বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৪:০৫ পি.এম
শেরপুরের নালিতাবাড়ী সীমান্তে বিজিবি অবৈধ ভারতীয় ওষুধ জব্দ করেছে। ময়মনসিংহ ৩৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের দ্বারা পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানটিতে জব্দকৃত ওষুধের আনুমানিক বাজারমূল্য ৮১ লাখ ২০ হাজার ৮ শত টাকা।
বিজিবি প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ একটি গোপন সূত্রের মাধ্যমে খবর আসে যে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলাধীন পানিহাটা সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরা কারবারিরা অভিনব কৌশলে ভারতীয় ওষুধের একটি চালান বাংলাদেশে পাচারের চেষ্টা করছে। এই সংবাদ অনুসারে বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোর রাত ৪টায় পানিহাটা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরা কারবারিরা মালামাল ফেলে পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় ওষুধ জব্দ করতে সক্ষম হয়। বিজিবি জানায়, জব্দকৃত ওষুধের আনুমানিক মূল্য ৮১ লক্ষ ২০ হাজার ৮ শত টাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টরন্টোয় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রতি দেশটির অটল ও অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানান, মার্কিন প্রশাসন মিত্র দেশগুলোর ওপর চাপ দিয়ে আইসিসি থেকে সদস্যপদ ও অর্থায়ন প্রত্যাহারের চেষ্টা চালানোর পরেও, কানাডা তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
প্রধানমন্ত্রী কার্নি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, বৈশ্বিক অস্থিরতা ও সংঘাতময় পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার ভারসাম্য রক্ষা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইসিসির ভূমিকা পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন আরও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক কানাডার বিচারকের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে সরকারের নীরবতা ও আইসিসির রক্ষায় যথেষ্ট ভূমিকা রাখা হচ্ছে কি না—এ বিষয়টি উত্থাপন করেন। এই প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি গর্বের সঙ্গে জানান যে, কানাডা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের একটি গর্বিত সদস্য রাষ্ট্র। তিনি বলেন, কানাডা আদালটিকে অর্থ, দক্ষ জনবল, নিজেদের নৈতিক মূল্যবোধ ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে সহায়তা করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এই সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি কার্নি উল্লেখ করেন যে, ক্রমবর্ধমান বিপজ্জনক ও বিভক্ত বিশ্বে আইসিসি এক অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে আদালতের দায়িত্ব ও পরিধি ক্রমাগত বাড়ছে।
২০২৫ সালের আগস্ট মাসে আফগানিস্তানে যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে মার্কিন সেনাদের জড়িত থাকার একটি মামলার প্রেক্ষিতে আইসিসির কানাডীয় বিচারক কিমবার্লি প্রস্টসহ চার কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়, যা ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের নির্দেশে হয়ে ছিল। প্রশ্ন করা হলে, কার্নি জানান, কানাডা সরকার ওই বিচারককে সমস্ত প্রয়োজনে সাহায্য করবে। তিনি মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচন করতে সক্ষমতা ও ইতিবাচক ফলাফল অর্জনের আশ্বাস দিয়েছেন। তবে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রতি অটোয়ার পূর্ণ সমর্থন যে দৃঢ় ও অসংকোচ, তা তিনি আবারও জানিয়ে দেন।
গাজা যুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০২৪ সালে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আইসিসির তৎকালীন প্রধান কৌঁসুলি করিম খান। যদিও পরবর্তী সময়ে আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে করিম খানকে পদচ্যুত করা হয়েছিল, তথাপি ইসরায়েলি নেতাদের বিরুদ্ধে আদালতের এই কঠোর পদক্ষেপ মার্কিন প্রশাসনকে ক্ষিপ্ত করেছিল এবং তারা আইসিসির ওপর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে।
উল্লেখ্য, আইসিসি প্রতিষ্ঠার মূল সনদ ‘রোম সনদে’ যুক্তরাষ্ট্র কখনোই স্বাক্ষর করেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের এই ধারাবাহিক কূটনৈতিক চাপের মুখে পড়ে সম্প্রতি চাদ আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এর আগে ভেনেজুয়েলা, বুরকিনা ফাসো, মালি এবং নাইজার এই আন্তর্জাতিক আদালত থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নেয়। এই বৈশ্বিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে কানাডার প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুলাউড়া থানার পুলিশ মো. মফিক আলী (৩৮)-কে গ্রেফতার করেছে। তিনি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার ১২ নং পৃথিমপাশা ইউনিয়নের পৃথিমপাশা গ্রামের বাসিন্দা এবং মাদক মামলায় ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি।
এসআই আব্দুল আলীমের নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেন এএসআই আরিফুল ইসলাম এবং এএসআই মো. মিরাজুল ইসলাম। অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহোদয়ের নির্দেশনায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ সদস্যরা প্রায় ১ কিলোমিটার দৌড়ানোর পর কাদাময় জমি ও পানিভর্তি শুকনাছড়া নদী অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।
গ্রেফতারকৃত মো. মফিক আলীর পিতার নাম মদরিছ আলী। তিনি ১২ নং পৃথিমপাশা ইউনিয়নের পৃথিমপাশা গ্রামের একজন বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আদালতের প্রদত্ত ২ বছরের সাজা কার্যকর করার জন্য এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। গ্রেফতারের পর মো. মফিক আলীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বলার বিল খাল ও মইজগা-চাকুরিয়া ও ঢালিয় বিল খাল পুনঃখনন প্রকল্পের শ্রমিক তালিকা দাখিলের ক্ষেত্রে বিলম্ব এবং প্রকল্প স্থানে পানি বিদ্যমান থাকার কারণে সরকারের কোষাগারে ফেরত যাচ্ছে ৯৯ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
দুটি খালের বরাদ্দের পুরো অর্থ যদি ব্যয় না হয়, সেক্ষেত্রে অব্যায়িত অর্থ সংশ্লিষ্ট সরকারি তহবিলে জমা দিচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমিন পাপ্পা।
জানা গেছে যে, দুটি খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে দুটি খালে মোট বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৩১ লাখ ৮২ হাজার ২২৭ টাকা।
এর মধ্যে বলার বিল খালের পুনঃখনন প্রকল্পের ওয়েজ খাতের অংশ হিসাবে ৫৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা ও মইজগা-চাকুরিয়া এবং ঢালিয়া বিল খালের পুনঃখনন প্রকল্পের ননওয়েজ খাত থেকে ৪২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ফেরত যাচ্ছে।
দুটি খালের পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন এমপি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমীন পাপ্পা জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন। শ্রমিকদের তালিকা দাখিলে বিলম্ব, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, এবং নিয়োজিত শ্রমিকের সংখ্যা কম থাকায় খালের ড্রেসিং ও স্লোপিংয়ের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও জানান, প্রকল্পের কাজ শতভাগ সম্পন্ন না হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রকল্পের কাজে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে যে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলার সিধলা ইউনিয়নের ৬নং ও ৭নং ওয়ার্ডের বলার বিল খাল পুন:খনন কর্মসূচির অধীনে ওয়েজ খাতে ৭৬ লাখ ১০ হাজার ৮২৭ টাকা এবং ননওয়েজ হিসেবে ৬৩ লাখ ৮৯ হাজার ৮০১ কোটি ৪০ লাখ ৬২৭ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।
খালটির খনন কাজ সম্পন্ন হলে গড় গভীরতা ২.০ মিটার, ১ হাজার ৯শ মিটার উপরিভাগ ৬.৫ মিটার, তলদেশ ২.৫ মিটার এবং গড় গভীরতা ২ মিটার হবে।
অপরদিকে বোকাইনগর ইউনিয়নের মইজগা বিল থেকে চাকুরিয়া বিল হয়ে ঢালিয়া বিল পর্যন্ত খালের পুনঃখনন খাতে ওয়েজ ৪০ লাখ ৬০ হাজার ৩শ টাকা এবং ননওয়েজ হিসেবে ৫১ লাখ ২১ হাজার ৩শ টাকার মোট বরাদ্দ ৯১ লাখ ৮১ হাজার ৬শ টাকা প্রদান করা হয়েছে। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী কাজটি সম্পন্ন হলে খালের গড় গভীরতা ২.০ মিটার, দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৯৩৬ মিটার, উপরিভাগ ৭.৫ মিটার, তলদেশ ৩.৫ মিটার হবে এবং গড় গভীরতা ২ মিটার হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক ১৫ আগস্টের মধ্যে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অধীনে থাকা বাকি চারটি ব্যাংক থেকে প্রশাসকদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত করেছে। এর মাধ্যমে ব্যাংকটির পুরো পরিচালনার দায়িত্ব নতুন ব্যবস্থাপনার কাছে হস্তান্তর করা হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দায়িত্ব গ্রহণ করার পর। ফলে ব্যাংকটি নিয়মিত ব্যবস্থাপনা কাঠামোর অধীন পরিচালিত হবে।
এর আগে ৩০ জুলাই এক্সিম ব্যাংক থেকে প্রথম প্রশাসক সরিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক থেকেও প্রশাসকদের ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে বলেছেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের পর অস্থায়ীভাবে প্রশাসকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তাদের মূল দায়িত্ব ছিল পাঁচটি ব্যাংকের ঋণ, আমানত ও তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত ব্যবস্থা একীভূত করার কাজ।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক দায়িত্ব নেয়ার পর একই প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকলে প্রশাসনিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই এ কারণেই প্রশাসকদের সরানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, পাঁচটি ব্যাংকের কার্যক্রম একীভূত করা এবং নতুন ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য প্রশাসকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এর বেশিরভাগ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ধাপে ধাপে ব্যাংকের পরিচালনার দায়িত্ব সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নতুন ব্যবস্থাপনার কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।
তবে ব্যাংকগুলোর প্রযুক্তিগত একীভূতকরণের কাজ এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। পাঁচটি ব্যাংকের মূল ব্যাংকিং সফটওয়্যার, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের হিসাব ব্যবস্থার একীভূতকরণের কাজ চলমান রয়েছে।
এ কারণে কিছু কার্যক্রম আগের ব্যাংকগুলোর নামেই পরিচালিত হচ্ছে। প্রযুক্তিগত একীভূতকরণ শেষে পুরো ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নামেই পরিচালিত হবে।
কর্মকর্তারা আরো জানান, একজন নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক দায়িত্ব নেওয়ার পর একই প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক রাখার আর প্রয়োজন নেই। কারণ দুই পদের মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। এজন্য ধাপে ধাপে প্রশাসকদের সরানো হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, এক্সিম ব্যাংক থেকে প্রথম প্রশাসক সরানো হয়েছে, কারণ নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওই ব্যাংকের কার্যালয় থেকে প্রধান কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। তাই এক্সিম ব্যাংকের দায়িত্ব হস্তান্তরের কাজ আগে সম্পন্ন হয়েছে। বাকি চারটি ব্যাংকও ১৫ আগস্টের মধ্যে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নতুন ব্যবস্থাপনার অধীনে চলে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ