ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

“বিমানবন্দরে এমপিদের সংসদে যাওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর”


“বিমানবন্দরে এমপিদের সংসদে যাওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর”

মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সিলেটে আসা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগ থেকে আসা মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ। বিমানবন্দরে নেমে প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে করমর্দন করেন।

সংসদ অধিবেশন চলাকালে সেখানে উপস্থিত এমপিদের সঙ্গে করমর্দনের সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সংসদ সদস্য, সংসদে চলে যান।’

বুধবার (১৭ জুন) সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজ সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানববন্দরে অবতরণ করে।

আরও পড়ুন: জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নস্যাৎ করার জন্য দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ; সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী; সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিক, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ, বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী; সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাহের শামীম, সিলেটের জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম প্রমুখ।

বিমানবন্দরে একে একে সবার সঙ্গে করমর্দন করেন তারেক রহমান। করমর্দনের সময় উপস্থিত সংসদ সদস্যদের তিনি বলেন, ‘সংসদ সদস্য, সংসদে চলে যান।’

প্রধানমন্ত্রীর এমন পরামর্শের পর মৌলভীবাজার না গিয়ে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে একাধিক সংসদ সদস্য ঢাকায় ফিরে যান। সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী এবং সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ ঢাকায় ফিরে গেছেন বলে বিএনপির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এসব বিষয়ে জানতে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের দেখে বলেন, সংসদ সদস্য, সংসদে চলে যান।’ এর পর কেউ কি ঢাকায় ফিরেছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এমরান আহমদ চৌধুরী ও মোহাম্মদ কয়সর আহমদ ঢাকায় ফিরে গেছেন বলে আমি জেনেছি।’

আরও পড়ুন: মাদরাসা বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্নপত্র একীভূত করার পরিকল্পনা সরকারের

এদিকে, বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে সকাল সাড়ে ১০টায় সড়ক পথে মৌলভীবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন তারেক রহমান। বিমানবন্দর সড়কে সিলেট জেলা যুবদল, আম্বরখানা এলাকায় মহানগর বিএনপি, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা ও ফেঞ্চুগঞ্জ এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে তিনি মৌলভীবাজার পৌঁছান।

বিএনপির সূত্রে জানা গেছে, ‘সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নেই। মৌলভীবাজারের কর্মসূচিতে যোগ দিতে তিনি ঢাকা থেকে সিলেটে আসা এবং ঢাকা ফেরার জন্য ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমবাপ্পে ফ্রান্সের সর্বকালের সেরা গোলদাতা হয়ে ওঠার গল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


এমবাপ্পে ফ্রান্সের সর্বকালের সেরা গোলদাতা হয়ে ওঠার গল্প

জাস্ট ফন্টেইন, মিশেল প্লাতিনি, জঁ-পিয়েরে পাপিন, থিয়েরি অঁরি, অলিভিয়ের জিরু - গত কয়েক দশকে ফুটবল বিশ্বের জন্য ফ্রান্সে অনন্য আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের জন্ম দিয়েছে। কিন্তু গোল করার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যানের দিক থেকে অন্তত স্পষ্ট যে কিলিয়ান এমবাপ্পের তুলনায় কেউ এগিয়ে নেই, যা তিনি সেনেগালের বিপক্ষে ফ্রান্সের বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচে গোল করার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন। রিয়াল মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড অলিভিয়ের জিরুকে টপকে, এমবাপ্পে ফ্রান্সের ইতিহাসে সর্বকালের সর্ব্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। মাত্র ২৭ বছর বয়সে 'লে ব্লুজ'দের হয়ে ৫৮তম গোলটি করে, তিনি রেকর্ডবুকে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। বিবিসি ওয়ানে সেনেগালের সঙ্গে ফ্রান্সের ম্যাচের বিশ্লেষণে ফুটবল বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিরু। তিনি বলেন, "অভিনন্দন কিলিয়ান। আমি অন্তত ওর জন্য খুব খুশি।" জিরু সিনিয়র ফুটবলার হিসেবে আরও বলেন, "এটা হওয়ারই ছিল, সবাই এটি-ই আশা করেছিল। ও সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দেবে - ম্যাচ খেলার সংখ্যা এবং গোল, দুই দিক দিয়েই। আমার ধারণা, ও খুব সহজেই ১০০ গোল করতে পারবে এবং সম্ভবত মিরোস্লাভ ক্লোসার বিশ্বকাপের রেকর্ডও ভেঙে দেবে। বিশ্বকাপ এবং বড় ম্যাচগুলোতে ও সবসময় দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে।" এমবাপ্পে ৫৮টি গোল করেছেন মাত্র ৯৯টি ম্যাচে। মঙ্গলবারের ম্যাচে গোলের ফলে, তাঁর বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা ১৪তে পৌঁছেছে, যা জার্মান ফুটবলার মিরোস্লাভ ক্লোসারের ১৬ গোলের রেকর্ডের চেয়ে মাত্র দুটি কম। "অনেক সতীর্থ আমাকে তাঁর (এমবাপ্পে) বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে," যোগ করেন জিরু। "আমার কাছে এটা তাঁর উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং আত্মবিশ্বাসের ফল।" "ও জানে সে কোথায় পৌঁছাতে চায়। ও একজন নেতা এবং খুব অল্প বয়স থেকেই বোঝা যেত সে কতটা পরিণত। ও একজন দারুণ সতীর্থ, এক অবিশ্বাস্য প্রতিভা এবং মাঠে ও মাঠের বাইরে একজন প্রকৃত নেতা।" ফরাসি ফুটবল বিশেষজ্ঞ জুলিয়েন লরেন্স মনে করেন, এমবাপ্পে একদিন ফ্রান্সের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় হয়ে উঠবে। লরেন্স বলেন, "তার কাছ থেকে আরও অনেক কিছু পাওয়ার রয়েছে। কিন্তু যদি আমরা এখনই হিসাব করা বন্ধ করে দিই, তবে জিনেদিন জিদান এবং মিশেল প্লাতিনি অবশ্যই সর্বকালের সেরা দুই ফরাসি হিসাবে পরিচিত থাকবে।" এমবাপ্পে এরপর থিয়েরি অঁরি, আন্তোয়ান গ্রিজম্যান, অলিভিয়ের জিরু এবং অন্যান্যদের টপকে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ স্থানে চলে আসবে। এমনকি, মৃক কোপার মতো পুরোনো প্রজন্মের তারকাদের চেয়েও সে এগিয়ে।" তিনি আরও বলেন, "এটা কেবল তাঁর গোলের জন্য নয়, বরং মাঠের অধিনায়ক হিসেবে তাঁর নেতৃত্ব, ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জয় এবং ২০২২ সালের ফাইনালে হ্যাটট্রিক করার জন্য।" "আমি ভবিষ্যদ্বাণী করছি, ক্যারিয়ারের শেষে তিনি এক নম্বর হয়ে উঠবেন। এই বিশ্বকাপের পরেও তার সামনে অন্তত আরেকটি বিশ্বকাপ এবং ইউরো খেলার সুযোগ থাকবে। তাই সম্ভবত তিনিই হবেন আমাদের দেশের ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়।" ২০১৭ সালের মার্চ মাসে আন্তর্জাতিক অভিষেকের পরে, এমবাপ্পে ফ্রান্সের হয়ে চতুর্থ ম্যাচে প্রথম গোল করেন। নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ৪-০ ব্যবধানে ফরাসিরা বিজয়ী হয়েছিল সেটি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ। একই দিনে, প্যারিস সেন্ট-জার্মেই ১৮ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকারকে মোনাকো থেকে এক মৌসুমের জন্য ধারায় নিয়ে আসে। পরে ১৬৫.৭ মিলিয়ন পাউন্ডে স্থায়ীভাবে নেওয়ার বিকল্পসহ। পরবর্তীকালে প্যারিসের ক্লাবটি শর্ত পূরণ করে এবং এমবাপ্পেকে দলে নেয়, ফলে সে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল কিশোর খেলোয়াড়ে পরিণত হয়। প্যারিসে যাওয়ার আগে তিনি ফরাসিদের কাছে জাতীয় নায়ক হয়ে ওঠেন। ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে ফ্রান্সের শিরোপা জয়েও তাঁকে প্রধান ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়। ও বিশ্বকাপে গোল করা সর্বকনিষ্ঠ ফরাসি খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত হন এবং পেলের পর দ্বিতীয় কিশোর হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করেন। রাশিয়া বিশ্বকাপে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে তার পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার লাভ করেন। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে তিনি ফ্রান্সের মূল ভরসা হয়ে ওঠেন। ওই সময় ২৩ বছর বয়সী এই তারকা আর্জেন্টিনার কাছে পেনাল্টিতে হেরে যাওয়ার সত্ত্বেও, ইংল্যান্ডের জিওফ হার্স্টের পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন। প্রজেক্ট এমবাপ্পে বাস্তবায়ন এমবাপ্পে এবং বিশেষত তাঁর পূর্ণ পরিবার সবসময়েই মনেপ্রাণে চেয়েছে যে তিনি যেন বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে পৌঁছাতে পারেন। এই ভাবনা থেকেই জন্ম নেয় 'প্রজেক্ট এমবাপ্পে'। বিবিসি স্পোর্টের 'এমবাপ্পে' নামের একটি তথ্যচিত্রে তাঁর ছোটবেলার বন্ধু রায়ান ভিয়াঙ্গা বলেন, "কিলিয়ানের জীবন ছিল শুধুই স্কুল আর ফুটবল। স্কুল, ফুটবল আর বাড়ি - ব্যস।" ১৯৯৮ সালে প্যারিসের উপকণ্ঠে বন্ডি এলাকায় এমবাপ্পের জন্ম ঘটে, যেহেতু ঠিক তার পাঁচ মাস আগে ফ্রান্স প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছিল। তাদের ফ্ল্যাট থেকে এএস বন্ডি ক্লাবের ফুটবল মাঠ দেখা যেত, যেখানে তাঁর বাবা উইলফ্রেড প্রথমে খেলোয়াড় এবং পরে কোচ হয়ে যুক্ত ছিলেন। ভিয়াঙ্গা বলেন, "কিলিয়ান এএস বন্ডির অন্য খেলোয়াড়দের চেয়ে সবসময় এক ধাপ এগিয়ে থাকত। সে তার বয়সের তুলনায় অনেক পরিণত ছিল এবং সবসময় সেরাদের সঙ্গে খেলতে চাইত। সেরাদের সঙ্গে খেলাটা ছিল তার জন্য একটি কঠোর নিয়ম।" লরেন্স আরও যোগ করেন, "ছোটবেলায় ও মাত্র তিন বছর বয়সে ফ্রান্সের জাতীয় সঙ্গীত 'লা মার্সেইয়েজ' মুখস্থ করেছিল, যাতে প্রথম ম্যাচ খেলার সময়ে ও এটি গাইতে পারে।" এমবাপ্পের মা, ফায়জা লামারি একজন সাবেক পেশাদার হ্যান্ডবল খেলোয়াড়। ছোটবেলায় এমবাপ্পে নিজের ঘরের দেয়ালে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ছবি লাগিয়ে রাখতেন এবং জিদানের ভিডিও দেখতেন। তবে, তাঁর ওপর বড় প্রভাব ফেলেছিলেন তাঁর দত্তক ভাই জিরেস কেম্বো একোকো, যিনি এমবাপ্পের আগেই ক্লেয়ারফঁতেনের জাতীয় একাডেমিতে সুযোগ পেয়েছিলেন এবং পরে রেঁনের হয়ে খেলতেন। লেখক ও ফরাসি ফুটবল বিশ্লেষক ম্যাট স্পিরো বলেন, "শুরুর দিকে ক্লেয়ারফঁতেনে কিলিয়ানের সমস্যা হয়েছিল। দুই বছর সেখানে থাকার পর প্রথম বছরে সে তার গ্রুপের সেরা হতে পারেনি। সে উইংয়ে খেলত এবং প্রায়ই বিরক্ত থাকত।" প্রথম বছরের শেষের দিকে তার শারীরিক উচ্চতা হঠাৎ বৃদ্ধি পায় এবং দ্বিতীয় বছরে সে সত্যিই তার জাত চেনাতে শুরু করে। কিন্তু, এমবাপ্পের এই দ্রুত উত্থান মোটেও আশ্চর্যজনক ছিল না। মাত্র ১০ বছর বয়সেই বিখ্যাত ব্র্যান্ড নাইকি তাকে বিনামূল্যে বুট দেওয়ার জন্য চুক্তি করে। ছোটবেলা থেকেই ইউরোপের বড় বড় ক্লাবগুলোর নজরে থাকা এই ফরোয়ার্ড মাত্র ১৪ বছর বয়সে প্যারিস ছেড়ে মোনাকোর এক জাঁকজমকপূর্ণ ক্লাবে যোগ দেন। চেলসি এবং রিয়াল মাদ্রিদ তাঁকে নেওয়ার চেষ্টা করলেও, এমবাপ্পের পরিবার জোর দিয়ে বলেছিল যে কিশোর বয়সে তাঁদের ছেলে ফ্রান্সেই থাকবে। ১৬ বছর ৩৪৭ দিন বয়সে কার বিরুদ্ধে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে, তিনি মোনাকোর ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হন, যা ১৯৯৪ সালে থিয়েরি অঁরির তৈরি রেকর্ড ভেঙে দেয়। তিন মাস পর, ত্রোয়ার বিরুদ্ধে নিজের প্রথম সিনিয়র গোল করে ক্লাবের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতাও হন, যা অঁরির একটি আরেকটি রেকর্ড ভেঙে দেয়। লরেন্স বলেন, "মোনাকোতে যখন ওর অভিষেক হয়, তখনই বোঝা গিয়েছিল এই প্রতিভা কতটা অনন্য। আমাদের অনেক ভালো তরুণ প্রতিভা এসেছে, কিন্তু ওর মধ্যে বিশেষ কিছু ছিল।" অহংকারী কিশোর থেকে প্রকৃত নেতা মোনাকোতে যোগ দেওয়ার পরপরই, এমবাপ্পে এবং তাঁর সতীর্থদের একটি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছিল যেখানে তাদের নিজেদের ছবি দিয়ে একটি ম্যাগাজিনের কভার ডিজাইন করতে বলা হয়েছিল। বেশিরভাগ ছেলেই কোনো ক্রীড়া ম্যাগাজিন বা জাতীয় সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন বেছে নিয়েছিল। কিন্তু এমবাপ্পে কী বেছে নিয়েছিলেন, তা জানেন? তিনি বেছে নিয়েছিলেন বিশ্ববিখ্যাত 'টাইম ম্যাগাজিন'। আর তার দেওয়া শিরোনামটি ছিল - 'এল মায়েস্ত্রো' মানে 'ওস্তাদ'। এর ঠিক চার বছর পর, রাশিয়া বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে শিরোপা এনে দিয়ে এবং পেলের পর দ্বিতীয় কিশোর হিসেবে ফাইনালে গোল করে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেন তিনি। টাইমের প্রচ্ছদে সত্যিই তার ছবি জায়গা করে নেয় তখন। তার কম বয়সেই বৃহত্তর চিত্র দেখতে পারার ক্ষমতাই 'প্রজেক্ট এমবাপ্পে' শব্দটির জন্ম দেয়। ২০১৭ সালে রিয়াল মাদ্রিদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে পিএসজিতে যোগ দিয়ে এমবাপ্পে বিশ্বের সবচেয়ে দামী কিশোর খেলোয়াড় হন। রিয়ালকে সেসময় তার জন্য আরও সাত বছর অপেক্ষা করতে হয়। স্বাভাবিকভাবেই, এত প্রত্যাশার সঙ্গে অহংও আসে। "সাফল্যের জন্য অহং এক ধরনের প্রেরণা," বলেছিলেন পিএসজির সাবেক পারফরম্যান্স পরিচালক মার্টিন বুচেইত। "কিন্তু সেটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখাও জরুরি। কিলিয়ানের পক্ষে সব সময় সেটা সম্ভব হয়নি। তবে, তার পরিবার - মা-বাবা সবসময় তার পাশে ছিল।" ২০২৩ সালে দিদিয়ের দেশঁ তাকে ফ্রান্সের অধিনায়ক ঘোষণা করেন। এখনও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা হয়নি, ব্যালন ডি'অরও তিনি পাননি, তবুও মনে হচ্ছে 'প্রজেক্ট এমবাপ্পে'র পথচলা এখনো বাকি। "সে খুবই আত্মকেন্দ্রিক, কিন্তু অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়ার পর সে যেন জানতো তাকে প্রকৃত নেতা হতে হবে," বলেন লরঁ। "শুধু গোল বা অ্যাসিস্ট নয়, আমি অবাক হব যদি সে ব্যালন ডি'অর এবং অন্তত একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ না জিতে ক্যারিয়ার শেষ করে।" "ট্রফির দিক থেকে তার অর্জন জিদান ও প্লাতিনির চেয়ে বড় হবে - আর গোলের রেকর্ড তো হবেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“মিরসরাইয়ে ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ পি.এম


“মিরসরাইয়ে ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার”

 

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ফয়সাল আহমেদ (৪০) নামে একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৭ জুন) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে জোরারগঞ্জ থানাধীন বারইয়ারহাট পৌরসভার উত্তর সোনাপাহাড় ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর থেকে ফয়সাল আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের দক্ষিণ হাজীপাড়া এলাকার মৃত ফজল কবিরের ছেলে। বর্তমানে তিনি কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তারাবুনিয়াছড়া এলাকার মকবুলের বাড়িতে বসবাস করতেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মিরসরাই সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাদিম হায়দার চৌধুরীর তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনায় জোরারগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় পিএসআই কামরুল হাসান সঙ্গীয় ফোর্সসহ সিরা ডিউটি পালনকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে নেমে ফয়সাল আহমেদকে আটক করতে সক্ষম হন।

পরবর্তীতে তার কাছ থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

জোরারগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল হালিম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউএনএইচসিআরের নির্বাহী কমিটির নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৫ পি.এম


ইউএনএইচসিআরের নির্বাহী কমিটির নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) নির্বাহী কমিটির (এক্সকম) ব্যুরোর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো গ্রহণ করেছে। এটি বাংলাদেশের বহুপক্ষীয় কূটনীতির ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক।

আজ এখানে পাওয়া এক বার্তায় জানানো হয়, জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়সহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশ সরকারের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে চার সদস্যবিশিষ্ট এক্সকম ব্যুরোর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯৫৯ সালে ইউএনএইচসিআর-এর নির্বাহী কমিটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ কখনও ব্যুরোতে দায়িত্ব পালন করেনি। এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের সর্বসম্মত প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশকে মনোনীত করা হয়। পরে ভিন্ন দুটি আঞ্চলিক গ্রুপের প্রতিনিধিত্বকারী আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে এই মনোনয়নে সমর্থন দেয়।

পরে নির্বাহী কমিটির ১১০ সদস্য রাষ্ট্র দূত সোবহানের মনোনয়ন সহজে অনুমোদন করেন।

বার্তায় এটি আরও বলা হয়, এ নির্বাচন বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থায় দেশের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার প্রতিফলন।

পেশাদার কূটনীতিক নাহিদা সোবহান এর আগে রোম, কলকাতা ও জেনেভায় বাংলাদেশ মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি জর্ডানে রাষ্ট্রদূত এবং কানাডায় হাই কমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ অনুবিভাগের মহাপরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন। পাশাপাশি, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএনএইচসিআরসহ বিভিন্ন জাতিসংঘ সংস্থার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেন।

বার্তায় এও বলা হয়েছে, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার পাশাপাশি তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পক্ষে সোচ্চার বাংলাদেশ জন্য এই দায়িত্ব গ্রহণ বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

বিশ্বজুড়ে রেকর্ড সংখ্যক মানুষের বাস্তুচ্যুতি, ক্রমবর্ধমান মানবিক চাহিদা এবং তহবিল সংকটের মধ্যে বৈশ্বিক শরণার্থী সুরক্ষা ব্যবস্থার এক সংকটময় মুহূর্তে বাংলাদেশ এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করল।

এছাড়া, মানবিক সহায়তা ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি ইস্যুতে একে বাংলাদেশের গঠনমূলক নেতৃত্ব এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও দায়িত্ব ভাগাভাগির প্রতি অঙ্গীকারের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভিয়েতনামে মাংসের জন্য চুরি করা ৪ শতাধিক বিড়াল উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


ভিয়েতনামে মাংসের জন্য চুরি করা ৪ শতাধিক বিড়াল উদ্ধার

ভিয়েতনামের হো চি মিন শহরে মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে বিড়াল চুরি যে একটি চক্র কাজ করে, সেটিকে দেশটির পুলিশ ধরতে সক্ষম হয়েছে। তারা ওই চক্রের কাছ থেকে চার শতাধিক বিড়াল উদ্ধার করেছে। জানা গেছে, স্থানীয় প্রাণীকল্যাণ সংস্থা ও গণমাধ্যমের সূত্রে এই খবরটি এএফপির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

প্রাণীকল্যাণ সংস্থাগুলি জানিয়েছে, গত সপ্তাহে কয়েকদিনব্যাপী চলা অভিযানের সময় বিড়ালগুলো উদ্ধার করা হয়। ইতিমধ্যে ৪০টিরও বেশি বিড়ালকে তাদের মূল মালিকদের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে উদ্ধারকৃত বিড়ালগুলোর মধ্যে বেশ কিছু মারা গেছে।

দীর্ঘদিন ধরে অলাভজনক আন্তর্জাতিক প্রাণীকল্যাণ সংস্থা ‘হিউম্যান ওয়ার্ল্ড ফর অ্যানিম্যালস’-এর হয়ে কুকুর ও বিড়ালের মাংস খাওয়ার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়ে আসছেন করণভীর কুকরেজা। তিনি গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) এক বিবৃতিতে বলেছেন, এই অভিযানটি ভিয়েতনামের বিড়ালের মাংস ব্যবসার ‘একটি উদ্বেগজনক স্মারক’।

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গত সপ্তাহে হো চি মিন সিটি এলাকায় পোষা প্রাণী চুরির বেড়ে যাওয়া ঘটনার তদন্তের সময় পুলিশ একটি বিড়ালের মাংস পাচারকারী চক্র শনাক্ত করেছে এবং অভিযান চালিয়ে নয়জনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ এই দলটিকে ‘বিড়াল চুরি ও সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ একটি অপরাধী চক্র’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

হো চি মিন সিটি ক্রিমিনাল পুলিশ ডিভিশনের তথ্য অনুযায়ী, কর্মকর্তারা মোট প্রায় ৪০০টি জীবিত বিড়াল, ৪৫টি খাঁচা এবং প্রায় ৮০টি মৃত বিড়ালের পাশাপাশি বরফ ভর্তি চারটি ফোমের পাত্র উদ্ধার করেছেন। অন্য একটি স্থান থেকে ২১টি জীবিত বিড়ালও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজনরা দক্ষিণ ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি, তাই নিন এবং আন জিয়াং শহরজুড়ে গত তিন বছর ধরে ফাঁদ পেতে বিড়াল ধরার কথা স্বীকার করেছে। কুকরেজা আরও জানান, ভিয়েতনামে লক্ষ লক্ষ প্রাণী কুকুর ও বিড়াল চোরদের শিকার হয়, যারা রাস্তা থেকে প্রাণী ধরে কিংবা পরিবারের পোষা প্রাণী চুরি করে এবং সেগুলোকে মানুষের খাওয়ার জন্য জবাই করে।

অলাভজনক সংস্থা ‘ভিয়েতনাম ক্যাট ওয়েলফেয়ার’-এর ক্রিস গিন্ডেলহিউমার উদ্ধারকৃত প্রাণীগুলির যত্ন নিতে সহযোগিতা করছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘গত কয়েকদিনে অনেকের চোখে পানি দেখেছি’। তিনি বলেন, ‘এতগুলো ভিয়েতনামি পরিবার যে তাদের বিড়ালদের খুঁজতে আসছে, সেটি সত্যিই সুন্দর। কিন্তু এটা হৃদয়বিদারকও, কারণ অনেক পরিবার তাদের বিড়াল খুঁজে পায়নি।’

গিন্ডেলহিউমার আরও জানান, বহু পশুচিকিৎসক এবং স্বেচ্ছাসেবক বিড়ালদের জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। উল্লেখ্য, ভিয়েতনামে কুকুর ও বিড়ালের মাংস খাওয়া বৈধ। তবে প্রাণীদের উৎস যাচাই করার জন্য বিক্রেতাদের অবশ্যই অনুমতিপত্র থাকতে হয়। যদিও মধ্য ভিয়েতনামের হোই আন-এর মতো কিছু শহর কুকুর ও বিড়ালের মাংস খাওয়া বন্ধের জন্য বৈশ্বিক প্রাণী কল্যাণ সংস্থাগুলোর সাথে কাজ করছে।

২০২৪ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় কুকুরের মাংস নিষিদ্ধ করার কিছুদিন পর, ভিয়েতনামের কর্মকর্তারা জানান যে, পোষা প্রাণী এবং তাদের মালিকদের অধিকারের সুরক্ষার জন্য সরকার আইন ব্যবস্থার কিছু অংশ সংস্কার করার পরিকল্পনা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%