মোঃ নাজির খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,
বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:৪৬ পি.এম
মো: আখতারুজ্জামান শিশির, যিনি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সহ-সভাপতি, তিনি বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি চলা কোটা সংস্কার আন্দোলন ও পরবর্তীতে সরকার পতনের একদফা দাবির আন্দোলনকে প্রতীকী রূপ দিতেই আগস্টের ৫ তারিখকে '৩৬ জুলাই' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল যে, স্বৈরাচার সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত জুলাই মাস শেষ হয়নি।
দিনটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। '৩৬ জুলাই' বলতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টকে নির্দেশ করা হয়, যেদিন তীব্র ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের মুখে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করেন।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, জনাব মোঃ সাখাওয়াত ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, নারায়ণগঞ্জ কৃষক দলের মহানগরের মহিলা বিষয় সম্পাদিকা, খোরশেদ আলম লিপি খন্দকার এবং আরো অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজাগামী মানবিক সহায়তাবাহী নৌবহরের (ফ্লোটিলা)- সদস্য ও ফিলিস্তিনপন্থি অধিকারকর্মী অ্যানা লিডকে ইসরায়েলি বন্দিশালায় থাকাকালীন যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন ভয়াবহ তথ্য, যা একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
লিডকে বলেছেন, বেআইনিভাবে তৃতীয় দফায় দেহ তল্লাশির সময় কারারক্ষীরা তাকে জোরপূর্বক হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করে। এর পর তার মুখ চেপে ধরলে তিনি চিৎকার করতে থাকেন এবং পরে ধর্ষণের শিকার হন।
মঙ্গলবার দ্য গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। লিডকের বক্তব্য, নির্যাতনের সময় তিনি পুরুষ কারারক্ষীদের হাসির শব্দ শুনেছেন, যা তার ধারণা অনুযায়ী, তারা ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং সেটি সম্ভবত ভিডিও রেকর্ড করছেন। তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল পার্টিশনিংয়ের মাধ্যমে আলাদা করা থাকলেও তা সম্পূর্ণ শুরুর অবস্থায় রাখা হয়েছিল।
২৫ বছর বয়সী লিডকে গত শরতে ইউরোপ থেকে গাজাগামী নৌবহরে যোগদান করেন। ৮ অক্টোবর আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী তাদের নৌযান আটক করে এবং তাকে পাঁচ দিন ধরে আটক রাখা হয়।
লিডকের ভাষ্যমতে, ফ্লোটিলার কর্মীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণসহ বিভিন্ন সহিংসতার উদ্দেশ্য ছিল তাদের মধ্যে ভয় সৃষ্টি করা। গার্ডিয়ানের কাছে তিনি বলেছেন, ‘এটি স্পষ্ট যে তারা আমাদের মনোবল ভেঙে দিতে চায় এবং আমাদের চুপ করাতে চায়। তারা আমাদের এমন এক ট্রমার মধ্যে ফেলতে চায়, যাতে আমরা আর কখনো ফিলিস্তিন নিয়ে কথা না বলি।’
নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটার পর কয়েক দিনের মধ্যে তিনি বিষয়টি বন্ধু ও চিকিৎসকদের জানান। লিডকে গত ডিসেম্বরে ইসরায়েলি হেফাজতে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন, যা ছিল প্রথম ফ্লোটিলা কর্মীর অভিযোগ। পরে আরও এক ডজনের বেশি কর্মী যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তুলে, তবে অধিকাংশই তাদের পরিচয় প্রকাশ করেননি।
লিডকের আইনজীবীরা অভিযোগের তদন্তের আবেদন জানিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করেছেন। ইসরায়েলি আইন অনুযায়ী, সম্মতি ছাড়া যেকোনো ধরনের যৌন নিপীড়নকে ধর্ষণ হিসেবে গণ্য করা হয়।
আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর লিডকে বলেছেন, ‘আমার লজ্জা পাওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা যদি চুপ থাকি, তাহলে তারা অন্য কারোর সঙ্গেও একই কাজ করবে।’
অভিযোগপত্রটি ইসরায়েলের অ্যাটর্নি জেনারেল, দেশের কারা কর্তৃপক্ষের আইনি উপদেষ্টার কাছে পাঠানো হয়েছে। আইনজীবী মুনা হাদ্দাদ জানান, এ উদ্যোগের লক্ষ্য ইসরায়েলে বন্দি নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিদ্যমান ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি’কে চ্যালেঞ্জ করা।
ইসরায়েলে কর্মরত ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংস্থা আদালাহ-এর আইনজীবী হাদ্দাদ বলেন, অ্যানা লিডকে ন্যায়বিচার চান এবং দায়ীদের জবাবদিহি করার সব ধরনের আইনি পথ ব্যবহার করতে প্রস্তুত। তারা তদন্তের দাবিতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবেন।
হাদ্দাদ দাবি করেন, গত প্রায় তিন বছর ধরে ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে যৌন সহিংসতা ও ধর্ষণের মতো অপরাধের অভিযোগ উঠছে এবং এখন এর বিস্তার আরও বেড়েছে। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশকারী বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গেও একই আচরণ করা হচ্ছে।
লিডকে বলেন, ‘আমি মনে করি না, শুধু মুখ খুললেই কারাগারে ধর্ষণ বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু একজন রাজনৈতিকভাবে সচেতন নারী হিসেবে এ বিষয়ে কথা বলা আমার দায়িত্ব। আমি এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে চাই। আমি জোর দিয়ে বলতে পারি, ফিলিস্তিনি বন্দিরা যে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হন, আমার ওপর হওয়া নির্যাতন তার চেয়ে অনেক কম।’
তিনি জানান, গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ ইতালি থেকে প্রায় ১০০ কর্মীর সঙ্গে বড় একটি ফেরিতে যাত্রা শুরুর আগে আগের ফ্লোটিলা সদস্যদের কাছ থেকে তিনিও ইসরায়েলি হেফাজতে সম্ভাব্য সহিংসতা ও যৌন নিপীড়নের আশঙ্কা সম্পর্কে সতর্কবার্তা পেয়েছিলেন। মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে চাইলেও তিনি জানেন, এমন অভিজ্ঞতার জন্য আগে থেকে প্রস্তুত হওয়া প্রায় অসম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শোবিজ জগতে একাধিকবার প্রেমের গুঞ্জনে অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির নাম এসেছে। যদিও আগে পর্যন্ত নিজের ব্যক্তিগত জীবন, ভালোবাসা এবং সম্পর্ক নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি, এবার সেই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন।
একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে এসে দীঘি ব্যক্তিজীবনকে কেন্দ্র করে খোলামেলা আলোচনা করেন। নায়িকার কাছে তার প্রেমজীবন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, "আমি কখনো প্রেমের সম্পর্কে জড়াইনি। এমনকি, সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সচেতনভাবেই কোনো সম্পর্কে যাইনি।"
এরপরেই দীঘি এর কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, "স্কুলজীবন থেকেই পরিবারের কড়া নজরদারিতে বড় হয়েছি। ক্লাস সিক্সে ওঠার পর থেকেই আমার চলাফেরায় বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। পরিবারের সদস্যরা নিয়মিত স্কুল কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে আমার খোঁজখবর নিতেন। এসএসসি পরীক্ষার পূর্ব পর্যন্ত মোবাইল ফোনও ব্যবহার করতাম না।"
যেহেতু দীর্ঘ সময় এমন নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বেড়ে ওঠা, তাই প্রেম করার সুযোগ কিংবা মানসিক পরিসর—কোনোটিই তৈরি হয়নি।
ক্যারিয়ারে একসময় কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি এবং পরে মুহাইমিন রাশিদ নামে এক তরুণের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল দীঘির। কিন্তু এ ধরনের গুঞ্জনকে তিনি শুধু গুঞ্জন বলেই উড়িয়ে দিয়েছেন। দীঘি জানান, "তৌহিদ আফ্রিদি ও মুহাইমিন রাশিদের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনের কোনো ভিত্তিই নেই। কারণ তাদের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল শুধুই বন্ধুত্বের।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের বিশ্বনাথে জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬ উদযাপনের প্রেক্ষিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিষদের সম্মেলন কক্ষে সভাটি আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদ বিন কাশেম।
সভাটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম। এতে বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) হাজী গৌছ আলী, উপজেলা জামায়াতের আমির নিজাম উদ্দিন সিদ্দীকি, নায়েবে আমীর মাস্টার ইমাদ উদ্দিন, বিশ্বনাথ পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী আদবুল হাই, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কাওছার খান, দশঘর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন খান, অলংকারি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান লিটন, দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, বিশ্বনাথ পৌর বিএনপির সাংগঠনিক গোবিন্দ মালাকার, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শিপন আহমদ, উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যুগ্ম আহবায়ক এম খলিলুর রহমান এবং জুলাই যোদ্ধা আমজাদ হোসেন ও মাসুদ রানা চৌধুরী।
সভায় বক্তারা বলেছেন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য শহিদদের অবদান চিরকাল জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। তাদের আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। শহিদদের আদর্শ ও চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন, মানবিক এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা।
এ সময় সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা ও জুলাই আন্দোলনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেছেন, সংস্থার গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) জুলাই আন্দোলন সংশ্লিষ্ট ৫৯টি মামলায় প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেবে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জুলাই মামলার অগ্রগতির বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, প্রতিটি মামলায় বিপুল সংখ্যক আসামি থাকায় তাদের অবস্থান, ভূমিকা এবং ফরেনসিক তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে ধাপে ধাপে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় ডিবির তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে অতিরিক্ত কমিশনার আরও বলেন, ডিবিতে ৫৯টি মামলা তদন্ত করা হচ্ছে। প্রতিটি মামলায় আসামির সংখ্যা অনেক। তাদের অবস্থান শনাক্ত করা এবং কার কী অবস্থান ছিলো সেগুলো দেখার বিষয় আছে। ফরেনসিকের বিষয় আছে। সবকিছু নিয়ে ধাপে ধাপে কাজ করা হচ্ছে। এ আন্দোলনের প্রায় ৪০ জিবি ডাটা আছে। আমরা অত্যন্ত সিরিয়াসের সঙ্গে মামলাগুলো নিয়ে কাজ করছি। আইনরের ভেতরে থেকে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রতিবেদন দেয়া হবে।
জুলাই আন্দোলন ঘিরে শুধুমাত্র ডিএমপিতেই শত শত মামলা ভুয়া হয়েছে। এমনও হয়েছে যে এক ঘটনায় তিনটা চারটা মামলা এবং এটা নিয়ে বিজনেস হয়েছে। যেহেতু দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা বা চার্জশিট করবেন। যারা মামলা বাণিজ্য করেছে তাদের তালিকা করে কোনো ব্যবস্থা নেবেন?
এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেসব মামলা হয়েছে আপনারা জানেন এ মামলাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মামলা যে রকম আমরা এখানে দেখি আমাদেরকে বৃহৎ প্রচারে একটা মনিটরিং সেল আছে। ১৫ দিন পরপরই মামলাগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। পুলিশ সদরদফতরেরও মনিটরিং সেল আছে। সেখানেও মামলাগুলো যাচাই-বাছাই হয়। কেউ যদি ভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে মামলা করে থাকেন আমরা তাতে সায় দেব না। আমি আপনাদেরকে নিশ্চয়তা দিচ্ছি যে, মামলাগুলো সঠিকভাবে তদন্ত করে একমাত্র দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হবে।
মামলা তদন্তে কোনো সমস্যার মুখোমুখি হচছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেকগুলো সমস্যা। একটা বিশাল ডাটা বিশ্লেষণের বিষয় আছে। আবার আসামির সংখ্যা অনেক। আবার একেক ঘটনায় একেক রকম আসামি করা হয়েছে। সব জিনিসগুলো যাচাই বাছাই করতে হচ্ছে। সঠিক জিনিসটা যেন মামলায় উঠে আসে আমরা সে চেষ্টা করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ