০৩:২৮ এম
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সময় জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি করে যে বাণিজ্যিক তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল, সেটিকে প্রত্যাহার করেছে ভারত।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির অংশ হিসেবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার পর ওই নৌপথ দিয়ে জ্বালানিবাহী কার্গো চলাচল বেড়ে গেছে। এর পরেই ভারত এ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নয়াদিল্লি থেকে এ খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ
ভারতের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ‘অ-গৃহস্থালি প্যাকেটজাত এলপিজি’র ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংকটের শুরুতে স্থগিত করা বাল্ক এলপিজি সরবরাহও শিথিল করা হয়েছে। সংকট-পূর্ব ভোগের মাত্রার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সরবরাহ পুনরায় চালু করা হয়েছে।
এতে বলা হচ্ছে, এলপিজি সরবরাহ পরিস্থিতির সাম্প্রতিক উন্নতির পরিপ্রেক্ষিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারত বর্তমানে এলপিজির দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানিকারক। এর বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে। বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ সাধারণত হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই নৌপথটি বন্ধ হয়ে যায়। উপসাগরীয় নৌপথে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় ভারতের অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি হয়। ফলে দেশটির প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাষও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৪টি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের সম্ভাবনা
দেশটির লাখো পরিবারের রান্নার প্রধান জ্বালানি হলো এলপিজি। সংকট চলাকালে সরকার এলপিজির দাম বৃদ্ধি করে।
গত মাসে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহের ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলার লক্ষ্যে অপেক্ষাকৃত পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তিতে কয়লা ব্যবহারের প্রয়োজনে কয়লা গ্যাসিফিকেশন সম্প্রসারণের জন্য প্রায় ৪০০ কোটি ডলার খরচের একটি পরিকল্পনাও অনুমোদন দেয় ভারত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন