ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চার বছরে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার


চার বছরে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার

পাইলট প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের পর সরকার আগামী ১৬ আগস্ট দেশের বহুল আলোচিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে যাচ্ছে। প্রথম ধাপে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রধানমন্ত্রী কর্মসূচিটির উদ্বোধন করবেন। এরপর চার বছরে এক কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে কোনো উপযুক্ত ব্যক্তি বাদ না পড়েন এবং অযোগ্য কেউ অন্তর্ভুক্ত হন, সে জন্য তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ ও পর্যালোচনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এটি একটি চলমান বা ‘ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি’ ব্যবস্থা। মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তথ্য নিয়মিত সংশোধন করা হবে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

মন্ত্রী জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে, যাতে কেউ বাদ না পড়েন এবং অযোগ্য কেউ সুবিধাভোগীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হন। ভাতা ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে যে দুর্বলতা রয়েছে, তা কমানোই সরকারের লক্ষ্য। এজন্য নিয়মিত তথ্য সংশোধন ও পর্যালোচনার ব্যবস্থা থাকবে।

তিনি বলেন, কেউ দরিদ্র থেকে নিম্নবিত্ত ও নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত হতে পারেন। আবার মধ্যবিত্ত থেকেও কেউ দরিদ্র হয়ে যেতে পারেন। এজন্য এটি হবে একটি গতিশীল ব্যবস্থা, যেখানে নিয়মিত তথ্য সংশোধন চলবে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, এ কর্মসূচিতে কোনো ধর্ম, গোত্র বা রাজনৈতিক বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাউকে সুবিধা দেওয়া বা বঞ্চিত করার সুযোগ নেই। সরকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের নীতির আলোকে কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি জানান, আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রধানমন্ত্রী কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এরপর অক্টোবরের শেষ নাগাদ পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে কার্যক্রম শুরু করা হবে। একসঙ্গে সারাদেশে এটি বাস্তবায়ন সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: শাকিলের জানাজায় এমপির বিরুদ্ধে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান

জাহিদ হোসেন বলেন, চার বছরের মধ্যে প্রায় এক কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এ সংখ্যা হয়তো বেশি হবে। চূড়ান্ত সংখ্যা নির্ভর করবে তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের ফলাফলের ওপর।

তিনি জানান, পরিবারের নারী সদস্যদের হাতে সহায়তার অর্থ পৌঁছালে তা শিশুদের শিক্ষা, পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, হাঁস-মুরগি পালন, গাছ লাগানো, কুটিরশিল্প, সেলাই ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা কার্যক্রমে কাজে লাগবে। এর মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন যেমন বাড়বে, তেমনি গ্রামীণ দারিদ্র্য কমাতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রী জানিয়েছেন, পাইলট প্রকল্পে সুবিধাভোগীদের খোঁজ নিয়ে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। এখন থেকে অর্থ কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, দারিদ্র্য কতটা কমছে এসব বিষয়ও নিয়মিত মূল্যায়ন করা হবে। অর্থ বিভাগ, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) এবং দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে স্বাধীন গবেষণাও পরিচালনা করা হবে। তবে এ ধরনের গবেষণার জন্য অন্তত ছয় মাস সময় দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, কর্মসূচির নীতিমালা, প্রশ্নপত্র, কারা সুবিধা পাবেন বা পাবেন না সব তথ্য অনলাইনে উন্মুক্ত রয়েছে। এগুলো কোনো গোপন নথি নয়।

আরও পড়ুন: জামায়াতের মহিলা বিভাগের প্রতিবাদ: নারী উদ্যোক্তা সাথী আক্তার গ্রেপ্তার

জাহিদ হোসেন বলেন, অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও নিয়মিত এ কর্মসূচির অগ্রগতি তদারকি ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, প্রথম পর্যায়ে সারাদেশের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর প্রতি মাসে তথ্য হালনাগাদ করা হবে, যাতে কারও মৃত্যু, আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তন বা অন্য কোনো পরিবর্তন দ্রুত অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

আর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দেশের ৫৬টি এলাকায় পাইলট কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে যশোর ও নেত্রকোনার দুটি এলাকায় তথ্য সংগ্রহে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। সেগুলো সংশোধন করা হয়েছে। বাকি ৫৪টি এলাকায় উল্লেখযোগ্য কোনো সমস্যা হয়নি এবং ত্রুটির হার ৩ শতাংশেরও কম ছিল।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ১৬ আগস্ট থেকে নতুন প্রশ্নমালা ও নতুন পদ্ধতিতে পুরোপুরি অনলাইনে তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। বাস্তবায়নের সময় নতুন কোনো দুর্বলতা চিহ্নিত হলে সেটিও নিয়মিত সংশোধন করা হবে।

আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় মাটির নিচে ঘাঁটি গেড়ে সাধনা করছেন নারী লাভলী শাহ ফকির রানী

তিনি জানান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে তিন স্তরের তদারকি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি নয়, সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা তথ্য সংগ্রহ তদারকি করবেন।

তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে কমিটি তথ্য যাচাই করবে। সেখানে আইসিটি ও পরিসংখ্যান কর্মকর্তারাও যুক্ত থাকবেন। জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের সমন্বয়ে কমিটি থাকবে। বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগীয় কমিশনার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন। জাতীয় পর্যায়েও পৃথক কমিটি রয়েছে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী নিজে নিয়মিত এই কর্মসূচিতির অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও অর্থ মন্ত্রণালয় তথ্য যাচাই করে নিশ্চিত করবে, যাতে কোনো ব্যক্তি একাধিক ভাতা না পান। একই ব্যক্তি বারবার সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকবে না। সরকারের সব নিয়ম, নীতি ও স্বচ্ছতা বজায় রেখেই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট, খোলা আকাশের নিচে দুই পরিবার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুর সীমান্তে ৮১ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধ জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ পি.এম


শেরপুর সীমান্তে ৮১ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধ জব্দ

শেরপুরের নালিতাবাড়ী সীমান্তে বিজিবি অবৈধ ভারতীয় ওষুধ জব্দ করেছে। ময়মনসিংহ ৩৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের দ্বারা পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানটিতে জব্দকৃত ওষুধের আনুমানিক বাজারমূল্য ৮১ লাখ ২০ হাজার ৮ শত টাকা।

বিজিবি প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ একটি গোপন সূত্রের মাধ্যমে খবর আসে যে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলাধীন পানিহাটা সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরা কারবারিরা অভিনব কৌশলে ভারতীয় ওষুধের একটি চালান বাংলাদেশে পাচারের চেষ্টা করছে। এই সংবাদ অনুসারে বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোর রাত ৪টায় পানিহাটা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানের সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরা কারবারিরা মালামাল ফেলে পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় ওষুধ জব্দ করতে সক্ষম হয়। বিজিবি জানায়, জব্দকৃত ওষুধের আনুমানিক মূল্য ৮১ লক্ষ ২০ হাজার ৮ শত টাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন চাপের মধ্যেও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের পাশে কানাডা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


মার্কিন চাপের মধ্যেও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের পাশে কানাডা

 

টরন্টোয় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রতি দেশটির অটল ও অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানান, মার্কিন প্রশাসন মিত্র দেশগুলোর ওপর চাপ দিয়ে আইসিসি থেকে সদস্যপদ ও অর্থায়ন প্রত্যাহারের চেষ্টা চালানোর পরেও, কানাডা তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।

প্রধানমন্ত্রী কার্নি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, বৈশ্বিক অস্থিরতা ও সংঘাতময় পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার ভারসাম্য রক্ষা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইসিসির ভূমিকা পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন আরও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক কানাডার বিচারকের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে সরকারের নীরবতা ও আইসিসির রক্ষায় যথেষ্ট ভূমিকা রাখা হচ্ছে কি না—এ বিষয়টি উত্থাপন করেন। এই প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি গর্বের সঙ্গে জানান যে, কানাডা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের একটি গর্বিত সদস্য রাষ্ট্র। তিনি বলেন, কানাডা আদালটিকে অর্থ, দক্ষ জনবল, নিজেদের নৈতিক মূল্যবোধ ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে সহায়তা করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এই সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি কার্নি উল্লেখ করেন যে, ক্রমবর্ধমান বিপজ্জনক ও বিভক্ত বিশ্বে আইসিসি এক অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে আদালতের দায়িত্ব ও পরিধি ক্রমাগত বাড়ছে।

২০২৫ সালের আগস্ট মাসে আফগানিস্তানে যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে মার্কিন সেনাদের জড়িত থাকার একটি মামলার প্রেক্ষিতে আইসিসির কানাডীয় বিচারক কিমবার্লি প্রস্টসহ চার কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়, যা ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের নির্দেশে হয়ে ছিল। প্রশ্ন করা হলে, কার্নি জানান, কানাডা সরকার ওই বিচারককে সমস্ত প্রয়োজনে সাহায্য করবে। তিনি মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচন করতে সক্ষমতা ও ইতিবাচক ফলাফল অর্জনের আশ্বাস দিয়েছেন। তবে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রতি অটোয়ার পূর্ণ সমর্থন যে দৃঢ় ও অসংকোচ, তা তিনি আবারও জানিয়ে দেন।

গাজা যুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০২৪ সালে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আইসিসির তৎকালীন প্রধান কৌঁসুলি করিম খান। যদিও পরবর্তী সময়ে আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে করিম খানকে পদচ্যুত করা হয়েছিল, তথাপি ইসরায়েলি নেতাদের বিরুদ্ধে আদালতের এই কঠোর পদক্ষেপ মার্কিন প্রশাসনকে ক্ষিপ্ত করেছিল এবং তারা আইসিসির ওপর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে।

উল্লেখ্য, আইসিসি প্রতিষ্ঠার মূল সনদ ‘রোম সনদে’ যুক্তরাষ্ট্র কখনোই স্বাক্ষর করেনি।

যুক্তরাষ্ট্রের এই ধারাবাহিক কূটনৈতিক চাপের মুখে পড়ে সম্প্রতি চাদ আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এর আগে ভেনেজুয়েলা, বুরকিনা ফাসো, মালি এবং নাইজার এই আন্তর্জাতিক আদালত থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নেয়। এই বৈশ্বিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে কানাডার প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলাউড়ায় পুলিশের দুঃসাহসিক অভিযানে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আহমেদ আক্তার রানা কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৩ পি.এম


কুলাউড়ায় পুলিশের দুঃসাহসিক অভিযানে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার

কুলাউড়া থানার পুলিশ মো. মফিক আলী (৩৮)-কে গ্রেফতার করেছে। তিনি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার ১২ নং পৃথিমপাশা ইউনিয়নের পৃথিমপাশা গ্রামের বাসিন্দা এবং মাদক মামলায় ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি।

এসআই আব্দুল আলীমের নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেন এএসআই আরিফুল ইসলাম এবং এএসআই মো. মিরাজুল ইসলাম। অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহোদয়ের নির্দেশনায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ সদস্যরা প্রায় ১ কিলোমিটার দৌড়ানোর পর কাদাময় জমি ও পানিভর্তি শুকনাছড়া নদী অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।

গ্রেফতারকৃত মো. মফিক আলীর পিতার নাম মদরিছ আলী। তিনি ১২ নং পৃথিমপাশা ইউনিয়নের পৃথিমপাশা গ্রামের একজন বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আদালতের প্রদত্ত ২ বছরের সাজা কার্যকর করার জন্য এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। গ্রেফতারের পর মো. মফিক আলীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গৌরীপুরে খাল খননের অব্যয়িত টাকা কোষাগারে জমা দিচ্ছেন ইউএনও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ হুমায়ুন কবির, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ)

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৫ পি.এম


গৌরীপুরে খাল খননের অব্যয়িত টাকা কোষাগারে জমা দিচ্ছেন ইউএনও

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বলার বিল খাল ও মইজগা-চাকুরিয়া ও ঢালিয় বিল খাল পুনঃখনন প্রকল্পের শ্রমিক তালিকা দাখিলের ক্ষেত্রে বিলম্ব এবং প্রকল্প স্থানে পানি বিদ্যমান থাকার কারণে সরকারের কোষাগারে ফেরত যাচ্ছে ৯৯ লাখ ২৭ হাজার টাকা।

দুটি খালের বরাদ্দের পুরো অর্থ যদি ব্যয় না হয়, সেক্ষেত্রে অব্যায়িত অর্থ সংশ্লিষ্ট সরকারি তহবিলে জমা দিচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমিন পাপ্পা।

জানা গেছে যে, দুটি খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে দুটি খালে মোট বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৩১ লাখ ৮২ হাজার ২২৭ টাকা।

এর মধ্যে বলার বিল খালের পুনঃখনন প্রকল্পের ওয়েজ খাতের অংশ হিসাবে ৫৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা ও মইজগা-চাকুরিয়া এবং ঢালিয়া বিল খালের পুনঃখনন প্রকল্পের ননওয়েজ খাত থেকে ৪২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ফেরত যাচ্ছে।

দুটি খালের পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন এমপি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমীন পাপ্পা জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন। শ্রমিকদের তালিকা দাখিলে বিলম্ব, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, এবং নিয়োজিত শ্রমিকের সংখ্যা কম থাকায় খালের ড্রেসিং ও স্লোপিংয়ের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও জানান, প্রকল্পের কাজ শতভাগ সম্পন্ন না হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রকল্পের কাজে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে যে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলার সিধলা ইউনিয়নের ৬নং ও ৭নং ওয়ার্ডের বলার বিল খাল পুন:খনন কর্মসূচির অধীনে ওয়েজ খাতে ৭৬ লাখ ১০ হাজার ৮২৭ টাকা এবং ননওয়েজ হিসেবে ৬৩ লাখ ৮৯ হাজার ৮০১ কোটি ৪০ লাখ ৬২৭ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।

খালটির খনন কাজ সম্পন্ন হলে গড় গভীরতা ২.০ মিটার, ১ হাজার ৯শ মিটার উপরিভাগ ৬.৫ মিটার, তলদেশ ২.৫ মিটার এবং গড় গভীরতা ২ মিটার হবে।

অপরদিকে বোকাইনগর ইউনিয়নের মইজগা বিল থেকে চাকুরিয়া বিল হয়ে ঢালিয়া বিল পর্যন্ত খালের পুনঃখনন খাতে ওয়েজ ৪০ লাখ ৬০ হাজার ৩শ টাকা এবং ননওয়েজ হিসেবে ৫১ লাখ ২১ হাজার ৩শ টাকার মোট বরাদ্দ ৯১ লাখ ৮১ হাজার ৬শ টাকা প্রদান করা হয়েছে। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী কাজটি সম্পন্ন হলে খালের গড় গভীরতা ২.০ মিটার, দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৯৩৬ মিটার, উপরিভাগ ৭.৫ মিটার, তলদেশ ৩.৫ মিটার হবে এবং গড় গভীরতা ২ মিটার হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%