জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:০২ পি.এম
জাতীয় নির্বাচনী ইশতিহারে ঘোষিত কৃষকদের জন্য 'কৃষক কার্ড' বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে এ কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায় উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের আড়কান্দি কৃষি ব্লকে (৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড) উদ্বোধন করা হয়। পর্যায়ক্রমে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের সব কৃষি ব্লকে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, কৃষকদের জন্য একটি নির্ভুল তথ্যভান্ডার তৈরি করার লক্ষ্যে এবং সরকারি কৃষি সহায়তা, প্রণোদনা ও অন্যান্য সেবা সহজে ও কার্যকরভাবে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষকদের তথ্য সংগ্রহের জন্য সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে কাজ হবে।
প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের নিজ নিজ বাড়িতে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবেন। এজন্য কৃষকদের নিজ বাড়িতে উপস্থিত থাকতে হবে। তথ্য সংগ্রহের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এর মূল কপি সঙ্গে রাখতে হবে।
এছাড়া একজন নমিনি নির্ধারণ করতে হবে, যিনি নিজ এনআইডির মূল কপিসহ উপস্থিত থাকবেন। কৃষি সংক্রান্ত সঠিক তথ্য দিয়ে তথ্য সংগ্রহকারী কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
বালিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রতন কুমার ঘোষ জানান, "জাতীয় পর্যায়ের এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য উপজেলার সকল কৃষক ও কৃষাণীর আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাড়িতে গেলে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন এবং কৃষক নিবন্ধন নিশ্চিত করুন।"
তিনি আরও বলেন, "কৃষকদের সঠিক তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে সরকারি কৃষি সহায়তা, বিভিন্ন প্রণোদনা এবং অন্যান্য কৃষিসেবা আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।"
উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, দেশের অন্যান্য উপজেলার মতো বালিয়াকান্দিতেও পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ইউনিয়নের সকল কৃষি ব্লকে এই তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সরকারের কৃষক কার্ড বাস্তবায়ন উদ্যোগ সফল করতে সকল কৃষককে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে একটি লবণ কারখানায় আগুনের ঘটনায় ১১ জন শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে, ১০টার সময় বোয়ালখালী পৌরসভার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকার কনফিডেন্স লবণ কারখানায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
যাদের মধ্যে ১০ জনকে ভর্তি করা হয়েছে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থার আশঙ্কা রয়েছে।
চমেক পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই মোহাম্মদ আলাউদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে দগ্ধ ১০ শ্রমিককে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে আনা হয়েছে। আহত শ্রমিকরা বলেন, কাজ করার সময় আকস্মিকভাবে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ শ্রমিকদের মধ্যে আছেন, দিদারুল আলম (৩২), উজ্জ্বল দাশ (৫৩), মোহাম্মদ লিটন (২৮), সিরাজুল ইসলাম (৩৪), জাহিদুল আলম (৪২), মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (৩৮), নূর নবী (২৫), মোহাম্মদ আলম (৪৫), মাহামুদুল হক (৪৫) এবং সেলিম উদ্দিন (৩০)। এছাড়া, আহসানুল হক (৪৫) নামের আরও একজন শ্রমিক বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, এমনটি জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফারজানা।
বোয়ালখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার মোহাম্মদ আজাহার বলেন, তাঁরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলেও, এর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তাই তাঁদের কোনো পদক্ষেপ নিতে হয়নি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পর বোয়ালখালী থানার ওসি মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘কারখানার জেনারেটরে সংস্কারের কাজ চলাকালে, ওয়েল্ডিংয়ের আগুনের জন্য দুটি এসি বিস্ফোরিত হলে ৮ থেকে ১০ জন শ্রমিক গুরুতর আহত হন। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।’
কারখানার প্রশাসনিক ব্যবস্থাপক মো. বোরহান উদ্দীন বলেন, ‘জেনারেটরের কাজ করার সময় অগ্নিকাণ্ড ঘটে এবং কয়েকজন শ্রমিক দগ্ধ হন। তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের জয় দিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। ৮৫ মিনিট পর্যন্ত এক গোলে পিছিয়ে থাকা দলটি শেষ মুহূর্তের দুটি গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয়। ম্যাচে দুটি অ্যাসিস্ট করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ম্যাচ শেষে এই জয় কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনাকে উৎসর্গ করেন তিনি।
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে, প্রথমে পিছিয়ে পড়লেও ৮৪ মিনিটে এন্সো ফার্নান্দেসের দুর্দান্ত গোলে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে লাউতারো মার্তিনেস জয়সূচক গোল করে দলকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে দেন। দুই গোলেই অ্যাসিস্ট করেন মেসি।
ম্যাচ শেষে টিওয়াইসি স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে, মেসির হাতে তুলে দেওয়া হয় ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক জার্সির একটি প্রতিরূপ। সেই মুহূর্তে আবেগাপ্লুত হয়ে ম্যারাডোনাকে স্মরণ করেন বর্তমান অধিনায়ক।
তিনি বলেন,‘আমি নিশ্চিত, দিয়েগো ওপর থেকে এই জয় উপভোগ করছেন। আজকের দিনটি তার জন্যও খুবই বিশেষ হতো। তাকে এই আনন্দ দিতে পেরে আমরা খুশি। যদি তিনি এই ম্যাচ দেখে থাকেন, তাহলে এই জয় আমাদের পক্ষ থেকে তার জন্য একটি উপহার।’
আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের লড়াই ফুটবল ইতিহাসে বরাবরই বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ এবং ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ এখনো ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায়। প্রায় চার দশক পর একই প্রতিপক্ষকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার দিনে সেই স্মৃতিকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এলেন মেসি।
৩৯ বছর বয়সেও দুর্দান্ত ছন্দে থাকা আর্জেন্টাইন অধিনায়ক সেমিফাইনালে দুটি অ্যাসিস্ট করে আরও একটি অনন্য কীর্তি গড়েছেন। তার নেতৃত্বে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা।
এবার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ স্পেন। আগামী রবিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী পিলখানায় ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’-এর উদ্বোধন করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার, দুপুরে পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তরের বীর উত্তম আনোয়ার হোসেন প্যারেড গ্রাউন্ডের পশ্চিম পাশে একটি নারকেল গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে সপ্তাহব্যাপী এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির এবারের প্রতিপাদ্য ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ তুলে ধরে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, “বৃক্ষরোপণ শুধু একটি কর্মসূচি নয়; এটি একটি মহৎ দায়িত্ব এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার।”
তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে তিনি সারাদেশে বিজিবির প্রতিটি স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছ রোপণের নির্দেশনা প্রদান করেন।
বিজিবি মহাপরিচালক প্রতিটি বিজিবি সদস্যকে বছরে অন্তত একটি গাছ রোপণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, শুধু গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না; গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণের মাধ্যমেই এ উদ্যোগের প্রকৃত সাফল্য নিশ্চিত করা সম্ভব।
বিজিবি মহাপরিচালক জানান, এ বছর বিজিবি সদর দপ্তরসহ সারাদেশে ৭৩,০০০ বৃক্ষরোপণ করা হবে। সারাদেশে বিজিবির প্রতিটি স্থাপনায় উপযুক্ত স্থানে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ এবং নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে এ কর্মসূচিকে সফল করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান বিজিবি মহাপরিচালক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২২ জুলাই কোটাবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ছাত্র আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা, আমির হোসেন এবং সুজন চন্দ্র, তাদের বিরুদ্ধে জারি করা সাজার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছেন। এছাড়াও আপিল করেছেন পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল এবং ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমরান চৌধুরী, যিনি আকাশ নামেও পরিচিত।
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, আসামিদের আপিলের বিষয়ে তাদের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আসামিদের আইনজীবী জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডে তারা জড়িত নন এবং প্রসিকিউশন অপরাধের ব্যাপারে সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি, এই দাবি করে হলেও আপিলটি করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ১৬ জুলাই আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে মারা যান। ওই ধরনের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধে চলতি বছরের ৯ এপ্রিল রায় দেন। রায় অনুযায়ী, দুজনকে মৃত্যুদণ্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন এবং পাঁচজনকে ১০ বছর করে, আটজনকে ৫ বছর করে এবং ১১ জনকে ৩ বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া একজনের হাজতবাসের সময়কে সাজার মেয়াদ হিসেবে গণ্য করা হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন এবং কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।
যাবজ্জীবনপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান, যিনি জীবন নামে পরিচিত, তাজহাট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম যিনি নয়ন নামে পরিচিত, এবং বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় যিনি মাধব নামেও পরিচিত।
১০ বছরের সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. হাসিবুর রশিদ, যিনি বাচ্চু নামে পরিচিত, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মনিরুজ্জামান যিনি বেল্টু নামে পরিচিত, বেরোবির গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল যিনি আসাদ নামে পরিচিত। এদের মধ্যে সকলেই পলাতক রয়েছেন।
৫ বছর করে সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন আরএমপির সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শাহ নূর আলম পাটোয়ারী, যিনি সুমন নামে পরিচিত, সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন, যিনি টিটু নামে পরিচিত, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমরান চৌধুরী যিনি আকাশ অথবা দিশা নামেও পরিচিত, ছাত্রলীগের বেরোবি শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হাসান, যিনি মাসুদ নামে পরিচিত, বেরোবির অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহাবুবার রহমান যিনি বাবু নামে পরিচিত এবং স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. সারোয়ার হোসেন যিনি চন্দন নামে পরিচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ