ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এসএসসি ২০২৬: জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী


এসএসসি ২০২৬: জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবারে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০ টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনটি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ঘোষণা করেন।

তিনি জানিয়েছেন, এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩১২টি।

আরও পড়ুন: দুই বাংলাদেশির বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য দেয়নি সৌদি সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৭১.৬৩ শতাংশ, এখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩ হাজার ২৫৩ জন। রাজশাহী বোর্ডের পাসের হার ৬৩.৬৭ শতাংশ, এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ হাজার ১১৩ জন। যশোর বোর্ডে পাসের হার ৬৬.২৭ শতাংশ, এখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৪৭৮ জন।

কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৬৫.৪২ শতাংশ, এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯ হাজার ৮১৪ জন। চট্টগ্রাম বোর্ডের পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ, এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন। বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৬০.৩৫ শতাংশ, এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭৭৮ জন।

সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৫৮.৩৩ শতাংশ, এখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৮৩৬ জন। দিনাজপুর বোর্ডের পাসের হার ৫৮.০৫ শতাংশ, এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৬৩৯ জন। ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫৭.৩৯ শতাংশ, এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৭০০ জন।

গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি বোর্ডের গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এবারের পাসের হার গত বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের দুই যুবকের সউদী আরব ও লিবিয়ায় মৃত্যু

এছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ, সেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭১৬ জন। আর কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৫৮.২০ শতাংশ, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরের সিটি হাসপাতালে অভিযান, ইয়াবাসহ চিকিৎসক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩০ এম


চাঁদপুরের সিটি হাসপাতালে অভিযান, ইয়াবাসহ চিকিৎসক গ্রেপ্তার

চাঁদপুরের কচুয়ায় অবস্থিত বেসরকারি সিটি হসপিটালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করে একাধিক ইয়াবা ও মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ ডা. সৈয়দ আসিফ ইস্পাহানী নামক একটি চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে।

রোববার (৯ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কচুয়া সিটি হসপিটাল এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান শুরু করেন চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান।

চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একদল দক্ষ টীম ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের কক্ষে তল্লাশি কার্যক্রম চালায়।

এসময়, তার রুম থেকে ৪ পিস ইয়াবা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয় বলে অধিদপ্তর জানিয়েছে। এরপর তাকে আটক করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কচুয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান বলেছেন, কচুয়া সিটি হসপিটালের চিকিৎসক ডা. সৈয়দ আসিফ ইস্পাহানি দীর্ঘদিন ধরে মাদকের সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি নিজে মাদক সেবন করতেন এবং এই তথ্যের ভিত্তিতে আজকের অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের পরবর্তী সময়ে তার নিজের বসবাসের রুম (এই প্রতিষ্ঠানের তিন তলা হতে) ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামাদি এবং চার পিস ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। ইয়াবার ব্যবহৃত সব ধরনের উপকরন এবং মাদক সেবনের প্রতিটি উপকরন আমরা জব্দ করেছি।

এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, কোনো চিকিৎসক যাতে মাদকের সাথে সম্পৃক্ত না হন, কেননা আমাদের সাধারণ মানুষ যারা চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করি, তারা যাতে সঠিক সেবা পেতে পারে। সকল বেসরকারি হাসপাতালের মালিকদেরও আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা চিকিৎসক নিয়োগের ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা অবলম্বন করবেন।

এসময় তার সাথে ছিলেন পরিদর্শক মোঃ মেহেদী হাসান, এএসআই মোঃ তোফায়েল আহমেদ, বেলায়েত হোসেনসহ অধিদপ্তরের অন্যান্য সদস্যরা।

এ বিষয়ে গ্রেপ্তারকৃত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের ও আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, তার বিরুদ্ধে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণ ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণ এনেস্থেসিয়া প্রদান, যৌন হয়রানি, ইভটিজিং ও অপপ্রচারসহ বিভিন্ন অভিযোগও রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিরিয়ায় রাশিয়ার দুই সামরিক ঘাঁটি নিয়ে নতুন সমঝোতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ এম


সিরিয়ায় রাশিয়ার দুই সামরিক ঘাঁটি নিয়ে নতুন সমঝোতা

দেশটির নতুন সরকার মস্কোর সঙ্গে সিরিয়ার রাশিয়ার দুটি সামরিক ঘাঁটির ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। উক্ত ঘাঁটিগুলি আগে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে সামরিক সহায়তা প্রদানে প্রতিবন্ধকতা ছিল রাশিয়ার জন্য।

রবিবার আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সিরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা সানার বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

নতুন সমঝোতা অনুসারে, সিরিয়ার হেমেইমিম বিমানঘাঁটি এবং তারতুস নৌঘাঁটি এখন থেকে ‘যৌথ প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বাড়ানোর কেন্দ্র’ হিসেবে কাজ করবে। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, এমনটিই জানিয়েছে সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আলোচনার মাধ্যমে প্রায় ১৮ মাস পর দুই পক্ষ এই সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করেছে।

সমঝোতা অনুযায়ী নতুন ব্যবস্থা কার্যকর করতে সর্বোচ্চ তিন মাসের সময়সীমা রয়েছে। এই সমঝোতা কার্যকর করার মধ্যবর্তী সময়সীমায় দুই ঘাঁটিতে অবস্থিত বেসামরিক স্থাপনাগুলো সিরিয়ার সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে নতুন ব্যবস্থার আওতায় রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতির প্রকৃতি কী হবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। রুশ পক্ষের তরফ থেকেও এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আলোচনার পুরো সময় কে হেমেইমিম বিমানঘাঁটি এবং তারতুস নৌঘাঁটি সচল ছিল।

এছাড়া রবিবার সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি হেমেইমিম ও তারতুসের স্থাপনাগুলো পরিদর্শন করেন। সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারকে অন্তর্ভুক্ত স্থাপনা ও অবকাঠামোগুলো দেখতে তিনি এখানে এসেছিলেন। তাকে এই পরিদর্শনকে দুই দেশের নতুন সম্পর্কের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সিরিয়ার ১৩ বছরের গৃহযুদ্ধের সময় বাশার আল-আসাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ছিল রাশিয়া। আসাদ সরকারের ক্ষমতা ধরে রাখতে রাশিয়া সামরিক সহায়তা প্রদান করেছে। বিশেষ করে হেমেইমিম বিমানঘাঁটি ও তারতুস নৌঘাঁটি থেকে রাশিয়া সিরিয়ায় নিজেদের সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করত। তবে ২০২৪ সালে আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সিরিয়ার পরিস্থিতির ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে।

আসাদের পতন মধ্যপ্রাচ্যে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের কৌশলগত অবস্থানে বড় ধাক্কা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আসাদ ক্ষমতা হারালে রাশিয়া সিরিয়ায় তাদের সামরিক উপস্থিতি পুরোপুরি ধরে রাখতে পারবে কি না, সেই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

আসাদের পতনের পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সিরিয়ার নতুন নেতা আহমেদ আল-শারার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। এর অন্যতম লক্ষ্য সিরিয়ায় রাশিয়ার দুটি সামরিক ঘাঁটির ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মহলবৃত্তে এই দুটি ঘাঁটি রাশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সামরিক স্থাপনা। ক্ষমতার পরিবর্তনের পরে পুতিন মস্কোতে আহমেদ আল-শারাকে দুইবার গ্রহণ করেছেন বলে আল জাজিরা জানিয়েছে। জানুয়ারিতে শারারের পূর্ববর্তী মস্কো সফরের সময় পুতিন বলেছিলেন, রাশিয়া ও সিরিয়ার সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে অনেক কাজ হয়েছে। সিরিয়ার ভৌগোলিক অখণ্ডতা পুনরুদ্ধারে শারারের উদ্যোগেরও প্রশংসা করেছেন তিনি।

আহমেদ আল-শারাও রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি সিরিয়া ও বৃহত্তর অঞ্চলে রাশিয়ার ‘ঐতিহাসিক ভূমিকার’ প্রশংসা করেছেন। তবে একই সঙ্গে দামেস্ক দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার কাছে বাশার আল-আসাদকে সিরিয়ার হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। আসাদ ক্ষমতা হারানোর পর থেকে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতেই অবস্থান করছেন। স্ত্রীকে নিয়ে সেখানে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।

ফলে সম্প্রতি আসাদকে নিয়ে সিরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে সামরিক ও কৌশলগত স্বার্থের কারণে দুই দেশ সম্পর্ক ধরে রাখার চেষ্টা করছে। হেমেইমিম বিমানঘাঁটি ও তারতুস নৌঘাঁটি সিরিয়ায় রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। আসাদ সরকারের সময়ে এসব ঘাঁটি রাশিয়ার মৌলিক কৌশলগত সুবিধা সৃষ্টি করেছিল।

নতুন সমঝোতায় ঘাঁটি দুটিকে যৌথ প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বাড়ানোর কেন্দ্রে পরিণত করার সিদ্ধান্ত দুই দেশের সম্পর্কের নতুন পর্যায়কে সামনে এনেছে, তবে এই ব্যবস্থায় রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি ঠিক কতটা থাকবে এবং ঘাঁটি দুটির নিয়ন্ত্রণ কিভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তিন মাসের মধ্যে নতুন ব্যবস্থা কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এর আগে দুই ঘাঁটিতে থাকা বেসামরিক স্থাপনাগুলো সিরিয়ার সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে অনিয়ম, ক্ষুব্ধ জনতার বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩৫ এম


ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে অনিয়ম, ক্ষুব্ধ জনতার বিক্ষোভ

ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে সুপারভাইজর ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ বিষয়ক অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে মাগুরার মহম্মদপুর ও বাগেরহাটের চিতলমারীতে এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। দুই উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সামাজিক সেবা কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে গতকাল রোববার বিক্ষোভ এবং সমাবেশ করেছেন বিক্ষুব্ধরা।

মাগুরা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মহম্মদপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে সুপারভাইজর ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ইউএনও বেদবতী মিস্ত্রির অপসারণের দাবিতে বিএনপির একটি অংশ মানববন্ধন, বিক্ষোভ এবং প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। তারা নিয়োগ বাতিল করে পুনরায় স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান। অন্যদিকে, বিএনপির অন্য একটি গ্রুপ অনিয়ম না হতে দাবি করে মিছিল-সমাবেশ করেছে।

গতকাল রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের মধ্যে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা মহম্মদপুরের ইউএনও বেদবতী মিস্ত্রির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি সম্পর্কিত অভিযোগ তুলে ফ্যাসিস্ট এবং ছাত্রলীগ কর্মীদের নিয়োগের কথা উল্লেখ করেন। বক্তারা বলেন, তারা নীতিমালা অনুসরণ না করে সম্পূর্ণ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে একটি পক্ষের সুপারিশ মোতাবেক বৈষম্যের ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

নিয়োগ বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়ে বক্তব্য দেন মহম্মদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএনপির সদস্য এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম খান বাচ্চু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি গোলাম আজম সাবু মিয়া ও সাবেক সদস্য সচিব এবং সাবেক ইউপি চেয়ারম্যার আকতারুজ্জামান আক্তার, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সাজ্জাদুল আলম খান নান্নু, যুবদল নেতা শেখ শাহানুর রহমান, জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি পারভেজ আলম প্রমুখ।

অন্যদিকে মহম্মদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মৈয়ুর আলী মৃধা বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে হয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেদবতী মিস্ত্রি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী এবং সুপারভাইজর নিয়োগে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নীতিমালা অনুসরণ করে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।

চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি জানিয়েছেন, বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে গতকাল রোববার স্থানীয়রা বিক্ষোভ করেছেন। ফ্যামিলি কার্ডের খানা তথ্যভান্ডারের জন্য লোক নিয়োগে অনিয়ম, বৈষম্য ও দুর্নীতির প্রতিবাদ স্বরূপ এই বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা ব্যানার, ঝাড়ু ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে ইউএনও খাদিজা আক্তার ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার রণজিৎ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। এই সময় জনতার ভয়ে অফিসগুলো বন্ধ ছিল।

অতিরিক্ত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতা কপিল কৃষ্ণ মণ্ডলসহ দলের স্থানীয় নেতারা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সকাল ৯টা থেকে দুপুর প্রায় ১২টা পর্যন্ত বিক্ষোভকারীরা উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করেন। এ সময় ইউএনও, সমাজসেবা, শিক্ষা অফিস, মৎস্য অফিসসহ সব দপ্তরের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

তারা বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের খানা তথ্যভান্ডার সংগ্রহকারী এবং সুপারভাইজর পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে শর্ত ছিল যে, পূর্বে বিবিএসের ডিজিটাল জরিপকাজে অভিজ্ঞ এবং অতিরিক্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা প্রার্থীদের এই নিয়োগে প্রাধান্য দেওয়া হবে। কিন্তু তা না করে বৈষম্য এবং দুর্নীতির মাধ্যমে ওই দুই পদের লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে অনিয়মকারী ইউএনও খাদিজা আক্তার এবং উপজেলা সমাজসেবা অফিসার রণজিৎ বিশ্বাসের অপসারণের দাবি করেন। এতে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য দেন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ আসনের বিএনপির এমপি প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ছিল ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা। এ কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না। এজন্য জনগণ অনিয়ম এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছে।

সমাবেশে অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে বক্তব্য দেন শরিফুল হাসান অপু, অ্যাডভোকেট ফজলুল হক, শিপন মুন্সি, জাকারিয়া মিলন, নিয়ামত আলী খান, জবরুল শেখ প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪০ এম


৩১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করেনি

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। এ বছর ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা শতভাগ ফেল করা।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই ফল ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। সেই সাথে, শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংখ্যা ৩১২টি।

ঢাকা বোর্ডের পাসের হার ৭১.৬৩ শতাংশ, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৩ হাজার ২৫৩ জন। রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৬৩.৬৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৬ হাজার ১১৩ জন। যশোর বোর্ডে পাসের হার ৬৬.২৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১১ হাজার ৪৭৮ জন।

কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৬৫.৪২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯ হাজার ৮১৪ জন। চট্টগ্রাম বোর্ডের পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯ হাজার ৩৯৮ জন। বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৬০.৩৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৭৭৮ জন।

সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৫৮.৩৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৩৬ জন। দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৫৮.০৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৩ হাজার ৬৩৯ জন। ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫৭.৩৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০০ জন।

গত বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সেই তুলনায় এবার পাসের হার ৬ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

এছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ হাজার ৭১৬ জন। আর কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৫৮.২০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৫১ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%