ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
মাহদী আমিন

স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে ঐকমত্য চীন-মালয়েশিয়া


স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে ঐকমত্য চীন-মালয়েশিয়া

বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার জন্য চীন ও মালয়েশিয়া ঐকমত্য পোষণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, "আমরা অভিভূত হয়েছি যেভাবে বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকারপ্রধানকে সম্মান ও ভালোবাসা দিয়েছে, লাল গালিচা সংবর্ধনা দিয়েছে... এটি শুধু প্রধানমন্ত্রী না, বাংলাদেশের জন্য একটি বিশাল গৌরবের বিষয়। যখন একজন সরকারপ্রধানের ক্ষমতার উৎস হয় জনগণ, তখন কীভাবে সেই সম্মান এবং আত্মমর্যাদা বিশ্ব দরবারে ফুটে ওঠে, আমরা সেটি দেখেছি।"

শুক্রবার রাতে মালয়েশিয়া ও চীন সফর থেকে ফিরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মাহদী আমিন।

আরও পড়ুন: ৬০ হাজার কোটি টাকায় কুমিল্লা–ঢাকা নতুন রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন ও মালয়েশিয়া সফর শেষে রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছান। তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরাও একই ফ্লাইটে দেশে ফেরেন। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান সরকারের মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য ও সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া, বিএনপির সিনিয়র নেতারাও বিমানবন্দরে দলীয় প্রধানকে স্বাগত জানান।

মাহদী আমিন বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুব সংক্ষিপ্ত বিদেশ সফরে গিয়েছিলেন। এখানে তিনটি পর্ব ছিল। প্রথম পর্বে তিনি মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলেন। সেখানকার প্রধানমন্ত্রী এবং রাজার সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তারপর চীনের দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের অধিবেশনে যোগ দেন। সেখানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট এবং সিইওসহ বেশ কিছু ইনভেস্টরদের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরবর্তী সময়ে চীনের রাজধানীতে চীনের প্রিমিয়ার ইনভাইটেশনে গিয়ে সেখানে চীনের প্রিমিয়ার এবং প্রেসিডেন্টের সঙ্গে, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে।"

তিনি বলেন, "আপনাদের আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, মালয়েশিয়া এবং চীন দুই ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ার রাজা ও প্রধানমন্ত্রী এবং চীনের প্রিমিয়ার ও প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। বাংলাদেশের স্বার্থ, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং বাংলাদেশের বিনিয়োগ কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়, বাণিজ্যের প্রসার কীভাবে করা যায়, কর্মসংস্থান কীভাবে সৃষ্টি করা যায়, পিপল টু পিপল কানেক্টিভিটি অর্থাৎ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কালচার, মিডিয়া প্রতিটি ক্ষেত্রেই কিন্তু দুই দেশের সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় কীভাবে মালয়েশিয়া এবং চীন ভূমিকা রাখতে পারে, সেগুলো নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সরকারপ্রধানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।"

আরও পড়ুন: দীর্ঘদিনের ক্ষমতার অবসান, সার্বিয়ার নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে জয়

মাহদী আমিন বলেন, "প্রধানমন্ত্রী এবং চীন-মালয়েশিয়ার সরকারপ্রধান যারা রয়েছেন, তাদের মাঝে যে উষ্ণ সম্পর্ক আমরা দেখেছি, যে আন্তরিকতা দেখেছি, ইনশাল্লাহ সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে সেগুলো অনেক বড় ভূমিকা রাখবে।"

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, "চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক হয়েছে। সেখানে দুইটি দেশেরই উচ্চ পর্যানের প্রতিনিধিদল ছিল। পরবর্তী সময়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আমাদের প্রধানমন্ত্রী একান্তে বৈঠক করেছেন। তাদের মাঝে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট অনেকগুলো বিষয় উঠে এসেছে এবং স্বাভাবিকভাবেই চীনের প্রেসিডেন্ট খুব বেশি প্রশংসা করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার।"

তিনি বলেন, "চীনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য অদম্য ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। বলেছেন, সামনের দিনগুলোতে চীন অবশ্যই বাংলাদেশের পাশে থাকবে, বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে। বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার জন্য ইতোমধ্যে দুই দেশ ঐকমত্য পোষণ করেছে।"

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, "দেখুন এটা শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে না, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বিভিন্ন দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। উনাদের অভ্যন্তরীণ যে নীতিমালা রয়েছে, সেই ইন্টারনাল প্রসিডিউর ফলো করার পরে যত দ্রুত সম্ভব যদি কোনো দেশের মার্কেট ওপেন করা হয়, তাহলে বাংলাদেশকে ফাস্ট ট্র্যাক করা হবে, প্রায়োটাইজ করা হবে।"

আরও পড়ুন: ৩৬ জেলায় ১০১ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর

চীনের করিডোরের প্রস্তাবনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "অবশ্যই আমরা চাই ব্যবসার প্রসার হোক, বাণিজ্যের প্রসার হোক। তাহলে বাংলাদেশে ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন হবে। নতুন ইন্ডাস্ট্রি তৈরি হবে, ট্রেড ভলিউম বাড়বে। সুতরাং আমরা ইতিবাচকভাবে দেখছি। এটা তো এখনো একটা ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হয়নি, প্ল্যানিং স্টেজে যাবে এবং ফিজিবিলিটি অ্যানালাইসিস করা হবে। কিন্তু সাধারণত আমরা তো চাই শুধু নির্দিষ্ট কোনো দেশ না, এর মাধ্যমে সাউথ-ইস্টের অন্যান্য দেশের প্রতি মার্কেট একটা উৎসব তৈরি হবে, এশিয়ান দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। সুতরাং অবশ্যই এটা আমরা ইতিবাচকভাবে নিচ্ছি। সামনের দিনগুলোতে এটা একটা বিশাল মহাপরিকল্পনা, সেটি নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা করা হবে এবং আলোচনা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাণিজ্যিক এলপিজির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ এম


বাণিজ্যিক এলপিজির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ভারত

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সময় জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি করে যে বাণিজ্যিক তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল, সেটিকে প্রত্যাহার করেছে ভারত।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির অংশ হিসেবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার পর ওই নৌপথ দিয়ে জ্বালানিবাহী কার্গো চলাচল বেড়ে গেছে। এর পরেই ভারত এ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নয়াদিল্লি থেকে এ খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে।

ভারতের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ‘অ-গৃহস্থালি প্যাকেটজাত এলপিজি’র ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংকটের শুরুতে স্থগিত করা বাল্ক এলপিজি সরবরাহও শিথিল করা হয়েছে। সংকট-পূর্ব ভোগের মাত্রার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সরবরাহ পুনরায় চালু করা হয়েছে।

এতে বলা হচ্ছে, এলপিজি সরবরাহ পরিস্থিতির সাম্প্রতিক উন্নতির পরিপ্রেক্ষিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারত বর্তমানে এলপিজির দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানিকারক। এর বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে। বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ সাধারণত হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই নৌপথটি বন্ধ হয়ে যায়। উপসাগরীয় নৌপথে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় ভারতের অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি হয়। ফলে দেশটির প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাষও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে।

দেশটির লাখো পরিবারের রান্নার প্রধান জ্বালানি হলো এলপিজি। সংকট চলাকালে সরকার এলপিজির দাম বৃদ্ধি করে।

গত মাসে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহের ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলার লক্ষ্যে অপেক্ষাকৃত পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তিতে কয়লা ব্যবহারের প্রয়োজনে কয়লা গ্যাসিফিকেশন সম্প্রসারণের জন্য প্রায় ৪০০ কোটি ডলার খরচের একটি পরিকল্পনাও অনুমোদন দেয় ভারত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ এম


বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

বেইজিং বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি অর্থনৈতিক করিডোর গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে।

গতকাল বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ প্রস্তাবটি দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষ হওয়ার পর বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই হোটেলে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এ তথ্য দেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চারদিনের চীন সফরের শেষে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতেও এ তথ্য প্রকাশ পায়।

মালয়েশিয়া ও চীন সফরের উদ্দেশ্যে গত ২১ জুন ঢাকা ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রথমে মালয়েশিয়া সফর শেষ করে ২২ জুন চীনে যান তিনি। সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এই সফরটি ছিল তার প্রথম সরকারি সফর এবং গতকাল রাতে তিনি বেইজিং থেকে দেশে ফিরে আসেন।

বেইজিংয়ে সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন বলেন, ‘কানেক্টিভিটি নিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি ইকোনমিক করিডোর তৈরির প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। এই ইকোনমিক করিডোরের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের অর্থনীতির ব্যাপ্তি বাড়ানো, ট্রানজ্যাকশনের বৃদ্ধি, এবং মাল্টিমোডাল পরিবহণের উন্নয়ন ঘটানো।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়নে চীন কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা কীভাবে এই বন্দরের আধুনিকায়ন করে এটিকে একটি রিজিওনাল হাব হিসেবে তৈরি করতে পারি—যেটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, অন্যান্য দেশের জন্যও সার্ভ করবে—এ বিষয়ে আমরা কাজ করতে চাই।’ একইসঙ্গে মোংলা পোর্টের উন্নয়ন ও আরো বেশি প্রগ্রেসিভ এবং সার্ভিস-ওরিয়েন্টেড করার জন্যও চীন আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

চীন সফরের শেষ দিন গতকাল স্থানীয় সময় সকালে, বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন চীনের প্রেসিডেন্ট, এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানসহ উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরে মাহদী আমিন বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল টু পিপল কানেক্টিভিটি জোরদার করতে চাই। সংস্কৃতি, মিডিয়া, প্রযুক্তি, সামগ্রিকভাবে জ্ঞান স্থানান্তর এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা ব্যবস্থায় তৃতীয় ভাষা হিসেবে ম্যান্ডারিন ভাষাকে প্রায়োরিটাইজ করা হচ্ছে এবং টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল এডুকেশনকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চীন এই দুই ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের সহায়তা করতে ইচ্ছুক। চীনা ভাষা শিক্ষার জন্য তারা আমাদের শিক্ষক ও অবকাঠামো সহায়তা দেবে।’

ভিসা প্রসেসিং সহজীকরণের বিষয়ে চীন সরকার সহযোগিতা করবে বলে জানান মাহদী আমিন। তিনি বলেন, ‘হেলথকেয়ারের ক্ষেত্রে আমরা কীভাবে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারি, বিভিন্ন ধরনের রোবটিক সার্জারি এবং হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে চীন তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।’ বাংলাদেশ থেকে অনেকেই বিদেশে চিকিৎসা নিতে যান। এ ক্ষেত্রে চীন ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করে বাংলাদেশীদের জন্য তাদের দ্বার উন্মোচন করতে ইচ্ছুক।

মাহদি আমিন রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান খুব স্পষ্ট। আমরা চাই, তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন। এ বিষয়ে কোনো সংলাপের প্রয়োজন হলে চীন আমাদের সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক।’

তিনি আরো বলেন, ‘পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা বিষয়ে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়েছে। আগামী দিনে এ বিষয়ে দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে নিয়মিত ভিত্তিতে ডায়ালগ শুরু হবে। এই বিষয়ে বিস্তারিত কার্যক্রম আছে।’

ব্রিকসে বাংলাদেশের যোগদানের ইচ্ছাকে চীন স্বাগত জানিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মাহদী আমিন। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তার চীন সফরের শেষ দিনটা দেশটির ঐতিহাসিক তিয়েনআনমেন স্কয়ারে অবস্থিত স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শুরু করেন। চীনের স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৯টায়, তিনি দেশটির বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে চীনের বিপ্লবী বীরদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এরপর গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাউ লেজির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

বেইজিংয়ে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) ইতিহাস ও ঐতিহ্যবাহী জাদুঘরও পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সিপিসির জাদুঘর পরিদর্শনে যান। জাদুঘরের কিউরেটর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান এবং পুরো জাদুঘরটি ঘুরিয়ে দেখান। প্রধানমন্ত্রী তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে জাদুঘরের গ্যালারিগুলো ঘুরে দেখেন এবং একটি ইমার্সিভ অডিও-ভিজুয়াল কোস্টার শো উপভোগ করেন। পরিদর্শন শেষে জাদুঘরের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, মাহদী আমিন; প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রী তার ছয়দিনের চীন ও মালয়েশিয়া সফর শেষে গতকাল রাতে বেইজিং থেকে দেশে ফিরেছেন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী ফ্লাইট বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ৮টায় ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সরকারের মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য এবং সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরাককে ৫-০ গোলে হারিয়ে টিকে থাকার আশা জিইয়ে রাখল সেনেগাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ এম


ইরাককে ৫-০ গোলে হারিয়ে টিকে থাকার আশা জিইয়ে রাখল সেনেগাল

সেনেগাল ইরাককে ৫-০ গোলে পরাজিত করে নকআউট পর্বে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখল। টানা দুই হারের পর পাওয়া এই জয়, ৩ পয়েন্ট নিয়ে ‘আই’ গ্রুপে তৃতীয় করেছে সাদিও মানের দেশটিকে। আফ্রিকার দলটি তৃতীয় সেরা আট দলের একটি হয়ে, উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনা এখনও রয়েছে।

গ্রুপ পর্ব পেরোনোর আশা বাঁচিয়ে রাখতে দুই দলের জন্য জয় অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে, ইদ্রিসা গানার শট এক জনের গায়ে লেগে কর্নার হয়। সেই কর্নার থেকে হাবিব দিয়ারার হেড এক ড্রপ খেয়ে জালে জড়ালে সেনেগাল এগিয়ে যায়।

১৩তম মিনিটে, সাদিও মানেকে পেছন থেকে টেনে ধরেন রেবিন সুলাকা। শুরুতে রেফারি তাকে হলুদ কার্ড দেন, তবে পরে ভিএআর দেখে, ফাউলের গুরুত্ব বিবেচনায় লাল কার্ড দেখান। ফলে, ইরাক দশ জনের দলে পরিণত হয়।

১৯তম মিনিটে, সতীর্থের লং পাস দুই ডিফেন্ডারের ফাঁক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে নিতে চেয়েছিলেন আলি আল হামাদি। কিন্তু তাকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন আব্দুল্লাইয়ে সেক। সেনেগালের এই ডিফেন্ডারকে রেফারি হলুদ কার্ড দেখান। ডাগআউটে ইরাকের এই সিদ্ধান্তে খুশি হওয়ার সুর দেখা যায়নি।

দ্বিতীয়ার্ধে, মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে ইরাকের ওপর দিয়ে ঝড় বইয়ে দেয় সেনেগাল। ৫৪তম মিনিটে, ইসমাইला সারে লক্ষ্যভেদ করেন। ৫৯তম মিনিটে, পেপে বক্সের বাইরে থেকে দৃষ্টিনন্দন কোনাকুনি শটে দূরের পোস্ট দিয়ে ব্যবধান বৃদ্ধি করেন। ৭১তম মিনিটে, সতীর্থের হেড পাসে বক্সের ভেতরে ঢুকে পেপের বাম পায়ের জোরাল ভলি খুব দ্রুতই জালে যায়। ফলে, ইরাকের হার নিশ্চিত হয়ে যায়।

তৃতীয় সেরা দলের একটি হতে, বড় ব্যবধানের জয় পেতে সেনেগাল ইরাকের রক্ষণে চাপ দিতে থাকে। ৮২তম মিনিটে, লিমান এনদিয়ে স্কোরলাইন ৫-০ করেন। এতে, দলটির গোল ব্যবধান -৩ থেকে এখন +২ হয়ে যায়। গ্রুপে তৃতীয় হওয়া সেরা আট দলের তালিকায় বর্তমানে তারা পঞ্চম স্থানে রয়েছে। সবগুলো ম্যাচ শেষ হলে জানা যাবে, সেরা বত্রিশে সেনেগাল উঠছে কি না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেম্বেলের হ্যাটট্রিকে ভাইকিংদের অসহায় আত্মসমর্পণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩২ এম


দেম্বেলের হ্যাটট্রিকে ভাইকিংদের অসহায় আত্মসমর্পণ

প্রথমার্ধের ৩২ মিনিটের মধ্যে হ্যাটট্রিক করে ম্যাচ একপ্রকার নিজেদের করে নিয়েছিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড উসমান দেম্বেলে। এরপর, ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পূর্বে নরওয়ের কফিনে স্রেফ শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন তার ক্লাব সতীর্থ দিজিরে দুয়ে।

হালান্ডসহ একটি একাদশে ১০ পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমে ভাইকিংসদের ৪-১ গোলে আত্মসমর্পণ করিয়ে, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিশ্চিত করে ফ্রান্স।

ম্যাচ শুরুর আগে আবহটা ছিল কিছুটা বিষাদময়। ভেনিজুয়েলায় আঘাত হানা ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে, দুই দলের ফুটবলার ও গ্যালারির দর্শকরা এক মিনিটের নীরবতা পালন করেন।

তবে রেফারির বাঁশি বাজার পর, বোস্টনের মাঠে যে ঝড় উঠল, তাতে মুহূর্তেই স্তব্ধতা রূপ নিল ফুটবলের তুমুল উন্মাদনায়।

ম্যাচের বয়স তখন মাত্র ২৩ সেকেন্ড! কিলিয়ান এমবাপ্পের শট নরওয়ের দূরের পোস্টে লেগে ফিরে না এলে তখনই লিড পেতে পারত ফরাসিরা। চতুর্থ মিনিটে ফ্রান্স মিডফিল্ডার মানু কোনের শট রুখে দেন নরওয়েজিয়ান গোলরক্ষক এগিল সেলভিক। তবে তিন মিনিট পরই আর শেষ রক্ষা হয়নি। ডান প্রান্ত ধরে ঝড়ের গতিতে বক্সে ঢুকে, জোরালো শটে নরওয়ে গোলকিপারকে বোকা বানান দেম্বেলে।

ম্যাচের ১৪ মিনিটে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে নরওয়ে। ফ্রেডরিক আর্সনেসের দূরপাল্লার পাস বক্সে দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিলেও শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি জর্গেন স্ট্র্যান্ড লারসেন। এর তিন মিনিট পর এমবাপ্পের একক প্রচেষ্টা রুখে দেন সেলভিক।

তবে, ২০ মিনিটে আর ফরাসিদের রুখতে পারেনি নরওয়ের রক্ষণভাগ। মাঝমাঠ থেকে এমবাপ্পের নিখুঁত থ্রু বল ধরে, বক্সের সামান্য দূর থেকে বাঁ পায়ের বুলেট গতির শটে ব্যবধান ২-০ করেন দেম্বেলে।

ম্যাচের রোমাঞ্চ থিতু হওয়ার সুযোগই পায়নি। ঠিক পরের মিনিটেই, ব্যবধান ২-১ এ নামিয়ে আনে নরওয়ে। বাঁ প্রান্ত ধরে বক্সে ঢুকে, নিচু শটে ফরাসি জাল কাঁপান মিডফিল্ডার থেলো আসগার্ড। ২২ মিনিটের মধ্যে দুই দল মিলে ১৫টি শট নেয়, যার ৯টিই ছিল অন-টার্গেট। ম্যাচের এই গনগনে উত্তেজনার মাঝেই আসে নতুন নিয়মের ‘হাইড্রেশন ব্রেক’।

তবে বিরতিও থামাতে পারেনি দেম্বেলে-ঝড়। ৩২ মিনিটে বোস্টনের গ্যালারিকে স্তব্ধ করে দিয়ে, নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। বক্সে বল পেয়ে, প্রতিপক্ষের তিন তিনজন ডিফেন্ডারকে চোখের পলকে বোকা বানিয়ে, বল জালে জড়ান তিনি। আর এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে খেলা শুরুর পর মিনিটের হিসেবে দ্বিতীয় দ্রুততম হ্যাটট্রিকের কীর্তি গড়লেন দেম্বেলে (৩২ মিনিট)। এর আগে, ১৯৫৪ বিশ্বকাপে চেকোস্লোভাকিয়ার বিপক্ষে ২৪ মিনিটে হ্যাটট্রিক করে শীর্ষে আছেন অস্ট্রিয়ার এরিক প্রোবস্ট।

দ্বিতীয়ার্ধেও বজায় ছিল সেই একই উত্তেজনা। ৫০ মিনিটে পেনাল্টি পেয়েও, ব্যবধান কমানোর সুযোগ হারায় নরওয়ে। লারসেনের স্পট-কিক দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন ফরাসি প্রাচীর মাইক মাইনান। এর দুই মিনিট পর, এমবাপ্পে একক দৌড়ে ওয়ান-টু-ওয়ান পজিশনে চলে গেলেও, ২৮ বছর বয়সী নরওégioদান কিপার সেলভিকের ক্ষীপ্রতার কাছে পরাস্ত হন।

ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত, দুই দলই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে লড়েছে। ৫৭ মিনিটে এমবাপ্পের দূরপাল্লার শট পোস্টের ওপর দিয়ে চলে যায়, আর ৭২ মিনিটে অস্কার ববের নিচু শট ঝাঁপিয়ে পড়ে রক্ষা করেন মাইনান। তবে যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে (৯৪ মিনিট) নরওয়ের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন তরুণ তুর্কি দেজিরে দুয়ে। বাঁ প্রান্তের বাইলাইন থেকে ব্র্যাডলি বারকোলার চোখধাঁধানো ক্রসে শূন্যে লাফিয়ে নিখুঁত হেডে বল জালের কোণায় পাঠিয়ে দেন তিনি।

আর তাতেই ৪-১ গোলের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফরাসিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%