০৪:১০ পি.এম
ফিফা বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো জমে উঠেছে। বড় কোন অঘটন ঘটলে বড় দলগুলো মাঝারি সারির দেশের কাছে পয়েন্ট খোয়াতে বাধ্য হচ্ছে।
তবে প্রথম ম্যাচে নবাগত কুরাসাওকে ৭ গোল দিয়েও স্বস্তি পাচ্ছে না কিমিচ-হাভার্টজরা। তারা অনুশীলন ক্যাম্পে সাপের আতঙ্কে ভুগছে।
গত রবিবার কুরাসাওকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে তারা ফুরফুরে মেজাজে ছিল ‘ডাই ম্যানশ্যাফট’রা। এরপর আইভেরিকোস্টে বিপক্ষে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচের জন্য মাঠে নামার আগে নিজেদের অনুশীলন করছে নর্থ ক্যারোলিনার ডব্লিউ ডেনি স্প্রি সকার স্টেডিয়ামে।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ
এমন সময় মাঠে দেখা যায় বিষধর সাপ। এরপর থেকে বিশ্বের প্রথম সারির ফুটবলারেরা কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
জার্মান অধিনায়ক কিমিচ এই বিষয়ে বলেন, “অনুশীলনের সময় আমরা একটা সাপ দেখতে পাই। আমাদের বলা হয়েছিল, সাপটা বিষাক্ত। কাউকে ছোবল মারলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। ব্যাপারটা খুব মারাত্মক না হলেও বিপজ্জনক তো বটেই। আমরা জার্মানিতে বেশ নিশ্চিন্তে অনুশীলন করি। সেখানে এমন বিপজ্জনক প্রাণী নেই।”
বিশ্বকাপে সাপের উপদ্রব এই প্রথম নয়। এর আগে সুইৎজ়ারল্যান্ড ও নরওয়ের অনুশীলন ক্যাম্পেও সাপ দেখা গিয়েছে। আমেরিকার যে সব জায়গায় জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে, সেই জায়গাগুলিতে বিভিন্ন রকমের সাপ রয়েছে। কিছু বিষধর প্রজাতির সাপও সেখানে পাওয়া যায়। বিশেষ করে উত্তর ক্যারোলিনার গ্রিনসবরো এলাকায় সাপের দেখা হামেশাই পাওয়া যায়।
স্থানীয় প্রশাসনও সাপের উপদ্রবের কথা মেনে নিয়েছেন। বিশ্বকাপ খেলতে আসা দলগুলোকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, সাপ দেখলে সাথে সাথে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
আরও পড়ুন: নির্বাচনে হারের মুখে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ লিকুদ পার্টির
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন