বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৮ এম
কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন, যা সৌদি আরবের দাম্মামে ঘটেছে। এই হামলায় আরও আটজন আহত হয়েছেন। সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এক্সে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হামলার ফলে বিমানবন্দর এলাকার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে সেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের কাজ চলছে।
তবে হামলার প্রকৃতি, হামলাকারীদের পরিচয় এবং হামলার পদ্ধতি সম্পর্কে বিবৃতিতে কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যে ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সফরের উপলক্ষে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস উইন্ডসর ক্যাসেলে একটি নৈশভোজের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে রানী ক্যামিলাসহ উভয় দেশের বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। রাজা চার্লস ওমানের সুলতানকে স্বাগত জানাতে গিয়ে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি বিখ্যাত হাদিস উদ্ধৃত করেন এবং ওমানের জনগণের স্বভাব ও শান্তির প্রতি তাদের অনুরাগের প্রশংসা করেন।
রাজা চার্লস বক্তৃতায় ওমানি জনগণের চমৎকার আচরণ তুলে ধরে মহানবীর বাণী উল্লেখ করেন, "যদি তোমরা ওমানের মানুষের কাছে যেতে, তারা তোমাদের কখনোই গালি দিত না কিংবা আঘাত করত না।" তিনি এই উদাহরণ দিয়ে জানান যে, যুগ যুগ ধরে ওমানের মানুষ তাদের শান্তিকামী স্বভাব বজায় রেখেছে, যা পুরো বিশ্বের জন্য একটি দারুণ দৃষ্টান্ত।
রাজা চার্লস যুক্তরাজ্য ও ওমানের শত বছরের পুরনো বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করে বলেন, যুদ্ধ ও সংঘাতের এই সময়ে ওমান সবসময় আলোচনার মাধ্যমে শান্তি বজায় রাখতে ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে সমুদ্রপথে বিশ্ববাণিজ্য নিরাপদ রাখতে ওমানের প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। দুই দেশের এই শক্ত সম্পর্কের কারণে বিশ্ব যেমন অনেক নিরাপদ থাকে, তেমনই ভবিষ্যতেও ওমান যুক্তরাজ্যের এক বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সূত্র: ওমান অবজারভার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলা কবিতার আকাশে তিনি এক নিঃসঙ্গ নক্ষত্র। বাংলার প্রকৃতি, ধূসর জীবন, হারানো সময় এবং অনন্ত বিষণ্নতা তাঁর কবিতায় অনন্য রূপে ফুটে উঠেছে। মৃত্যুর সাত দশকেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হলেও তাঁর কবিতার মায়াবী জগত্ আজও পাঠকদের আকর্ষণ করে। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি জীবনানন্দ দাশের ৭২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ২২ অক্টোবর।
১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন জীবনানন্দ দাশ। প্রকৃতি, প্রেম, নিঃসঙ্গতা, স্মৃতি এবং মানবজীবনের গভীর অনুভূতি তাঁর কবিতার মূল উপাদান। রবীন্দ্র প্রভাবের বাইরে তিনি নিজস্ব কাব্যভাষা, চিত্রকল্প এবং দর্শন তৈরি করে বাংলা কবিতায় আধুনিকতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন।
জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘বনলতা সেন’, ‘রূপসী বাংলা’, ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’, ‘মহাপৃথিবী’ এবং ‘সাতটি তারার তিমির’। ১৯৫৪ সালের ১৪ অক্টোবর কলকাতায় ট্রাম দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ অক্টোবর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। জীবদ্দশায় যথাযথ স্বীকৃতি না পেলেও পরবর্তী সময়ে তাঁর কবিতা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদা অর্জন করে। বাংলার নিসর্গ ও মানুষের অন্তর্গত বিষণ্নতার অনন্য রূপকার হিসেবে জীবনানন্দ দাশ আজও সমান প্রাসঙ্গিক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ফুলের নাওড়ী ও নাঙ্গলকোটের হুগলি এলাকায় ডাকাতিয়া নদীর ওপর সেতুর অভাবে দুই পাড়ের বাসিন্দাদের জন্য চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিদিন বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় নদী পার হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি বাড়লে এই ভোগান্তি এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পায়।
দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি কোনো উদ্যোগ না পাওয়ার কারণে যাতায়াতের কষ্ট লাঘবের জন্য সম্প্রতি এলাকাবাসীরা নিজেদের অর্থায়নে এবং স্বেচ্ছাশ্রমে ২৬০ ফুট দীর্ঘ একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। ফুলের নাওড়ী গ্রামের এয়াকুব মজুমদার, নাজমুল হোসেন এবং হুগলি এলাকার আবদুল মান্নান ও অলি আহমেদসহ স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
স্থানীয় অভিভাবক আবুল কাশেম ও বেলাল হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, এখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ হলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ হবে এবং এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
সাঁকো নির্মাণের উদ্যোক্তা এয়াকুব মজুমদার জানিয়েছেন, ‘সবার ছোট ছোট সহযোগিতায় আমরা এই সাঁকোটি তৈরি করছি, যেন কোমলমতি শিশু ও সাধারণ মানুষের পথচলা কিছুটা সহজ হয়।’
ফুলের নাওড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন বলেছেন, ‘নদীর ওপার থেকে অনেক শিক্ষার্থী কষ্ট করে আমাদের বিদ্যালয়ে আসে। সাময়িকভাবে বাঁশের সাঁকো দেওয়া হলেও, স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকারি উদ্যোগে এখানে দ্রুত একটি ব্রিজ নির্মাণ করা জরুরি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের সহায়তা করতে গিয়ে মার্কিন নাগরিকদের গ্রেফতার করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি ইসরাইলি বাহিনীর এই ধরনের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নীরবতা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন।
সিনেটরের অভিমত হলো, শীর্ষ পর্যায়ের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিবাদ না হওয়ার কারণে ইসরাইল দিন দিন আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠছে এবং একের পর এক অন্যায় কাজ করে যাচ্ছে।
ঘটনাটি ঘটে অধিকৃত পশ্চিম তীরে, যেখানে স্থানীয় ফিলিস্তিনিরা জলপাই সংগ্রহের কাজ করছিলেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সাহায্য করতে যান কিছু মার্কিন প্রতিনিধি। এদের মধ্যে আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী ব্র্যাড ল্যান্ডারও ছিলেন। কিন্তু ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ তাদের সবাইকে আটক করে। যদিও পরে ব্র্যাড ল্যান্ডারকে মুক্তি দেওয়া হয়, তবে তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য মার্কিন আন্দোলনকারী এবং কয়েকজন ধর্মযাজক এখনও বন্দি রয়েছেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে সিনেটর ভ্যান হোলেন স্পষ্ট করে জানান, "শুধু একজনকে ছেড়ে দিলেই সব চুকেবুকে যায় না," এবং তিনি দাবি করেন যে ইসরাইল সরকারকে বাকিদেরও অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমেরিকানদের সঙ্গেই যদি ইসরাইল এমন আচরণ করতে সাহস পায়, তবে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর তারা কী পরিমাণে নির্যাতন চালাচ্ছে, তা সহজেই বুঝে নেওয়া যায়।"
সূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ