০৮:৪২ পি.এম
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় প্রাণ হারান।
৮৬ বছর বয়সী এই নেতার মৃত্যুতে ইরানে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে। তিনি কেবল ইরানের নেতা ছিলেন না, প্রতিবেশী ইরাকেরও একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন।
আল জাজিরার রিপোর্টে দেখা যায়, খামেনির কফিনের পাশে লাল ব্যানার ধরে ‘প্রতিশোধ’ স্লোগান দিচ্ছে শোকাহত মানুষ। শীর্ষ নেতারা সেখানে কাঁদছেন। তার বিদায়ের মাধ্যমে ইরানে একটি যুগের অবসান ঘটছে। তবে তার প্রভাব সীমানা ছাড়িয়ে ইরাকেও ছড়িয়ে ছিল।
আরও পড়ুন: এনসিপির আহ্বায়ক হলেন নাহিদ, সদস্যসচিব আখতার
কাতারের জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক পল মুসগ্রেভ আল জাজিরাকে বলেন, খামেনি ইরাকেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন।
ইরাক একটি শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। বর্তমানে ইরাকে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের কাজ চলছিল, পাশাপাশি যুদ্ধও চলছিল। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় দেশই প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছিল। শিয়া সম্প্রদায়ের সাথে খামেনির গভীর সম্পর্কের কারণে, তার সেখানে একটি বড় রাজনৈতিক প্রভাব ছিল। এটির প্রমাণ হলো, ইরাকের পবিত্র নাজাফ শহরে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা নির্দেশ করে সেখানে ইরানের কতটা শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে।
অধ্যাপক মুসগ্রেভ আরও বলেন, এই বিশাল শোকানুষ্ঠানের দুটি অর্থ রয়েছে। প্রথমত, এটি জনগণের মাঝে খামেনির বিশাল গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করছে। গত নভেম্বর-ডিসেম্বরে মানুষের মাঝে এমন ঐক্য দেখা যায়নি। মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের কারণে মানুষ এখন এক হয়েছে। দ্বিতীয়ত, তার জানাজায় ইরাক, তুরস্ক, ওমান এবং চীনের নেতারা যোগ দিয়েছেন। এটি প্রমাণ করে, পুরো অঞ্চল এবং বিশ্বজুড়ে তার প্রতি গভীর সংহতি রয়েছে।
টানা ছয় দিন ধরে ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে খামেনির বিদায় অনুষ্ঠান চলবে। আগামী শুক্রবার তার জন্মশহর মাশহাদে দাফন সম্পন্ন হবে।
আরও পড়ুন: চূড়ান্ত ভোটের আগে ব্রাজিলে টেলিভিশন বিতর্কে লুলা ও বলসোনারো মুখোমুখি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন