বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:০৪ পি.এম
মালয়েশিয়ার পেনাং শহরে একটি নির্মাণাধীন ভবনের ৩৪তলা থেকে নিচে পড়ে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বায়ান মুতিয়ারা এলাকার ১৩ নম্বর মুকিমে অবস্থিত একটি নির্মাণ সাইটে। দেশটির সময় অনুযায়ী ১২ জুলাই আনুমানিক বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে।
নিহত শ্রমিকের নাম মোহাম্মদ আবদুল কাদের। বুধবার (১৫ জুলাই) পেনাংয়ের পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিহত Bangladeshি শ্রমিকটি ওই নির্মাণ সাইটের পেইন্টিং, প্লাস্টারিং ও হাউসকিপিংয়ের কাজে নিয়োজিত একটি সাব-কন্ট্রাক্টর কোম্পানির অধীনে কর্মরত ছিলেন। দুর্ঘটনার দিন তিনি ৩৪ তলায় কাজ করার সময় কোনোভাবে নিচে পড়ে যান এবং পরবর্তীতে ৯ তলার ক্যানোপি ছাদের ওপর তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে, পেনাং হাসপাতালের একটি মেডিকেল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং ওই শ্রমিককে মৃত ঘোষণা করে। এই ঘটনার পর পেনাংয়ের পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে একটি তদন্ত দল ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সাব-কন্ট্রাক্টরকে খোলা জায়গায় সকল পেইন্টিং ও প্লাস্টারিংয়ের কাজ অবিলম্বে বন্ধে নির্দেশ দিয়ে একটি নিষেধাজ্ঞা নোটিশ জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে, নির্মাণ সাইটের খোলা প্রান্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলোতে প্রয়োজনীয় সুরক্ষাবেষ্টনী দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মূল ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকেও আলাদা একটি নিষেধাজ্ঞা নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
পেনাংয়ের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক খাইরোজী আসরি এই দুর্ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, কর্মক্ষেত্রে, বিশেষ করে উঁচুতে কাজ করার সময় সুরক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। তিনি ১৯৯৪ সালের পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য আইন এবং ২০২৪ সালের নির্মাণ কাজের বিধিমালা অনুযায়ী সকল নিয়োগকর্তা ও ঠিকাদারদের কর্মক্ষেত্রের ঝুঁকি চিহ্নিত করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রদানের আহ্বান জানান।
এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন যে, কর্মক্ষেত্রে যেকোনো দুর্ঘটনা গোপন করা বা রিপোর্ট না করা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তিনি জানান, এই ঘটনার পেছনে আইন অমান্য হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নতুন ঋণ কর্মসূচির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। শেষ বাস্তবায়নের পর, দুই পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে ঋণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হবে। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশাবাদ ব্যক্ত করেছে যে, পুরোনো ঋণ কর্মসূচি চলমান থাকলেও নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে ঋণ পেতে কোনো সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এ কথা বলেন।
তিনি আরও জানান, নতুন ঋণ কর্মসূচির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে আইএমএফের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের কাজ শেষ হয়েছে। এখন দুই পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে ঋণ নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করে যে, পুরোনো ঋণের পাশাপাশি নতুন প্রকল্পে অর্থায়নের ক্ষেত্রে কোনো সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না।
আরিফ হোসেন খান বলেন, আইএমএফের সঙ্গে আলোচনায় আগের পরিকল্পনার পরিবর্তে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। নতুন প্রকল্পে যাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের অগ্রাধিকারের বিষয়গুলোও প্রতিনিধি দলের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।
সফরের শেষ দিনে, নতুন ঋণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করে আইএমএফের প্রতিনিধি দল। তাদের সফরজুড়ে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি, চলমান সংস্কার কর্মসূচি এবং সম্ভাব্য নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)সহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক হয়েছে।
এই মিশনের ১২ সদস্য গত ১২ জুলাই ঢাকায় আসে। সফরের শেষ দিনে তারা পাঁচ দিনের পর্যবেক্ষণ ও তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনা করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আনুষ্ঠানিক ঋণ আলোচনা শুরুর আগে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং নীতিগত অবস্থান নির্ধারণে সফরের তথ্য-উপাত্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
এই সময় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট, মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি), রাজস্ব আদায়, করনীতি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও নিয়োগ, বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি, সার ও খাদ্য ভর্তুকির বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়।
এছাড়া বিদ্যুৎ খাতের ক্যাপাসিটি পেমেন্ট, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, ব্যাংক রেজল্যুশন আইন বাস্তবায়ন, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের অর্থায়ন, বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্যিক ঋণ গ্রহণ এবং বৈদেশিক অর্থায়নের ঝুঁকিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এসব তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে আইএমএফ তাদের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে। পাশাপাশি কোন কোন খাতে কারিগরি সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে, তাও ওই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে মাদকসেবিকে আটক করার কারণে পুলিশ সোপর্দ করার বিষয়টি নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা দুই যুবককে গুরুতর আহত করেছে। এই ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাত তিনটার দিকে মধুপুর পৌরশহরের টেংরী গোরস্থান পাড়া এলাকায়।
আহতরা হলেন টেংরী গ্রামের মৃত সাধু ফকিরের ছেলে বাদশা ফকির (৫০) এবং একই এলাকার হাতেম আলীর ছেলে রতন মিয়া (২২)।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, টেংরী গোরস্থান মোড়ের মৃত আমিনুল ইসলামের স্ত্রী মেরি, তার ছেলে শুভ, সৌরভ এবং তাঁদের সবার মাদক ব্যবসা করার অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রি ও সেবনের কারণে একাধিক মামলা রয়েছে। গত বুধবার ১৫ জুলাই দুপুরে তাঁদের কাছে মাদক কিনতে আসা ধলপুর গ্রামের ফারুক আলম সরকার নামের এক যুবককে মাদকসহ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয়রা। এই ঘটনা মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করে।
এই ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার রাতে টেংরী গোরস্থান মোড়ের মৃত আমিনুল ইসলামের স্ত্রী মেরি, বাচ্চু মিয়া এবং তার বোন নাহার আক্রমণ করে। এই আক্রমণের সময়ে তাদের লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হন বাদশা ফকির ও রতন মিয়া। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
মধুপুর পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোশারফ হোসেন (মুসা) জানিয়েছেন, টেংরী গ্রামে মেরি এবং তার সন্তানরা নিয়মিত মাদক ব্যবসা করে আসছে। একাধিকবার তাঁরা পুলিশের হাতে আটক হয়ে কারাও ভোগ করেছেন। কেউ তাঁদের বিরুদ্ধে কিছু বললে, তাঁরা তাতে আক্রমণ করে থাকে।
স্থানীয় বাসিন্দা এবং মধুপুর পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নেওয়ার জন্য একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করেছেন।
মধুপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন বলেন, মধুপুরে মাদকের ভয়াল থাবায় সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। তিনি দাবি করেন, মাদকমুক্ত নিরাপদ মধুপুর গড়ার জন্য এবং মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আপসহীনভাবে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এসময় তিনি মাদক ব্যবসায়ী ও হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম ফজলুল হক বলেন, আমি এই বিষয়ে অবগত হয়েছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নজরদারি বাড়াতে বলেছি। আমি এখনো অভিযোগ হাতে পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণহত্যার ব্যাপারে আওয়ামী লীগের বিচার হলেও কোনো নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হবে না, এ মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে পুলিশের প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে এই বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার প্রক্রিয়া চলমান। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তদন্ত সম্পন্ন হলে অভিযোগ দায়েরের পর বিচার কার্যক্রম শুরু হবে। তবে কোনো নির্বাহী আদেশে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হবে না, এটি বিএনপির নীতিগত সিদ্ধান্ত।’
শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা তাঁকে ফিরিয়ে আনতে চাই। আমরা চাই তিনি বিচারকের মুখোমুখি হোক। সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে যদি তিনি দেশে ফিরেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতার হওয়ার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি থাকবে।’
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘যদি আপিলের সুযোগ থাকে, তবে তা হবে। প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে যে ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে, সেটার বাস্তবতা জানি না। তবে আইনগতভাবে আমরা তাঁকে ফেরত চাই।’
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে যদি কেউ পরীক্ষায় অংশ না নেন, তবে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে। ভুল প্রশ্নের জন্য তদন্ত হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সিদ্ধান্তে পরীক্ষার্থীরা সন্তুষ্ট।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এসব বিষয় নিয়ে আমরা এত গুরুত্বের সাথে চিন্তা করছি না। যারা এগুলো নিয়ে আলোচনা করছেন তাদের সংখ্যা খুব কম। সরকার এসব বিষয়ে মনোযোগ দিচ্ছে না।’
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মাধ্যমে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় এমন একটি গোষ্ঠী রয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গতকাল বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মेलनকেন্দ্রে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে স্টল ঘুরে দেখেন। ছবিতে দেখা যায়, তিনি শিক্ষকদের প্রতি শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলার আহ্বান জানিয়েছেন। সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিশুদের মানুষ করার কারিগর আপনারা।
সুতরাং, আপনাদের খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনো শিশু নির্দয় হয়ে বেড়ে না ওঠে, সেটি প্রাণী হোক বা পশুপাখিদের প্রতি হোক। যাতে কারো প্রতি তারা নির্দয় না হয়। তাই শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলবেন আপনারা।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘দেশ গড়তে মানবিক সৈনিক দরকার। আর এই মানবিক সৈনিক আপনারা গড়ে তুলবেন। যদি শিশুরা মানবিক মানুষ হিসেবে বেড়ে ওঠে, তাহলে মানবিক বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।’ গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা হিসেবে একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে গতকাল বাংলাদেশজুড়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে একযোগে প্রায় দুই লাখ চারা রোপণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ