বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:৫৩ পি.এম
সিলেটের বিশ্বনাথে জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬ উদযাপনের প্রেক্ষিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিষদের সম্মেলন কক্ষে সভাটি আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদ বিন কাশেম।
সভাটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম। এতে বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) হাজী গৌছ আলী, উপজেলা জামায়াতের আমির নিজাম উদ্দিন সিদ্দীকি, নায়েবে আমীর মাস্টার ইমাদ উদ্দিন, বিশ্বনাথ পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী আদবুল হাই, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কাওছার খান, দশঘর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন খান, অলংকারি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান লিটন, দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, বিশ্বনাথ পৌর বিএনপির সাংগঠনিক গোবিন্দ মালাকার, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শিপন আহমদ, উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যুগ্ম আহবায়ক এম খলিলুর রহমান এবং জুলাই যোদ্ধা আমজাদ হোসেন ও মাসুদ রানা চৌধুরী।
সভায় বক্তারা বলেছেন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য শহিদদের অবদান চিরকাল জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। তাদের আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। শহিদদের আদর্শ ও চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন, মানবিক এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা।
এ সময় সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা ও জুলাই আন্দোলনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেছেন, সংস্থার গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) জুলাই আন্দোলন সংশ্লিষ্ট ৫৯টি মামলায় প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেবে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জুলাই মামলার অগ্রগতির বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, প্রতিটি মামলায় বিপুল সংখ্যক আসামি থাকায় তাদের অবস্থান, ভূমিকা এবং ফরেনসিক তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে ধাপে ধাপে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় ডিবির তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে অতিরিক্ত কমিশনার আরও বলেন, ডিবিতে ৫৯টি মামলা তদন্ত করা হচ্ছে। প্রতিটি মামলায় আসামির সংখ্যা অনেক। তাদের অবস্থান শনাক্ত করা এবং কার কী অবস্থান ছিলো সেগুলো দেখার বিষয় আছে। ফরেনসিকের বিষয় আছে। সবকিছু নিয়ে ধাপে ধাপে কাজ করা হচ্ছে। এ আন্দোলনের প্রায় ৪০ জিবি ডাটা আছে। আমরা অত্যন্ত সিরিয়াসের সঙ্গে মামলাগুলো নিয়ে কাজ করছি। আইনরের ভেতরে থেকে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রতিবেদন দেয়া হবে।
জুলাই আন্দোলন ঘিরে শুধুমাত্র ডিএমপিতেই শত শত মামলা ভুয়া হয়েছে। এমনও হয়েছে যে এক ঘটনায় তিনটা চারটা মামলা এবং এটা নিয়ে বিজনেস হয়েছে। যেহেতু দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা বা চার্জশিট করবেন। যারা মামলা বাণিজ্য করেছে তাদের তালিকা করে কোনো ব্যবস্থা নেবেন?
এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেসব মামলা হয়েছে আপনারা জানেন এ মামলাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মামলা যে রকম আমরা এখানে দেখি আমাদেরকে বৃহৎ প্রচারে একটা মনিটরিং সেল আছে। ১৫ দিন পরপরই মামলাগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। পুলিশ সদরদফতরেরও মনিটরিং সেল আছে। সেখানেও মামলাগুলো যাচাই-বাছাই হয়। কেউ যদি ভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে মামলা করে থাকেন আমরা তাতে সায় দেব না। আমি আপনাদেরকে নিশ্চয়তা দিচ্ছি যে, মামলাগুলো সঠিকভাবে তদন্ত করে একমাত্র দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হবে।
মামলা তদন্তে কোনো সমস্যার মুখোমুখি হচছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেকগুলো সমস্যা। একটা বিশাল ডাটা বিশ্লেষণের বিষয় আছে। আবার আসামির সংখ্যা অনেক। আবার একেক ঘটনায় একেক রকম আসামি করা হয়েছে। সব জিনিসগুলো যাচাই বাছাই করতে হচ্ছে। সঠিক জিনিসটা যেন মামলায় উঠে আসে আমরা সে চেষ্টা করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু নারী-পুরুষ গোপাল জিউর মন্দির থেকে একটি রথ টেনে শহরের নয়আনী বাজার এলাকার কালীমাতার মন্দিরে নিয়ে যান। তারপর সেখান থেকে রথটি পুনরায় গোপালবাড়ী আনা হয়। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট, শেরপুর জেলা শাখার সার্বিক সহযোগিতায় গোপাল জিউর মন্দির পরিচালনা কমিটি এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
রথযাত্রা উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় শেরপুর সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) দেবাশীষ দত্ত, শেরপুর জেলা জাসাসের আহবায়ক এনামুল হক বিপু, সদস্য সচিব মো. হারুন অর রশীদ, যুগ্ম আহবায়ক জাকির হোসন, সদস্য জহুরুল ইসলাম জপি এবং মো. সুমন মিয়া, শেরপুর জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্ট এর আহবায়ক বিপ্লব দাম, যুগ্ম আহবায়ক প্রদীপ রঞ্জন দে, গোপালবাড়ী মন্দির কীর্তন পরিচালনা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র সাহা, সাধারণ সম্পাদক প্রিয়তোষ সরকার, গোপাল জিউর মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি তাপস কুমার নন্দী, সদস্য বিদ্যুৎ নন্দী, নারায়ণ চন্দ্র সাহা, তাপস সাহা, সিনিয়র সাংবাদিক দেবাশীষ সাহা রায়সহ বিপুলসংখ্যক হিন্দু ভক্তরা উপস্থিত হন।
পরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, শেরপুর জেলা শাখার সাবেক সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুল বাতেন পূজা উদযাপন ফ্রন্টের কার্যালয়ে এসে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভক্তদের শুভেচ্ছা জানান।
এ উপলক্ষে শহরের গৃদানারায়ণপুর এলাকার নরসিংহ জিউর মন্দির ও গোপালবাড়ী মন্দির প্রাঙ্গণে বিশেষ প্রার্থনা ও হরিনাম কীর্ত্তণের আয়োজন করা হয়।
রথযাত্রা উৎসব উপলক্ষে শহরের নয়আনী বাজার এলাকার কালীমাতার মন্দির প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী মেলা অনুষ্ঠিত হয়। রথযাত্রা উৎসব নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে সম্পন্ন করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।
এদিকে রথযাত্রা উৎসবের পূণ্যতিথিতে শহরের নারায়ণপুর এলাকার গোপীনাথ ও অন্নপূর্ণা মন্দিরে বার্ষিক পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এসব ধর্মীয় অনুষ্ঠানে দেশ ও জাতির মঙ্গল এবং বিশ্ব শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। আগামী ২৪ জুলাই শুক্রবার শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের উল্টোরথযাত্রার মাধ্যমে উৎসব শেষ হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ধর্ম নিয়ে বিভাজন সৃষ্টি করার কথা উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাজনীতিতে আমরা এই বিভাজনকে বিশ্বাস করি না। ১৯৭১ সালে সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ স্বাধীন করা হয়েছিল, ঠিক সেভাবে বর্তমানেও সরকার সবাইকে নিয়ে দেশ গড়তে চায়।
তিনি জানান, দেশের প্রকৃত সম্প্রীতি বজায় রাখতে এবং উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে সব ধর্মের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে পথ চলতে হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর স্বামীবাগে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) মন্দিরে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসবের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মতাদর্শ রেখে গেছেন, সেই আদর্শ অনুসারেই আমরা সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে চলতে চাই।
তিনি দাবি করেন, বিএনপি কোনো ধরনের ধর্মীয় বিভাজনে বিশ্বাস করে না, আর এজন্যই দেশের সব ধর্মের মানুষের কাছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছেন।
বিগত জাতীয় নির্বাচনে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিএনপিকে সরকার গঠনে যেভাবে আন্তরিক সহযোগিতা করেছেন, সে জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাদের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে ইসকন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা, হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর বর্ণাঢ্য রথযাত্রার সূচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইবোলার বিস্তার রোধ করতে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআরসি) সফর শেষ করে ফেরা মার্কিন নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রগামী বিমানে উঠতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে। বুধবার যুক্তরাষ্ট্র এ 정보를 প্রকাশ করেছে।
মার্কিন স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। এই পরীক্ষা ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে কাউকে যুক্তরাষ্ট্রগামী বাণিজ্যিক বিমানে ওঠার জন্য নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হতে পারে। উল্লেখ্য যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মারাত্মক প্রাদুর্ভাব কবলিত আফ্রিকার মধ্যাঞ্চলীয় এই দেশটির বাইরে ২১ দিন পার না করা পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রে ইবোলা প্রবেশের ঝুঁকি হ্রাস করতে টাইটেল ৪২-এর অধীনে সিডিসি এবং টাইটেল ৪৯-এর অধীনে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি যৌথভাবে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআরসি) সংক্রান্ত ‘ডু নট বোর্ড’ প্রক্রিয়া চালু করতে কাজ করছে।’
এই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ডিআরসি থেকে যাত্রা করা মার্কিন নাগরিকদের জন্য ‘ডু নট বোর্ড’ নির্দেশনা জারি করা হতে পারে। তারা ডিআরসি ত্যাগের ২১ দিন পর যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে পারবেন।’
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগও তাদের এক্স অ্যাকাউন্টে একই বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
এএফপির এক প্রশ্নের উত্তরে সিডিসি জানাচ্ছে, ডিআরসি ত্যাগকারী মার্কিন নাগরিকদের জনস্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। কোন নির্দিষ্ট যাত্রীর জন্য হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগকে ‘ডু নট বোর্ড’ অনুরোধ পাঠানোর প্রয়োজন কিনা, তা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে এই পরীক্ষা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সোমবার থেকেই এ বিধিনিষেধ কার্যকর হয়েছে বলে খবর প্রকাশের পর এই বিবৃতি দেওয়া হয়।
ডিআরসিতে অবস্থানরত অ-মার্কিন নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ আগেই নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
ডিআরসিতে এ কারণে এখন পর্যন্ত দুই সহস্রাধিক ইবোলা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫৪ জনের মৃত্যু ঘটেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সতর্ক করে বলেছে, প্রকৃত সংক্রমণের সংখ্যা সরকারি হিসাবের তুলনায় দুই থেকে চার গুণ বেশি হতে পারে।
কঙ্গোর স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বুধবার প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে জানাচ্ছে, প্রাদুর্ভাবটি ইতিমধ্যেই ডিআরসির পাঁচটি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, এই প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী বুন্ডিবুগিও ধরণের ইবোলা। এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে বর্তমানে কোন অনুমোদিত টিকা বা চিকিৎসা নেই। তবে মঙ্গলবার একটি অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের প্রথম ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ