের হাতে প্রদান করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আমাদের নাগরিকদের জন্য একটি নিরাপদ ও সুনিশ্চিত পরিবেশ তৈরি করতে এই প্রকল্পগুলো দ্রুত সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে আমরা আমাদের সিদ্ধান্তে অবিচল রয়েছি।’

২০১৫ সালে যখন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ঐতিহাসিক স্থল সীমান্ত চুক্তি কার্যকর হয়েছিল, সে সময় ভারত ১০ হাজার একরের কিছু বেশি জমি বাংলাদেশকে ছেড়ে দেয়। তখন পশ্চিমবঙ্গের নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে এ নিয়ে নানা প্রশ্ন ও আপত্তি উঠেছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে পশ্চিমবঙ্গের বিপুল পরিমাণ কৌশলগত জমি প্রদান করা হলেও, এখন পর্যন্ত রাজ্যের নাগরিক সমাজ বা কোনো সংগঠনের পক্ষ থেকে বড় কোনো আপত্তি কিংবা প্রশ্ন তোলা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজবাড়ী গোয়ালন্দের কৃতি সন্তান ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি সাদিক মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


রাজবাড়ী গোয়ালন্দের কৃতি সন্তান ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি সাদিক মারা গেছেন

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে কচুরিপানা পরিষ্কার করার সময় স্পিডবোট থেকে পড়ে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া ফায়ার সার্ভিসের রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত ডুবুরি সাদিকের (২৬) মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। দীর্ঘ ৮ ঘণ্টার তল্লাশি অভিযান শেষে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলের অদূরে কেরোসিন ঘাট এলাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তার লাশ উদ্ধার করে।

নিহত সাদিক রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ বাজারের কুমড়াকান্দি এলাকার আশরাফ উদ্দিনের ছেলে। গত বছর তিনি সেরা ডুবুরি হিসেবে ফায়ার সার্ভিস পদক পেয়েছিলেন।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর নিতাইগঞ্জের ফায়ার ঘাট এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। সাদিকসহ তিনজন নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের জেটির সামনে জমে থাকা কচুরিপানা পরিষ্কারের কাজ করছিলেন। দ্রব্যটি পরিষ্কারের কাজ করার সময় স্পিডবোটের সামনের দিকে থাকা সাদিক ঢেউয়ের ধাক্কায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যান।

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও জানান, স্পিডবোটে থাকা অপর দুই সদস্যের বর্ণনা অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে, পানিতে পড়ার সময় সাদিক মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছিলেন। তবে তিনি একজন অত্যন্ত প্রশিক্ষিত ডুবুরি ছিলেন, তাই কোনো আঘাত না পেলে এভাবে নিখোঁজ হওয়ার কথা নয়।

নিখোঁজ সহকর্মীকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ ডুবুরি দলের পাশাপাশি কোস্টগার্ডের সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন। দীর্ঘ ৮ ঘণ্টা চেষ্টার পর অবশেষে কেরোসিন ঘাট এলাকা থেকে উদ্ধারকারীরা তার মরদেহ উদ্ধার করতে সমর্থ হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাহদী আমিনের সঙ্গে আইওএম প্রধানের বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


মাহদী আমিনের সঙ্গে আইওএম প্রধানের বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম)-এর চিফ অব মিশন লরা টম বন্ডের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে।

আজ শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।

সাক্ষাতে বাংলাদেশে অভিবাসন ব্যবস্থাপনা আরো শক্তিশালী করা, নিরাপদ শ্রম অভিবাসনের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং অভিবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।

মাহ্‌দী আমিন ওইদিন বাংলাদেশ থেকে অন্যান্য দেশে জনশক্তি রপ্তানির নতুন বাজার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে ও নতুন আন্তর্জাতিক বাজারে দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর সুযোগ বৃদ্ধি, শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং বৈদেশিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জনশক্তি গড়ে তুলতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথা তিনি তুলে ধরেন।

একই সঙ্গে তিনি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ উপায়ে নারী শ্রমিকের বিদেশে কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। এ সময় নিরাপদ, সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছভাবে ও কম খরচে অভিবাসন প্রক্রিয়া কীভাবে আরও সম্প্রসারণ করা যায়, প্রযুক্তিনির্ভর ও জবাবদিহিমূলক সেবা নিশ্চিত করা যায় এবং বিদেশগামী কর্মীদের জন্য সহজতর অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়, এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আইওএম প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে তাদের চলমান কার্যক্রম তুলে ধরে এবং সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করে। বিদেশগামী কর্মীদের জন্য অত্যাধুনিক সেবা, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং সরকারি উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাসও দেয় সংস্থাটি।

বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের অংশীদারিত্বে গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যানের আসন্ন উদ্বোধনের প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বিশ্বকাপের হাফ টাইম শো

শিক্ষা খাতে ১০ কোটি ডলার তহবিল গঠনের পরিকল্পনা ফিফার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


শিক্ষা খাতে ১০ কোটি ডলার তহবিল গঠনের পরিকল্পনা ফিফার

ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবার ফাইনালে দেখা যাবে সুপার বোলের আদলে একটি জমকালো হাফটাইম শো। আয়োজকদের পরিকল্পনার অনুযায়ী, এই ফাইনালের বিরতি স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দীর্ঘ হয়ে ২০ থেকে ২৫ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে। তবে এটি শুধুমাত্র বিনোদনের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে না।

ফিফা জানাচ্ছে, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য এই হাফটাইম শো একই সাথে বিশ্বব্যাপী তহবিল সংগ্রহের একটি মঞ্চ হিসেবেও কাজ করবে। এর লক্ষ্য হচ্ছে অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী বিশ্বজুড়ে শিশুদের শিক্ষা ও ফুটবলের সুযোগ সম্প্রসারণের জন্য ১০ কোটি (১০০ মিলিয়ন) ডলার সংগ্রহ করা।

এই হাফটাইম শোটি ‘ফিফা গ্লোবাল সিটিজেন এডুকেশন ফান্ড’-এর একটি অংশ। এটি ফিফা এবং ‘গ্লোবাল সিটিজেন’-এর একটি যৌথ উদ্যোগ। যার উদ্দেশ্য হচ্ছে বিশ্বজুড়ে মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করা। এই শোটি সাধারণ বিরতি হিসেবে নয়, বরং সচেতনতা বৃদ্ধি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের একটি প্রধান কেন্দ্রে পরিবর্তিত হবে। বিশ্বকাপের বিশাল দর্শককে কাজে লাগিয়ে সরকার, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সমর্থন ও সহায়তা সংগ্রহ করা হবে।

বিশ্বকাপের ফাইনালটি ইতিহাসের অন্যতম সর্বদা দেখা ক্রীড়া ইভেন্ট হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই বিশাল পরিসরকে মাঠের গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তব জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলার একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই বিশেষ মুহূর্তটি বিশেষ গুরুত্ব এবং বিশালতার সঙ্গে, হাফটাইম শোতে থাকছে বিশ্বখ্যাত শিল্পীদের এক জমকালো সমাহার। এতে পারফর্ম করবেন ম্যাডোনা, শাকিরা, বার্না বয়, বিটিএস এবং জাস্টিন বিবার; পাশাপাশি থাকবে ‘পিএস ২২ কোরাস’ ও ‘কোল্ডপ্লে’-এর বিশেষ পরিবেশনা।

এই অনুষ্ঠানের আয়োজক হিসেবে রয়েছেন কোল্ডপ্লে-এর প্রধান শিল্পী ক্রিস মার্টিন; তার এই সম্পৃক্ততা ‘গ্লোবাল সিটিজেন’ এবং সঙ্গীত-কেন্দ্রিক বড় মাপের প্রচারণামূলক অনুষ্ঠানের মধ্যে সম্পর্কের প্রতিফলন। উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের বড় বড় তারকাদের একত্রিত করে এমন এক সাংস্কৃতিক আবহ তৈরি করা যা সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং সেই মনোযোগকে কাজে লাগিয়ে বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

এই উদ্যোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ‘ফিফা গ্লোবাল সিটিজেন এডুকেশন ফান্ড’। দাতব্য অনুদান, করপোরেট অংশীদারিত্ব এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের দ্বারা ১০ কোটি ডলার তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে চলেছে। এই প্রচারণার উদ্দেশ্য হলো বড় দাতাদের কাছ থেকে সহায়তার প্রতিশ্রুতি আদায় করা এবং সাধারণ ভক্তদের সচেতনতা ও ডিজিটাল সম্পৃক্ততার মাধ্যমে এই আয়োজনে অংশ নিতে উৎসাহিত করা।

সংগ্রহীত অর্থ ২০০টির বেশি দেশে তৃণমূল পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে সহায়তা করবে। এর একটি অংশ ‘ফুটবল ফর স্কুলস’-এর মতো উদ্যোগে ব্যয় করা হবে; এটি ফিফা ও ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগ, যা খেলাধুলার মাধ্যমে পড়াশোনা ও জীবনদক্ষতা বিকাশে কাজ করে।

বিশ্বকাপ কেন এর জন্য উপযুক্ত মঞ্চ, জানতে চাইলে বলা যায়, বিশ্বকাপ কেবল ফুটবল খেলা নয়। এটি এমন একটি আয়োজন, যা বিভিন্ন সংস্কৃতি, ভাষা ও ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে কোটি কোটি মানুষকে একত্রিত করতে সক্ষম। চরম দারিদ্র্য বিমোচনে নিবেদিত সংস্থা ‘গ্লোবাল সিটিজেন’ এমন সব মুহূর্তকে কাজে লাগানোর ভিত্তিতে কার্যক্রম সাজিয়েছে। তারা বিনোদন, জনসচেতনতা ও নীতি-নির্ধারণী উদ্যোগ একত্রিত করে কাটাকাটি পরিবর্তন আনার চেষ্টা করে।

সংস্থাটির হিসেবে, গত এক দশকে তারা ৫০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি আদায় করেছে, যা বিশ্বের ১০০ কোটিরও বেশি মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলেছে। আর এখন বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি তাদের জন্য সবচেয়ে বড় মঞ্চ হয়ে উঠছে।

এই ‘হাফটাইম শো’ বা বিরতিকালীন অনুষ্ঠানটি বৈশ্বিক ক্রীড়া আয়োজনের ব্যবহারের ক্ষেত্রে এক নতুন ধারার সূচনা করছে। এটি কেবল জমকালো প্রদর্শনী নয়, বরং এই মঞ্চের সক্ষমতাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার একটি প্রচেষ্টা। খেলাধুলা, সঙ্গীত ও সামাজিক আন্দোলনের সমন্বয়ে ফিফা ও গ্লোবাল সিটিজেন এমন এক প্রত্যাশা নিয়ে এগোচ্ছে, যাতে চলতি আসরের ফাইনাল ম্যাচটি কেবল মাঠের খেলার জন্যই নয়, বরং মাঠের বাইরে অর্জিত সাফল্যের জন্যও স্মরণীয় হয়ে থাকে। আর যদি ১০ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়, তবে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই হাফটাইম শো-এর প্রভাব খেলার শেষ বাঁশি বাজার পরও দীর্ঘকাল টিকে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবে কুকুরের খাওয়া বিস্কুট খেয়ে শিশুর মৃত্যু, মা হাসপাতালে আশঙ্কাজনক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব কিশোরগঞ্জ

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩১ পি.এম


ভৈরবে কুকুরের খাওয়া বিস্কুট খেয়ে শিশুর মৃত্যু, মা হাসপাতালে আশঙ্কাজনক

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে প্রতিবেশীর পোষা কুকুরের ফেলে দেওয়া বিস্কুট খেয়ে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে রবিউল মিয়া (৪) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এই ঘটনায় শিশুটির মা রুনা বেগম জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে রুনা বেগম ঢাকার মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিহত শিশুটির নাম রবিউল, যিনি কালিপুর দক্ষিণ পাড়া এলাকার মিজান মিয়ার ছেলে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জুন রবিউল নিজ বাড়ির সামনে খেলাধুলা করছিল। তখন প্রতিবেশী মুসা মিয়ার স্ত্রী তাদের পোষা কুকুরকে বিস্কুট খেতে দেয়। কুকুরটি অর্ধেক বিস্কুট খাওয়ার পর বাকি অংশটি ফেলে দেয়। শিশুটি অজ্ঞতাবশত সেই বিস্কুটটি কুড়িয়ে খেয়ে ফেলে। এরপর থেকেই শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়তে থাকে।

পরিবারের সদস্যরা জানালেন, অসুস্থ রবিউলকে প্রথমে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে জলাতঙ্কের টিকা (ভ্যাকসিন) না থাকায় তাকে আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। বুধবার (১৫ জুলাই) শিশুটির শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটলে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাজিতপুরের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থার আরও অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় রেফার্ড করেন। ঢাকা যাওয়ার পথে নরসিংদী এলাকায় শিশুটি মারা যায়।

নিহত শিশুটির বাবা মিজান মিয়া অভিযোগ করে বলেন, প্রতিবেশী মুসা মিয়ার পরিবার নিয়মিত বাড়ির সামনের খোলা জায়গায় তাদের পোষা কুকুরকে খাবার দিত। এ ব্যাপারে একাধিকবার নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা কর্ণপাত করেনি। তাদের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের কারণে আমার শিশুসন্তানের প্রাণ গেলো। আমি দোষীদের বিচারের দাবি জানাই।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। আমরা পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছি এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%