শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:১২ পি.এম
মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা বিএনপি। শুক্রবার সকালে হাসপাতালের নতুন ভবনের সামনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসানের নেতৃত্বে এই কার্যক্রম শুরু হয়।
অভিযান চলাকালে দলের নেতাকর্মীরা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, বারান্দা ও আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেন। বিশেষভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য হাসপাতাল প্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়।
এ সময় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফয়েজ আহমেদ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এহান উদ্দিন মনাসহ জেলা, উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সরাসরি অংশ নেন।
বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীরা হাসপাতালে এসে দালালদের দৌরাত্ম্যের কারণে সঠিকভাবে চিকিৎসা সেবা পান না। এই দালালদের দৌরাত্ম্য কমাতে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান বলেন, হাসপাতাল হচ্ছে মানুষের সেবার জায়গা। এই হাসপাতালের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব। হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ সুন্দর ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে স্থায়ীভাবে দুজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী (সুইপার) নিয়োগ দেওয়া হবে। হাসপাতালে এসে রোগীরা যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে কড়া নজর রাখা হবে।
এখানে কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না। ভবিষ্যতে হাসপাতালে নিয়মিতভাবে এই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি নতুন করে গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে মো. নাহিদ ইসলামকে আহ্বায়ক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে, এবং আখতার হোসেনকে সদস্যসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকার বাংলামোটরের রূপায়ণ ট্রেড সেন্টার থেকে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পুনর্গঠিত কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং হাসনাত আব্দুল্লাহ। এছাড়া যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন- অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, আরিফুল ইসলাম আদীব, ড. আতিক মুজাহিদ, আব্দুল হান্নান মাসউদ, আলী আহসান জুনায়েদ, সারোয়ার তুষার, আকরাম হুসাইন, সালেহ উদ্দিন সিফাত, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, নুসরাত তাবাসসুম, মনিরা শারমিন, ব্যারিস্টার সানি আব্দুল হক, মাহবুব আলম, অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন এবং মাওলানা আশরাফ মাহাদী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউড অভিনেতা আমির খান দীর্ঘ ক্যারিয়ারে একাধিক সিনেমায় অভিনয় করে সাফল্য অর্জন করেছেন। তবে কাজের জন্য ছুটতে গিয়ে তিনি জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে পরিবারের পাশে থাকতে পারেননি। তিন দশকের ক্যারিয়ারের দিকে ফিরে তাকিয়ে এই আক্ষেপের কথা জানালেন তিনি। কথার সময় আবেগপ্রবণ হয়ে কেঁদেও ফেলেন আমির।
বৃহস্পতিবার সিঙ্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আমির নিজের ক্যারিয়ারের কঠিন সময় ও ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন। এ আয়োজনে তাকে ‘স্ক্রিন আইকন অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে ক্যারিয়ারের দুর্বল মুহূর্তগুলো নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কাজের প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগের কারণে পরিবারকে সময় দিতে না পারার বিষয়টি তুলে ধরেন।
আমির জানান, করোনাভাইরাস মহামারির সময় তিনি নিজের জীবন নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেন। তখনই উপলব্ধি করেন, কাজ করতে গিয়ে জীবনের অনেকটা সময় তিনি পার করে ফেলেছেন।
তিনি বলেন, ‘এক বছর, দুই বছর কিংবা পাঁচ বছর কোনো কাজে পাগলের মতো ডুবে থাকা যায়। কিন্তু এভাবে যদি ৩০ বছর কেটে যায়, তাহলে সম্পর্কগুলো হারিয়ে যায়। আপনার সন্তানেরা বড় হয়ে যায়, তারা প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে ওঠে। তখন আমার মনে হয়েছে, আমি জীবনের অনেক কিছু হারিয়েছি।’
কথা বলতে গিয়ে আবেগ সামলাতে পারছিলেন না আমির। একপর্যায়ে তিনি চোখের পানি মুছে উপস্থিত দর্শকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। এ সময় দর্শকেরা করতালি দিয়ে তাকে সমর্থন জানান।
এই উপলব্ধির পর তিনি জীবনের অগ্রাধিকারে পরিবর্তন এনেছেন বলে জানান। গত চার বছর ধরে তিনি পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের জন্য বেশি সময় রাখার চেষ্টা করছেন।
আমির বলেন, ‘আমি কৃতজ্ঞ যে ৫৬ বছর বয়সে এই উপলব্ধি হয়েছে, ৮৬ বছর বয়সে নয়। তখন হয়তো কিছু করার জন্য সত্যিই অনেক দেরি হয়ে যেত।’
অনুষ্ঠানে আমির ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কঠিন সময়ের কথাও স্মরণ করেন। ১৯৮৮ সালে কেয়ামাত সে কেয়ামত তাক সিনেমার সাফল্যের পর মাত্র ছয় মাসের মধ্যে নয়টি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। পরে বুঝতে পারেন, একসঙ্গে অনেকগুলো সিনেমার দায়িত্ব নিয়ে ফেলেছেন। এর মধ্যে একের পর এক সিনেমা বক্স অফিসে ব্যর্থ হতে শুরু করে।
আমির জানান, তখন বাড়ি ফিরে কাঁদতেন এবং তৎকালীন স্ত্রী রিনা দত্তের সঙ্গে নিজের কষ্টের কথা ভাগ করে নিতেন। পরপর সিনেমা ব্যর্থ হওয়ায় তাকে ‘ওয়ান-ফিল্ম ওয়ান্ডার’ বা একটি সিনেমার সাফল্যে পরিচিত পাওয়া অভিনেতা বলেও আখ্যা দেওয়া হয়েছিল।
সেই সময়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আমির বলেন, ‘মানসিক ও আবেগের দিক থেকে মনে হতো, আমি যেন চোরাবালিতে আটকে গেছি। বেরিয়ে আসার জন্য যত চেষ্টা করতাম, ততই আরো গভীরে ডুবে যাচ্ছিলাম।’
এদিকে বহুল আলোচিত থ্রি ইডিয়টস সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়েও কথা বলেছেন আমির। ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া রাজকুমার হিরানি পরিচালিত সিনেমাটিতে আমিরের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন আর মাধবান, শারমান জোশি ও কারিনা কাপুর খান।
আমির জানান, সিনেমাটির চিত্রনাট্য নিয়ে কাজ করছেন পরিচালক রাজকুমার হিরানি। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তার দেশে ফেরার পর চিত্রনাট্যের চূড়ান্ত সংস্করণ শোনার আশা করছেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে আমির বলেন, ‘এতটুকু বলতে পারি, হ্যাঁ, রাজু চিত্রনাট্য নিয়ে কাজ করছে। আশা করছি, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আমি ফিরে এলে সে আমাকে চূড়ান্ত চিত্রনাট্য শোনাবে। এখন শুধু ভালো কিছুর আশায় আছি।’
সিঙ্গাপুর চলচ্চিত্র উৎসবে সম্মাননা
সিঙ্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘স্ক্রিন আইকন অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন আমির খান। হংকংভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাতা পিটার চ্যান হো-সান তার হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন।
পুরস্কার পেয়ে আমির বলেন, চলচ্চিত্র নির্মাণ একটি সম্মিলিত শিল্পমাধ্যম, যেখানে অনেক মানুষ একে অন্যের কাজে অবদান রাখেন। পিটার চ্যানের হাত থেকে সম্মাননা পাওয়ায় এটি তার কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ২০১৭ সালে সিক্রেট সুপারস্টার সিনেমা নিয়ে এ উৎসবে অংশ নিয়েছিলেন আমির। এবারের উৎসবে তার প্রযোজিত ও অভিনীত ২০০১ সালের সিনেমা লাগান-এর ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়েছে।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে সাফল্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনে কাজের জন্য করা ত্যাগের কথাও এ অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন আমির। তার বক্তব্যে উঠে আসে, জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কগুলোকে সময় দেওয়ার বিষয়টি নতুন করে উপলব্ধি করে কীভাবে নিজের অগ্রাধিকার বদলেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার ৮ নং সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. জহিরুল ইসলাম মনির।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলার সেহাঙ্গল বাজারে বিএনপির কার্যালয়ে সমর্থকদের নিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।
মো. জহিরুল ইসলাম মনির ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করেন। তিনি সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কাউখালী কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেছারাবাদ উপজেলা শাখার সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি এর আগে সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) ছিলেন।
প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে মো. জহিরুল ইসলাম মনির বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে থেকে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছি। অতীতেও জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আগামী নির্বাচনে সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চাই। নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সুবিধার উন্নয়নে কাজ করব। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই।”
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক সেবা, যোগাযোগব্যবস্থা এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বিষয়গুলো বিবেচনা করে ভোটাররা তাঁদের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচন করতে চান। তবে নির্বাচনে কে কতটা জনসমর্থন পাবেন, তা সময়ই বলে দেবে।
উল্লেখ্য, সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার মধ্য দিয়ে নিজের নির্বাচনী অবস্থান জানান দিলেন মো. জহিরুল ইসলাম মনির। তবে নির্বাচনে তাঁর দলীয় মনোনয়ন এবং অন্যান্য একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে মৌখিক গুঞ্জন থাকলেও এখন পর্যন্ত প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি ইউপি নির্বাচনে আনুষ্ঠানিকভাবে কেহ প্রার্থিতা ঘোষণা করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সবজিবাহী পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় দুইজন প্রাণ হারিয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া সবুজ পাহাড় এলাকায়।
নিহতদের মধ্যে একজন হলেন কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ফুলের ডেইল এলাকার আবুল কালামের ছেলে আবদুল্লাহ (২৭) এবং অন্যজন চকরিয়া উপজেলার রামপুরা এলাকার মো. দুলালের ছেলে মো. ইয়াছিন (৩০)।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, পিকআপটি চকরিয়া থেকে টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরের উদ্দেশ্যে সবজি নিয়ে যাচ্ছিল। এসময় চট্টগ্রামগামী শ্যামলী এন আর পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে পিকআপটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে পিকআপে থাকা আবদুল্লাহ ও ইয়াছিন গুরুতর আহত হন। তবে নিহতদের মধ্যে কে চালক এবং কে সহকারী ছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ঘটনার খবর পেয়ে মালুমঘাট হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
মালুমঘাট হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সেলিম মিয়া বলেন, ‘বেপরোয়া গতিতে চলা যাত্রীবাহী বাসটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়ে তাদের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করে থানায় নেয়া হয়েছে। নিহতদের পরিবারকে খবর দেয়া হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ