ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেম্বেলের হ্যাটট্রিকে নরওয়েকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স


দেম্বেলের হ্যাটট্রিকে নরওয়েকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ‘আই’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে নরওয়েকে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে (রাউন্ড অব ৩২) পা রাখল সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। উসমান দেম্বেলে দলের হয়ে একটি জাদুকরী হ্যাটট্রিক করেন এবং বাকি একটি গোল করেন তরুণ মিডফিল্ডার দেজিরে দুয়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের বস্টনে গ্রুপসেরা নির্ধারণের এই মর্যাদার লড়াইয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পের দল নরওয়েকে পাত্তাই দেয়নি। এই জয়ের ফলে গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচের তিনটিতেই জয় নিয়ে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করে টেবিলের শীর্ষস্থান মজবুত করেছে ফরাসিরা।

অন্যদিকে, ফ্রান্সের কাছে বড় ব্যবধানে হারানোর পরও আগের দুই ম্যাচ জয়ের সুবাদে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘আই’ গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে বিশ্বকাপের শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে নরওয়েও।

আরও পড়ুন: ভিনিসিয়াস ছাড়া সেভিয়াকে ৪-১ গোলে হারালো রিয়াল মাদ্রিদ

ম্যাচের শুরু থেকেই ফ্রান্সের আক্রমণভাগ নরওয়ের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে। ম্যাচের মাত্র ৩২ মিনিটের মধ্যে উসমান দেম্বেলে তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে দলকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন। এছাড়া, নরওয়ের হয়ে একমাত্র গোলটি শোধ করেন থেলোনিয়াস আসগার্ড।

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধেও ফ্রান্স তাদের আক্রমণের ধারা বজায় রাখে। ম্যাচের শেষভাগে ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশমের আস্থার প্রতিদান দিয়ে নরওয়ের জালে চতুর্থ গোলটি জড়ান তরুণ তুর্কি দেজিরে দুয়ে। নরওয়ের প্রধান তারকা আর্লিং হলান্ডকে ম্যাচের শুরুতে বেঞ্চে রাখার যে জুয়া কোচ স্টালে সোলবাক্কেন খেলেছিলেন, তা শেষ পর্যন্ত ফলপ্রসূ হয়নি।

গ্রুপ পর্বের বাধা অনায়াসে পার করে এবার শতভাগ জয় নিয়ে নকআউট পর্বের মিশন শুরু করতে যাচ্ছে কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্স।

আরও পড়ুন: ঢামেকে ভুয়া চিকিৎসক মো. রাকিব আটক, থানায় হস্তান্তর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলার বিধ্বংসী ভূমিকম্পে নিখোঁজ ৫০ হাজারেরও বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২০ এম


ভেনেজুয়েলার বিধ্বংসী ভূমিকম্পে নিখোঁজ ৫০ হাজারেরও বেশি

ভেনেজুয়েলার ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ ও প্রলয়ঙ্কারী জোড়া ভূমিকম্পের কারণে প্রাণহানির সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্যোগে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৫৮৯ জনে পৌঁছে গেছে। একই সময়ে, জাতিসংঘ নিশ্চিত করেছে যে, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজ এবং আটকে পড়া জীবিতদের উদ্ধারের জন্য আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল এবং বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অনুসন্ধানী কুকুরগুলিকে মোতায়েন করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক প্রধান টম ফ্লেচার বলেছেন, ‘বর্তমানে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ এবং ৫০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশাল এই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা বর্তমানে আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় ও কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, উদ্ধার অভিযানে মৃতদেহের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে বর্তমানে মৃতের সংখ্যা ৫৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। তবে জাতিসংঘ জানিয়েছে, বিপুলসংখ্যক নিখোঁজ ব্যক্তির কারণে চূড়ান্ত মৃতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে। রাজধানী কারাকাসের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার উদ্ধারকর্মীরা ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার পাশাপাশি খালি হাতেও দিন রাত উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন স্থানে হাতুড়ি ও ড্রিল মেশিন দিয়ে কংক্রিট ভেঙে সম্ভাব্য জীবিতদের আর্তনাদ বা ক্ষীণ শব্দ শোনার জন্য মাঝে মাঝে সম্পূর্ণ নীরবতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হচ্ছে। নিজের ছেলেকে ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়ে উদ্ধার করার অপেক্ষায় থাকা আমপারো দেল জিউদিচে বলেন, ‘এখানে এত পাথর এবং কংক্রিটের স্তূপ জমে গেছে যে, খালি হাতে বা সাধারণ উপায়ে উদ্ধার করা একেবারেই অসম্ভব।’ উল্লেখ্য, গত বুধবার রাতে এক মিনিটেরও কম সময়ের ব্যবধানে ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প উত্তর ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানে। এর ফলস্বরূপ, মুহূর্তের মধ্যে শত শত বহুতল আবাসিক ভবন ধসে পড়ে। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় সংস্থা (ওসিএইচএ) জানিয়েছে, বাংলাদেশসহ অন্তত ১৭টি দেশের বিশেষ অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল ভেনেজুয়েলায় পাঠানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে স্পেন, এল সালভাদর, সুইজারল্যান্ড, কলম্বিয়া ও মেক্সিকোর উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজে অংশগ্রহণ শুরু করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
মাহদী আমিন

স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে ঐকমত্য চীন-মালয়েশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ এম


স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে ঐকমত্য চীন-মালয়েশিয়া

বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার জন্য চীন ও মালয়েশিয়া ঐকমত্য পোষণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, "আমরা অভিভূত হয়েছি যেভাবে বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকারপ্রধানকে সম্মান ও ভালোবাসা দিয়েছে, লাল গালিচা সংবর্ধনা দিয়েছে... এটি শুধু প্রধানমন্ত্রী না, বাংলাদেশের জন্য একটি বিশাল গৌরবের বিষয়। যখন একজন সরকারপ্রধানের ক্ষমতার উৎস হয় জনগণ, তখন কীভাবে সেই সম্মান এবং আত্মমর্যাদা বিশ্ব দরবারে ফুটে ওঠে, আমরা সেটি দেখেছি।"

শুক্রবার রাতে মালয়েশিয়া ও চীন সফর থেকে ফিরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মাহদী আমিন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন ও মালয়েশিয়া সফর শেষে রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছান। তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরাও একই ফ্লাইটে দেশে ফেরেন। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান সরকারের মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য ও সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া, বিএনপির সিনিয়র নেতারাও বিমানবন্দরে দলীয় প্রধানকে স্বাগত জানান।

মাহদী আমিন বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুব সংক্ষিপ্ত বিদেশ সফরে গিয়েছিলেন। এখানে তিনটি পর্ব ছিল। প্রথম পর্বে তিনি মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলেন। সেখানকার প্রধানমন্ত্রী এবং রাজার সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তারপর চীনের দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের অধিবেশনে যোগ দেন। সেখানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট এবং সিইওসহ বেশ কিছু ইনভেস্টরদের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরবর্তী সময়ে চীনের রাজধানীতে চীনের প্রিমিয়ার ইনভাইটেশনে গিয়ে সেখানে চীনের প্রিমিয়ার এবং প্রেসিডেন্টের সঙ্গে, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে।"

তিনি বলেন, "আপনাদের আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, মালয়েশিয়া এবং চীন দুই ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ার রাজা ও প্রধানমন্ত্রী এবং চীনের প্রিমিয়ার ও প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। বাংলাদেশের স্বার্থ, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং বাংলাদেশের বিনিয়োগ কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়, বাণিজ্যের প্রসার কীভাবে করা যায়, কর্মসংস্থান কীভাবে সৃষ্টি করা যায়, পিপল টু পিপল কানেক্টিভিটি অর্থাৎ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কালচার, মিডিয়া প্রতিটি ক্ষেত্রেই কিন্তু দুই দেশের সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় কীভাবে মালয়েশিয়া এবং চীন ভূমিকা রাখতে পারে, সেগুলো নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সরকারপ্রধানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।"

মাহদী আমিন বলেন, "প্রধানমন্ত্রী এবং চীন-মালয়েশিয়ার সরকারপ্রধান যারা রয়েছেন, তাদের মাঝে যে উষ্ণ সম্পর্ক আমরা দেখেছি, যে আন্তরিকতা দেখেছি, ইনশাল্লাহ সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে সেগুলো অনেক বড় ভূমিকা রাখবে।"

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, "চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক হয়েছে। সেখানে দুইটি দেশেরই উচ্চ পর্যানের প্রতিনিধিদল ছিল। পরবর্তী সময়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আমাদের প্রধানমন্ত্রী একান্তে বৈঠক করেছেন। তাদের মাঝে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট অনেকগুলো বিষয় উঠে এসেছে এবং স্বাভাবিকভাবেই চীনের প্রেসিডেন্ট খুব বেশি প্রশংসা করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার।"

তিনি বলেন, "চীনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য অদম্য ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। বলেছেন, সামনের দিনগুলোতে চীন অবশ্যই বাংলাদেশের পাশে থাকবে, বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে। বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার জন্য ইতোমধ্যে দুই দেশ ঐকমত্য পোষণ করেছে।"

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, "দেখুন এটা শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে না, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বিভিন্ন দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। উনাদের অভ্যন্তরীণ যে নীতিমালা রয়েছে, সেই ইন্টারনাল প্রসিডিউর ফলো করার পরে যত দ্রুত সম্ভব যদি কোনো দেশের মার্কেট ওপেন করা হয়, তাহলে বাংলাদেশকে ফাস্ট ট্র্যাক করা হবে, প্রায়োটাইজ করা হবে।"

চীনের করিডোরের প্রস্তাবনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "অবশ্যই আমরা চাই ব্যবসার প্রসার হোক, বাণিজ্যের প্রসার হোক। তাহলে বাংলাদেশে ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন হবে। নতুন ইন্ডাস্ট্রি তৈরি হবে, ট্রেড ভলিউম বাড়বে। সুতরাং আমরা ইতিবাচকভাবে দেখছি। এটা তো এখনো একটা ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হয়নি, প্ল্যানিং স্টেজে যাবে এবং ফিজিবিলিটি অ্যানালাইসিস করা হবে। কিন্তু সাধারণত আমরা তো চাই শুধু নির্দিষ্ট কোনো দেশ না, এর মাধ্যমে সাউথ-ইস্টের অন্যান্য দেশের প্রতি মার্কেট একটা উৎসব তৈরি হবে, এশিয়ান দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। সুতরাং অবশ্যই এটা আমরা ইতিবাচকভাবে নিচ্ছি। সামনের দিনগুলোতে এটা একটা বিশাল মহাপরিকল্পনা, সেটি নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা করা হবে এবং আলোচনা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাণিজ্যিক এলপিজির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ এম


বাণিজ্যিক এলপিজির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ভারত

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সময় জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি করে যে বাণিজ্যিক তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল, সেটিকে প্রত্যাহার করেছে ভারত।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির অংশ হিসেবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার পর ওই নৌপথ দিয়ে জ্বালানিবাহী কার্গো চলাচল বেড়ে গেছে। এর পরেই ভারত এ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নয়াদিল্লি থেকে এ খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে।

ভারতের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ‘অ-গৃহস্থালি প্যাকেটজাত এলপিজি’র ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংকটের শুরুতে স্থগিত করা বাল্ক এলপিজি সরবরাহও শিথিল করা হয়েছে। সংকট-পূর্ব ভোগের মাত্রার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সরবরাহ পুনরায় চালু করা হয়েছে।

এতে বলা হচ্ছে, এলপিজি সরবরাহ পরিস্থিতির সাম্প্রতিক উন্নতির পরিপ্রেক্ষিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারত বর্তমানে এলপিজির দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানিকারক। এর বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে। বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ সাধারণত হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই নৌপথটি বন্ধ হয়ে যায়। উপসাগরীয় নৌপথে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় ভারতের অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি হয়। ফলে দেশটির প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাষও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে।

দেশটির লাখো পরিবারের রান্নার প্রধান জ্বালানি হলো এলপিজি। সংকট চলাকালে সরকার এলপিজির দাম বৃদ্ধি করে।

গত মাসে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহের ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলার লক্ষ্যে অপেক্ষাকৃত পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তিতে কয়লা ব্যবহারের প্রয়োজনে কয়লা গ্যাসিফিকেশন সম্প্রসারণের জন্য প্রায় ৪০০ কোটি ডলার খরচের একটি পরিকল্পনাও অনুমোদন দেয় ভারত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ এম


বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

বেইজিং বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি অর্থনৈতিক করিডোর গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে।

গতকাল বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ প্রস্তাবটি দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষ হওয়ার পর বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই হোটেলে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এ তথ্য দেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চারদিনের চীন সফরের শেষে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতেও এ তথ্য প্রকাশ পায়।

মালয়েশিয়া ও চীন সফরের উদ্দেশ্যে গত ২১ জুন ঢাকা ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রথমে মালয়েশিয়া সফর শেষ করে ২২ জুন চীনে যান তিনি। সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এই সফরটি ছিল তার প্রথম সরকারি সফর এবং গতকাল রাতে তিনি বেইজিং থেকে দেশে ফিরে আসেন।

বেইজিংয়ে সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন বলেন, ‘কানেক্টিভিটি নিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি ইকোনমিক করিডোর তৈরির প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। এই ইকোনমিক করিডোরের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের অর্থনীতির ব্যাপ্তি বাড়ানো, ট্রানজ্যাকশনের বৃদ্ধি, এবং মাল্টিমোডাল পরিবহণের উন্নয়ন ঘটানো।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়নে চীন কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা কীভাবে এই বন্দরের আধুনিকায়ন করে এটিকে একটি রিজিওনাল হাব হিসেবে তৈরি করতে পারি—যেটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, অন্যান্য দেশের জন্যও সার্ভ করবে—এ বিষয়ে আমরা কাজ করতে চাই।’ একইসঙ্গে মোংলা পোর্টের উন্নয়ন ও আরো বেশি প্রগ্রেসিভ এবং সার্ভিস-ওরিয়েন্টেড করার জন্যও চীন আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

চীন সফরের শেষ দিন গতকাল স্থানীয় সময় সকালে, বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন চীনের প্রেসিডেন্ট, এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানসহ উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরে মাহদী আমিন বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল টু পিপল কানেক্টিভিটি জোরদার করতে চাই। সংস্কৃতি, মিডিয়া, প্রযুক্তি, সামগ্রিকভাবে জ্ঞান স্থানান্তর এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা ব্যবস্থায় তৃতীয় ভাষা হিসেবে ম্যান্ডারিন ভাষাকে প্রায়োরিটাইজ করা হচ্ছে এবং টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল এডুকেশনকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চীন এই দুই ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের সহায়তা করতে ইচ্ছুক। চীনা ভাষা শিক্ষার জন্য তারা আমাদের শিক্ষক ও অবকাঠামো সহায়তা দেবে।’

ভিসা প্রসেসিং সহজীকরণের বিষয়ে চীন সরকার সহযোগিতা করবে বলে জানান মাহদী আমিন। তিনি বলেন, ‘হেলথকেয়ারের ক্ষেত্রে আমরা কীভাবে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারি, বিভিন্ন ধরনের রোবটিক সার্জারি এবং হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে চীন তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।’ বাংলাদেশ থেকে অনেকেই বিদেশে চিকিৎসা নিতে যান। এ ক্ষেত্রে চীন ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করে বাংলাদেশীদের জন্য তাদের দ্বার উন্মোচন করতে ইচ্ছুক।

মাহদি আমিন রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান খুব স্পষ্ট। আমরা চাই, তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন। এ বিষয়ে কোনো সংলাপের প্রয়োজন হলে চীন আমাদের সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক।’

তিনি আরো বলেন, ‘পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা বিষয়ে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়েছে। আগামী দিনে এ বিষয়ে দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে নিয়মিত ভিত্তিতে ডায়ালগ শুরু হবে। এই বিষয়ে বিস্তারিত কার্যক্রম আছে।’

ব্রিকসে বাংলাদেশের যোগদানের ইচ্ছাকে চীন স্বাগত জানিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মাহদী আমিন। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তার চীন সফরের শেষ দিনটা দেশটির ঐতিহাসিক তিয়েনআনমেন স্কয়ারে অবস্থিত স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শুরু করেন। চীনের স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৯টায়, তিনি দেশটির বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে চীনের বিপ্লবী বীরদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এরপর গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাউ লেজির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

বেইজিংয়ে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) ইতিহাস ও ঐতিহ্যবাহী জাদুঘরও পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সিপিসির জাদুঘর পরিদর্শনে যান। জাদুঘরের কিউরেটর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান এবং পুরো জাদুঘরটি ঘুরিয়ে দেখান। প্রধানমন্ত্রী তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে জাদুঘরের গ্যালারিগুলো ঘুরে দেখেন এবং একটি ইমার্সিভ অডিও-ভিজুয়াল কোস্টার শো উপভোগ করেন। পরিদর্শন শেষে জাদুঘরের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, মাহদী আমিন; প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রী তার ছয়দিনের চীন ও মালয়েশিয়া সফর শেষে গতকাল রাতে বেইজিং থেকে দেশে ফিরেছেন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী ফ্লাইট বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ৮টায় ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সরকারের মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য এবং সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%