ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

“প্রধানমন্ত্রীকে মাথায় হাত রেখে দোয়া করলেন বৃদ্ধা”


“প্রধানমন্ত্রীকে মাথায় হাত রেখে দোয়া করলেন বৃদ্ধা”

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করেছেন স্থানীয় এক বৃদ্ধা।

এর আগে বুধবার (১৭ জুন) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী এক বছরের মধ্য চা বাগানের সব নারী শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে নারী ও পুরুষ একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নারীদের স্বাবলম্বী করতে না পারলে তাদের এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন: সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

তিনি সরকারী লক্ষ্য হিসেবে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করার কথা বলেন এবং জানান যে, শ্রীমঙ্গলে ১৫০ চা শ্রমিকের সন্তানদের স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আগামী ১ বছরে ৪০ লাখ কৃষক কার্ড বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিএনপি বরাবর দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায় জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ৫ বছরে উপজেলার ৫০ বেডের হাসপাতাল ১০০ বেডে উন্নীত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের যে জন্য বাজেট প্রদান করা হয়েছে, একটি দল বলে এটা নাকি জনবিরোধী বাজেট। যারা জনপ্রিয় বাজেটকে জনবিরোধী বলছেন, তারা জনগণের বন্ধু হতে পারেন না। জনগণকে বিভ্রান্ত করা যারা চেষ্টা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

মৌলভীবাজারের উন্নয়নে বিএনপির অবদান স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, এই যে মৌলভীবাজারের যতগুলো বড় বড় রাস্তা, স্কুল-কলেজ দৃষ্টিগোচর হয়েছে, খোঁজ করে দেখুন, এগুলো সব বিএনপির। মরহুম সাইফুর রহমান সাহেবের সময় এই কাজগুলো হয়েছিল।

তিনি উল্লেখ করেন, আমরা হচ্ছি খালেদা জিয়ার সৈনিক। বাংলাদেশই হচ্ছে আমাদের প্রথম ঠিকানা এবং বাংলাদেশই হচ্ছে আমাদের শেষ ঠিকানা।

আরও পড়ুন: ২০৩৪ সালের মধ্যে জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াবে প্রধানমন্ত্রীর আশা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে মামুলি লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০৭ পি.এম


প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে মামুলি লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ

সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ ১৩১ রানে অলআউট হয়ে যায়। শুরুতে ব্যাটিং ব্যর্থতার পরে শেখ মেহেদীর ২২ বলে ২৯ রানের ইনিংসে ভয় করে মামুলি সংগ্রহ দাঁড় করাতে সক্ষম হয় টাইগাররা।

বুধবার চট্টগ্রামে যখন বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে নামে, তখন দুটি অঙ্ক ছোঁয়ার আগেই ওপেনার তানজিদ হাসান সাজঘরের পথে ফিরে যান। বাংলাদেশের ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই শুরুর জুটি ভেঙে দেন স্পেন্সার জনসন। অফ স্টাম্পের বাইরের বলটি খেলতে গিয়ে টাইমিং করতে ব্যর্থ হয়ে টাইমিংয়ের অভাবজনিত কারণে ক্যাচ তুলে দেন জেভিয়ার বার্টলেটের হাতে। ফলে ৯ বলে তিনি ১০ রানে থেমে যান।

তাঁর বিদায়ের মাধ্যমে ১৭ বলে ২৬ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙা যায়। এরপর কিছুটা আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন সাইফ হাসান। তবে পাওয়ার প্লের মধ্যেই সাজঘরের পথ ধরেন তিনি। অফ স্পিনার ম্যাট রেনশের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ১৪ বলে ২০ রান করা সাইফ মিড অফে ক্যাচ দেন।

এক প্রান্তে উইকেট পড়লেও অন্য প্রান্তে আগ্রাসীভাবে শুরু করেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। উইকেটে এসে তিনি ছক্কা হাঁকিয়ে ইনিংস শুরু করেন, তবে তাঁর ইনিংসও বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। অ্যাডাম জাম্পার গুগলি বুঝতে পারলে তিনি বোল্ড হয়ে ফিরে যান। ৫ বলে ৮ রান করেন এই ব্যাটার।

হৃদয়ের বিদায়ের পরে সৌম্য সরকারের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন পারভেজ হোসেন। কিন্তু সাত ওভারের শেষে দলের রান যখন তিন উইকেটে ৫৭, তখন আবারও বাংলাদেশ বড় ধাক্কা খায়। সৌম্য সরকার আক্রমণাত্মক শট খেলতে গিয়ে বিদায় নেন। লেগ স্পিনার জাম্পার বলে তাঁর শটটি ডিপ কাভারে দৌড়ে এসে তালুবন্দি করেন নিখিল চৌধুরি। ১৮ বলে তিনি ১৭ রান করেন।

নবম ওভারে বাংলাদেশের রান চার উইকেটে ৬৮ দাঁড়ায়। এরপর উইকেটে আসেন অভিষিক্ত অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাইকলাইন। ইনিংসের মাঝপথে আঘাত হানের বাঁহাতি স্পিনার জোয়েল ডেভিস। নিজের দ্বিতীয় বলেই উইকেট তুলে নিয়ে পারভেজ হোসেনকে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে ধরা পড়ান। ১২ বলে ১০ রান করে তিনি ফিরে যান।

অভিষেকে আলো ছড়াতে পারেননি আবদুল গাফফার সাকলাইন। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ১০ বলে ১০ রান। এছাড়া, ব্যাট হাতে ব্যর্থ শামীম হোসেন পাটোয়ারী ৪ বলে ১ রান করেন।

একেবারে শেষ উইকেট জুটিতে জ্বলে ওঠেন শেখ মেহেদী হাসান। উইকেটের চারপাশে দারুণ সব শটে রান বের করেছেন তিনি। খেলেছেন অসাধারণ সব রিভার্স সুইপ, সুইপ। এতে করে দলের বোর্ডে রান বেড়েছে। শেষের আগের ওভারে মুস্তাফিজুর রহমান আউট হয়ে যাওয়ার পর ১৯ ওভারে ১৩১ রান তুলে বাংলাদেশ অলআউট হয়। ২২ বলে ২৯ রান করে তিনি শেষ পর্যন্ত টিকে ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৩টি করে উইকেট দখল করেন জোয়েল ডেভিস ও অ্যাডাম জাম্পা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“বড় জয়ের পরও দুশ্চিন্তায় কিমিচ-হাভার্টজরা”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


“বড় জয়ের পরও দুশ্চিন্তায় কিমিচ-হাভার্টজরা”

ফিফা বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো জমে উঠেছে। বড় কোন অঘটন ঘটলে বড় দলগুলো মাঝারি সারির দেশের কাছে পয়েন্ট খোয়াতে বাধ্য হচ্ছে।

তবে প্রথম ম্যাচে নবাগত কুরাসাওকে ৭ গোল দিয়েও স্বস্তি পাচ্ছে না কিমিচ-হাভার্টজরা। তারা অনুশীলন ক্যাম্পে সাপের আতঙ্কে ভুগছে।

গত রবিবার কুরাসাওকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে তারা ফুরফুরে মেজাজে ছিল ‘ডাই ম্যানশ্যাফট’রা। এরপর আইভেরিকোস্টে বিপক্ষে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচের জন্য মাঠে নামার আগে নিজেদের অনুশীলন করছে নর্থ ক্যারোলিনার ডব্লিউ ডেনি স্প্রি সকার স্টেডিয়ামে।

এমন সময় মাঠে দেখা যায় বিষধর সাপ। এরপর থেকে বিশ্বের প্রথম সারির ফুটবলারেরা কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

জার্মান অধিনায়ক কিমিচ এই বিষয়ে বলেন, “অনুশীলনের সময় আমরা একটা সাপ দেখতে পাই। আমাদের বলা হয়েছিল, সাপটা বিষাক্ত। কাউকে ছোবল মারলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। ব্যাপারটা খুব মারাত্মক না হলেও বিপজ্জনক তো বটেই। আমরা জার্মানিতে বেশ নিশ্চিন্তে অনুশীলন করি। সেখানে এমন বিপজ্জনক প্রাণী নেই।”

বিশ্বকাপে সাপের উপদ্রব এই প্রথম নয়। এর আগে সুইৎজ়ারল্যান্ড ও নরওয়ের অনুশীলন ক্যাম্পেও সাপ দেখা গিয়েছে। আমেরিকার যে সব জায়গায় জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে, সেই জায়গাগুলিতে বিভিন্ন রকমের সাপ রয়েছে। কিছু বিষধর প্রজাতির সাপও সেখানে পাওয়া যায়। বিশেষ করে উত্তর ক্যারোলিনার গ্রিনসবরো এলাকায় সাপের দেখা হামেশাই পাওয়া যায়।

স্থানীয় প্রশাসনও সাপের উপদ্রবের কথা মেনে নিয়েছেন। বিশ্বকাপ খেলতে আসা দলগুলোকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, সাপ দেখলে সাথে সাথে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের বলরুম নির্মাণ ব্যয় বেড়ে ৬০০ মিলিয়ন ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


ট্রাম্পের বলরুম নির্মাণ ব্যয় বেড়ে ৬০০ মিলিয়ন ডলার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসের বলরুম নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ৬০০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

বলরুমটির নির্মাণ ব্যয়ের অর্ধেকেরও বেশি অর্থ করদাতাদের কাছ থেকে আসবে বলে মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য দিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।

এর আগে ট্রাম্প এই প্রকল্পের ব্যয় আনুমানিক ৪০০ মিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছিলেন এবং তিনি বারবার দাবি করেছেন যে ব্যক্তিগত দাতারা ও তিনি নিজে এর ব্যয়ভার বহন করবেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নির্মাণ কাজের জন্য নিয়োগ পাওয়া কনট্রাক্টর ক্লার্ক কনস্ট্রাকশন মার্কিন প্রশাসনের জন্য একটি বিস্তারিত প্রাক্কালন ব্যয় প্রস্তুত করেছে। সেখানে প্রকল্পের মোট খরচ ৬০০ মিলিয়ন ডলার ধরা হয়েছে।

গত বছর কংগ্রেসের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়াই হোয়াইট হাউসের ঐতিহাসিক ইস্ট উইং ভেঙে দিয়ে ট্রাম্প এই প্রকল্পের কাজ শুরু করেন।

তবে হোয়াইট হাউস মঙ্গলবার এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, ট্রাম্প ও দাতা প্রতিষ্ঠানেরা প্রকল্পের বড় অংশের অর্থ দিচ্ছেন।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডেভিস ইঙ্গেল বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও উদার আমেরিকান দাতারা প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এই বলরুম নির্মাণ করছেন, যা ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্টদের জন্য একটি নিরাপদ ও উপযুক্ত ভেন্যু হবে।’

তিনি বলেন, সপ্তাহান্তে ট্রাম্প ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানের সময় হোয়াইট হাউসে একটি সশস্ত্র অনুপ্রবেশের চেষ্টার ঘটনা প্রমাণ করে যে বৃহৎ পরিসরের অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ইস্ট উইং আধুনিকায়ন প্রকল্পের প্রয়োজন রয়েছে।

তবে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ওই মাসের শুরুতে হোয়াইট হাউসের জন্য প্রস্তুত করা একটি সারসংক্ষেপে মোট ব্যয়ের পরিমাণ ৬০০ মিলিয়ন ডলার অনুমান করা হয়েছিল, যার মধ্যে মাত্র ২৯৩ মিলিয়ন ডলার ‘ব্যক্তিগত উৎস’ থেকে আসবে।

প্রকল্পটি প্রথম প্রকাশের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, এর ব্যয় হবে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার।

ডেমোক্র্যাটরা এই বিলাসবহুল প্রকল্পকে অতিরিক্ত ব্যয় ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে সমালোচনা করেছেন।

অন্যদিকে, রিপাবলিকানরা আশঙ্কা করছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় ও জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির কারণে আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক ক্ষতি হতে পারে।

গত মাসে নির্মাণস্থল পরিদর্শনকালে ট্রাম্প বলেন, ‘এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি উপহার। সবই আমার ও দাতাদের অর্থে হচ্ছে।’

সূত্র : ওয়াশিংটন পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“বিমানবন্দরে এমপিদের সংসদে যাওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


“বিমানবন্দরে এমপিদের সংসদে যাওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর”

মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সিলেটে আসা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগ থেকে আসা মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ। বিমানবন্দরে নেমে প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে করমর্দন করেন।

সংসদ অধিবেশন চলাকালে সেখানে উপস্থিত এমপিদের সঙ্গে করমর্দনের সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সংসদ সদস্য, সংসদে চলে যান।’

বুধবার (১৭ জুন) সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজ সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানববন্দরে অবতরণ করে।

ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ; সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী; সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিক, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ, বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী; সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাহের শামীম, সিলেটের জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম প্রমুখ।

বিমানবন্দরে একে একে সবার সঙ্গে করমর্দন করেন তারেক রহমান। করমর্দনের সময় উপস্থিত সংসদ সদস্যদের তিনি বলেন, ‘সংসদ সদস্য, সংসদে চলে যান।’

প্রধানমন্ত্রীর এমন পরামর্শের পর মৌলভীবাজার না গিয়ে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে একাধিক সংসদ সদস্য ঢাকায় ফিরে যান। সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী এবং সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ ঢাকায় ফিরে গেছেন বলে বিএনপির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এসব বিষয়ে জানতে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের দেখে বলেন, সংসদ সদস্য, সংসদে চলে যান।’ এর পর কেউ কি ঢাকায় ফিরেছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এমরান আহমদ চৌধুরী ও মোহাম্মদ কয়সর আহমদ ঢাকায় ফিরে গেছেন বলে আমি জেনেছি।’

এদিকে, বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে সকাল সাড়ে ১০টায় সড়ক পথে মৌলভীবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন তারেক রহমান। বিমানবন্দর সড়কে সিলেট জেলা যুবদল, আম্বরখানা এলাকায় মহানগর বিএনপি, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা ও ফেঞ্চুগঞ্জ এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে তিনি মৌলভীবাজার পৌঁছান।

বিএনপির সূত্রে জানা গেছে, ‘সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নেই। মৌলভীবাজারের কর্মসূচিতে যোগ দিতে তিনি ঢাকা থেকে সিলেটে আসা এবং ঢাকা ফেরার জন্য ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%