বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৫:১২ পি.এম
সংগীতপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষার প্রহর এখন শেষ হতে চলেছে। অবশেষে, ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম। তিনি গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর ঢাকার একটি কনসার্টে গান গাওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। তবে জাতীয় নির্বাচনের নিরাপত্তাজনিত কারণে সেই কনসার্টটি স্থগিত হয়ে যায়। সেই কনসার্টই এবার গায়ক নতুন করে আয়োজন করতে আসছেন।
সংগীতপ্রেমীদের জন্য সুখবরটি জানিয়েছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান মেইন স্টেজ ইনকর্পোরেশন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) প্রতিষ্ঠানটির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে কনসার্ট পোস্টারে গায়কের একটি ছবি আপলোড করার মাধ্যমে এই সুখবরটি জানানো হয়।
ক্যাপশনে আয়োজকরা জানান, অপেক্ষার প্রহর শেষে প্রতিশ্রুতি পূরণের সময় এসে গেছে। তাদের স্থগিত হওয়া কনসার্ট অবশেষে আগামী ২৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
পোস্টে আরও জানানো হয়, যারা পূর্বে কনসার্টের টিকিট কিনেছেন, তারা পুরনো টিকিট দিয়েই এই কনসার্ট উপভোগ করতে পারবেন। যেসব দর্শক টিকিটের টাকা ফেরত চান, তারা চাইলে তাদের আবেদনটি বাতিল করে নতুন টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন।
পোস্টের শেষে আরও জানানো হয়, নতুন টিকিটের বিক্রি, কনসার্টের ভেন্যু এবং অন্যান্য সব তথ্য খুব শিগগিরই অফিসিয়ালি ঘোষণা করা হবে।
গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর ঢাকায় আতিফ আসলামের কনসার্ট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনুষ্ঠানের মাত্র দুই দিন আগে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর কনসার্টটি নিরাপত্তাজনিত কারণে স্থগিত করা হয়েছিল।
কনসার্টটি স্থগিত হওয়ার পর আয়োজক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছিল যে অনুষ্ঠানটি বাতিল নয়, বরং পরিস্থিতি অনুকূলে এলে পুনরায় আয়োজন করা হবে। নির্ধারিত তারিখ ১৩ ডিসেম্বরের ৭ মাস পর আয়োজক সংশ্লিষ্টরা এখন সেই কনসার্টের আয়োজন করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি আমের মৌসুমে রাজশাহী বিভাগের আমবাজার সংলগ্ন ব্যাংকের শাখাগুলো আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত প্রতি শনিবার সীমিত পরিসরে খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট এন্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে।
এতে বলা হয়েছে, চলমান আমের মৌসুমে বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ (শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট উপজেলা), নওগাঁ (সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলা), রাজশাহী ও নাটোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গড়ে ওঠেছে স্থায়ীও অস্থায়ী আমের বাজার।
এসব বাজার সংলগ্ন তফসিলি ব্যাংকের শাখাগুলোতে নগদ অর্থের পর্যাপ্ত সরবরাহ বা জমা নিশ্চিত করা এবং ব্যবসায়ীদের নগদ অর্থ সংরক্ষণজনিত ঝুঁকি নিরসনের লক্ষ্যে আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত সাপ্তাহিক ছুটির দিন প্রতি শনিবার পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ব্যাংকের স্বীয় বিবেচনায় সীমিত পরিসরে ব্যাংকের শাখা বা উপশাখা খোলা রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেয়া হল।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশন (BCMIA) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের অযাচিত এবং অবৈধ হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে তাদের বিক্ষোভ মিছিল এবং প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের এই অবৈধ এবং অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। বুধবার, ২৫ জুন, বৃহস্পতিবার বিকালে BCMIA এর সভাপতি এস এম ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম মানিকের সঞ্চালনায় এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা অভিযোগ করেন, Dhaka Stock Exchange কর্তৃক অযাচিত ও অবৈধভাবে স্বাভাবিক মার্কেটের গতি ব্যাহত করা হচ্ছে, এবং নানা কোম্পানির উপর হস্তক্ষেপ করে জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। এর ফলে বাজারে আতঙ্ক সৃষ্টি হচ্ছে এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বক্তারা এ ধরনের অযাচিত হস্তক্ষেপকে পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক পরিবেশ এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেন।
সমাবেশের বক্তারা বলেন, BCMIA পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের অতিরিক্ত বেশি নানামুখী অবৈধ ও অযাচিত সিদ্ধান্তের ফলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হচ্ছে। বক্তারা মনে করেন যে, একটি অসাধু চক্র এই সঙ্কটের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে। তারা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে এই ধরনের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানান।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, যদি এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকে, তাহলে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ক্ষুণ্ন হবে এবং বাজার তার স্বাভাবিক গতি হারাবে।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তৃতা করেন সিনিয়র সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন, সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ, মিজানুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক আবদুল আউয়াল মিছবাহ, কোষাধ্যক্ষ সাহাদাত হোসেন এবং সদস্য শাখায়াত হোসেনসহ আরও অনেকেই। সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে তাদের দাবি তুলে ধরেন। তারা পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সমাবেশে BCMIA-এর কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক সদস্য ও পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিফা নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ফিফার সেক্রেটারি ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রোমের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ থেকে সদস্য দেশগুলোকে এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
ফিফার গঠনতন্ত্রের ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ব্যুরো অব দ্য কাউন্সিল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞার সঠিক কারণ বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশ করা হয়নি।
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সকল ধরনের সদস্যপদ ও প্রাতিষ্ঠানিক অধিকার হারিয়েছে। একই সঙ্গে, দেশটির জাতীয় দল এবং ঘরোয়া ক্লাবগুলি পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কোনো টুর্নামেন্ট বা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
স্থগিতাদেশ চলাকালীন, নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বা এর কোনো কর্মকর্তা ফিফা এবং এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের কোনো ধরনের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। ফিফার পক্ষ থেকে অন্যান্য সদস্য দেশ ও সহযোগীদের স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, নিষেধাজ্ঞা বলবৎ চলাকালীন নেপাল বা তাদের দলের সঙ্গে কোনো ক্রীড়াবিষয়ক যোগসূত্র রাখা যাবে না।
এছাড়া, বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী ফিফা কংগ্রেসের আগে যেকোনো সময় ফিফা কাউন্সিল এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে সক্ষম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি মাসের প্রথম ২৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩১ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড় হিসেবে দেশে এসেছে ৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, চলতি জুন মাসের প্রথম ২৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩১ কোটি ২০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২২৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত দেশে এসেছে ৩ হাজার ৫০৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৭ দশমিক ৭০ শতাংশ।
এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়।
গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর গত মার্চে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।
গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার এবং ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার এবং ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ