ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে মামুলি লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ


প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে মামুলি লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ

সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ ১৩১ রানে অলআউট হয়ে যায়। শুরুতে ব্যাটিং ব্যর্থতার পরে শেখ মেহেদীর ২২ বলে ২৯ রানের ইনিংসে ভয় করে মামুলি সংগ্রহ দাঁড় করাতে সক্ষম হয় টাইগাররা।

বুধবার চট্টগ্রামে যখন বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে নামে, তখন দুটি অঙ্ক ছোঁয়ার আগেই ওপেনার তানজিদ হাসান সাজঘরের পথে ফিরে যান। বাংলাদেশের ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই শুরুর জুটি ভেঙে দেন স্পেন্সার জনসন। অফ স্টাম্পের বাইরের বলটি খেলতে গিয়ে টাইমিং করতে ব্যর্থ হয়ে টাইমিংয়ের অভাবজনিত কারণে ক্যাচ তুলে দেন জেভিয়ার বার্টলেটের হাতে। ফলে ৯ বলে তিনি ১০ রানে থেমে যান।

তাঁর বিদায়ের মাধ্যমে ১৭ বলে ২৬ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙা যায়। এরপর কিছুটা আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন সাইফ হাসান। তবে পাওয়ার প্লের মধ্যেই সাজঘরের পথ ধরেন তিনি। অফ স্পিনার ম্যাট রেনশের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ১৪ বলে ২০ রান করা সাইফ মিড অফে ক্যাচ দেন।

আরও পড়ুন: গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে আতিকুল ইসলামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

এক প্রান্তে উইকেট পড়লেও অন্য প্রান্তে আগ্রাসীভাবে শুরু করেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। উইকেটে এসে তিনি ছক্কা হাঁকিয়ে ইনিংস শুরু করেন, তবে তাঁর ইনিংসও বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। অ্যাডাম জাম্পার গুগলি বুঝতে পারলে তিনি বোল্ড হয়ে ফিরে যান। ৫ বলে ৮ রান করেন এই ব্যাটার।

হৃদয়ের বিদায়ের পরে সৌম্য সরকারের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন পারভেজ হোসেন। কিন্তু সাত ওভারের শেষে দলের রান যখন তিন উইকেটে ৫৭, তখন আবারও বাংলাদেশ বড় ধাক্কা খায়। সৌম্য সরকার আক্রমণাত্মক শট খেলতে গিয়ে বিদায় নেন। লেগ স্পিনার জাম্পার বলে তাঁর শটটি ডিপ কাভারে দৌড়ে এসে তালুবন্দি করেন নিখিল চৌধুরি। ১৮ বলে তিনি ১৭ রান করেন।

নবম ওভারে বাংলাদেশের রান চার উইকেটে ৬৮ দাঁড়ায়। এরপর উইকেটে আসেন অভিষিক্ত অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাইকলাইন। ইনিংসের মাঝপথে আঘাত হানের বাঁহাতি স্পিনার জোয়েল ডেভিস। নিজের দ্বিতীয় বলেই উইকেট তুলে নিয়ে পারভেজ হোসেনকে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে ধরা পড়ান। ১২ বলে ১০ রান করে তিনি ফিরে যান।

অভিষেকে আলো ছড়াতে পারেননি আবদুল গাফফার সাকলাইন। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ১০ বলে ১০ রান। এছাড়া, ব্যাট হাতে ব্যর্থ শামীম হোসেন পাটোয়ারী ৪ বলে ১ রান করেন।

আরও পড়ুন: জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নস্যাৎ করার জন্য দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

একেবারে শেষ উইকেট জুটিতে জ্বলে ওঠেন শেখ মেহেদী হাসান। উইকেটের চারপাশে দারুণ সব শটে রান বের করেছেন তিনি। খেলেছেন অসাধারণ সব রিভার্স সুইপ, সুইপ। এতে করে দলের বোর্ডে রান বেড়েছে। শেষের আগের ওভারে মুস্তাফিজুর রহমান আউট হয়ে যাওয়ার পর ১৯ ওভারে ১৩১ রান তুলে বাংলাদেশ অলআউট হয়। ২২ বলে ২৯ রান করে তিনি শেষ পর্যন্ত টিকে ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৩টি করে উইকেট দখল করেন জোয়েল ডেভিস ও অ্যাডাম জাম্পা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“বড় জয়ের পরও দুশ্চিন্তায় কিমিচ-হাভার্টজরা”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


“বড় জয়ের পরও দুশ্চিন্তায় কিমিচ-হাভার্টজরা”

ফিফা বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো জমে উঠেছে। বড় কোন অঘটন ঘটলে বড় দলগুলো মাঝারি সারির দেশের কাছে পয়েন্ট খোয়াতে বাধ্য হচ্ছে।

তবে প্রথম ম্যাচে নবাগত কুরাসাওকে ৭ গোল দিয়েও স্বস্তি পাচ্ছে না কিমিচ-হাভার্টজরা। তারা অনুশীলন ক্যাম্পে সাপের আতঙ্কে ভুগছে।

গত রবিবার কুরাসাওকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে তারা ফুরফুরে মেজাজে ছিল ‘ডাই ম্যানশ্যাফট’রা। এরপর আইভেরিকোস্টে বিপক্ষে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচের জন্য মাঠে নামার আগে নিজেদের অনুশীলন করছে নর্থ ক্যারোলিনার ডব্লিউ ডেনি স্প্রি সকার স্টেডিয়ামে।

এমন সময় মাঠে দেখা যায় বিষধর সাপ। এরপর থেকে বিশ্বের প্রথম সারির ফুটবলারেরা কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

জার্মান অধিনায়ক কিমিচ এই বিষয়ে বলেন, “অনুশীলনের সময় আমরা একটা সাপ দেখতে পাই। আমাদের বলা হয়েছিল, সাপটা বিষাক্ত। কাউকে ছোবল মারলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। ব্যাপারটা খুব মারাত্মক না হলেও বিপজ্জনক তো বটেই। আমরা জার্মানিতে বেশ নিশ্চিন্তে অনুশীলন করি। সেখানে এমন বিপজ্জনক প্রাণী নেই।”

বিশ্বকাপে সাপের উপদ্রব এই প্রথম নয়। এর আগে সুইৎজ়ারল্যান্ড ও নরওয়ের অনুশীলন ক্যাম্পেও সাপ দেখা গিয়েছে। আমেরিকার যে সব জায়গায় জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে, সেই জায়গাগুলিতে বিভিন্ন রকমের সাপ রয়েছে। কিছু বিষধর প্রজাতির সাপও সেখানে পাওয়া যায়। বিশেষ করে উত্তর ক্যারোলিনার গ্রিনসবরো এলাকায় সাপের দেখা হামেশাই পাওয়া যায়।

স্থানীয় প্রশাসনও সাপের উপদ্রবের কথা মেনে নিয়েছেন। বিশ্বকাপ খেলতে আসা দলগুলোকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, সাপ দেখলে সাথে সাথে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের বলরুম নির্মাণ ব্যয় বেড়ে ৬০০ মিলিয়ন ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


ট্রাম্পের বলরুম নির্মাণ ব্যয় বেড়ে ৬০০ মিলিয়ন ডলার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসের বলরুম নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ৬০০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

বলরুমটির নির্মাণ ব্যয়ের অর্ধেকেরও বেশি অর্থ করদাতাদের কাছ থেকে আসবে বলে মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য দিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।

এর আগে ট্রাম্প এই প্রকল্পের ব্যয় আনুমানিক ৪০০ মিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছিলেন এবং তিনি বারবার দাবি করেছেন যে ব্যক্তিগত দাতারা ও তিনি নিজে এর ব্যয়ভার বহন করবেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নির্মাণ কাজের জন্য নিয়োগ পাওয়া কনট্রাক্টর ক্লার্ক কনস্ট্রাকশন মার্কিন প্রশাসনের জন্য একটি বিস্তারিত প্রাক্কালন ব্যয় প্রস্তুত করেছে। সেখানে প্রকল্পের মোট খরচ ৬০০ মিলিয়ন ডলার ধরা হয়েছে।

গত বছর কংগ্রেসের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়াই হোয়াইট হাউসের ঐতিহাসিক ইস্ট উইং ভেঙে দিয়ে ট্রাম্প এই প্রকল্পের কাজ শুরু করেন।

তবে হোয়াইট হাউস মঙ্গলবার এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, ট্রাম্প ও দাতা প্রতিষ্ঠানেরা প্রকল্পের বড় অংশের অর্থ দিচ্ছেন।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডেভিস ইঙ্গেল বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও উদার আমেরিকান দাতারা প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এই বলরুম নির্মাণ করছেন, যা ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্টদের জন্য একটি নিরাপদ ও উপযুক্ত ভেন্যু হবে।’

তিনি বলেন, সপ্তাহান্তে ট্রাম্প ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানের সময় হোয়াইট হাউসে একটি সশস্ত্র অনুপ্রবেশের চেষ্টার ঘটনা প্রমাণ করে যে বৃহৎ পরিসরের অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ইস্ট উইং আধুনিকায়ন প্রকল্পের প্রয়োজন রয়েছে।

তবে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ওই মাসের শুরুতে হোয়াইট হাউসের জন্য প্রস্তুত করা একটি সারসংক্ষেপে মোট ব্যয়ের পরিমাণ ৬০০ মিলিয়ন ডলার অনুমান করা হয়েছিল, যার মধ্যে মাত্র ২৯৩ মিলিয়ন ডলার ‘ব্যক্তিগত উৎস’ থেকে আসবে।

প্রকল্পটি প্রথম প্রকাশের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, এর ব্যয় হবে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার।

ডেমোক্র্যাটরা এই বিলাসবহুল প্রকল্পকে অতিরিক্ত ব্যয় ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে সমালোচনা করেছেন।

অন্যদিকে, রিপাবলিকানরা আশঙ্কা করছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় ও জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির কারণে আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক ক্ষতি হতে পারে।

গত মাসে নির্মাণস্থল পরিদর্শনকালে ট্রাম্প বলেন, ‘এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি উপহার। সবই আমার ও দাতাদের অর্থে হচ্ছে।’

সূত্র : ওয়াশিংটন পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“বিমানবন্দরে এমপিদের সংসদে যাওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


“বিমানবন্দরে এমপিদের সংসদে যাওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর”

মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সিলেটে আসা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগ থেকে আসা মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ। বিমানবন্দরে নেমে প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে করমর্দন করেন।

সংসদ অধিবেশন চলাকালে সেখানে উপস্থিত এমপিদের সঙ্গে করমর্দনের সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সংসদ সদস্য, সংসদে চলে যান।’

বুধবার (১৭ জুন) সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজ সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানববন্দরে অবতরণ করে।

ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ; সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী; সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিক, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ, বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী; সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাহের শামীম, সিলেটের জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম প্রমুখ।

বিমানবন্দরে একে একে সবার সঙ্গে করমর্দন করেন তারেক রহমান। করমর্দনের সময় উপস্থিত সংসদ সদস্যদের তিনি বলেন, ‘সংসদ সদস্য, সংসদে চলে যান।’

প্রধানমন্ত্রীর এমন পরামর্শের পর মৌলভীবাজার না গিয়ে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে একাধিক সংসদ সদস্য ঢাকায় ফিরে যান। সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী এবং সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ ঢাকায় ফিরে গেছেন বলে বিএনপির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এসব বিষয়ে জানতে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের দেখে বলেন, সংসদ সদস্য, সংসদে চলে যান।’ এর পর কেউ কি ঢাকায় ফিরেছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এমরান আহমদ চৌধুরী ও মোহাম্মদ কয়সর আহমদ ঢাকায় ফিরে গেছেন বলে আমি জেনেছি।’

এদিকে, বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে সকাল সাড়ে ১০টায় সড়ক পথে মৌলভীবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন তারেক রহমান। বিমানবন্দর সড়কে সিলেট জেলা যুবদল, আম্বরখানা এলাকায় মহানগর বিএনপি, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা ও ফেঞ্চুগঞ্জ এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে তিনি মৌলভীবাজার পৌঁছান।

বিএনপির সূত্রে জানা গেছে, ‘সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নেই। মৌলভীবাজারের কর্মসূচিতে যোগ দিতে তিনি ঢাকা থেকে সিলেটে আসা এবং ঢাকা ফেরার জন্য ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমবাপ্পে ফ্রান্সের সর্বকালের সেরা গোলদাতা হয়ে ওঠার গল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


এমবাপ্পে ফ্রান্সের সর্বকালের সেরা গোলদাতা হয়ে ওঠার গল্প

জাস্ট ফন্টেইন, মিশেল প্লাতিনি, জঁ-পিয়েরে পাপিন, থিয়েরি অঁরি, অলিভিয়ের জিরু - গত কয়েক দশকে ফুটবল বিশ্বের জন্য ফ্রান্সে অনন্য আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের জন্ম দিয়েছে। কিন্তু গোল করার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যানের দিক থেকে অন্তত স্পষ্ট যে কিলিয়ান এমবাপ্পের তুলনায় কেউ এগিয়ে নেই, যা তিনি সেনেগালের বিপক্ষে ফ্রান্সের বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচে গোল করার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন। রিয়াল মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড অলিভিয়ের জিরুকে টপকে, এমবাপ্পে ফ্রান্সের ইতিহাসে সর্বকালের সর্ব্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। মাত্র ২৭ বছর বয়সে 'লে ব্লুজ'দের হয়ে ৫৮তম গোলটি করে, তিনি রেকর্ডবুকে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। বিবিসি ওয়ানে সেনেগালের সঙ্গে ফ্রান্সের ম্যাচের বিশ্লেষণে ফুটবল বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিরু। তিনি বলেন, "অভিনন্দন কিলিয়ান। আমি অন্তত ওর জন্য খুব খুশি।" জিরু সিনিয়র ফুটবলার হিসেবে আরও বলেন, "এটা হওয়ারই ছিল, সবাই এটি-ই আশা করেছিল। ও সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দেবে - ম্যাচ খেলার সংখ্যা এবং গোল, দুই দিক দিয়েই। আমার ধারণা, ও খুব সহজেই ১০০ গোল করতে পারবে এবং সম্ভবত মিরোস্লাভ ক্লোসার বিশ্বকাপের রেকর্ডও ভেঙে দেবে। বিশ্বকাপ এবং বড় ম্যাচগুলোতে ও সবসময় দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে।" এমবাপ্পে ৫৮টি গোল করেছেন মাত্র ৯৯টি ম্যাচে। মঙ্গলবারের ম্যাচে গোলের ফলে, তাঁর বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা ১৪তে পৌঁছেছে, যা জার্মান ফুটবলার মিরোস্লাভ ক্লোসারের ১৬ গোলের রেকর্ডের চেয়ে মাত্র দুটি কম। "অনেক সতীর্থ আমাকে তাঁর (এমবাপ্পে) বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে," যোগ করেন জিরু। "আমার কাছে এটা তাঁর উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং আত্মবিশ্বাসের ফল।" "ও জানে সে কোথায় পৌঁছাতে চায়। ও একজন নেতা এবং খুব অল্প বয়স থেকেই বোঝা যেত সে কতটা পরিণত। ও একজন দারুণ সতীর্থ, এক অবিশ্বাস্য প্রতিভা এবং মাঠে ও মাঠের বাইরে একজন প্রকৃত নেতা।" ফরাসি ফুটবল বিশেষজ্ঞ জুলিয়েন লরেন্স মনে করেন, এমবাপ্পে একদিন ফ্রান্সের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় হয়ে উঠবে। লরেন্স বলেন, "তার কাছ থেকে আরও অনেক কিছু পাওয়ার রয়েছে। কিন্তু যদি আমরা এখনই হিসাব করা বন্ধ করে দিই, তবে জিনেদিন জিদান এবং মিশেল প্লাতিনি অবশ্যই সর্বকালের সেরা দুই ফরাসি হিসাবে পরিচিত থাকবে।" এমবাপ্পে এরপর থিয়েরি অঁরি, আন্তোয়ান গ্রিজম্যান, অলিভিয়ের জিরু এবং অন্যান্যদের টপকে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ স্থানে চলে আসবে। এমনকি, মৃক কোপার মতো পুরোনো প্রজন্মের তারকাদের চেয়েও সে এগিয়ে।" তিনি আরও বলেন, "এটা কেবল তাঁর গোলের জন্য নয়, বরং মাঠের অধিনায়ক হিসেবে তাঁর নেতৃত্ব, ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জয় এবং ২০২২ সালের ফাইনালে হ্যাটট্রিক করার জন্য।" "আমি ভবিষ্যদ্বাণী করছি, ক্যারিয়ারের শেষে তিনি এক নম্বর হয়ে উঠবেন। এই বিশ্বকাপের পরেও তার সামনে অন্তত আরেকটি বিশ্বকাপ এবং ইউরো খেলার সুযোগ থাকবে। তাই সম্ভবত তিনিই হবেন আমাদের দেশের ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়।" ২০১৭ সালের মার্চ মাসে আন্তর্জাতিক অভিষেকের পরে, এমবাপ্পে ফ্রান্সের হয়ে চতুর্থ ম্যাচে প্রথম গোল করেন। নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ৪-০ ব্যবধানে ফরাসিরা বিজয়ী হয়েছিল সেটি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ। একই দিনে, প্যারিস সেন্ট-জার্মেই ১৮ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকারকে মোনাকো থেকে এক মৌসুমের জন্য ধারায় নিয়ে আসে। পরে ১৬৫.৭ মিলিয়ন পাউন্ডে স্থায়ীভাবে নেওয়ার বিকল্পসহ। পরবর্তীকালে প্যারিসের ক্লাবটি শর্ত পূরণ করে এবং এমবাপ্পেকে দলে নেয়, ফলে সে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল কিশোর খেলোয়াড়ে পরিণত হয়। প্যারিসে যাওয়ার আগে তিনি ফরাসিদের কাছে জাতীয় নায়ক হয়ে ওঠেন। ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে ফ্রান্সের শিরোপা জয়েও তাঁকে প্রধান ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়। ও বিশ্বকাপে গোল করা সর্বকনিষ্ঠ ফরাসি খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত হন এবং পেলের পর দ্বিতীয় কিশোর হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করেন। রাশিয়া বিশ্বকাপে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে তার পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার লাভ করেন। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে তিনি ফ্রান্সের মূল ভরসা হয়ে ওঠেন। ওই সময় ২৩ বছর বয়সী এই তারকা আর্জেন্টিনার কাছে পেনাল্টিতে হেরে যাওয়ার সত্ত্বেও, ইংল্যান্ডের জিওফ হার্স্টের পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন। প্রজেক্ট এমবাপ্পে বাস্তবায়ন এমবাপ্পে এবং বিশেষত তাঁর পূর্ণ পরিবার সবসময়েই মনেপ্রাণে চেয়েছে যে তিনি যেন বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে পৌঁছাতে পারেন। এই ভাবনা থেকেই জন্ম নেয় 'প্রজেক্ট এমবাপ্পে'। বিবিসি স্পোর্টের 'এমবাপ্পে' নামের একটি তথ্যচিত্রে তাঁর ছোটবেলার বন্ধু রায়ান ভিয়াঙ্গা বলেন, "কিলিয়ানের জীবন ছিল শুধুই স্কুল আর ফুটবল। স্কুল, ফুটবল আর বাড়ি - ব্যস।" ১৯৯৮ সালে প্যারিসের উপকণ্ঠে বন্ডি এলাকায় এমবাপ্পের জন্ম ঘটে, যেহেতু ঠিক তার পাঁচ মাস আগে ফ্রান্স প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছিল। তাদের ফ্ল্যাট থেকে এএস বন্ডি ক্লাবের ফুটবল মাঠ দেখা যেত, যেখানে তাঁর বাবা উইলফ্রেড প্রথমে খেলোয়াড় এবং পরে কোচ হয়ে যুক্ত ছিলেন। ভিয়াঙ্গা বলেন, "কিলিয়ান এএস বন্ডির অন্য খেলোয়াড়দের চেয়ে সবসময় এক ধাপ এগিয়ে থাকত। সে তার বয়সের তুলনায় অনেক পরিণত ছিল এবং সবসময় সেরাদের সঙ্গে খেলতে চাইত। সেরাদের সঙ্গে খেলাটা ছিল তার জন্য একটি কঠোর নিয়ম।" লরেন্স আরও যোগ করেন, "ছোটবেলায় ও মাত্র তিন বছর বয়সে ফ্রান্সের জাতীয় সঙ্গীত 'লা মার্সেইয়েজ' মুখস্থ করেছিল, যাতে প্রথম ম্যাচ খেলার সময়ে ও এটি গাইতে পারে।" এমবাপ্পের মা, ফায়জা লামারি একজন সাবেক পেশাদার হ্যান্ডবল খেলোয়াড়। ছোটবেলায় এমবাপ্পে নিজের ঘরের দেয়ালে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ছবি লাগিয়ে রাখতেন এবং জিদানের ভিডিও দেখতেন। তবে, তাঁর ওপর বড় প্রভাব ফেলেছিলেন তাঁর দত্তক ভাই জিরেস কেম্বো একোকো, যিনি এমবাপ্পের আগেই ক্লেয়ারফঁতেনের জাতীয় একাডেমিতে সুযোগ পেয়েছিলেন এবং পরে রেঁনের হয়ে খেলতেন। লেখক ও ফরাসি ফুটবল বিশ্লেষক ম্যাট স্পিরো বলেন, "শুরুর দিকে ক্লেয়ারফঁতেনে কিলিয়ানের সমস্যা হয়েছিল। দুই বছর সেখানে থাকার পর প্রথম বছরে সে তার গ্রুপের সেরা হতে পারেনি। সে উইংয়ে খেলত এবং প্রায়ই বিরক্ত থাকত।" প্রথম বছরের শেষের দিকে তার শারীরিক উচ্চতা হঠাৎ বৃদ্ধি পায় এবং দ্বিতীয় বছরে সে সত্যিই তার জাত চেনাতে শুরু করে। কিন্তু, এমবাপ্পের এই দ্রুত উত্থান মোটেও আশ্চর্যজনক ছিল না। মাত্র ১০ বছর বয়সেই বিখ্যাত ব্র্যান্ড নাইকি তাকে বিনামূল্যে বুট দেওয়ার জন্য চুক্তি করে। ছোটবেলা থেকেই ইউরোপের বড় বড় ক্লাবগুলোর নজরে থাকা এই ফরোয়ার্ড মাত্র ১৪ বছর বয়সে প্যারিস ছেড়ে মোনাকোর এক জাঁকজমকপূর্ণ ক্লাবে যোগ দেন। চেলসি এবং রিয়াল মাদ্রিদ তাঁকে নেওয়ার চেষ্টা করলেও, এমবাপ্পের পরিবার জোর দিয়ে বলেছিল যে কিশোর বয়সে তাঁদের ছেলে ফ্রান্সেই থাকবে। ১৬ বছর ৩৪৭ দিন বয়সে কার বিরুদ্ধে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে, তিনি মোনাকোর ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হন, যা ১৯৯৪ সালে থিয়েরি অঁরির তৈরি রেকর্ড ভেঙে দেয়। তিন মাস পর, ত্রোয়ার বিরুদ্ধে নিজের প্রথম সিনিয়র গোল করে ক্লাবের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতাও হন, যা অঁরির একটি আরেকটি রেকর্ড ভেঙে দেয়। লরেন্স বলেন, "মোনাকোতে যখন ওর অভিষেক হয়, তখনই বোঝা গিয়েছিল এই প্রতিভা কতটা অনন্য। আমাদের অনেক ভালো তরুণ প্রতিভা এসেছে, কিন্তু ওর মধ্যে বিশেষ কিছু ছিল।" অহংকারী কিশোর থেকে প্রকৃত নেতা মোনাকোতে যোগ দেওয়ার পরপরই, এমবাপ্পে এবং তাঁর সতীর্থদের একটি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছিল যেখানে তাদের নিজেদের ছবি দিয়ে একটি ম্যাগাজিনের কভার ডিজাইন করতে বলা হয়েছিল। বেশিরভাগ ছেলেই কোনো ক্রীড়া ম্যাগাজিন বা জাতীয় সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন বেছে নিয়েছিল। কিন্তু এমবাপ্পে কী বেছে নিয়েছিলেন, তা জানেন? তিনি বেছে নিয়েছিলেন বিশ্ববিখ্যাত 'টাইম ম্যাগাজিন'। আর তার দেওয়া শিরোনামটি ছিল - 'এল মায়েস্ত্রো' মানে 'ওস্তাদ'। এর ঠিক চার বছর পর, রাশিয়া বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে শিরোপা এনে দিয়ে এবং পেলের পর দ্বিতীয় কিশোর হিসেবে ফাইনালে গোল করে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেন তিনি। টাইমের প্রচ্ছদে সত্যিই তার ছবি জায়গা করে নেয় তখন। তার কম বয়সেই বৃহত্তর চিত্র দেখতে পারার ক্ষমতাই 'প্রজেক্ট এমবাপ্পে' শব্দটির জন্ম দেয়। ২০১৭ সালে রিয়াল মাদ্রিদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে পিএসজিতে যোগ দিয়ে এমবাপ্পে বিশ্বের সবচেয়ে দামী কিশোর খেলোয়াড় হন। রিয়ালকে সেসময় তার জন্য আরও সাত বছর অপেক্ষা করতে হয়। স্বাভাবিকভাবেই, এত প্রত্যাশার সঙ্গে অহংও আসে। "সাফল্যের জন্য অহং এক ধরনের প্রেরণা," বলেছিলেন পিএসজির সাবেক পারফরম্যান্স পরিচালক মার্টিন বুচেইত। "কিন্তু সেটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখাও জরুরি। কিলিয়ানের পক্ষে সব সময় সেটা সম্ভব হয়নি। তবে, তার পরিবার - মা-বাবা সবসময় তার পাশে ছিল।" ২০২৩ সালে দিদিয়ের দেশঁ তাকে ফ্রান্সের অধিনায়ক ঘোষণা করেন। এখনও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা হয়নি, ব্যালন ডি'অরও তিনি পাননি, তবুও মনে হচ্ছে 'প্রজেক্ট এমবাপ্পে'র পথচলা এখনো বাকি। "সে খুবই আত্মকেন্দ্রিক, কিন্তু অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়ার পর সে যেন জানতো তাকে প্রকৃত নেতা হতে হবে," বলেন লরঁ। "শুধু গোল বা অ্যাসিস্ট নয়, আমি অবাক হব যদি সে ব্যালন ডি'অর এবং অন্তত একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ না জিতে ক্যারিয়ার শেষ করে।" "ট্রফির দিক থেকে তার অর্জন জিদান ও প্লাতিনির চেয়ে বড় হবে - আর গোলের রেকর্ড তো হবেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%