বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৫:০৫ পি.এম
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে তার নানাবাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের উপর ময়মনসিংহ ১০ (গফরগাঁও-) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার এই কথা বলেন।
সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান সংসদে বলেন, ‘আমার এলাকাটা অত্যন্ত অবহেলিত। এই এলাকাটিতে বিশেষায়িত বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এখানে যারা রয়েছেন তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর জন্মও কিন্তু আমার গফরগাঁওয়ে। উনার নানার বাড়ি আমার গফরগাঁওয়ে। যদি মন্ত্রী মহোদয়রা একটু দৃষ্টি দেন এই অবহেলিত জনপদের প্রতি, তাহলে এই গফরগাঁওয়ের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।
পিছিয়ে পড়া জনপদকে এই জনপদটি এগিয়ে যাবে। আমি আশা করবো প্রধানমন্ত্রী যেভাবে গফরগাঁওকে গুরুত্ব দিয়েছেন, মন্ত্রী মহোদয়রাও সেভাবে গুরুত্ব দেবেন।’
স্পিকার এ সময় সমাজকল্যাণমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, নানাবাড়ির দিকে খেয়াল রাখবেন।’ গফরগাঁওকে অবহেলিত শুনে স্পিকার তখন প্রশ্ন করেন ‘গফরগাঁওয়ের বেগুন তো আছে?’।
মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান তার জবাবে বলেন, ‘লাফা বেগুন সেটিও বিলুপ্ত হয়ে গেছে।’ আক্তারুজ্জামান তখন আরো বলেন, ‘আমার এলাকার কিছু সমস্যার কথা আমাকে বলতেই হবে এখানে। আমি যে এলাকা থেকে নির্বাচিত হয়েছি ৪৭ বছর পর ওই এলাকার মানুষ সংসদে আসার সৌভাগ্য লাভ করেছে। আমি গোলন্দাজের জুলুমের রাজ্যে ছিলাম, যেখানে জিয়া হত্যার সাজাপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন অবসরপ্রাপ্ত গিয়াস এই মহান সংসদে এসে কলঙ্কিত করেছিলেন। তারা জুলুমের রাজ্য কায়েম করেছিলেন, আমি ইনসাফের রাজ্য কায়েম করতে চাই।
সেই ইনসাফের রাজ্য কায়েম করতে আমি অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবো, যেহেতু বিভিন্ন বিভাগের অবকাঠামো উন্নয়নে বিভাগ ভিত্তিক বরাদ্দ রয়েছে, কিন্তু ময়মনসিংহ বিভাগ সেখানে অন্তর্ভুক্ত নেই। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এখানে রয়েছেন, উনি অত্যন্ত আন্তরিক। আমি উনার প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি, উনি সারা বাংলাদেশের মতোই ময়মনসিংহ বিভাগকে, ময়মনসিংহ জেলাকে ও আমার পিছিয়ে পড়া গফরগাঁও-পাগলার প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেবেন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা জুলাইয়ে যুদ্ধ করেছি। এখানে উপস্থিত অনেকেই জুলাইয়ে যুদ্ধ করেছেন, আমাদের সন্তানেরাও করেছেন। কিন্তু অনেকেই জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করেন। আমরা জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করি না, আমরা জুলাইকে ধারণ করি। জুলাই তো বিক্রি করার বিষয় নয়।’ যত্নে তিনি বলেন, যারা জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করেন তাদের জীবনযাত্রার পরিবর্তন জনগণের সামনে তুলে ধরা উচিত। অনেকেই আগে রিকশায় চড়তেন, এখন তারা প্রাডো গাড়িতে চড়েন, এবং জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করেন। আমি এখনও যে গাড়িতে আগে চড়তাম, সেই গাড়িতেই চলাফেরা করি। নির্বাচনের সময় গাড়িটির অবস্থা আরও খারাপ হয়ে গেছে, কিন্তু এরপরেও সেটিই ব্যবহার করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় বিদ্যুৎ বিল আদায়ের প্রায় ৭০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মী (গার্ড) উজ্জ্বল মিস্ত্রী রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায় গ্রাহক ও সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে প্রায় ৪ হাজার ৪০০ গ্রাহকের জমা দেওয়া অর্থের হিসাব গরমিল পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জে এস এস সিকিউরিটি কোম্পানির মাধ্যমে ভাণ্ডারিয়া কৃষি ব্যাংকে নিয়োজিত নিরাপত্তাকর্মী উজ্জ্বল মিস্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো)-এর বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহের কাজে যুক্ত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হলেও তাকে নিয়মিত ভাবে ব্যাংকের ক্যাশ কাউন্টারে বসিয়ে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিলের টাকা গ্রহণ করানো হতো। আর্থিক লেনদেনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে একজন নিরাপত্তাকর্মীকে নিয়োজিত করায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, উজ্জ্বল মিস্ত্রী ও ওজোপাডিকোর ভাণ্ডারিয়া বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যালয়ের আউটসোর্সিং কম্পিউটার অপারেটর সুশান্ত এবং নেয়ামত উল্লাহ রেজভীর যোগসাজশে গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায়কৃত অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে যথাযথ ভাবে জমা দেওয়া হয়নি। ফলে বিপুল অঙ্কের অর্থের হিসাব গরমিলের ঘটনা সামনে আসে।
সূত্র জানায়, কম্পিউটার অপারেটর সুশান্ত ও নেয়ামত উল্লাহ রেজভীর দায়িত্ব ছিল নিয়মিত ভাবে বিদ্যুৎ বিল আদায়ের হিসাব যাচাই-বাছাই (অডিট) করে আবাসিক প্রকৌশলী মো. ফিরোজ হোসেন সন্যমতের কাছে প্রতিবেদন উপস্থাপন করা। তবে দীর্ঘ সময় ধরে বিপুল পরিমাণ অর্থের গরমিল থাকলেও বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে তাদের দায়িত্ব পালন নিয়েও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, উজ্জ্বল মিস্ত্রী গত ১৮ জুন সর্বশেষ কর্মস্থলে উপস্থিত ছিলেন। এরপর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। বিষয়টি সামনে আসার পর প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রায় ৪ হাজার ৪শ গ্রাহকের প্রায় ৭০ লাখ টাকার হিসাব গরমিল শনাক্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও গ্রাহকদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ বিল গ্রহণ করা হয়েছে। গত ৫ জুন শুক্রবার ৬২২ জন গ্রাহকের কাছ থেকে ৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫১ টাকা এবং ৬ জুন শনিবার ৫২৮ জন গ্রাহকের কাছ থেকে ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭১৬ টাকা আদায় করা হয়। এসব অর্থের এন্ট্রি দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনা প্রকাশের পর ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা তাদের জমা দেওয়া অর্থের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা দ্রুত অর্থ উদ্ধার, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
আবাসিক প্রকৌশলী মো. ফিরোজ হোসেন সন্যমত জানান, ঘটনাটি তদন্তে ব্যাংক ও বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। তদন্তে কোনো সংঘবদ্ধ জালিয়াতি চক্রের সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখার জন্য তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর দপ্তর, পরিচালণ ও সংরক্ষণ সার্কেল, ওজোপাডিকো, বরিশাল এর প্রকৌঃ পরিতোষ চন্দ্র সরকার, গত ১৭ জুন ওজোপাডিকো বরিশাল আঞ্চলিক হিসাব শাখার ব্যাবস্থাপক মোঃ রেজাউল করিমকে আহবায়ক করে ৪ সদস্য একটি তদন্ত কমিটি করেন। অন্য সদস্যরা হলেন নিবাহী প্রকৌশলী বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের মোঃ মতিউর রহমান, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী দিপক মিস্ত্রী, সহকারী প্রকৌশলী ইমানুর রহমানকে চারদিনের মধ্যে রিপোর্ট প্রদান করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ভান্ডারিয়া শাখার শাখা ব্যবস্থাপক মিঠুন সাহ কে ব্যাংকে না পাওয়ায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাকে অফিসের মোবাইলে ফোন করা হলেও মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। তবে একটি সুত্র জানায় তিনি ব্যাংকের কাজে বাগেরহাটে আছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতওয়ার জেলায় থানায় হামলা ও পুলিশ সদস্যদের ওপর ভাঙচুরের অভিযোগে সেনাবাহিনীর ৪০ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলার মধ্যে এক কর্নেল ও এক মেজরও আছেন। খবরটি এসেছে এনডিটিভির মাধ্যমে।
দায়েরকৃত প্রতিবেদনে পুলিশ ১৭ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের অধীনস্থ কমান্ডিং অফিসার কর্নেল এন অরুণ গান্ধী, মেজর বিকাশ শর্মা, নায়েব সুবেদার শঙ্কর গুরখে এবং আরও ৩০-৪০ জন অজ্ঞাতনামা সেনা সদস্যকে আসামি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা কিশতওয়ারের আথোলি থানায় জোরপূর্বক প্রবেশ করেছে এবং সরকারের কর্মকর্তা ও থানার মধ্যে অবস্থানরত পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়েছে।
সেনাবাহিনীর প্রতিরক্ষা বিভাগের এক মুখপাত্র ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, ভারতীয় সেনাবাহিনী আইনি প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবে। যৌথ তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এটি একটি চলমান তদন্ত, তাই এ পর্যায়ে মন্তব্য না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগের মধ্যে আথোলির ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (ডিএসপি) বিজয় কুমার ভগত এবং আথোলি থানার স্টেশন হাউস অফিসার (এসএইচও) অমৃত কাটোচও হামলার শিকার হয়েছেন।
এসএইচও’র দায়ের করা এফআইআরে বলা হয়েছে, যখন তিনি পাড্ডারের ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসে অনুষ্ঠিত একটি সরকারি অনুষ্ঠানে ছিলেন, তখন সেনাসদস্যরা থানায় হামলা চালায়। ওই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছিলেন কিশতওয়ারের জেলা কমিশনার। তথ্যে উল্লেখ থাকে যে, থানার ভেতরে ঘটনার খবর পাওয়ার পর তিনি দ্রুত থানায় ফিরে যান।
এফআইআরে আরও বলা হয়েছে, অভিযোগকারী কর্মকর্তা যখন থানার প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন, তখন মেজর বিকাশ শর্মার নেতৃত্বাধীন সেনাসদস্যরা তার ওপর শারীরিক হামলা চালায়। ধস্তাধস্তির সময় সেনাসদস্যরা তার ইউনিফর্মের শার্ট ছিঁড়ে ফেলে এবং এসডিপিও আথোলির ওপরও হামলা করে।
পুলিশের অভিযোগ, হামলাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল এবং এতে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হামলাকারীরা লাঠি, লোহার রড ও সরকারি অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে থানার প্রধান ফটক ও সীমানা প্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, কিশতওয়ারের সহকারী আঞ্চলিক পরিবহন কর্মকর্তা (এআরটিও) সেনাবাহিনীর একটি যানবাহন জব্দ করার পর সেনাসদস্যরা থানায় হামলা চালায়।
এফআইআর অনুযায়ী, হামলাকারীরা সরকারি ও জনসম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। তারা এআরটিওর সরকারি গাড়ি, আথোলি থানার এসএইচওর গাড়ি এবং এসডিপিও আথোলির গাড়ি ভাঙচুর করে। এছাড়া থানার প্রধান ফটকও ভেঙে ফেলে।
পুলিশের দাবি অনুযায়ী, হামলাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল এবং অভিযুক্ত সেনাসদস্যদের লক্ষ্য ছিল দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ‘হত্যা করা’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৪ জনে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় দেশটিতে পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন জায়গায় শতশত ঘরবাড়ি ধসে পড়েছে। খবর এএফপির।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিল, এই ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। তবে দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ সর্বশেষ আপডেটে ১৬৪ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া, এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯৭১ জন আহত হয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।
স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটের দিকে প্রথমে ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর কয়েক মুহূর্তের মধ্যে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দ্বিতীয় শক্তিশালী ভূমিকম্পটি আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস। ভয়াবহ এই বিপর্যয়ের পর অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি বহুতল ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ বহুতল ভবনগুলো থেকে দ্রুত বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
তীব্র আতঙ্কিত ও ঘরবাড়ি হারানো এসব মানুষ পরবর্তী আফটারশকের ভয়ে সারারাত খোলা আকাশের নিচে বাইরে কাটিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংগীতপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষার প্রহর এখন শেষ হতে চলেছে। অবশেষে, ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম। তিনি গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর ঢাকার একটি কনসার্টে গান গাওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। তবে জাতীয় নির্বাচনের নিরাপত্তাজনিত কারণে সেই কনসার্টটি স্থগিত হয়ে যায়। সেই কনসার্টই এবার গায়ক নতুন করে আয়োজন করতে আসছেন।
সংগীতপ্রেমীদের জন্য সুখবরটি জানিয়েছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান মেইন স্টেজ ইনকর্পোরেশন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) প্রতিষ্ঠানটির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে কনসার্ট পোস্টারে গায়কের একটি ছবি আপলোড করার মাধ্যমে এই সুখবরটি জানানো হয়।
ক্যাপশনে আয়োজকরা জানান, অপেক্ষার প্রহর শেষে প্রতিশ্রুতি পূরণের সময় এসে গেছে। তাদের স্থগিত হওয়া কনসার্ট অবশেষে আগামী ২৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
পোস্টে আরও জানানো হয়, যারা পূর্বে কনসার্টের টিকিট কিনেছেন, তারা পুরনো টিকিট দিয়েই এই কনসার্ট উপভোগ করতে পারবেন। যেসব দর্শক টিকিটের টাকা ফেরত চান, তারা চাইলে তাদের আবেদনটি বাতিল করে নতুন টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন।
পোস্টের শেষে আরও জানানো হয়, নতুন টিকিটের বিক্রি, কনসার্টের ভেন্যু এবং অন্যান্য সব তথ্য খুব শিগগিরই অফিসিয়ালি ঘোষণা করা হবে।
গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর ঢাকায় আতিফ আসলামের কনসার্ট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনুষ্ঠানের মাত্র দুই দিন আগে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর কনসার্টটি নিরাপত্তাজনিত কারণে স্থগিত করা হয়েছিল।
কনসার্টটি স্থগিত হওয়ার পর আয়োজক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছিল যে অনুষ্ঠানটি বাতিল নয়, বরং পরিস্থিতি অনুকূলে এলে পুনরায় আয়োজন করা হবে। নির্ধারিত তারিখ ১৩ ডিসেম্বরের ৭ মাস পর আয়োজক সংশ্লিষ্টরা এখন সেই কনসার্টের আয়োজন করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ