সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: মোহাম্মদ নূর
বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৫৯ পি.এম
সুনামগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে চোরাই মালামাল, ওয়্যারলেস সেট ও হ্যান্ডকাফসহ শাহিন (২৫) নামে এক যুবককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এর পর, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকার জালালাবাদ থানা এলাকা থেকেও বিপুল পরিমাণ চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়।
৩০ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ১২:৪৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সুনামগঞ্জ জেলা তথা সদরের বরপাড়া নদীর পাড় এলাকার আব্দুল আলীর ছেলে শাহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানাচ্ছে, দুই দফার অভিযান চালিয়ে উদ্ধারকৃত সর্বমোট মালমালের আনুমানিক মূল্য হচ্ছে ৩,৬২,৬০০/- (তিন লক্ষ বাষট্টি হাজার ছয়শত) টাকা। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং পলাতক অন্য দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের সঙ্গে ‘বিক্রি’ বিষয়ক একটি বিতর্ক নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। একাধিক ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের দাবি, তাঁর পরিকল্পনা বিশ্বকাপ বিক্রি করে দেওয়ার দিকে।
বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বের একটি অংশ বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে বিশ্বফুটবলে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ফিফার এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে উয়েফা সক্রিয়ভাবে প্রচার চালাচ্ছে। এমনকি প্রয়োজন হলে বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি ইউরোপীয় ফুটবলমহলে শোনা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি প্রথমবার মন্তব্য করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং গোটা বিষয়টি আলোচনার স্তরেই রয়েছে। ইনফান্তিনো ভিডিওবার্তায় বলেন, ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইসেস একটি প্রস্তাব মাত্র। কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটি একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। সবচেয়ে বড় কথা, এটি একটি সুযোগ। কাউকে বাধ্য করা হচ্ছে না।’
সংবাদ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ফিফার পরিকল্পনায় ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইসেস’ নামে একটি বিশেষ সংস্থা তৈরি করার প্রস্তাব রয়েছে, যা বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক পরিচালনার দায়িত্ব নেবে।
সেই সংস্থার অন্তত ২১ শতাংশ মালিকানা বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে দেওয়ার চিন্তা রয়েছে।
ফিফার আশা, এতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। এই অর্থ ‘ফিফা ফাস্ট ফরোয়ার্ড প্রোগ্রামে’র মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর ফুটবল সংঘগুলোকে উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।
এই পরিকল্পনার সমর্থনে ইনফান্তিনো বলেন, ‘গোটা বিশ্বে ফুটবলের উন্নতির বিশাল সুযোগ রয়েছে। তবে আবারও বলছি, এটি এখনো প্রস্তাব। শুধুমাত্র ফিফার উদ্যোগেই হবে না। ২১১টি সদস্য দেশের মতামত প্রয়োজন। পরিকল্পনা কার্যকর হলে ফুটবলে আরো বেশি আর্থিক বিনিয়োগ আসবে, যার সুফল পাবে পুরো বিশ্বফুটবল।’
জানা গেছে, এই প্রকল্পের জন্য ফিফাকে পরামর্শ দিচ্ছে জেপি মর্গ্যান। নতুন সংস্থার শীর্ষপদে জোশুয়া কুশনার বসতে পারেন, যিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাই জারেড কুশনারের ভাই।
অন্যদিকে, ফিফার এই পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করেছে উয়েফা। তাদের বক্তব্য, যদি বিশ্বকাপের মতো প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক মালিকানার অংশ বিক্রি হয়ে যায়, তবে ফুটবলের মৌলিক চরিত্র বদলে যাবে। উয়েফা তাদের এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ফিফা এমন একটি সীমারেখা পার করতে চায়, যা পার হওয়া উচিত নয়। ফুটবলের আত্মা বিক্রি করা যায় না। আমরা কেউ ফুটবলের মালিক নই। ফুটবল ফিফার সম্পত্তি নয়। তাই ওরা কিছুই বিক্রি করতে পারে না।’
অন্যদিকে, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামও সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘ফুটবল বিনিয়োগকারীদের সম্পত্তি নয়।’
এখনই ৫৫টি সদস্য দেশের ফুটবল সংস্থাকে নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছে উয়েফা। ‘ইএসপিএনে’র দাবি, পরিস্থিতি চরমে পৌঁছালে পরবর্তী বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিতে পারে ইউরোপীয় দেশগুলো।
ঘটনাচক্রে, আগামী বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলো হচ্ছে স্পেন, পর্তুগাল এবং মরক্কো। এর মধ্যে স্পেন ও পর্তুগাল উয়েফার সদস্য। তাই ফিফা ও উয়েফার এই টানাপড়েন শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেটাই দেখার বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনসহ বিভিন্ন সেবার ফি পুনর্নির্ধারণ করেছে।
এই বিষয়টি বৃহস্পতিবার ইসির উপসচিব মো. শাহ আলম স্বাক্ষরিত একটি চিঠি থেকে জানা গেছে।
মাঠ পর্যায়ে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এনআইডির দৃশ্যমান তথ্য সংশোধনে প্রথম আবদেন করলে গুণতে হবে ভ্যাটসহ ২৩০ টাকা। দ্বিতীয়বার আবেদনে লাগবে ভ্যাটসহ ৩৪৫ টাকা এবং পরবর্তী যেকোনো আবেদন করতে হলে লাগবে ভ্যাটসহ ৪৬০ টাকা।
এনআইডির তথ্য-উপাত্ত সংশোধনে প্রথমবার আবেদনে ভ্যাটসহ ১১৫ টাকা লাগবে। দ্বিতীয়বার আবেদনে প্রয়োজন ভ্যাটসহ ২৩৬ টাকা এবং পরবর্তী যেকোনো আবেদন করতে হতে হবে ভ্যাটসহ ৩৪৫ টাকা।
হারানো কার্ড উত্তোলনে সাধারণ আবেদনের ক্ষেত্রে প্রথমবার ১০০ টাকা, দ্বিতীয়বার ৩০০ টাকা এবং পরবর্তী যেকোনো আবেদনে ৫০০ টাকা লাগবে। জরুরিভাবে উত্তোলনে প্রথমবার ৩০০ টাকা, দ্বিতীয়বার ৫০০ টাকা এবং পরবর্তী যেকোনো আবেদনে ১০০০ টাকা লাগবে। এর সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হবে। রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০০ টাকা।
নির্বাচনী দলিল দস্তাবেজ পরিদর্শন ও কপি সংগ্রহের জন্য দিতে হবে ১০০ টাকা। ভোটার তালিকার সার্টিফাইড কপি পেতে ১০০ টাকা দিতে হবে। ভোটার তালিকা দেখতে চাইলে ৫০ টাকা দিতে হবে। ছবি ছাড়া ভোটার তালিকার সিডি নিতে হলে প্রতিটি ইউনিয়ন/সিটি/পৌর ওয়ার্ডের জন্য দিতে হবে ৫০০ টাকা।
এ ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য-উপাত্ত যাচাই/সরবরাহ সেবা প্রদানকারী সরকারি সংস্থা বা সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষের জন্য এককালীন নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ টাকা। বার্ষিক সাব-ইউজার ফি/নবায়ন ফি ১ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি তথ্য যাচাইয়ের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানকে ফি দিতে হবে ২ টাকা।
বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এককালীন নিবন্ধন ফি ৫ লাখ টাকা এবং সাব-ইউজার সংখ্যা অনুযায়ী প্রথম ৭০টি সাব-ইউজার এর প্রতিটির জন্য ৪ হাজার টাকা, পরবর্তী প্রতিটি সাব-ইউজারের জন্য ২ হাজার টাকা দিতে হবে। প্রতি তথ্য যাচাইয়ের জন্য ৫ টাকা দিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম আজ রাজধানীর বনানীতে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। আজকের এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় হোটেল শেরাটনে গ্রামীণফোনের আয়োজনে। তিনি বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির সুফল দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে পৌঁছাতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, নারী, তরুণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, ট্রান্সজেন্ডার জনগোষ্ঠী এবং অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যেন সমানভাবে বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরে অংশ নিতে পারে এবং এর সুফল ভোগ করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ডিজিটাল সংযোগ সম্প্রসারণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যে অর্থবহ ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি, ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা আমাদের মূল লক্ষ্য।
মন্ত্রী দেশের দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় টেলিযোগাযোগ সেবা আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রায় যেন কোনো অঞ্চল পিছিয়ে না পড়ে। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য যোগাযোগসেবার সহজপ্রাপ্যতা অপরিহার্য।
টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ে জনসাধারণের উদ্বেগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ফকির মাহবুব আনাম মোবাইল অপারেটরদের কল ড্রপ, নেটওয়ার্কের মান এবং ভয়েস ও ডাটা প্যাকেজের মূল্যসংক্রান্ত বিষয়গুলোতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি গ্রাহকদের প্রত্যাশা ও স্বার্থের প্রতিও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। গ্রাহকদের জন্য সাশ্রয়ী, নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করাই সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।
অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের কোনো আলাপ হয়নি। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ফেরত নেওয়ার বিষয়ে কথা বলেছেন।
আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে প্রত্যাবাসন।
তিনি বলেন, যদি সেটা হয়, তাহলে আমরা অবশ্যই সাধুবাদ জানাব এবং তা অত্যন্ত ভালো সুসংবাদ হবে। তবে আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ করছি, কিন্তু এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য আমার জানা নেই।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
মিয়ানামারে আটক জেলেদের প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা অবশ্যই উদ্যোগ নিয়েছি, কিছুদিন আগে আমাদের বিজিবি প্রধানের সঙ্গে মিটিং করেছি। আমরা পররাষ্ট্র সচিবসহ মিটিং করেছি যে, সেখানে তারা আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ করে যেসব জেলে আটক রয়েছে তারা বিভিন্ন পর্যায়ে আছেন। কিছু জেলে ধরা পড়ে, আবার কিছু বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছেন, তাদেরকে ফেরত আনার কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
তিনি বলেন, প্রসেসটা একটু কমপ্লিকেটেড। সংখ্যাটা খুব বেশি নয়, মোটামুটি সীমিত। আমরা ২৭ জনকে এখন পর্যন্ত আইডেন্টিফায়েড করতে পেরেছি।
তারা সেখানে জেলে ছিল, জেল খেটেছে এবং তাদেরকে ফিরিয়ে আনতে পারব। সেই প্রক্রিয়া_ALREADY পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করছে।
তিনি আরো বলেন, আরাকান আর্মির কাছে আটক থাকা বিষয়টি খুবই কমপ্লিকেটেড। কারণ তারা সহজেই আমাদের সঙ্গে এনগেজ হতে চান না। সেই পরিস্থিতিতে আমাদের বিজিবি এবং অন্যান্য সংগঠন যারা সীমান্তে আছেন, তারা এর ওপর কাজ করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ