বিশেষ প্রতিনিধি | বাকেরগঞ্জ, বরিশাল
১১:১৪ পি.এম
বরিশালের বাকেরগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে বিএনপির মেয়র প্রার্থী হারুন অর রশিদ সিকদারকে নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে সেখানে গেছেন বলে বক্তব্য দিয়েছেন—এমন দাবি পূজা মণ্ডপ কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রের। বিএনপি নেতা-কর্মীদের একাংশের প্রশ্ন—দলীয় প্রতিনিধি হিসেবে যাওয়ার অনুমোদন কে দিয়েছেন? তবে এ বক্তব্যের সত্যতা পাওয়া গেলেও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা ছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, শনিবার (১৭ অক্টোবর) হারুন সিকদার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে গিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং অনুদান বিতরণ করেন। এ সময় তিনি সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানের অনুমতি নিয়ে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসেছেন এবং বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবেও বিভিন্ন মণ্ডপে গেছেন বলে বক্তব্য দিয়েছেন।
এ নিয়ে স্থানীয় বিএনপির কিছু নেতা-কর্মীর মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—দলীয় প্রতিনিধি হিসেবে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের ক্ষেত্রে তাঁর দায়িত্ব ও অনুমোদনের বিষয়টি কী ছিল? তবে ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীদের পরিচয়, তাঁদের বক্তব্য এবং এ বিষয়ে দলীয় কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
হারুন সিকদারের রাজনৈতিক পদ-পদবি নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে। তার উপজেলা বিএনপির বর্তমান কোন পদ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ইতিপূর্বে তিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এবং বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য ছিলেন বলে জানা যায়।
অন্যদিকে, হারুন সিকদার একসময় ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। বর্তমানে বাকেরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদে তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানের পৌরসভার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আগ্রহকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা ও ঠাট্টা-তামাশাও চলছে।
তবে একজন সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের পৌরসভার মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহকে আইনগত বা রাজনৈতিকভাবে অস্বাভাবিক বলার সুযোগ নেই। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্যতা ও জনসমর্থনই এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের মুকুল বেগম জানান, এক সময় ভরপাশা ইউনিয়নের বাসিন্দা হারুন শিকদারের পৌরসভার মেয়র প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা থাকলেও, মেয়ন নির্বাচিত হওয়ার মতো ভোট ব্যাংক নেই। টাকার তো জোরে তিনি ডাক ঢোল পেটালেও পৌরসভা বিএনপির নেতা কর্মীদের কাছে তিনি প্রত্যাখ্যাত।
প্রশ্নের উত্তর চান স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা:
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের দাবি, সংসদ সদস্যের অনুমতির প্রসঙ্গ এবং বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিষয়গুলো নিয়ে যে সমালোচনা তৈরি হয়েছে, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা চান বলে দাবি করা হচ্ছে স্থানীয় বিএনপির একাংশের নেতা-কর্মীদের।
উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুজ্জামান মিজান এ প্রসঙ্গে জানান, হারুন সিকদার যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের (নির্দেশনার কথা বলে) নাম ভাঙ্গিয়ে পৌরসভায় দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করে থাকেন তবে সেটা দুঃখজনক। এরকম ভিত্তিহীন কথাবার্তা বলা তার ঠিক হয়নি। পূজামন্ডপ পরিদর্শনের জন্য বিএনপির প্রতিনিধি দলের দায়িত্ব তাকে দেয়া হয়নি। তিনি ব্যক্তিগতভাবে পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করতেই পারেন। তবে দলের প্রতিনিধি হয়ে নয়। বাকেরগঞ্জ উপজেলায় দলের একজন প্রতিনিধি রয়েছেন তিনি হলেন সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান।
এ বিষয়ে হারুন অর রশিদ সিকদারের বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিষয়ে কোনো লিখিত বা আনুষ্ঠানিক তথ্য এবং বিএনপির সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল নেতাদের প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে। অভিযোগ প্রসঙ্গে বিএনপি নেতা হারুন শিকদার জানান, যেহেতু তিনি বিএনপির রাজনীতি করেন তাই পূজমন্ডপ পরিদর্শনকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশের কথা বলে প্রচারণা চালিয়েছেন। এমন বক্তব্যে বিএনপি তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হলে তার কিছু করার নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের কলকাতার একটি পূজামণ্ডপে ভিড়ের মধ্যে পদদলিত হয়ে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া, বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন পূজা মণ্ডপে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানাচ্ছে, শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে গিরিশ পার্ক থানা এলাকার সারদা পার্ক (চোরবাগান) পূজা মণ্ডপের বের হওয়ার গেটে পদদলনের ঘটনা ঘটে। বৃষ্টির কারণে দর্শনার্থীদের মধ্যে প্রচণ্ড ভিড়ের সৃষ্টি হওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
দুর্ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কন্ট্রোল রুম থেকে অতিরিক্ত পুলিশ, ফায়ার ব্রিগেড, কলকাতা পুলিশের ডিএমজি দল এবং মেডিকেল টিমসহ একাধিক অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। উদ্ধারকারী দল দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (এমসিএইচ) ভর্তি করে।
পুলিশের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৫ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে ওই পূজা মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বর্তমানে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এদিকে, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যান। রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে ভারতের মন্ত্রী ভুল তথ্য প্রদান করছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, এটি সরকারের পরিবর্তনের বিষয় নয়; বরং গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল ভারতের আগ্রাসন এবং আওয়ামী লীগের ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি পায়রা চত্বর লালন তিরোধান ও রমনা কালিমন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পর তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করে বলেন, দিল্লির দাসত্বের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তিনি জানান, ১৭ বছর ধরে বিভিন্ন কৌশলে দেশকে একমুখী করার চেষ্টা করা হয়েছিল।
তবে, তিনি দাবি করেন যে, এখন দেশের ভেতর বা বাইরের কোনো শক্তি আর দেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবে না।
এ সময় রুহুল কবীর রিজভী আরো বলেন, হাসিনার শাসনামলে ভারতীয় সিনেমার আগ্রাসন শেখ মুজিবের আমলকেও অতিক্রম করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লালমনিরহাট , ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু উল্লেখ করেছেন, তরুণদের মাদক, জুয়া ও ক্যাসিনোর আসক্তি থেকে রক্ষা করে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করার জন্য ফুটবল, ক্রিকেট এবং গ্রামীণ খেলাধুলার নিয়মিত টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
আজ শনিবার বিকেলে লালমনিরহাট জেলা স্টেডিয়ামে ‘জেলা প্রশাসক আলোকিত কিশোর গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’-এর কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা উপভোগ করার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, তরুণ সমাজের একটি অংশ মাদক, জুয়া ও ক্যাসিনোর প্রতি আসক্ত হয়ে খেলাধুলা থেকে দূরে সরে গিয়েছিল। কিশোর ফুটবল টুর্নামেন্টের সূচনার ফলে জেলাজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ এবং উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। সুস্থ জীবন এবং সুন্দর সমাজ গঠনের জন্য সকল ধরনের খেলাধুলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য স্থানীয় খেলাগুলোর প্রতি গুরুত্ব প্রদান করা প্রয়োজন।
এ সময় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদ প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক এবং পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে আলোচনা চলমান থাকা অবস্থায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। যদিও তাদের নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে, তবে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন এখনই জারি হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দ্রুত নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদানের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আনার বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
প্রজ্ঞাপন জারির দায়িত্ব অর্থ বিভাগের
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এগিয়ে গেলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য এখনো পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বিষয়ে আদেশ জারি করবে অর্থ বিভাগ।
অন্যদিকে, অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে আদেশ জারি কবে হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আরো সময় লাগতে পারে।
অর্থ মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী ও বিচার বিভাগীয় কর্মীদের জন্য নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়নে নভেম্বর বা ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে এ সময়সীমা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।
বিলম্বের কারণ কী?
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেতন নির্ধারণ ও হিসাব-নিকাশের প্রক্রিয়া নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সময় বাড়াতে পারে। বিশেষ করে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বেতনের হিসাবের কিছু কাজ এখনো হাতে-কলমে সম্পন্ন করতে হয়।
এ কারণে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার আগে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও হিসাবসংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য কী ঘোষণা ছিল?
গত ১ সেপ্টেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাবেন। তবে এ ঘোষণা অনুযায়ী বেতন কার্যকর করার জন্য এখনো পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় শিক্ষক-কর্মচারীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী কতজন?
দেশে বর্তমানে ছয় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত। তাঁদের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে প্রায় চার লাখ, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পৌনে দুই লাখ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওর অর্থের বাইরে নিজস্ব আয় থেকে শিক্ষক-কর্মচারীদের অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে থাকে। তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ ধরনের ব্যয় বহন করা কঠিন।
সব মিলিয়ে, নতুন পে স্কেল নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রত্যাশা থাকলেও বাস্তবায়নের সময়সূচি এখনো স্পষ্ট নয়। প্রজ্ঞাপন জারি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই তাঁদের নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ