০১:৪৯ এম
মাহফুজ আলম, যিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা, মন্তব্য করেছেন যে বিএনপি বিরোধিতা করতে গিয়ে ‘জাশি’র (জামায়াত-শিবির) কোলে ওঠার খেসারত দিতেই হবে। গত বৃহস্পতিবার তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে এই বক্তব্য প্রদান করেন।
‘জুলাই পরবর্তী রাজনীতির আজব দশা’ শিরোনামে প্রকাশিত ওই পোস্টে মাহফুজ আলম উল্লেখ করেন, অন্তরীণ (অন্তর্বর্তী) সরকারের সময় থেকেই সেকুলার সিভিল সোসাইটি, ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের জাশি অ্যান্ড ৭২ আদার্সের প্রতি সাষ্টাঙ্গ প্রণাম প্রদর্শন করতে দেখা গেছে। তিনি বলেন, ক্ষমতার জন্য এবং সংস্কারের নামে বিএনপি বিরোধিতার উদ্দেশ্যে যারা আসলে আজীবন কালচারালি লীগ ছিলেন, তাদের জাশির কোলে ওঠার আপ্রাণ চেষ্টা লক্ষ্য করেছেন। কোলে ওঠার পর অনেকে নামতে পারবে না দেখে, এখনো জাশির কোলবন্দি হয়ে আছেন।
তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল মবের চাপে অনেককে ডানপন্থি থেকে উগ্র-ডান হিসেবে পরিবর্তিত হতে দেখা গেছে। এসব ডিজিটাল মব আসলে সিস্টেমেটিক প্রোপাগান্ডা ও ক্যারেক্টার অ্যাসাসিনেশন মেকানিজম। এই মেকানিজমকে এড়িয়ে যাওয়ার উপায় খুব সহজ নয়। দেশ বর্তমানে (উগ্র) ডানপন্থার ট্রেনে উঠে গেছে। বিভিন্ন ধরনের নরম-গরম ডান মিলে এটি নিশ্চিত করবে। মাহফুজ আলম বলেন, সংস্কারের নামে (ক্ষমতার জন্য?) বিএনপি বিরোধিতা করতে গিয়ে জাশির কাছে যাওয়ার খেসারত সেকুলার সমাজকে দিতে হবে। ট্রাডিশনাল আলেম সমাজকেও জাশিকে সার্ভিস দেওয়ার খেসারত দিতে হবে। এখানে কেবলই জাশির লাভ। লাভের গুড় খাওয়ার পর দুই গোষ্ঠীকেই ছুড়ে ফেলা হবে।
আরও পড়ুন: সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের
তিনি উল্লেখ করেন, গুড টাইম ইজ কামিং ফর জাশি অ্যান্ড ৭২ আদার্স। এই আশু ভবিষ্যত পাল্টানোর ক্ষমতা আপাতত কারো নেই। আর, জাশি যত গুড টাইমে যাবে, ততই লীগ ফেরা অনিবার্য হয়ে উঠবে। মাহফুজ আলম বলেন, উই আর গোয়িং ব্যাক টু সেভেন্টি-ওয়ান। যেখানে বিএনপির একাংশ জাশির দুনিয়ায় এবং অন্য অংশ লীগের দুনিয়ায় বাস করবে। তিনি বাকিদের আপাতত জাশি প্রযোজিত কালচারাল ওয়ারে নিজেদের ব্যস্ত রাখার পরামর্শ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন