ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও শিক্ষায় ফিরিয়ে আনতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ


কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও শিক্ষায় ফিরিয়ে আনতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে নদীভাঙন, দারিদ্র্য এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভাবের কারণে দীর্ঘদিন ধরে বাল্যবিবাহ একটি বড় সামাজিক সমস্যা রূপে বিরাজ করছে। এই সংকটকে সমাধান করার লক্ষ্যেই কুড়িগ্রাম সদর, উলিপুর এবং রৌমারী উপজেলার ১৪টি চর এলাকায় কাজ করে যাচ্ছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ফ্রেন্ডশিপ’। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় এই সংস্থাটি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে একাধিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্যমতে, ইউনিয়নভিত্তিক প্রতিরোধ কমিটির মাধ্যমে ইতিমধ্যে ২৩টি বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। যাত্রাপুর ইউনিয়নে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী ১০৯ জন ঝুঁকিপূর্ণ কিশোরীর একটি তালিকা তৈরি করে তাদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিটি চরে ‘স্কুল ওয়াচ কমিটি’র মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ কিশোরীদের চিহ্নিত করে তাদের পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। ফ্রেন্ডশিপ বাল্যবিবাহ এবং পারিবারিক বিরোধ সহ সমাজে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য চরাঞ্চলে আইনি সহায়তা কেন্দ্রও পরিচালনা করছে। অপ্রাপ্তবয়স্ক বিয়ের খবর পেলেই সংশ্লিষ্ট পরিবারকে কাউন্সেলিং করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া সচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে নিয়মিত উঠান বৈঠক, বিলবোর্ড স্থাপন, কমিউনিটি পুলিশিং এবং ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত ১৮টি পথনাটক প্রদর্শন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মদনে শিশু ধর্ষণ ও গর্ভধারণ মামলা, রায় ১১ নভেম্বর

এসব সমন্বিত উদ্যোগের সুফলে অনেক কিশোরী বাল্যবিবাহের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পেয়ে আবারও শিক্ষাজীবন চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। স্থানীয় নজরদারি এবং সচেতনতার কারণে দুর্গম এসব চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহের হার আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে বলে জানান স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাবিতে ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট পাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


জাবিতে ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট পাশ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের মাধ্যমে।

শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম বার্ষিক সিনেট অধিবেশনে এ বাজেট পাশ হয়। এ অধিবেশনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুর রব অধিবেশনে বাজেটটি উপস্থাপন করেন।

এবারের বাজেটে সবচেয়ে বড় অংশটি হচ্ছে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২০১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা (৫৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ)।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৮ কোটি ৩ লাখ টাকা (২২ দশমিক ৩৮ শতাংশ) বরাদ্দ রাখা হয়েছে সাধারণ সরবরাহ ও সেবা বা প্রশাসনিক আনুষঙ্গিক ব্যয় খাতে। পেনশন ও অবসর-সুবিধা খাতে কমিয়ে বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা (১০ দশমিক ৬৫ শতাংশ)। গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৪৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

তবে এবছর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব রাজস্ব বাজেটে গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। যদিও এ খাতে বরাদ্দ শূন্য দেখানো হয়েছে, উপাচার্য জানিয়েছেন যে গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে সরাসরি বরাদ্দ দেওয়া হবে।

এ ছাড়া যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়ে ১১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা (৩ দশমিক ২৬ শতাংশ), অবকাঠামো মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে ৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা (২ দশমিক ৭২ শতাংশ), তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে ২ কোটি ৮২ লাখ টাকা (০ দশমিক ৮১ শতাংশ), যানবাহন ক্রয়ে ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা (০ দশমিক ৭০ শতাংশ) এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা খাতে ৭০ লাখ টাকা (০ দশমিক ২০ শতাংশ) বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এবারের বাজেট পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ঘাটতি যুক্ত হবে প্রায় ১৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। ফলে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ ঘাটতি বেড়ে ৯৯ কোটি ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকায় পৌঁছাবে। চলতি অর্থবছরের হিসাবে যুক্ত হলে এ ঘাটতি শতকোটি টাকা অতিক্রম করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি খাতে স্বনির্ভরতা অর্জন ও নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব : প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


জ্বালানি খাতে স্বনির্ভরতা অর্জন ও নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব : প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়। বরং এটি সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের একটি সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা।

তিনি বলেন, বিশেষ করে জ্বালানি খাতে স্বনির্ভরতা অর্জন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে রেকর্ড বরাদ্দ এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।

সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে, প্রতিমন্ত্রী আজ এসব কথা বলেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আগামী অর্থবছরে এ খাতের জন্য ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংকট বাংলাদেশের আমদানি নির্ভর জ্বালানি নীতির সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট করেছে। এ কারণে সরকার সমুদ্র ও স্থলভাগে নতুন গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের উদ্যোগ নিয়েছে। গত ২৪ মে অফশোর বিডিং রাউন্ড শুরু হয়েছে, যা আগামী নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ১৯৯৩ সালের সফল অফশোর বিডিংয়ের মতো এবার বাংলাদেশ নতুন গ্যাস অনুসন্ধানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করবে।

ইস্টার্ন রিফাইনারির সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে, তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময়েও দ্বিতীয় ইউনিট প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তবে বর্তমান সরকার সেই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের তেল পরিশোধন সক্ষমতা ৫০ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে শুল্ক ছাড় ও নীতিগত সহায়তা প্রদানকে তিনি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

প্রস্তাবিত বাজেটের প্রশংসা করে, তিনি বলেন, শিক্ষা বরাবরই বিএনপির অগ্রাধিকারের খাত। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাক্ষরতা কর্মসূচি চালু করেছিলেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারী শিক্ষা অবৈতনিক, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ ও ছাত্রীদের উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু করেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার ভবিষ্যতে মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা মোট বাজেটের ১৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১৮ শতাংশ বেশি। এই বরাদ্দের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কর্মমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর ও মানসম্মত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতকে বাজেটের অন্যতম শক্তিশালী দিক উল্লেখ করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এ খাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকার রেকর্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, হার্টের রিং, চোখের লেন্স, কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিস ফিল্টার ও ব্লাড টিউবিংয়ের ওপর ভ্যাট ও শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তার প্রয়াত বাবা দীর্ঘদিন কিডনি ডায়ালাইসিসের রোগী ছিলেন। ফলে একটি পরিবারকে কী ধরনের আর্থিক ও মানসিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়, তা তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন। এ কারণে ডায়ালাইসিস সামগ্রীর ওপর কর কমানোর উদ্যোগকে তিনি অত্যন্ত মানবিক সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি ইউনিয়ন ও পৌর ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট প্রতিষ্ঠা এবং ৫১ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে পারলে একটি ন্যায়ভিত্তিক, ইনসাফপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মায়ের শেষকৃত্য শেষে দলে ফিরছেন দেশম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৯ পি.এম


মায়ের শেষকৃত্য শেষে দলে ফিরছেন দেশম

মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে বিশ্বকাপ চলাকালে ফ্রান্সের প্রধান কোচ দিদিয়ের দেশম নিজ দেশে ফিরে গিয়েছিলেন। পারিবারিক দায়িত্ব সম্পন্ন করার পর তিনি আবারও দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন।

শনিবার ফ্রান্স ফুটবল কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যে, দেশম ইতোমধ্যে দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তবে এই সম্পর্কিত আর কোনো বিস্তারিত তথ্য তারা জানায়নি।

দেশমের অনুপস্থিতিতেই গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে নরওয়েকে ৪-১ গোলে হারিয়ে ফ্রান্স গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এই জয়ে দলটি নকআউট পর্বে তুলনামুলক সুবিধাজনক সূচি পেয়েছে।

২০১৮ সালে ফ্রান্সকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন দেশম। ২০২২ সালেও তার অধীনেই ফাইনালে উঠেছিল দলটি। তাই তার ফিরে আসায় নকআউট পর্বের আগে ফরাসি শিবিরে স্বস্তি ফিরেছে।

বর্তমানে ফ্রান্স দল বোস্টনে অবস্থান করছে এবং আগামী মঙ্গলবার নকআউট ম্যাচে সুইডেনের মুখোমুখি হবে তারা।

সূত্র : রয়র্টাস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুসলিম এক দেশের ভাগ্য সাদা সোনায় বদলাতে যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২০ পি.এম


মুসলিম এক দেশের ভাগ্য সাদা সোনায় বদলাতে যাচ্ছে

আফ্রিকার মুসলিমপ্রধান দেশ নাইজেরিয়ায় বিশ্বমানের এক বিশাল খনিজ ভাণ্ডারের সন্ধান পাওয়া গেছে। নাইজেরিয়ার কাদুনা রাজ্যে সোনা, লিথিয়াম, প্ল্যাটিনামসহ বহু মূল্যবান খনিজের সন্ধান পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি রাজধানী আবুজায় আফ্রিকান ন্যাচারাল রিসোর্সেস অ্যান্ড এনার্জি ইনভেস্টমেন্ট সামিট (আফনিস) ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের কঠিন খনিজ উন্নয়ন মন্ত্রী ডেলে আলাকে এই ঘোষণা দেন। ঘোষণা অনুযায়ী, নাইজেরিয়ান জিওলজিক্যাল সার্ভে এজেন্সি (এনজিএসএ) এই আবিষ্কারের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

নাইজেরিয়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম প্রিমিয়াম টাইমস ও বিজনেস ইনসাইডার আফ্রিকার প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে, একটি বেসরকারি কোম্পানির দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর এই খনির সন্ধান পাওয়া গেছে। নাইজেরিয়া সরকার এই নতুন খনি আবিষ্কারের ঘটনাকে ইতিহাসের অন্যতম সেরা অর্জন হিসেবে বর্ণনা করেছে। লিথিয়ামকে বিশ্বজুড়ে ‘সাদা সোনা’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই আবিষ্কার মুসলিমপ্রধান দেশটির অর্থনৈতিক ভাগ্য বদলে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নাইজেরিয়ার খনিজ উন্নয়ন মন্ত্রী জানান, এই খনিতে কৌশলগত খনিজ রয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী দিন দিন বাড়িতেছে। বিশেষ করে, পরিবেশবান্ধব বা ক্লিন এনার্জি প্রযুক্তি, বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি উৎপাদন এবং উন্নত শিল্পায়নে এসব খনিজ ব্যবহার করা হয়।

কাদুনা রাজ্যের এই খনিতে উচ্চমানের সোনা, নিকেল, তামা, লিথিয়াম এবং বিরল খনিজ উপাদান রয়েছে। এই আবিষ্কারের ফলে নাইজেরিয়া টেকসই খনি খাতে বৈশ্বিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান গন্তব্য হতে পারে। সরকার দেশটির প্রেসিডেন্ট বোলা তিনুবুর অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই খাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

এদিকে, নাইজেরিয়া সরকার খনি খাতে স্বচ্ছতা ফেরাতে এরই মধ্যে তিন হাজারের বেশি নিষ্ক্রিয় লাইসেন্স বাতিল করেছে। তারা এখন থেকে কাঁচামাল বা অপরিশোধিত খনিজ বিদেশে রপ্তানি করতে চায় না। খনির আবেদনকারীদের স্থানীয়ভাবে খনিজ প্রক্রিয়াজাতকরণের পরিকল্পনা জমা দিতে হবে।

এই নতুন নীতির ফলে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ আসতে শুরু করেছে নাইজেরিয়ায়। ইতিমধ্যেই নাসারাওয়া রাজ্যে একটি ৬০০ মিলিয়ন ডলারের এবং আবুজায় ২০০ মিলিয়ন ডলারের লিথিয়াম প্ল্যান্ট চালুর অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়াও কোগি রাজ্যে এক বিলিয়ন ডলারের একটি লৌহ আকরিক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সরকারের রাজস্ব আয় অনেক গুণ বেড়েছে।

সম্মেলনের অংশ হিসেবে আবুজায় স্টেরন মাইনিং কোম্পানির একটি খনি পরিদর্শনের সময় জানানো হয়, সেখানে আনুমানিক ৩৩ লাখ মেট্রিক টন লিথিয়ামের মজুত রয়েছে। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু ওমর জানান, সরকারি নীতিমালা মেনে তারা খনিজগুলো স্থানীয়ভাবে প্রক্রিয়াজাত করার পর রপ্তানি করছেন।

কোম্পানির ভূতাত্ত্বিক বেলো দামুলাক জানান, ওই এলাকায় মোট খনিজ সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৯ কোটি ৪৮ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ৩৩ লাখ টন খাঁটি লিথিয়াম এবং বাকিটা গ্রানাইট শিলা। এই আবিষ্কার কেবল নাইজেরিয়া নয়, পুরো আফ্রিকার জ্বালানি ও খনিজ খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%