০৫:৪৮ এম
দুবাইয়ে বাংলাদেশির দোকান থেকে চুরি হওয়া ৯৬ লাখ ৩২ হাজার টাকার ঘটনায় ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা ভাগ নেওয়ার অভিযোগে কক্সবাজারের রামু উপজেলার রশিদনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রামুর জেঠিরাস্তা নিজ বাড়ি থেকে পুলিশের যৌথ অভিযানের মাধ্যমে তাকে আটক করা হয়।
মামলার এজাহার ও তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী সাইফুল ইসলাম গত ১ অক্টোবর চকরিয়া থানায় এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন।
আরও পড়ুন: মাদকের ভয়াবহ থাবা থেকে যুবসমাজকে বাঁচাতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: হেমায়েত হোসেন
মামলার বাদী সাইফুল ইসলাম কক্সবাজারের ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া সিকদারপাড়ার বাসিন্দা। মামলায় দোকানের কর্মচারী মো. নোমানকে প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া মিলি আক্তার, উম্মে কুলছুম, রমিজুর রহমান তুহিন, মীর আহমদ ও জাহানারা আরজুসহ অজ্ঞাতনামা আরো দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
সাইফুল ইসলামের অভিযোগ, তার দোকান থেকে দুবাইয়ে ৯৬ লাখ ৩২ হাজার টাকা চুরি হয়। মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ চুরির টাকা স্থানান্তর ও আত্মসাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পায়। এ সময় আত্মসাৎ করা টাকার একটি অংশ উদ্ধার করার খবর পাওয়া গেছে।
মামলার ৩ নম্বর আসামি উম্মে কুলছুমের স্বীকারোক্তিতে চেয়ারম্যান শাহ আলমের নাম উঠে আসে। পুলিশের কাছে তার দেওয়া স্বীকারোক্তিতে উম্মে কুলছুম দাবি করেন, আত্মসাৎ করা টাকার একটি অংশ থেকে শাহ আলম ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা ভাগ পেয়েছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইসমাইল জানান, তদন্তে শাহ আলমের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির গলাচিপা থানা পরিদর্শন
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান কালের কণ্ঠকে জানান, তিনি বিষয়টি রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছ থেকে জেনেছেন। চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা এবং পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন