০৪:৪১ পি.এম
দেশের মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। স্বাস্থ্যের অধিদফতরের সবশেষ ১৪ দিনের তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে, মে মাসের শেষ সপ্তাহের তুলনায় জুনের প্রথম সপ্তাহে মৃত্যুর সংখ্যা অর্ধেক কমেছে। কিন্তু, রোগীদের সংখ্যা এখনও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেনি। বরং হাম এবং উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা মে মাসের শেষ সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।
হামের পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য দেশে ব্যাপকভাবে টিকাদান কার্যক্রম চলছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের দাবি, শতভাগের বেশি শিশু টিকার আওতায় এসেছে। তাহলে এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, টিকা দেওয়ার দুই মাস হতে চললেও কেন সংক্রমণ কমছে না? সব শিশুর কি টিকা পেয়েছে?
চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, টিকার প্রথম ডোজের কার্যকারিতা ৭০ শতাংশের নিচে। এই কারণে টিকা নেওয়ার পরও কিছু জন আক্রান্ত হতে পারেন।
আরও পড়ুন: জলবায়ু পরিবর্তনে বছরে ৫ লাখের বেশি মৃত্যু, স্বাস্থ্যঝুঁকি বিশ্বজুড়ে
এ অবস্থায় সুরক্ষা নিশ্চিত করতে, বয়স অনুযায়ী দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. আতিকুল ইসলাম।
তিনি জানিয়েছেন, একটি টিকা দিলে ৬০ বা ৭০ শতাংশ সুরক্ষা পাওয়া যায়। তবে, দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার ফলে সুরক্ষা বেড়ে ৯৫ শতাংশ বা শতভাগ হয়ে যায়।
অতিরিক্তভাবে, ৫ বছরের বেশি বয়সী শিশুদেরও বেসরকারিভাবে হামের টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ।
ডা. মো. আতিকুল ইসলাম আরও বলেছেন, টিকা দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় ডোজ নেওয়ার মাধ্যমেও সমস্যা নেই। বরং এটি আরও অধিক কার্যকরী। এতে ইমিউনিটি আরও ভালোভাবে বৃদ্ধি পাবে।
আরও পড়ুন: প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুবদল প্রায় ৫০০ মানুষকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে
হাম থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পর বিভিন্ন জটিলতায় আক্রান্ত হওয়ার কারণেও সংক্রমণের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন