সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪১ পি.এম
নড়াইলে মাদরাসা ছাত্র ধর্ষণ মামলায় শিক্ষক মেরাজ আলী মিরাজকে (২৫) যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া, ৩ লাখ টাকা অর্থদন্ডও দেওয়া হয়েছে।
মিরাজ, যিনি যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত, চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কালিয়া বকরী রুদ্রপুর গ্রামের আমানুল্লাহ হকের ছেলে।
নড়াইল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই রায় ঘোষণা করেন।
নড়াইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আজিবুর রহমান আজিজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রায় ঘোষণার সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামী মিরাজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তাকে বিমর্ষ দেখা যায়।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১১ জুলাই ভোররাতে নড়াইল পৌরসভার রঘুনাথপুর-বাদামতলা জামিয়া রহমানিয়া তাইসিরুল উলুম মাদরাসার ১০ বছরের শিশু শিক্ষার্থীকে ওই মাদরাসার শিক্ষক মিরাজ পায়ুপথে ধর্ষণ (বলৎকার) করে।
এই ঘটনায় শিশুর মা বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই মিরাজকে আসামি করে নড়াইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক মিরাজকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ৩ লাখ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ জেলার শহর সমাজসেবার, ২০২৫ এ নির্বাচনের সকল কার্যক্রমে সভাপতি তিনজন প্রার্থী ছাড়া, সকল প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন, বাকি তিনজন সভাপতি নির্বাচন তারিখ ঘোষণার পূর্বেই, বৌধির কল্যাণ সংস্থা সভাপতি মহোদয় জেলা পরিষদ থেকে টাকা আত্মসাৎ এর দুর্নীতি ধরা পড়ায়, তাহাকে বৌধির কল্যাণ সংস্থা থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং তাৎক্ষণিক দুর্নীতি দায়ে নির্বাচন স্থগিত করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়া,
এখন কথা হল আমরা যারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছি আমরা কি অপরাধ করেছি, আমাদের নির্বাচন কেন বৈধতা দেওয়া হয় না এ বিষয়ে, সমাজসেবা কর্মকর্তাকে অবহিত কইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, আজ প্রায় দেড় বছর হতে যাচ্ছে এখনো পর্যন্ত সিদ্ধান্ত আমরা কেন পাইলাম না এটা সমাজসেবা পরিচালক মহোদয়ের নিকট আমরা জানতে চাই।
অপরাধ করেছে একটি সংগঠন, তার দায়ভার কেন অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৬০১ কোটি ৭৯ লাখ ৭ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে বাজেটটি ঘোষণা করেন কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
নতুন বাজেটের আকার গত অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় ১১৭ কোটি ৭১ লাখ ২৯ হাজার টাকা কম। তবে বরাদ্দের এই হ্রাসের চেয়ে বড় একটি প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে পূর্ববর্তী বাজেটের বাস্তবায়ন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৭১৯ কোটি ৫০ লাখ ৩৬ হাজার টাকার প্রস্তাবিত বাজেট দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সংশোধিত বাজেটে তা ৩৩৮ কোটি ৯৭ লাখ ২১ হাজার টাকায় নেমে আসে। অর্থাৎ প্রস্তাবিত বাজেটের বিপরীতে বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৪৭ দশমিক ১২ শতাংশ।
বাজেট ঘোষণার সময় কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু জানান, গত অর্থবছরে রাজস্ব তহবিল থেকে আয় অর্জনের হার ছিল ৭১ দশমিক ৭০ শতাংশ। অন্যদিকে উন্নয়ন তহবিলের অর্জন ছিল মাত্র ৩৮ দশমিক ৫২ শতাংশ। এর ফলে সামগ্রিক বাজেট বাস্তবায়ন অর্ধেকেরও নিচে আটকে যায়।
কেসিসি প্রশাসক আরও বলেন, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং কিছু প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে এবার বাজেটের আকার কমেছে।এছাড়া, নিজস্ব আয় বাড়িয়ে করপোরেশনকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
নতুন বাজেটে রাজস্ব তহবিল থেকে আয় ধরা হয়েছে ২২১ কোটি ৯০ লাখ ৫ হাজার টাকা। রাজস্ব ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪১ কোটি ৪৪ লাখ ১৭ হাজার টাকা। উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য সরকারি অনুদান ১৯৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং বিশেষ প্রকল্প অনুদান ৭৯ কোটি ৪৬ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে বাজেটের মোট আয়-ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০১ কোটি ৭৯ লাখ ৭ হাজার টাকা।
এবার নতুন কোনো কর আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়নি। বকেয়া কর আদায়, নতুন নির্মিত স্থাপনা করের আওতায় আনা এবং বাজার, দোকান ও নতুন স্থাপনা থেকে নিজস্ব আয় বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জিয়া হল কমপ্লেক্স নির্মাণ ও নগরের বিভিন্ন পার্ক আধুনিকায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।
নিজস্ব তহবিল থেকে উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৭৩ কোটি ৩৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৫৫ কোটি ২৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ব্যয় হবে গণপূর্ত, অবকাঠামো, সড়কবাতি, শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, সামাজিক কল্যাণ, পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য, প্রাণিসম্পদ ও পরিচ্ছন্নতা খাতে। মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে রাখা হয়েছে ১৮ কোটি ৯ লাখ টাকা।
এডিপির আওতায় উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে গণপূর্তে ৯২ কোটি ৮৭ লাখ, জরুরি পানি সরবরাহে ২ কোটি, প্রাণিসম্পদে দেড় কোটি, জনস্বাস্থ্যে ২০ কোটি ৫০ লাখ এবং পরিচ্ছন্নতায় ৩৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা রাখা হয়েছে।
জাতীয় এডিপির তিন প্রকল্পে চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা। মহানগরীর ড্রেনেজ উন্নয়নে ১২ কোটি ৫০ লাখ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
ড্রেনেজ উন্নয়ন প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ৮২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৬ হাজার টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখন ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে বর্জ্যব্যবস্থাপনা উন্নয়ন প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ৩৯৩ কোটি ৪০ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
বিশ্বব্যাংক, এডিবি, কেএফডব্লিউ, এসএনভি ও জিআইজেডসহ উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নে চলমান প্রকল্পে বরাদ্দ রয়েছে ৭৯ কোটি ৪৬ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে শলুয়া এলাকায় নিয়ন্ত্রিত ডাম্পিং পয়েন্ট নির্মাণ এবং বর্জ্য থেকে কম্পোস্ট, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উৎপাদনের উদ্যোগ রয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবেলায় সড়ক, ড্রেন, কালভার্ট ও নিম্নআয়ের বসতিতে উন্নয়নকাজের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। ইউনিসেফের সহায়তায় বাস্তুহারা এলাকায় ১০টি ক্ষুদ্র বর্জ্যপানি শোধনাগার এবং রাজবাঁধ-২ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের পাশে মেডিক্যাল বর্জ্যব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
নগরে প্রায় ৫০ হাজার গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ, জনসচেতনতা ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদারের কথা জানিয়েছে কেসিসি। পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে মসজিদের ইমাম ও মন্দিরের পুরোহিতদের মাধ্যমে প্রচারের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।কেসিসির সামনে রয়েছে দুটি বড় প্রকল্প।
মন্ত্রণালয়ের সভায় অনুমোদন পাওয়া নগরের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ২ হাজার ২৫৫ কোটি ১ লাখ ২২ হাজার টাকা। অন্যদিকে জিয়া হল কমপ্লেক্স নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১৮ কোটি টাকা। প্রকল্প দুটি শিগগিরই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপনের কথা রয়েছে।
বাজেট ঘোষণায় প্রশাসক নিয়মিত কর পরিশোধ, নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলা এবং বাড়িঘরের আশপাশে পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি কেসিসির নিজস্ব আয় বাড়ানো এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আনার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
এসময় খুলনা ওয়াসার চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, খুলনা মহানগর জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমান, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) সদস্য মো. ইকবাল হোসেনসহ নাগরিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে ১৬ শিক্ষার্থী। পরে তাদের মধ্যে ১৩ জনকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে উপজেলার তমরদ্দি জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে ফাতেমা বেগম (১২), নিপা আক্তার (১২), মেহেরাব উদ্দিন (১১), ফারহানা আক্তার (১২), জামেলা বেগম (১৪), সুরাইয়া আক্তার (১৩) ও পারভিন আক্তার (১৫)। তাদের সবার বাড়ি তমরদ্দি জোড়খালী গ্রামে।
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ১০টায় বিদ্যালয়টির নিয়মিত পাঠদান শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর হঠাৎ সপ্তম শ্রেণির চারজন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হলে তারা সুস্থ হয়ে উঠে। এর কিছুক্ষণ পর দশম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীসহ ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির আরও ১৫ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের মধ্যে ১৩ জনকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীম উদ্দিন বলেন, মোট ১৩ জন শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের স্যালাইন দেওয়া হয়েছে। অনেকেই এখন সুস্থ রয়েছে। স্যালাইন শেষ হলে তারা বাড়িতে ফিরে যেতে পারবে। তবে কী কারণে শিক্ষার্থীরা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে শ্রেণিকক্ষে কোনো ঝাঁজালো গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়তে পারে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তান ভারতের ‘তথাকথিত’ আনুষ্ঠানিক মানচিত্র এবং একতরফা স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে। দেশটির পররাষ্ট্র দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারতের একতরফা পদক্ষেপ বা দখলদারিত্ব এই অঞ্চলের বিতর্কিত মর্যাদা পরিবর্তন করতে সক্ষম নয়।
সোমবার এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক
বক্তব্যে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দফতের মুখপাত্র উল্লেখ করেন, জম্মু ও কাশ্মীর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের আলোচ্যসূচিতে থাকা অন্যতম পুরোনো বিরোধ। তিনি বলেন, একতরফা পদক্ষেপের মাধ্যমে এর মর্যাদা পরিবর্তনের সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, কাশ্মীর বিরোধের সমাধান জাতিসংঘের প্রাসঙ্গিক প্রস্তাবনা এবং কাশ্মীরি জনগণের ইচ্ছার ভিত্তিতে হতে হবে। এ বিষয়ে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে অবাধ ও নিরপেক্ষ গণভোট আয়োজনের দাবিও পাকিস্তান পুনর্ব্যক্ত করেছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দফতর দাবি করেছে, জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক মানচিত্রগুলোতে জম্মু ও কাশ্মীরকে একটি বিতর্কিত অঞ্চল হিসেবে দেখানো হচ্ছে। তাদের মতে, এসব মানচিত্রে অঞ্চলটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিতর্কিত অবস্থাই প্রতিফলিত হয়েছে।
ভারতের তথাকথিত আনুষ্ঠানিক মানচিত্র এবং স্বায়ত্তশাসন-সংক্রান্ত একতরফা দাবির কোনো আইনি ভিত্তি নেই বলেও মন্তব্য করেছে পাকিস্তান। দেশটির দাবি, এসব পদক্ষেপ কাশ্মীরের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিতর্কিত চরিত্র পরিবর্তন করতে পারে না। তথ্যসূত্র: সামা টিভি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ