বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৩৬ পি.এম
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক যশোর পৌরসভার মেয়র মো. জহিরুল ইসলাম চাকলাদার এবং তার স্ত্রী শামীমা শারমিনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করার অনুমোদন প্রদান করেছে।
বুধবার অনুষ্ঠিত দুদকের প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
দুদকের তথ্য অনুসারে, জহিরুল ইসলাম চাকলাদারের বিরুদ্ধে ২৪ কোটি ৫৮ লাখ ৪৫ হাজার ২২১ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হবে।
অন্যদিকে, তার স্ত্রী শামীমা শারমিনের বিরুদ্ধে ৬ কোটি ৭২ লাখ ৯ হাজার ৪৫৩ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। এই মামলায় স্বামী জহিরুল ইসলাম চাকলাদারকে সহায়তাকারী হিসেবে আসামি করা হবে।
তাদের বিরুদ্ধে ২৭(১) ধারা ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় পৃথক মামলা দায়ের করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (পশ্চিম) কর্তৃক উদঘাটিত হয়েছে যে, অনলাইনভিত্তিক প্রসাধনী সামগ্রী বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান কোরিয়ান মার্ট বাংলাদেশ ৩ কোটি ১৯ লাখ ৫৭ হাজার ৪৯০ টাকার মূল্য সংযোজন কর ফাঁকি দিয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এবং কমিশনারের নির্দেশনা ও পল্লবী বিভাগের কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে ২১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটিতে নিবারক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পল্লবী বিভাগীয় দপ্তরের আওতাধীন কোরিয়ান মার্ট বাংলাদেশ (বাড়ি নং-৩৪, রোড নং-৩, ব্লক-ডি, বিআইএন নং-০০৭৫৩৪৫১৪-০৪০১) নামক প্রতিষ্ঠানে মূসক-১২.১ প্রদর্শনপূর্বক অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে প্রতিষ্ঠানটির ল্যাপটপ, কম্পিউটার, কুরিয়ার সার্ভিসের তথ্য, নিজস্ব সফটওয়্যার ব্যবস্থা এবং অন্যান্য দলিলাদি পর্যালোচনা করে মূল্য সংযোজন কর ফাঁকির সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়।
এনবিআর জানায়, অধিকতর যাচাইয়ের জন্য মূসক-১২.৩ জারির মাধ্যমে ল্যাপটপ, কম্পিউটার ও অন্যান্য দলিলাদির তথ্য পেনড্রাইভে সংরক্ষণ করে জব্দ করা হয়েছে।
জব্দকৃত দলিলাদি যাচাই করে প্রতিষ্ঠানটির ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৬৩ হাজার ৬৪৭ টাকার নিয়মবহির্ভূত বিক্রয় তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিক্রয়ের বিপরীতে ফাঁকিকৃত মূসকের পরিমাণ ৩ কোটি ১৯ লাখ ৫৭ হাজার ৪৯০ টাকা বলে প্রাথমিকভাবে উদঘাটন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে এনবিআর জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর দুই মাস অতিক্রান্ত হলেও ফিফার অফিসিয়াল মার্কেটপ্লেসে টিকিট বিক্রি করা অনেক সমর্থক এখনও তাদের পাওনা অর্থ পাননি। ফিফার নীতিমালা অনুযায়ী, টিকিট বিক্রির ৬০ দিনের মধ্যে বিক্রেতাকে অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে সেই সময়সীমা অতিক্রম হয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ২৫ বছর বয়সী আরিক শালমিয়েভ জানিয়েছেন, ফিফার টিকিট মার্কেটপ্লেসে তিনি তিনটি টিকিট বিক্রি করেছেন এবং তার পাওনা ১৫ হাজার ডলারের বেশি। কানসাস সিটির কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট বিক্রি করে তিনি ফিফার ফি কাটার পর ১০ হাজার ডলারের বেশি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরও সেই অর্থ তিনি পাননি।
শালমিয়েভের মতো আরও অনেক সমর্থক একই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। কিছু ক্ষেত্রে ফিফা জানিয়েছে যে অর্থ ফেরত পাঠানো হয়েছে, কিন্তু তা ব্যাংক হিসাবে পৌঁছায়নি। আবার কারও কাছে ব্যাংক তথ্য নিয়ে সমস্যা থাকার কথা বলা হয়েছে।
ফিফার ২০২৬ বিশ্বকাপের রিসেল ও এক্সচেঞ্জ মার্কেটপ্লেসে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের কাছ থেকে ১৫ শতাংশ করে ফি নেওয়ার নীতি ছিল। সফলভাবে টিকিট বিক্রির পর ৬০ দিনের মধ্যে বিক্রেতাকে অর্থ দেওয়ার কথা ছিল। তবে ফিফা জানিয়েছে, বিপুল সংখ্যক লেনদেনের কারণে কিছু অর্থ ফেরত দিতে বেশি সময় লাগছে।
ফিফার এক মুখপাত্র বলেছেন, বকেয়া পেমেন্ট ও রিফান্ডের বিষয়গুলো নিষ্পত্তিতে তাদের সংশ্লিষ্ট দল কাজ করছে। কিছু ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল যাচাই, অতিরিক্ত তথ্য কিংবা মূল পেমেন্ট পদ্ধতিতে অর্থ ফেরত পাঠাতে সমস্যা থাকার কারণে দেরি হচ্ছে বলেও জানিয়েছে ফিফা।
এদিকে টিকিট বিক্রেতাদের অনেকেই ফিফার কাস্টমার সার্ভিস নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। টেক্সাসের রবার্ট ফোরস্টার জানিয়েছেন, লিওনেল মেসি ও আর্জেন্টিনার ম্যাচের দুটি টিকিট বিক্রি করে তার পাওনা ৩ হাজার ডলারের বেশি। ফিফার কাছ থেকে অর্থ পাঠানোর ই-মেইল পেলেও তার হিসাবে এখনও টাকা জমা হয়নি।
বিশ্বকাপের টিকিট ব্যবস্থা নিয়ে এর আগে সমালোচনা হয়েছে। টিকিটের উচ্চমূল্য, আসনের অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং রিসেল প্ল্যাটফর্মের ফি নিয়ে বিভিন্ন মহল প্রশ্ন তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেলও ফিফার টিকিটিং প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং কিছু ক্ষেত্রে তদন্ত শুরু হয়েছে।
ফিফা বলছে, যেসব লেনদেন এখনও নিষ্পত্তি হয়নি, সেগুলো দ্রুত শেষ করার চেষ্টা চলছে। তবে বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার দুই মাস পরও টাকা না পাওয়া সমর্থকদের কাছে অপেক্ষাটা ক্রমেই হতাশার হয়ে উঠছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জ, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলা প্রশাসক ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জেলায় সার ও বীজ ডিলার এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে।
আজ বুধবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচারক ড. মো. হাবিবুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী।
সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রমাসন) মো. বিল্লাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মাহমুদুর রহমান খোন্দকার, জেলা মৎস্য কমৃকর্তা মো. গোলাম মেহেদী হাসান, জেলা প্রানি সম্পদ কমৃকর্তা এম এ জলিলসহ সার ও বীজ ডিলাররা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক সভায় উল্লেখ করেন, মুন্সীগঞ্জে সারের কোনো সংকট নেই। আলুর মৌসুমে জেলার জন্য প্রয়োজনীয় সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং জেলায় পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে। সারের জন্য উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।
তিনি ডিলারদের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যে যথাসময়ে সার বিক্রি নিশ্চিত করতে হবে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে এবং ভেজাল সার বিক্রি করলে ডিলারশিপ বাতিলসহ আইনানুগ এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কেহ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করলে বা মজুত করলে কঠোর হস্তে দমন করা হবে।
তিনি আরো বলেন, নির্ধারিত স্থান থেকে সার বিক্রি করতে হবে এবং বিক্রির ক্যাশ মেমো সঙ্গে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচারক ড. মো. হাবিবুর রহমান বাসস’কে জানান, আলু এবং ধান আবাদ মৌসুমে সার নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ নেই। অক্টোবর মাস পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সার জেলায় চলে এসেছে এবং কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক সময়ে ন্যায্য মূল্যে সার দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সার বীজ বিপণন ব্যবস্থা তদারকির জন্য মনিটরিং টিম রয়েছে।
সভায় বিএডিসি ডিলার মো. মোতাহার হোসেন এবং বিসিআইসি ডিলার মো. বাদল মিয়া আরও বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ডেঙ্গু প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে ৪শ’ পরিবারের মাঝে মশারি বিতরণ করা হয়েছে। আজ বুধবার, দুটি পৃথক অনুষ্ঠানে দরিদ্র জনগণের মধ্যে এই মশারি বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
ওয়ার্ল্ডভিশন বাংলাদেশের সহযোগিতায় আজ সকালে নগরীর ২৭নং ওয়ার্ড অফিসে ৩শ’ পরিবারের মধ্যে মশারি বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, "ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধে কেসিসি নগরীতে বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ফলে সড়ক সংলগ্ন বড় বড় ড্রেনগুলিতে মশার উপস্থিতি নেই বললেই চলে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "যদি বাড়ি, অফিস এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা যায়, তাহলে ডেঙ্গু জ¦রের প্রকোপ কমে আসবে।"
কেসিসি প্রশাসক আশা প্রকাশ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ৩ মাসের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। তিনি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের প্রতি জনগণকে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতন করার আহবান জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেসিসি’র প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম, ওয়ার্ল্ডভিশন বাংলাদেশের এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার সুরভী বিশ্বাস, সাবেক কাউন্সিলর মো. শমসের আলী মিন্টু ও মাজেদা খাতুন, সমাজসেবক মহিবুল্লাহ শামীম, শীতলা বাড়ি মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুজিত সাহা এবং ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অমিত কান্তি ঘোষসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক কল্যাণমূলক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘হাসিমুখ ফাউন্ডেশনের’ উদ্যোগে দুপুরে নগরীর দৌলতপুরস্থ শহিদ জিয়া কলেজ অডিটরিয়ামে ১শ’ দরিদ্র পরিবারের মাঝে মশারি বিতরণ করা হয়।
কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, "কেসিসি নগরীর ৮টি রেড জোনে ৮টি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করেছে।" তিনি আরও জানান, "খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৃথক ডেঙ্গু ইউনিট চালু করা হয়েছে। প্রয়োজনে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উম্মুক্ত জায়গায় বৃহৎ পরিসরে মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন এবং ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসা টীম গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে।"
‘হাসিমুখ ফাউন্ডেশনে’র সভাপতি সৈয়দ নওসুদুজ্জামান পল্টু’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ জিয়া মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. তারিকুল ইসলাম, সমাজসেবক প্রকৌশলী শাহীর হোসেন জাম্বু, দারুল হুদা জামে মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা আবুল কাশেম, ২ নং ওয়ার্ডের নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক চমন আক্তার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সঞ্চিতা দে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ