ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত মোজাফফরের ফেসবুক তথ্য চেয়ে মেটাকে চিঠি


জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত মোজাফফরের ফেসবুক তথ্য চেয়ে মেটাকে চিঠি

জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িত মোজাফফরের ফেসবুক তথ্য চেয়ে মেটাকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে গ্রেপ্তার হওয়া মোজাফফর হোসেনের ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের তথ্য চেয়ে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে মেটার কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়টি আরও তদন্ত করার জন্য এসব তথ্য চাওয়া হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর এবং আইটি বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মোজাফফরের সরাসরি মেসেঞ্জারে কয়েকজনের সঙ্গে কথার তথ্যের ভিত্তিতে এই তথ্যের চাহিদা জানানো হয়েছে। এছাড়াও জানা যায়, তিনি কিছু গ্রুপের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতেন। তানভীর হাসান জোহা জানিয়েছেন, তার মুছে ফেলা কথোপকথন উদ্ধারের চেষ্টা চলমান রয়েছে।

মেটার কাছে চাওয়া তথ্যের মধ্যে রয়েছে, গ্রাহকের তথ্য এবং অ্যাকাউন্ট নিবন্ধনের বিবরণ, সব নিবন্ধিত ও পূর্ববর্তী ইমেইল ঠিকানা ও ফোন নম্বর, টাইমস্ট্যাম্পসহ সম্পূর্ণ লগইন ইতিহাস, অ্যাকাউন্টটি অ্যাক্সেস করার জন্য ব্যবহৃত আইপি অ্যাড্রেস ও ডিভাইস, ব্রাউজারের তথ্য, ফেসবুক মেসেঞ্জারের মুছে ফেলা কথোপকথন সহ সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে গার্মেন্টস শ্রমিক কার্তিক নিহত

১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোরে চট্টগ্রামে এক সেনা বিদ্রোহে নিহত হয়েছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার লাশ গায়েব করার পেছনে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মো. মোজাফফর হোসেনের ভূমিকা ছিল। সে সময় তিনি সেনাবাহিনীর একজন মেজর পদ মর্যাদার কর্মকর্তা ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি পালিয়ে যান এবং তাকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কারও ঘোষিত হয়েছিল। দীর্ঘ ৪৫ বছর পর বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে রাজধানী ঢাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ এবং পরে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এরপর ২৩ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। সেই সঙ্গে তাকে দুইদিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। মোজাফফর হোসেনকে সেনা হেফাজতে রাখার নির্দেশও দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, মোজাফফর এবং অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। মাসুদ ২০০৭ সালের সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অন্যতম প্রভাবশালী ও তৎকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার অভিযুক্ত ছিলেন। সেই একই মামলায় মোজাফফরকেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় সেনা আইনে তার বিচার হবে। এর সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চলছে। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৬ বছরের কর্মকাণ্ডে তার কী সংশ্লিষ্টতা আছে, সেটিই আমরা দেখবো। বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ আলাদা হবে। তবে তিনি সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে থাকবেন। তদন্তের প্রয়োজনে তাকে সেখান থেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করবো। অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত হলে ট্রাইব্যুনালের প্রচলিত আইনে বিচার চলবে।

আরও পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে ইউপি সদস্যকে মারধর করলেন বিএনপি নেতা তোতা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামাবাদে পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


ইসলামাবাদে পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস

ঢাকা, ৫ আগস্ট, ২০২৬ : আজ পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।

এই সকালে, দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ চ্যান্সেরি কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে মো. ইকবাল হোসেন খান, যিনি পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার, হাইকমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে জাতীয় সঙ্গীতের সুরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

এই সময় হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যরা, বাংলাদেশি কমিউনিটির মানুষজন এবং পাকিস্তানি নাগরিকরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

হাইকমিশনের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রথমে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয় এবং তারপর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো বাণীও শোনানো হয় এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

অংশগ্রহণকারী হাইকমিশনের কর্মকর্তাগণ, সার্ক চেম্বার্স উইমেন এন্টারপ্রেনার কাউন্সিলের চেয়ারপার্সন হিনা মনসাব খান এবং রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন চৌধুরী আলোচনা অনুষ্ঠানে তাদের বক্তব্য দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনও ষড়যন্ত্রে সক্রিয়: শফিকুল আলম মনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনও ষড়যন্ত্রে সক্রিয়: শফিকুল আলম মনা

খুলনা, ৫ আগস্ট, ২০২৬ : মহানগর বিএনপির সভাপতি ও খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা বলেছেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন হলেও তাদের দোসররা এখনও পুরোপুরি নির্মুল হয়নি।

তারা সমাজের বিভিন্ন স্তরে ঘাপটি মেরে আছে এবং দেশে নতুন করে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। এমনকি তারা আমাদের বিভিন্ন সভা-সমাবেশে অনুপ্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা ঘটানোর গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে নগরীর কেডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে খুলনা মহানগর বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে খুলনায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত শহীদ, আহত ও যোদ্ধাদের স্মরণে এই সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিসিবির পরিচালক মো. শফিকুল আলম তুহিন।

মনা আরও বলেন, যারা এক সময় চরম দাম্ভিকতা দেখাতেন, ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে ভাবতেন তাদের কেউ পতন ঘটাতে পারবে না, আজ তাদের সেই অহংকার কোথায়? জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আমাদের যে বীর সন্তানরা বুকের তাজা রক্ত দিয়েছেন, তাদের এই আত্মত্যাগ কোনোভাবেই বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না।

ফ্যাসিবাদের দোসরদের যেকোনো চক্রান্ত রুখে দিতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের সকল নেতাকর্মীকে সবসময় সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।

সভায় মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক বেগম রেহানা ঈসা, ইস্তিয়াক উদ্দিন লাভলু ও চৌধুরী সফিকুল ইসলাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও থানা পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন থানা সভাপতি সেখ হাফিজুর রহমান মনি, মুর্শিদ কামাল ও অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আলী, থানা সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান বিশ্বাস ও আসাদুজ্জামান আসাদ এবং থানা সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির ইকবাল বাপ্পী।

বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলমগীর হোসেন, যুবদলের আহ্বায়ক শেখ আব্দুল আজিজ সুমন ও সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রুবেল, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. মজিবর রহমান, আঞ্চলিক শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আবু দাউদ দ্বীন মোহাম্মাদ, জাসাসের সদস্য সচিব কে এম এ জলিল, মহিলা দলের সদস্য নাসরিন শ্রাবণী ও সাইদা আক্তার, স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মুন্তাসির আল মামুন এবং ছাত্রদল নেতা নাজিম উদ্দিন সামিম।

আলোচনা সভা শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জীবনদানকারী শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পলাতক ফ্যা-সিবাদের পুনরুত্থান ঠেকাতে জাতীয় ঐক্য আরও দৃঢ় করতে হবে: মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


পলাতক ফ্যা-সিবাদের পুনরুত্থান ঠেকাতে জাতীয় ঐক্য আরও দৃঢ় করতে হবে: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন পলাতক ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধে ভিন্ন মতকে ধারণ করে জাতীয় ঐক্য আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি এই কথা বলেন বুধবার (৫ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসে।

মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলমান ফ্যাসিবাদী অপশাসনের বিরুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান সফল হয়।

বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের রক্তে রঞ্জিত হওয়ার কারণে আজ জাতীয়ভাবে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে এই দিনটি পালিত হচ্ছে।

তিনি যোগ করেন, দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে এই অভ্যুত্থানের পটভূমি তৈরি হয়েছিল বিএনপির নেতা-কর্মীদের অভূতপূর্ব ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে।

তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সব রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে ‘ফ্যাসিবাদ বনাম বাংলাদেশ’ এক নতুন মেরূকরণ ও জাতীয় ঐক্যের সৃষ্টি হয়েছিল।

এতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দৃঢ় নেতৃত্ব সংগ্রামকে সফল পরিণতির দিকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছিল।

ঐক্যের মাঝে অনাকাক্সিক্ষত দূরত্ব না রাখার আহ্বান জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, আমাদের নিজেদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও গঠনমূলক সমালোচনা থাকতে পারে।

কিন্তু মাথায় রাখতে হবে কোন অশালীন আচরণ না করে প্রজ্ঞা ও ইতিবাচকতার সাথে ভিন্নমতকে ধারণ করতে হবে।

ফ্যাসিবাদের প্রশ্নে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা আজ সময়ের দাবি।

তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সাল ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, এবং ২০২৪ সাল ছিল দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার যুদ্ধ।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়; এর প্রকৃত নায়ক দেশের জনগণ।

জনগণ যেমন ১৯৭১ সালের শহীদদের ভোলেনি, তেমনি ২০২৪ সালের বীর শহীদদেরও কোনোদিন ভুলবে না।

একাত্তর, নব্বই এবং চব্বিশের সংগ্রামকে ধারণ করেই আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, বিগত মেয়াদে ঘটে যাওয়া গুম-খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার স্বচ্ছ নিরপেক্ষ বিচারের মাধ্যমে আইনের শুভ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে।

একই সাথে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

এই লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফা, জুলাই সনদ, সংবিধান সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও শহীদ পরিবার এবং আহতদের সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে ইরান, তিন গুণ হয়েছে ড্রোন উৎপাদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ পি.এম


যুদ্ধবিরতির মধ্যেই সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে ইরান, তিন গুণ হয়েছে ড্রোন উৎপাদন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরান নতুন করে যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত বলে দাবি করেছে দেশটির সামরিক নেতৃত্ব। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘাতে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে এবং যুদ্ধবিরতির সময়কে অস্ত্রভান্ডার পুনর্গঠন ও আধুনিকায়নের কাজে লাগানো হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প চলতি সপ্তাহে ইরানকে নতুন একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর আহ্বান জানান অথবা ‘সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ’ করার জন্য। তেহরান বলছে, ওমানসহ বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি ও সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চললেও সামরিক প্রস্তুতিতে কোনো বিরতি দেওয়া হয়নি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত একটি বক্তব্যে সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেন, গত জুনে স্বাক্ষরিত এবং বর্তমানে স্থগিত থাকা সমঝোতা স্মারক ও যুদ্ধবিরতির সময়কে সর্বোচ্চ কাজে লাগানো হয়েছে।

তিনি দাবি করেন যে, বিদ্যমান অস্ত্র ও সরঞ্জাম পুনর্গঠন, নতুন সামরিক সরঞ্জাম যুক্ত করা, ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামত এবং নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। এদিকে, নতুন প্রজন্মের ড্রোন ইতোমধ্যে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়েছে এবং সেগুলোর বিস্তারিত পরে প্রকাশ করা হবে।

গত মাসে ইরানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মজিদ ইবনে রেজা দাবি করেন, যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি। তার বক্তব্য হলো, যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় ড্রোন উৎপাদন তিন গুণ বেড়েছে। তবে তিনি এ সম্পর্কে কোনো পরিসংখ্যান প্রদান করেননি।

একই ধরনের দাবি করেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। বাহিনীটির মুখপাত্র হোসেন মহিব্বি বলেন, যুদ্ধবিরতির সময় ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি যুদ্ধক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে লক্ষ্যভেদের নির্ভুলতাও উন্নত করা হয়েছে। তবে আইআরজিসি তাদের বর্তমান ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত, অস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা কিংবা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।

অন্যদিকে, গত জুনে কিছু মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয় যে, ইরানের যুদ্ধপূর্ব ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৭০ শতাংশ এবং ড্রোনের প্রায় ৪০ শতাংশ মজুত অক্ষত রয়েছে। এই তথ্যের স্বাধীন যাচাই সম্ভব হয়নি।

যুদ্ধের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও তাদের মিত্ররা হাজারো বিমান ও ড্রোন ইরানের আকাশসীমায় অভিযান পরিচালনা করেছে। ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিছুটা দুর্বল হলেও আইআরজিসি ও সেনাবাহিনী দাবি করেছে যে, তারা গত এক মাসে একাধিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-৯, এমকিউ-১ ও 'লুকাস' ধরনের ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

এদিকে, গত সপ্তাহে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইরান খুব শিগগিরই পাকিস্তানের মাধ্যমে চীন থেকে কাঁধে বহনযোগ্য বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারের প্রথম চালান পেতে পারে। তবে চীন ও পাকিস্তান এ দাবি অস্বীকার করেছে এবং ইরান এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

আল জাজিরাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির সাবেক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার হোসেন কানানি মোকাদ্দম বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক হামলা ইরানের সামরিক সক্ষমতা আদৌ ধ্বংস করতে পারেনি। তার দাবি, দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ও ওয়ারহেডের ধ্বংসক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে।

পাশাপাশি, মাটির নিচে নির্মিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার বা 'আন্ডারগ্রাউন্ড মিসাইল সিটি'তে বিপুল অস্ত্রভান্ডার রয়েছে এবং সেগুলোর নতুন অংশ ধীরে ধীরে অপারেশনাল ব্যবস্থায় যুক্ত হচ্ছে। মোকাদ্দম বলেন, এই সক্ষমতার কারণেই ট্রাম্প প্রশাসন কয়েক দফা বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা শেষ মুহূর্তে বাতিল করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এ দাবি স্বীকার করেনি।

এদিকে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী সৌদি আরবের নাজরান বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার দাবি করেছে। লোহিত সাগরে একটি ভারতীয় পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সব নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

কুয়েতে বিস্ফোরণের পর কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ইরানি ড্রোনের মাধ্যমে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা হয়েছে, তবে সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষ তা নিশ্চিত করেনি। এছাড়া, হরমুজ প্রণালিতে কয়েকটি জাহাজে হামলা এবং জাহাজ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিও করেছে আইআরজিসি।

এদিকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, ওমান ও অন্যান্য মধ্যস্থতাকারীর মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে সামরিক উত্তেজনা এবং পারস্পরিক অবিশ্বাসের কারণে কূটনৈতিক অগ্রগতির পথ এখনও অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%