ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জবিতে এবার খেলাফত ছাত্র মজলিসের গরুভোজের ঘোষণা, থাকছে কাওয়ালি


জবিতে এবার খেলাফত ছাত্র মজলিসের গরুভোজের ঘোষণা, থাকছে কাওয়ালি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) পশু জবাইয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক নির্দেশনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস শনিবার গরুভোজের আয়োজন করছে। এই অনুষ্ঠানে গরুর মাংসের তেহারি বিতরণের পাশাপাশি সন্ধ্যায় কাওয়ালি অনুষ্ঠানও থাকবে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে গরু জবাইয়ের পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন আয়োজকেরা। বিকেল সাড়ে ৩টায় কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তেহারি বিতরণ করা হবে।

আয়োজক সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য জনপ্রতি ৪০ টাকা নিবন্ধন ফি ধার্য করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৮০ হাজার টাকায় একটি গরু কেনা হয়েছে। ভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য খাসির মাংসের ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছে। খাসি না পাওয়া গেলে বিকল্প হিসেবে খাসির কাচ্চি সরবরাহ করা হবে।

আরও পড়ুন: উচ্চশিক্ষায় বৈষম্য কমাতে স্যাটেলাইট টিভি চালুর পরিকল্পনা ইউজিসির

বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যসচিব ওবায়দুল ইসলাম বলেন, "আমরা জবি ক্যাম্পাসে সবার মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক চাই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পশু জবাই থেকে বিরত থাকার নির্দেশনার প্রতিবাদে আগামীকাল গরু জবাই করে ভোজের ব্যবস্থা করব। অন্য ধর্মের ভাইদের জন্যও খাসির ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছি। খাসি না পাওয়া গেলে তাদের জন্য খাসির কাচ্চির ব্যবস্থা করা হবে।"

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে এ আয়োজনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সন্ধ্যায় কাওয়ালি অনুষ্ঠানের আয়োজনের কথাও নিশ্চিত করেছেন তিনি।

এদিকে, প্রথমে আপত্তি জানালেও পরে শর্তসাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্মসূচির অনুমতি দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আজম খান বলেন, "আজ শিক্ষার্থীরা গরুভোজ করেছে। এতে আমাদের আপত্তি থাকলেও আজকের পরিবেশ যথেষ্ট ভালো ছিল এবং সবকিছু সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আগামীকাল খেলাফত ছাত্র মজলিস আবারও গরুভোজ করতে চাচ্ছে। আমরা প্রথমে অনুমতি দিতে চাইনি। তবে সংগঠনটির নেতা মামুনুর রশিদ উপাচার্যকে ফোন করে অনুরোধ করেছেন। পরে শর্ত সাপেক্ষে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।"

তিনি আরও জানান, "শুক্রবারের কর্মসূচি যে স্থানে অনুষ্ঠিত হয়েছে, শনিবারও একই স্থানে আয়োজন করতে হবে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।"

আরও পড়ুন: ইবিতে ‘সান্ধ্য আইন’ জারির খবর গুজব: উপাচার্য সতর্কতা

উল্লেখ্য, গত ১৪ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ক্যাম্পাসের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সব ধরনের পশু জবাই থেকে বিরত থাকতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অনুরোধ জানানো হয়। ওই নির্দেশনার প্রতিবাদে শুক্রবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভবন ও গণিত বিভাগের মধ্যবর্তী সড়কে গরু জবাই করেন শিক্ষার্থীরা। পরে গরু ও খাসির মাংস দিয়ে ভোজের আয়োজন করা হয়। এর এক দিন পর একই দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিয়াল মাদ্রিদ লা লীগার সভাপতি তেবাসের পদত্যাগের দাবি জানাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২১ এম


রিয়াল মাদ্রিদ লা লীগার সভাপতি তেবাসের পদত্যাগের দাবি জানাল

রেফারিং নিয়ে অভিযোগ এবং পাল্টা মন্তব্যের প্রেক্ষাপটে লা লিগা সভাপতি হাভিয়ের তেবাসের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। মাদ্রিদ ডার্বিতে আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে ২-১ গোলে পরাজয়ের পর রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল রিয়াল। এরপর তেবাস সেই অভিযোগকে প্রকাশ্যে উপহাস করায় স্প্যানিশ ক্লাবটি তাঁর পদত্যাগ দাবি করেছে।

মেট্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে হারের পর রেফারি অর্তিস আরিয়াস এবং ভিডিও সহকারী রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে রিয়াল। বিশেষ করে জুড বেলিংহামের হাঁটুতে কুতির রোমেরোর পা তুলে দেওয়া এবং ফেদেরিকো ভালভার্দের বাঁ গোড়ালিতে লি কাং-ইনের পা দেওয়ার ঘটনায় লাল কার্ড না দেখানো নিয়ে প্রশ্ন তোলে তারা।

রিয়ালের অভিযোগের পর লা লিগা সভাপতি তেবাস পাল্টা মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, রেফারিরা পরিকল্পিতভাবে রিয়ালের বিপক্ষে কাজ করছেন—এমন ধারণাকে তিনি উড়িয়ে দেন। তাঁর মতে, মাঠের ব্যর্থতা আড়াল করতে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা হচ্ছে। রেফারিংয়ের দিকে আঙুল তোলার চেয়ে মাঠে কী ঘটছে, সেটির ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন তিনি।

তেবাসের এই বক্তব্য রিয়াল কর্তৃপক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। ক্লাবটি এক বিবৃতিতে জানায়, লা লিগার সভাপতি তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থান ব্যবহার করে নিয়মিত রিয়ালকে হেয় ও আক্রমণ করছেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। স্পেনের পেশাদার ফুটবলের জন্য এমন একজন নেতৃত্ব প্রয়োজন, যিনি নিরপেক্ষভাবে প্রতিযোগিতা পরিচালনা করতে পারবেন—এমন দাবি জানিয়ে তেবাসের পদত্যাগের আহ্বান জানানো হয়েছে রিয়াল থেকে।

তেবাসের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে বিশেষভাবে গুরুতর বলেও উল্লেখ করেছে ক্লাবটি। রিয়ালের ভাষ্য, একজন দায়িত্বশীল প্রশাসকের পক্ষে অন্য একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত স্বাধীন সাংবাদিকের লেখাকে কেন্দ্র করে কোনো ক্লাবের ক্রীড়া কৌশল নিয়ে মন্তব্য করা অনুচিত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন।

ডার্বির রেফারিং নিয়েও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে রিয়াল। ক্লাবটির দাবি, অর্তিস আরিয়াসের বাজে রেফারিংয়ের কারণে ম্যাচটি বিতর্কিত হয়ে উঠেছে। প্রথমার্ধে বেলিংহামের হাঁটুতে রোমেরোর পা দেওয়ার ঘটনায় লাল কার্ড না দেখানো এবং ভালভার্দের গোড়ালিতে লি কাং-ইনের চ্যালেঞ্জের পরও একই শাস্তি না দেওয়ার বিষয়টি আলাদাভাবে তুলে ধরেছে তারা।

ম্যাচের ফলও রিয়ালের জন্য পরিস্থিতি জটিল করেছে। ডিন হুইসেন পেনাল্টি এলাকায় জিউলিয়ানো সিমিওনেকে টেনে ধরায় লাল কার্ড দেখেন। সেখান থেকে পাওয়া পেনাল্টিতে গোল করেন আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো। পরে জোনাথন ডেভিড আতলেতিকোর ব্যবধান বাড়ান। দশজনের দল নিয়ে খেলা রিয়ালের হয়ে শেষ দিকে একটি গোল শোধ করেন আন্তোনিও রুডিগার। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়ে রিয়াল।

এই হারের পর লিগের পয়েন্ট তালিকায় চতুর্থ স্থানে নেমে গেছে রিয়াল মাদ্রিদ। অপরাজিত বার্সেলোনা শীর্ষে রয়েছে, আর রিয়ালের ওপরে আছে আতলেতিকো মাদ্রিদ ও রিয়াল বেতিসও। বার্সেলোনার সঙ্গে রিয়ালের ব্যবধান এখন ছয় পয়েন্ট।

ফলে শিরোপার লড়াইয়ের পাশাপাশি রিয়াল-লা লিগা দ্বন্দ্বও নতুন মাত্রা পেয়েছে। কোচ হোসে মরিনিওকে এখন মাঠের বাইরের বিতর্ক সামলে দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। একই সঙ্গে ডার্বিতে চোট পাওয়া বেলিংহাম ও ভালভার্দের শারীরিক অবস্থাও নজরে থাকবে। তবে রেফারিং নিয়ে রিয়াল ও লা লিগার নেতৃত্বের এই সংঘাত আপাতত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসি-পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার প্রথম প্রতিপক্ষ উরুগুয়ে ও কোস্টারিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২২ এম


মেসি-পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার প্রথম প্রতিপক্ষ উরুগুয়ে ও কোস্টারিকা

লিওনেল মেসি ছাড়া নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল। বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা আগামী নভেম্বরের ফিফা আন্তর্জাতিক বিরতিতে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা করেছে। এই সময়ে আলবিসেলেস্তেদের প্রতিপক্ষ হিসেবে উরুগুয়ে ও কোস্টারিকা থাকবে।

সূচি অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা আগামী ১৩ নভেম্বর বুয়েনস আইরেসে উরুগুয়ের বিরুদ্ধে খেলতে যাচ্ছে। টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঐতিহাসিক লা বোমবোনেরা স্টেডিয়ামে ম্যাচটি আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে লা প্লাতার এস্তাদিও উনিকো স্টেডিয়ামও বিবেচনায় ছিল। তবে সেখানে সংস্কারকাজ চলমান থাকায় লা বোমবোনেরাই এগিয়ে রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিরতির দ্বিতীয় ম্যাচটি ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। কোস্টারিকার বিরুদ্ধে কর্ডোবার মারিও আলবার্তো কেম্পেস স্টেডিয়ামে খেলবে আর্জেন্টিনা। এর আগে এই শহরে বলিভিয়াকে হারিয়ে ছিল তারা।

এই দুটি ম্যাচের মাধ্যমে মেসি ছাড়া আর্জেন্টিনার নতুন পথচলার আনুষ্ঠানিক সূচনা হতে যাচ্ছে। বেনিনের বিপক্ষে নিজেদের শেষ ম্যাচে বুয়েনস আইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্তালে আবেগঘন পরিবেশে জাতীয় দলের জার্সিতে নিজের ঐতিহাসিক অধ্যায়ের ইতি টেনেছেন মেসি, যিনি সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার।

এছাড়া, বছরের শেষ আন্তর্জাতিক বিরতিতে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলতে দেখা যাবে না অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দিকেও। তার অনুপস্থিতিতে ক্রিস্তিয়ান রোমেরোকে দলের নতুন অধিনায়ক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে, আসন্ন ট্রেনিং ক্যাম্পে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির চুক্তি নবায়নের বিষয়টিও আরও এগোতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২৭ সালের মার্চে পরবর্তী বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব শুরুর আগে দল গোছানোর গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে এই দুটি ম্যাচকে কাজে লাগাতে চান স্কালোনি। নতুন খেলোয়াড়দের পরীক্ষা করার পাশাপাশি দলের কৌশল ও একাদশ নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে পারেন তিনি।

মেসি ও ওতামেন্দিকে ছাড়াই নতুন নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা কতটা কার্যকর ফুটবল খেলতে পারে, উরুগুয়ে ও কোস্টারিকার বিপক্ষে ম্যাচ দুটি হবে তারই গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৬ এম


দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উল্লেখ করেছেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই দেশে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

তিনি আরও জানান, সরকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়গুলোর পরিচালনা, সংস্কার ও উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করছে। পুরোহিতদের মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়ার পাশাপাশি হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রমকে আরও জোরদার করা হচ্ছে। ধর্মীয় কল্যাণমূলক অনুদান ও ব্যবস্থাপনায় কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ‘শারদীয় দুর্গোৎসব’ উপলক্ষে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) এক বাণী প্রদান করেছেন। তিনি বাণীতে দেশে ও বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশের সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, দুর্গাপূজা বাংলাভাষী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। শরতের নির্মল আকাশ, শুভ্র কাশফুল এবং উৎসবের আনন্দঘন আবহ প্রতিবছর দেবী দুর্গার আগমন তার ভক্তদের হৃদয়ে নতুন আশা ও কল্যাণের প্রত্যয় জাগায়। দুর্গোৎসবের অন্তর্নিহিত বাণী হলো অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের জয়। অন্যায়, অসত্য ও অমানবিকতার বিরুদ্ধে ন্যায় ও মানবতার চিরন্তন আহ্বান।

তিনি আরও বলেন, এ দেশের হিন্দু সম্প্রদায় দীর্ঘকাল ধরে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করে আসছে। এটি আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি অনন্য উদাহরণ। দুর্গাপূজা শুধুমাত্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং এর সঙ্গে মিশে আছে চিরায়ত বাংলার সমাজ-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। এই উৎসবে সমাজের সব স্তরের মানুষ সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ হন।

মানুষে-মানুষে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত হয়। রাষ্ট্রপতি কামনা করেন, শারদীয় দুর্গোৎসব সত্য-সুন্দরের আলোকে ভাস্বর হয়ে উঠুক এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হোক।

তিনি বলেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায় যেন নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নির্ভয়ে, স্বাধীন, নিরাপদ ও আনন্দমুখর পরিবেশে পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রতিটি ধর্মই মানুষকে সত্য, ন্যায়, সংযম ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়। অন্যায় ও অসত্য থেকে দূরে রাখে এবং মুক্তির পথ দেখায়। রাষ্ট্রপতি সকলকে আহ্বান জানান, যার-যার ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা উচিত এবং মানবতার কল্যাণে নিবেদিত হওয়া উচিত। ধর্ম, বর্ণ বা সাম্প্রদায়িক পরিচয়ের কারণে কোনো মানুষ যেন বৈষম্য, বঞ্চনা কিংবা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হন, তার নিশ্চয়তা বিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রের এবং আমাদের সবার।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ সমাজের অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে পড়ুক। রাষ্ট্রপতি বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব হিন্দু সম্প্রদায়ের সবার জীবনে অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক। সব ভেদাভেদ ভুলে মানবতা, ন্যায় ও কল্যাণের বার্তা ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ুক- এটাই তার একান্ত প্রত্যাশা।

তিনি শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেশে ও বিদেশে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা ক্লাবের ৮৩ রানের জয়, গুলশানকে উড়িয়ে দিল আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০১ এম


ঢাকা ক্লাবের ৮৩ রানের জয়, গুলশানকে উড়িয়ে দিল আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে

এবিজি স্পোর্টস সিটির আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ৩০ ওভারের প্রীতি ম্যাচে গুলশান ক্লাবকে ৮৩ রানে পরাজিত করেছে ঢাকা ক্লাব। ব্যাটিংয়ে আরসলান রহমানের ৭৩ রানের ইনিংসের পাশাপাশি বল হাতে প্রতিপক্ষের চার উইকেট দখল করে জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এনায়েত।

ঢাকা ক্লাব প্রথমে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ৩০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২০৮ রান সংগ্রহ করে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেন আরসলান রহমান, যিনি ৭৩ রান করেন।

তিনি ৬১ বলের ইনিংসে আটটি চার মারেন। তানভীর ৩১ বল খেলে অপরাজিত ৩৯ রান করেন। মশিউর আলম মিঠুনের ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান, মোহাম্মদ আলী আজম করেন ২০ এবং শাবাব জামিলের রান ১৬।

গুলশান ক্লাবের বোলারদের মধ্যে সানবীর আহমেদ ও গুদ্দু দুটি করে উইকেট নেন। আলী শাহ, তানভীর পাশা ও রায়ান শরীফ দীপ্র একটি করে উইকেট দখল করেন।

জয়ের জন্য ২০৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গুলশান ক্লাব শুরু থেকেই চাপের মধ্যে পড়ে। প্রথম ওভারেই সৈয়দ নওশাদকে হারায় তারা, যিনি চার বলে আট রান করে ফিরে যান। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে দলটি বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

ফারহান ১০ রান করে আউট হওয়ার পর এহসানও ফিরে যান। এরপর আমির বেশিক্ষণ উইকেটে টিকতে পারেননি। মশিউর আলম মিঠুনের স্পিনে ৬ বলে ৯ রান করে তিনি ফেরেন। নিজের পরের ওভারে আবার উইকেট তুলে নিয়ে প্রতিপক্ষকে আরও চাপে ফেলেন মিঠুন। পরে তানভীরকে ফিরিয়ে দেন এনায়েত।

মধ্যে গুদ্দু ও হার্শের ব্যাটে গুলশান ক্লাব কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। দুজনের জুটিতে আসে ৩২ রান। ২১ বলে ৩২ রান করে হার্শ আউট হলে সেই প্রতিরোধ ভেঙে যায়। এরপর ২৪ বলে ১৮ রান করা গুদ্দুকেও ফিরিয়ে দেন এনায়েত।

শেষদিকে সানবীর আহমেদকে বোল্ড করে নিজের চতুর্থ উইকেট পূর্ণ করেন এনায়েত। অন্যদিকে শেষ ব্যাটার রায়ানকে ফিরিয়ে গুলশান ক্লাবের ইনিংসের সমাপ্তি টানেন জায়ান।

অবশেষে ২৪.৩ ওভারে ১২৫ রানে গুটিয়ে যায় গুলশান ক্লাব। ফলে ৮৩ রানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ঢাকা ক্লাব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%