সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৪ পি.এম
নোয়াখালীর হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে ১৬ শিক্ষার্থী। পরে তাদের মধ্যে ১৩ জনকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে উপজেলার তমরদ্দি জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে ফাতেমা বেগম (১২), নিপা আক্তার (১২), মেহেরাব উদ্দিন (১১), ফারহানা আক্তার (১২), জামেলা বেগম (১৪), সুরাইয়া আক্তার (১৩) ও পারভিন আক্তার (১৫)। তাদের সবার বাড়ি তমরদ্দি জোড়খালী গ্রামে।
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ১০টায় বিদ্যালয়টির নিয়মিত পাঠদান শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর হঠাৎ সপ্তম শ্রেণির চারজন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হলে তারা সুস্থ হয়ে উঠে। এর কিছুক্ষণ পর দশম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীসহ ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির আরও ১৫ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের মধ্যে ১৩ জনকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীম উদ্দিন বলেন, মোট ১৩ জন শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের স্যালাইন দেওয়া হয়েছে। অনেকেই এখন সুস্থ রয়েছে। স্যালাইন শেষ হলে তারা বাড়িতে ফিরে যেতে পারবে। তবে কী কারণে শিক্ষার্থীরা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে শ্রেণিকক্ষে কোনো ঝাঁজালো গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়তে পারে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তান ভারতের ‘তথাকথিত’ আনুষ্ঠানিক মানচিত্র এবং একতরফা স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে। দেশটির পররাষ্ট্র দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারতের একতরফা পদক্ষেপ বা দখলদারিত্ব এই অঞ্চলের বিতর্কিত মর্যাদা পরিবর্তন করতে সক্ষম নয়।
সোমবার এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক
বক্তব্যে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দফতের মুখপাত্র উল্লেখ করেন, জম্মু ও কাশ্মীর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের আলোচ্যসূচিতে থাকা অন্যতম পুরোনো বিরোধ। তিনি বলেন, একতরফা পদক্ষেপের মাধ্যমে এর মর্যাদা পরিবর্তনের সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, কাশ্মীর বিরোধের সমাধান জাতিসংঘের প্রাসঙ্গিক প্রস্তাবনা এবং কাশ্মীরি জনগণের ইচ্ছার ভিত্তিতে হতে হবে। এ বিষয়ে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে অবাধ ও নিরপেক্ষ গণভোট আয়োজনের দাবিও পাকিস্তান পুনর্ব্যক্ত করেছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দফতর দাবি করেছে, জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক মানচিত্রগুলোতে জম্মু ও কাশ্মীরকে একটি বিতর্কিত অঞ্চল হিসেবে দেখানো হচ্ছে। তাদের মতে, এসব মানচিত্রে অঞ্চলটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিতর্কিত অবস্থাই প্রতিফলিত হয়েছে।
ভারতের তথাকথিত আনুষ্ঠানিক মানচিত্র এবং স্বায়ত্তশাসন-সংক্রান্ত একতরফা দাবির কোনো আইনি ভিত্তি নেই বলেও মন্তব্য করেছে পাকিস্তান। দেশটির দাবি, এসব পদক্ষেপ কাশ্মীরের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিতর্কিত চরিত্র পরিবর্তন করতে পারে না। তথ্যসূত্র: সামা টিভি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার প্রায় তিন দশক পুরোনো কোম্পানি আইনকে নতুন প্রজন্মের চাহিদার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ও আধুনিক করার জন্য সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই প্রক্রিয়ায় দেশের ব্যবসায়ীদের সক্রিয় ও গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
এ আহ্বানটি সোমবার রাজধানীর মতিঝিলে দ্য ফেডারেশন অব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) কর্তৃক আয়োজিত ‘কোম্পানি আইন-১৯৯৪ এর খসড়া সংশোধনী’ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রকাশ পায়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনে পূর্বে মাত্র দুটি ছোট সংশোধনী করা হয়েছিল। তবে বর্তমান বিশ্ব ও নতুন প্রজন্মের চাহিদার প্রেক্ষাপটে একটি পূর্ণাঙ্গ ও যুগোপযোগী আইন প্রয়োজন।
বিশ্বের অন্যান্য সফল ও কার্যকর অর্থনীতির উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরের মতো দেশে যেখানে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার প্রক্রিয়া সহজ, সেগুলোকে বেঞ্চমার্ক হিসেবে ধরে আইনটি সহজীকরণের কাজ চলছে।
আইন বাস্তবায়নের সুফল ব্যবসায়ীদের জন্য উল্লেখ করে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সরকার নিজে প্রাইভেট কোম্পানি গঠন করে ব্যবসা করবে না। অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো বেসরকারি খাত, তাই ব্যবসায়ীদের আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সহজে, স্বাচ্ছন্দ্যে ও আধুনিক উপায়ে ব্যবসা পরিচালনা করার সুযোগ তৈরি করাই এই আইনের মূল লক্ষ্য।
খসড়া প্রস্তাব পর্যালোচনার জন্য ব্যবসায়ীদের সময়ের দাবির প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা ৩০ দিন, প্রয়োজনে ৬০ দিন পর্যন্ত সময় নিতে পারেন খসড়াটি ভালোভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করার জন্য। ব্যবসায়ীদের সুনির্দিষ্ট ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডসম্পন্ন পরামর্শ পাওয়ার পরই সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
অর্থনৈতিক রূপান্তরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দেশ বর্তমানে একটি ট্রানজিশন পিরিয়ড বা পরিবর্তনকালীন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর কোনো বড় আর্থিক সারপ্লাস বা পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ পায়নি এবং বেসরকারি খাতও প্রতিনিয়ত নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছে। তাই এই সময়ে সবাইকে মাথা ঠান্ডা রেখে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আগামী তিন বছরে বেশকিছু লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন যে, বাণিজ্য সহজীকরণে গৃহীত প্রতিটি পদক্ষেপে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআইর প্রশাসক মো. ফজলুল হক। মতবিনিময় সভায় বাণিজ্য সংগঠনের প্রধান, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম ও হাম উপসর্গে মৃত রোগীর সংখ্যা ৯৯৭ জন।
আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩০৪ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৬০ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৭৫৬ জন।
গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৭০ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৩১ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে তিনশিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৮৯৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন (কায়কোবাদ) বলেছেন, জাকাত দেওয়ার উপযুক্ত ব্যক্তিরা সঠিকভাবে জাকাত প্রদান করলে এবং শরিয়াহ নির্ধারিত আটটি খাতে পরিকল্পিতভাবে তা বিতরণ করা হলে ৮ থেকে ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ দারিদ্র্য বিমোচনে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করতে পারে।
আজ (সোমবার) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক (চট্টগ্রাম-১২)-এর লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, যেসব নারী-পুরুষের নির্ধারিত পরিমাণ সম্পদ বা ‘নিসাব’ রয়েছে, তাদের যথাযথভাবে জাকাত প্রদান করা উচিত এবং পরিকল্পিত ব্যবস্থার মাধ্যমে জাকাতের অর্থ নির্ধারিত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘নিসাব পরিমাণ সম্পদের অধিকারী সব নারী-পুরুষ সঠিকভাবে জাকাত প্রদান করলে এবং শরিয়াহ নির্ধারিত আটটি খাতে তা পরিকল্পিতভাবে বিতরণ করা হলে ৮ থেকে ১০ বছরের মধ্যে দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।’
দারিদ্র্য বিমোচনের হাতিয়ার হিসেবে জাকাতকে ব্যবহারের জন্য সরকার কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন বলেন, বর্তমানে দেশের জাকাত ব্যবস্থাপনার একটি বড় অংশ বেসরকারি খাতের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশের শহর, নগর ও গ্রামাঞ্চলে হাজার হাজার মাদ্রাসা ও এতিমখানা জাকাতের অর্থে পরিচালিত হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠান আর্থ-সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
মন্ত্রী বলেন, তাই জাকাত ব্যবস্থাপনার একটি বড় অংশ বেসরকারি খাতে পরিচালিত হচ্ছে। আর্থ-সামাজিক নিরাপত্তা এবং ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার ক্ষেত্রে এসব প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে।
তিনি বলেন, মাদ্রাসাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জাকাত ফান্ড ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহে গঠিত একটি সংস্কার কমিটি বেশ কিছু সুপারিশ দিয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে মাদ্রাসাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জাকাত ফান্ড ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহে গঠিত সংস্কার কমিটি বেশ কিছু সুপারিশ করেছে।’
তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি উৎস থেকে জাকাত সংগ্রহ সহজ করা এবং যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে প্রকৃত উপকারভোগীদের মধ্যে চেকের মাধ্যমে তা দ্রুত বিতরণ নিশ্চিত করতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
তিনি বলেন, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় দেশি-বিদেশি উৎস থেকে জাকাত সংগ্রহ সহজতর করা এবং যথাযথ নিয়মে প্রকৃত উপকারভোগীদের মধ্যে চেকের মাধ্যমে দ্রুত তা বিতরণের ব্যবস্থা করতে কাজ করছে। একই সঙ্গে জনগণের কাছে এ প্রক্রিয়াকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সরকারি জাকাত ফান্ড এবং সামগ্রিক জাকাত ব্যবস্থার মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় দারিদ্র্য হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বলেন, ‘সবার সহযোগিতা পাওয়া গেলে সরকারি জাকাত ফান্ড বিভাগ এবং সামগ্রিক জাকাত ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশ ও সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব হবে।’
তিনি বলেন, শক্তিশালী জাকাত ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে স্বল্প সময়ের মধ্যে এর সুফল বয়ে আনবে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করছি, আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে এ খাতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব দৃশ্যমান হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ