ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রামিসা ও অন্যান্য শিশু ধর্ষণ ও হত্যার শিকারদের জন্য সংসদে শোক


রামিসা ও অন্যান্য শিশু ধর্ষণ ও হত্যার শিকারদের জন্য সংসদে শোক

পল্লবীর আট বছরের শিশু রামিসাসহ ধর্ষণের পর হত্যার শিকার অন্যান্য শিশুদের জন্য জাতীয় সংসদে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন (২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন) শুরু হয়। এ সময়ের মধ্যেই এই শোক প্রকাশের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন। এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের জন্য প্রথম বাজেট হবে।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ

রোববার এই বৈঠকের শুরুর দিকে অধিবেশনের জন্য সভাপতিমণ্ডলীর মনোনয়ন করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। মনোনীতদের মধ্যে রয়েছেন সেলিমা রহমান, ওসমান ফারুক, জয়নুল আবেদীন, মো. শাহজাহান ও শাহজাহান চৌধুরী। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতি থাকলে তালিকার প্রথম ব্যক্তি বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন।

এদিকে পল্লবীর আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে আদালত দুই আসামী সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ডের সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়েছেন। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রায় ঘোষণার পর রামিসার বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা সন্তুষ্টি প্রকাশ করে রায় কার্যকরের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

গত ১৯ মে পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার এই ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। ঘটনার মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে পুলিশ তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। পরে ২৪ মে মামলাটি দ্রুত বিচারের জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন: জামায়াত নেতাদের ভারতীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে বৈঠকের দাবি, রাশেদকে চ্যালেঞ্জ

বিচারকের অবকাশকালীন ছুটিটি বাতিল করে ১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা ও মরদেহ গোপনের অভিযোগ গঠন করা হয়। একই দিন মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

পরদিন ২ জুন এক কার্যদিবসে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এই সময়ে রামিসার বাবা, মা, বোন এবং তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৬ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে প্রধান আসামী সোহেল রানা আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তবে অপর আসামী স্বপ্না নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

এছাড়া পরে, ৪ জুন রাষ্ট্র ও আসামী পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আজ ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

আরও পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে ইউপি সদস্যকে মারধর করলেন বিএনপি নেতা তোতা

মোট পাঁচ কার্যদিবসে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ হওয়াকে সংশ্লিষ্টরা নজিরবিহীন বলে মনে করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকেরগঞ্জের চরাদীতে ৪ শতাধিক রোগীকে ফ্রি চিকিৎসাপত্র প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


বাকেরগঞ্জের চরাদীতে ৪ শতাধিক রোগীকে ফ্রি চিকিৎসাপত্র প্রদান

বরিশাল ইসলামিয়া স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫ জুন শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপর পর্যন্ত চলে সেবা প্রদান। বাকেরগঞ্জের চরাদী মকিমাবাদ আমিনা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এই ক্যাম্পে প্রায় চার শতাধিক রোগী সেবা গ্রহণ করেন। ক্যাম্পের আয়োজনে ছিলেন এছাহাক-লালমন কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান খন্দকার মোহাম্মদ আলী এবং ব্রাদার্স পোল্ট্রি ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল (আমতলা পানিরট্যাংকি) ইসলামিয়া স্পেশালাইজড হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. এস এম ইকবালুর রহমান সেলিম। সভাপতি ছিলেন ওয়ান ব্যাংক পিএলসি এর ভাইস প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ জাকির হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন এছাহাক-লালমন কল্যাণ ট্রাষ্ট এর চেয়ারম্যান খন্দকার মোহাম্মদ আলী, ব্রাদার্স পোল্ট্রি ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিরাজুল ইসলাম এবং দারুল উলুম তালিমুল কুরআন মাদরাসার নায়েবে মুহতামিম মাওলানা মোঃ নুরুল্লাহ গাজী।
ক্যাম্পে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে ফ্রি চিকিৎসাপত্র প্রদান করেন বরিশাল শেবাচিম এর সহযোগী অধ্যাপক ও গ্যাস্ট্রো লিভার বিশেষজ্ঞ ডা. আল মামুন হোসেন, সার্জারী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. এস এম মশিহ-উল-আযম, শেবাচিমের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সাবিকুন নাহার উর্মি, গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. রুবি আক্তার, নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ফয়সাল আহমেদ শিবলি।
ক্যাম্পে আগত সকল রোগীর জন্য স্পেশালাইজড হাসপাতালে যে কোন পরীক্ষা নীরিক্ষায় ৩৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়। এদিকে বাড়ির কাছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সেবা ফ্রি পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সেবা গ্রহীতারা। তারা বলেন, বরিশালে গিয়ে ডা. আল মামুন স্যার সহ অন্যান্য ডাক্তারদের সিরিয়াল পাওয়াই যেখানে কঠিন, সেখানে বাড়ির কাছে এসে তারা বিনা ভিজিটে আমাদেরকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করলেন। তারা ইসলামিয়া স্পেশালাইজড হাসপাতাল এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে এমন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামের মৃত্যু কমলেও আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে কেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪১ পি.এম


হামের মৃত্যু কমলেও আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে কেন?

দেশের মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। স্বাস্থ্যের অধিদফতরের সবশেষ ১৪ দিনের তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে, মে মাসের শেষ সপ্তাহের তুলনায় জুনের প্রথম সপ্তাহে মৃত্যুর সংখ্যা অর্ধেক কমেছে। কিন্তু, রোগীদের সংখ্যা এখনও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেনি। বরং হাম এবং উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা মে মাসের শেষ সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

হামের পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য দেশে ব্যাপকভাবে টিকাদান কার্যক্রম চলছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের দাবি, শতভাগের বেশি শিশু টিকার আওতায় এসেছে। তাহলে এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, টিকা দেওয়ার দুই মাস হতে চললেও কেন সংক্রমণ কমছে না? সব শিশুর কি টিকা পেয়েছে?

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, টিকার প্রথম ডোজের কার্যকারিতা ৭০ শতাংশের নিচে। এই কারণে টিকা নেওয়ার পরও কিছু জন আক্রান্ত হতে পারেন।

এ অবস্থায় সুরক্ষা নিশ্চিত করতে, বয়স অনুযায়ী দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. আতিকুল ইসলাম।

তিনি জানিয়েছেন, একটি টিকা দিলে ৬০ বা ৭০ শতাংশ সুরক্ষা পাওয়া যায়। তবে, দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার ফলে সুরক্ষা বেড়ে ৯৫ শতাংশ বা শতভাগ হয়ে যায়।

অতিরিক্তভাবে, ৫ বছরের বেশি বয়সী শিশুদেরও বেসরকারিভাবে হামের টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ।

ডা. মো. আতিকুল ইসলাম আরও বলেছেন, টিকা দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় ডোজ নেওয়ার মাধ্যমেও সমস্যা নেই। বরং এটি আরও অধিক কার্যকরী। এতে ইমিউনিটি আরও ভালোভাবে বৃদ্ধি পাবে।

হাম থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পর বিভিন্ন জটিলতায় আক্রান্ত হওয়ার কারণেও সংক্রমণের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লন্ডনে চিকিৎসাধীন ইলিয়াস কাঞ্চন, এখন কেমন অবস্থায় আছেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


লন্ডনে চিকিৎসাধীন ইলিয়াস কাঞ্চন, এখন কেমন অবস্থায় আছেন?

ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাজ্যে লন্ডনে চিকিৎসাধীন আছেন দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক এবং ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ (নিসচা)-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। ২০২৫ সালের ৫ আগস্টে যুক্তরাজ্যের উইলিংটন হাসপাতালে অধ্যাপক ডিমিট্রিয়াসের নেতৃত্বে অভিনেতার মাথার ওপর অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। তারপর থেকে বেশ কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও ভক্তদের মনে এখনও একটাই প্রশ্ন রয়ে গেছে— কেমন আছেন তাদের প্রিয় নায়ক?

ইলিয়াস কাঞ্চনের ঘনিষ্ঠজন ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ (নিসচা) সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান লিটন এরশাদ বলেছেন, আশানুরূপ কোনো উন্নতি এখনও পর্যন্ত অভিনেতার শরীরে দেখা যায়নি।

তিনি জানান, কাঞ্চন ভাইয়ের অবস্থা মোটামুটি আগের মতোই রয়েছে। কয়েক দফা থেরাপি গ্রহণ করেছেন, এবং এখন এক ধাপের থেরাপি চলছে। এটি আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত চলবে। এরপর অবস্থা মূল্যায়নের জন্য চিকিৎসকেরা পরিকল্পনা করবেন।

লিটন আরও বিস্তারিত জানান যে, কাঞ্চন ভাই এখন কিছুটা কথা বলতে পারলেও, তার মুখে অনেক জড়তা রয়েছে। তিনি বর্তমানে লন্ডনে তার মেয়ের বাসায় অবস্থান করছেন। সেখান থেকে কিছু পারিবারিক মুহূর্তের ছবি সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। সেগুলো দেখে অনেকে মনে করছেন, অভিনেতা বুঝি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

বাংলা চলচ্চিত্রে আশির ও নব্বইয়ের দশকে প্রতিষ্ঠিত অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের হৃদয়ে শক্তিশালী জায়গা তৈরি করেন ইলিয়াস কাঞ্চন। অসংখ্য ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করে তিনি জনপ্রিয়তার শীর্ষে ওঠেন। রোমান্টিক, অ্যাকশন কিংবা সামাজিক—সব ধরনের চরিত্রে তিনি ছিলেন সাবলীল।

একজন অভিনেতা হিসেবে পরিচিতি ছাড়াও, ইলিয়াস কাঞ্চন একজন সচেতন নাগরিক হিসেবেও ব্যাপকভাবে পরিচিত। ১৯৯৩ সালে একটি মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনায় তার স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চনকে হারানোর পর, তার জীবনের পট পরিবর্তন ঘটে। সেই শোককে শক্তিতে পরিণত করে, মানুষকে সচেতন করতে তিনি গড়ে তোলেন নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন।

দীর্ঘ সময় ধরে তিনি সড়ক নিরাপত্তার জন্য কাজ করে আসছেন। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতা সৃষ্টিতে তার অবদান উল্লেখযোগ্যভাবে প্রশংসিত হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে সরকার এবং সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সহযোগিতা করে, তিনি এই আন্দোলনকে আরও বেগবান করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চলন্ত ট্রাকের পেছনে কাভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল চালকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


চলন্ত ট্রাকের পেছনে কাভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল চালকের

কুমিল্লার মহাসড়কে চলন্ত ট্রাকের পেছনে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় একজন চালক নিহত হয়েছেন। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কাভার্ড ভ্যানটির সামনের অংশ পুরোপুরি দুমড়েমুচড়ে গেছে এবং ঘটনাস্থলেই চালকের মৃত্যু ঘটে।

রোববার (৭ জুন) সকালে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমজাদের বাজার এলাকায় চট্টগ্রামগামী লেনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত কাভার্ড ভ্যান চালকের নাম কাজী জাফর (৩০) বলে জানা গেছে। তিনি ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কানিকারহাট এলাকার জহিরুল ইসলামের পুত্র।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে মহাসড়কের চট্টগ্রামগামী লেনে চলন্ত একটি ট্রাককে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয় একটি কাভার্ড ভ্যান। এই ধাক্কায় কাভার্ড ভ্যানটির সামনের অংশ সম্পূর্ণরূপে দুমড়েমুচড়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় চালক জাফর গাড়ির ভেতরেই আটকা পড়ে যান এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে মিয়াবাজার হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনটি সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।

এ বিষয়ে মিয়াবাজার হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, ‘দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি ঘটনাস্থল ত্যাগ করে চলে যায়। ট্রাকটিকে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ কাজ করছে। নিহত চালকের স্বজনরা ভোলা থেকে আসলে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

এই ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও পুলিশের এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%