প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২২ জুলাই কোটাবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ছাত্র আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা, আমির হোসেন এবং সুজন চন্দ্র, তাদের বিরুদ্ধে জারি করা সাজার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছেন। এছাড়াও আপিল করেছেন পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল এবং ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমরান চৌধুরী, যিনি আকাশ নামেও পরিচিত।
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, আসামিদের আপিলের বিষয়ে তাদের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আসামিদের আইনজীবী জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডে তারা জড়িত নন এবং প্রসিকিউশন অপরাধের ব্যাপারে সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি, এই দাবি করে হলেও আপিলটি করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ১৬ জুলাই আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে মারা যান। ওই ধরনের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধে চলতি বছরের ৯ এপ্রিল রায় দেন। রায় অনুযায়ী, দুজনকে মৃত্যুদণ্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন এবং পাঁচজনকে ১০ বছর করে, আটজনকে ৫ বছর করে এবং ১১ জনকে ৩ বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া একজনের হাজতবাসের সময়কে সাজার মেয়াদ হিসেবে গণ্য করা হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন এবং কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।
যাবজ্জীবনপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান, যিনি জীবন নামে পরিচিত, তাজহাট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম যিনি নয়ন নামে পরিচিত, এবং বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় যিনি মাধব নামেও পরিচিত।
১০ বছরের সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. হাসিবুর রশিদ, যিনি বাচ্চু নামে পরিচিত, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মনিরুজ্জামান যিনি বেল্টু নামে পরিচিত, বেরোবির গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল যিনি আসাদ নামে পরিচিত। এদের মধ্যে সকলেই পলাতক রয়েছেন।
৫ বছর করে সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন আরএমপির সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শাহ নূর আলম পাটোয়ারী, যিনি সুমন নামে পরিচিত, সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন, যিনি টিটু নামে পরিচিত, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমরান চৌধুরী যিনি আকাশ অথবা দিশা নামেও পরিচিত, ছাত্রলীগের বেরোবি শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হাসান, যিনি মাসুদ নামে পরিচিত, বেরোবির অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহাবুবার রহমান যিনি বাবু নামে পরিচিত এবং স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. সারোয়ার হোসেন যিনি চন্দন নামে পরিচিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন