বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:০২ পি.এম
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনসহ বিভিন্ন সেবার ফি পুনর্নির্ধারণ করেছে।
এই বিষয়টি বৃহস্পতিবার ইসির উপসচিব মো. শাহ আলম স্বাক্ষরিত একটি চিঠি থেকে জানা গেছে।
মাঠ পর্যায়ে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এনআইডির দৃশ্যমান তথ্য সংশোধনে প্রথম আবদেন করলে গুণতে হবে ভ্যাটসহ ২৩০ টাকা। দ্বিতীয়বার আবেদনে লাগবে ভ্যাটসহ ৩৪৫ টাকা এবং পরবর্তী যেকোনো আবেদন করতে হলে লাগবে ভ্যাটসহ ৪৬০ টাকা।
এনআইডির তথ্য-উপাত্ত সংশোধনে প্রথমবার আবেদনে ভ্যাটসহ ১১৫ টাকা লাগবে। দ্বিতীয়বার আবেদনে প্রয়োজন ভ্যাটসহ ২৩৬ টাকা এবং পরবর্তী যেকোনো আবেদন করতে হতে হবে ভ্যাটসহ ৩৪৫ টাকা।
হারানো কার্ড উত্তোলনে সাধারণ আবেদনের ক্ষেত্রে প্রথমবার ১০০ টাকা, দ্বিতীয়বার ৩০০ টাকা এবং পরবর্তী যেকোনো আবেদনে ৫০০ টাকা লাগবে। জরুরিভাবে উত্তোলনে প্রথমবার ৩০০ টাকা, দ্বিতীয়বার ৫০০ টাকা এবং পরবর্তী যেকোনো আবেদনে ১০০০ টাকা লাগবে। এর সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হবে। রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০০ টাকা।
নির্বাচনী দলিল দস্তাবেজ পরিদর্শন ও কপি সংগ্রহের জন্য দিতে হবে ১০০ টাকা। ভোটার তালিকার সার্টিফাইড কপি পেতে ১০০ টাকা দিতে হবে। ভোটার তালিকা দেখতে চাইলে ৫০ টাকা দিতে হবে। ছবি ছাড়া ভোটার তালিকার সিডি নিতে হলে প্রতিটি ইউনিয়ন/সিটি/পৌর ওয়ার্ডের জন্য দিতে হবে ৫০০ টাকা।
এ ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য-উপাত্ত যাচাই/সরবরাহ সেবা প্রদানকারী সরকারি সংস্থা বা সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষের জন্য এককালীন নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ টাকা। বার্ষিক সাব-ইউজার ফি/নবায়ন ফি ১ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি তথ্য যাচাইয়ের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানকে ফি দিতে হবে ২ টাকা।
বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এককালীন নিবন্ধন ফি ৫ লাখ টাকা এবং সাব-ইউজার সংখ্যা অনুযায়ী প্রথম ৭০টি সাব-ইউজার এর প্রতিটির জন্য ৪ হাজার টাকা, পরবর্তী প্রতিটি সাব-ইউজারের জন্য ২ হাজার টাকা দিতে হবে। প্রতি তথ্য যাচাইয়ের জন্য ৫ টাকা দিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম আজ রাজধানীর বনানীতে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। আজকের এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় হোটেল শেরাটনে গ্রামীণফোনের আয়োজনে। তিনি বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির সুফল দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে পৌঁছাতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, নারী, তরুণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, ট্রান্সজেন্ডার জনগোষ্ঠী এবং অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যেন সমানভাবে বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরে অংশ নিতে পারে এবং এর সুফল ভোগ করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ডিজিটাল সংযোগ সম্প্রসারণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যে অর্থবহ ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি, ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা আমাদের মূল লক্ষ্য।
মন্ত্রী দেশের দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় টেলিযোগাযোগ সেবা আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রায় যেন কোনো অঞ্চল পিছিয়ে না পড়ে। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য যোগাযোগসেবার সহজপ্রাপ্যতা অপরিহার্য।
টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ে জনসাধারণের উদ্বেগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ফকির মাহবুব আনাম মোবাইল অপারেটরদের কল ড্রপ, নেটওয়ার্কের মান এবং ভয়েস ও ডাটা প্যাকেজের মূল্যসংক্রান্ত বিষয়গুলোতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি গ্রাহকদের প্রত্যাশা ও স্বার্থের প্রতিও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। গ্রাহকদের জন্য সাশ্রয়ী, নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করাই সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।
অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের কোনো আলাপ হয়নি। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ফেরত নেওয়ার বিষয়ে কথা বলেছেন।
আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে প্রত্যাবাসন।
তিনি বলেন, যদি সেটা হয়, তাহলে আমরা অবশ্যই সাধুবাদ জানাব এবং তা অত্যন্ত ভালো সুসংবাদ হবে। তবে আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ করছি, কিন্তু এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য আমার জানা নেই।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
মিয়ানামারে আটক জেলেদের প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা অবশ্যই উদ্যোগ নিয়েছি, কিছুদিন আগে আমাদের বিজিবি প্রধানের সঙ্গে মিটিং করেছি। আমরা পররাষ্ট্র সচিবসহ মিটিং করেছি যে, সেখানে তারা আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ করে যেসব জেলে আটক রয়েছে তারা বিভিন্ন পর্যায়ে আছেন। কিছু জেলে ধরা পড়ে, আবার কিছু বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছেন, তাদেরকে ফেরত আনার কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
তিনি বলেন, প্রসেসটা একটু কমপ্লিকেটেড। সংখ্যাটা খুব বেশি নয়, মোটামুটি সীমিত। আমরা ২৭ জনকে এখন পর্যন্ত আইডেন্টিফায়েড করতে পেরেছি।
তারা সেখানে জেলে ছিল, জেল খেটেছে এবং তাদেরকে ফিরিয়ে আনতে পারব। সেই প্রক্রিয়া_ALREADY পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করছে।
তিনি আরো বলেন, আরাকান আর্মির কাছে আটক থাকা বিষয়টি খুবই কমপ্লিকেটেড। কারণ তারা সহজেই আমাদের সঙ্গে এনগেজ হতে চান না। সেই পরিস্থিতিতে আমাদের বিজিবি এবং অন্যান্য সংগঠন যারা সীমান্তে আছেন, তারা এর ওপর কাজ করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলো চালুর প্রক্রিয়া ২০২৬ সালের মধ্যেই শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ একই দিন, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশের সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয় যেখানে প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়। বৈঠকের লক্ষ্য ছিল বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করা, বেসরকারিকরণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং এসব কারখানা চালু করতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠক সম্পর্কিত তথ্য দেন তাঁর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।
উপ প্রেস সচিব জানান, বৈঠকটির উদ্দেশ্য ছিল দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলো দ্রুত চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে কার্যক্রমে গতি আনা এবং এই শিল্পকারখানাগুলোর বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে দ্রুত উৎপাদন কার্যক্রম চালুর স্বীকারোক্তি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৬ সালের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ প্রদান করেছেন।
বৈঠকে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।
বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘কালো ধোঁয়া আর নয়, হেঁটেই করব দূরত্ব জয়’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে পরিবেশ সচেতনতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তরুণ ফাহিম মুনতাসির। তিনি টানা ২০ দিনে দেশের সর্বদক্ষিণ টেকনাফ থেকে সর্বউত্তর তেঁতুলিয়া পর্যন্ত প্রায় এক হাজার কিলোমিটার পথ হেঁটে গেছেন।
পদযাত্রা শেষ করে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে তিনি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে পৌঁছান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মো. মফিজ মিয়া ও মাহমুদা আক্তার চৌধুরী দম্পতির বড় ছেলে ফাহিম মুনতাসির (২৬)। তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে বর্তমানে শিক্ষকতা করছেন। পাশাপাশি, সামাজিক সংগঠন ‘সোনালী সকাল’-এর সভাপতির কাজ করছেন এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।
পদযাত্রা শেষে মোবাইল ফোনে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ফাহিম বলেন, 'আমার লক্ষ্য শুধু গন্তব্যে পৌঁছানো ছিল না। পথে পথে মানুষের সঙ্গে পরিবেশ, প্রকৃতি ও সুস্থ জীবনযাপন নিয়ে কথা বলেছি। মানুষ আমাকে আন্তরিকভাবে উৎসাহ দিয়েছেন। এই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছাতে পেরে আমি আনন্দিত।'
তিনি আরো বলেন, 'পরিবেশ ধ্বংসের নানা চিত্র তার চোখে পড়েছে। বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী হত্যা, বিশেষ করে হাতির দাঁতের জন্য হাতি নিধন এবং লোকালয়ে উঠে আসা সাপ নির্বিচারে হত্যার বিষয়গুলো আমাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে।'
গত ১০ জুলাই টেকনাফের শাপলা জিরো পয়েন্ট থেকে পদযাত্রা শুরু করেন ফাহিম। শুরুতে আরও দুই সহযাত্রী তার সঙ্গে ছিল; তবে ফেনীতে গিয়ে তারা যাত্রা শেষ করেন। এরপর একাই বাকি পথ অতিক্রম করেন তিনি। যাত্রাপথে বিভিন্ন স্থানে বীজ বপন ও বৃক্ষরোপণ করে পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তাও ছড়িয়ে দেন।
নিজের এ উদ্যোগ সম্পর্কে ফাহিম বলেন, 'এই পদযাত্রা কোনো রেকর্ড গড়ার জন্য নয়। এটি সুস্থ জীবন, হাঁটার অভ্যাস এবং পরিবেশ রক্ষার একটি ছোট্ট আহ্বান। আমরা যত কম হাঁটছি, ততই অসুস্থতা বাড়ছে। অন্যদিকে অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত যানবাহনের ব্যবহার বাড়াচ্ছে বায়ুদূষণ ও জলবায়ু সংকট। তাই অল্প দূরত্বে হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং প্রয়োজন হলে গণপরিবহণ ব্যবহার করা উচিত।'
তিনি আরও বলেন, 'আমি চাই মানুষ আমাকে নয়, আমার বার্তাটিকে মনে রাখুক। হাঁটা সুস্থ জীবনের ভিত্তি, আর পরিবেশ রক্ষা আমাদের সবার দায়িত্ব।'
তরুণদের উদ্দেশে ফাহিম বলেন, 'পরিবেশ রক্ষার কাজ বড় কোনো উদ্যোগের অপেক্ষা করে না। প্রতিদিনের ছোট ছোট সিদ্ধান্ত—যেমন হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলা, গাছ লাগানো এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত যানবাহনের ব্যবহার কমানোর মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।' পুরো যাত্রাপথে বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের বাড়িতে রাতযাপন করে তিনি এ অভিযান সম্পন্ন করেন।
পরিবেশ, সুস্থ জীবনযাপন এবং হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলার বার্তা নিয়ে ফাহিম মুনতাসিরের এই দীর্ঘ পদযাত্রা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকের মতে, এটি শুধু একটি পদযাত্রা নয়, বরং পরিবেশবান্ধব জীবনধারার প্রতি সমাজকে উদ্বুদ্ধ করার এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ