আহমেদ আক্তার রানা কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৪:১৩ পি.এম
কুলাউড়া থানার পুলিশ মো. মফিক আলী (৩৮)-কে গ্রেফতার করেছে। তিনি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার ১২ নং পৃথিমপাশা ইউনিয়নের পৃথিমপাশা গ্রামের বাসিন্দা এবং মাদক মামলায় ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি।
এসআই আব্দুল আলীমের নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেন এএসআই আরিফুল ইসলাম এবং এএসআই মো. মিরাজুল ইসলাম। অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহোদয়ের নির্দেশনায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ সদস্যরা প্রায় ১ কিলোমিটার দৌড়ানোর পর কাদাময় জমি ও পানিভর্তি শুকনাছড়া নদী অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।
গ্রেফতারকৃত মো. মফিক আলীর পিতার নাম মদরিছ আলী। তিনি ১২ নং পৃথিমপাশা ইউনিয়নের পৃথিমপাশা গ্রামের একজন বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আদালতের প্রদত্ত ২ বছরের সাজা কার্যকর করার জন্য এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। গ্রেফতারের পর মো. মফিক আলীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বলার বিল খাল ও মইজগা-চাকুরিয়া ও ঢালিয় বিল খাল পুনঃখনন প্রকল্পের শ্রমিক তালিকা দাখিলের ক্ষেত্রে বিলম্ব এবং প্রকল্প স্থানে পানি বিদ্যমান থাকার কারণে সরকারের কোষাগারে ফেরত যাচ্ছে ৯৯ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
দুটি খালের বরাদ্দের পুরো অর্থ যদি ব্যয় না হয়, সেক্ষেত্রে অব্যায়িত অর্থ সংশ্লিষ্ট সরকারি তহবিলে জমা দিচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমিন পাপ্পা।
জানা গেছে যে, দুটি খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে দুটি খালে মোট বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৩১ লাখ ৮২ হাজার ২২৭ টাকা।
এর মধ্যে বলার বিল খালের পুনঃখনন প্রকল্পের ওয়েজ খাতের অংশ হিসাবে ৫৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা ও মইজগা-চাকুরিয়া এবং ঢালিয়া বিল খালের পুনঃখনন প্রকল্পের ননওয়েজ খাত থেকে ৪২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ফেরত যাচ্ছে।
দুটি খালের পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন এমপি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমীন পাপ্পা জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন। শ্রমিকদের তালিকা দাখিলে বিলম্ব, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, এবং নিয়োজিত শ্রমিকের সংখ্যা কম থাকায় খালের ড্রেসিং ও স্লোপিংয়ের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও জানান, প্রকল্পের কাজ শতভাগ সম্পন্ন না হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রকল্পের কাজে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে যে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলার সিধলা ইউনিয়নের ৬নং ও ৭নং ওয়ার্ডের বলার বিল খাল পুন:খনন কর্মসূচির অধীনে ওয়েজ খাতে ৭৬ লাখ ১০ হাজার ৮২৭ টাকা এবং ননওয়েজ হিসেবে ৬৩ লাখ ৮৯ হাজার ৮০১ কোটি ৪০ লাখ ৬২৭ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।
খালটির খনন কাজ সম্পন্ন হলে গড় গভীরতা ২.০ মিটার, ১ হাজার ৯শ মিটার উপরিভাগ ৬.৫ মিটার, তলদেশ ২.৫ মিটার এবং গড় গভীরতা ২ মিটার হবে।
অপরদিকে বোকাইনগর ইউনিয়নের মইজগা বিল থেকে চাকুরিয়া বিল হয়ে ঢালিয়া বিল পর্যন্ত খালের পুনঃখনন খাতে ওয়েজ ৪০ লাখ ৬০ হাজার ৩শ টাকা এবং ননওয়েজ হিসেবে ৫১ লাখ ২১ হাজার ৩শ টাকার মোট বরাদ্দ ৯১ লাখ ৮১ হাজার ৬শ টাকা প্রদান করা হয়েছে। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী কাজটি সম্পন্ন হলে খালের গড় গভীরতা ২.০ মিটার, দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৯৩৬ মিটার, উপরিভাগ ৭.৫ মিটার, তলদেশ ৩.৫ মিটার হবে এবং গড় গভীরতা ২ মিটার হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক ১৫ আগস্টের মধ্যে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অধীনে থাকা বাকি চারটি ব্যাংক থেকে প্রশাসকদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত করেছে। এর মাধ্যমে ব্যাংকটির পুরো পরিচালনার দায়িত্ব নতুন ব্যবস্থাপনার কাছে হস্তান্তর করা হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দায়িত্ব গ্রহণ করার পর। ফলে ব্যাংকটি নিয়মিত ব্যবস্থাপনা কাঠামোর অধীন পরিচালিত হবে।
এর আগে ৩০ জুলাই এক্সিম ব্যাংক থেকে প্রথম প্রশাসক সরিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক থেকেও প্রশাসকদের ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে বলেছেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের পর অস্থায়ীভাবে প্রশাসকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তাদের মূল দায়িত্ব ছিল পাঁচটি ব্যাংকের ঋণ, আমানত ও তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত ব্যবস্থা একীভূত করার কাজ।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক দায়িত্ব নেয়ার পর একই প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকলে প্রশাসনিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই এ কারণেই প্রশাসকদের সরানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, পাঁচটি ব্যাংকের কার্যক্রম একীভূত করা এবং নতুন ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য প্রশাসকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এর বেশিরভাগ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ধাপে ধাপে ব্যাংকের পরিচালনার দায়িত্ব সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নতুন ব্যবস্থাপনার কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।
তবে ব্যাংকগুলোর প্রযুক্তিগত একীভূতকরণের কাজ এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। পাঁচটি ব্যাংকের মূল ব্যাংকিং সফটওয়্যার, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের হিসাব ব্যবস্থার একীভূতকরণের কাজ চলমান রয়েছে।
এ কারণে কিছু কার্যক্রম আগের ব্যাংকগুলোর নামেই পরিচালিত হচ্ছে। প্রযুক্তিগত একীভূতকরণ শেষে পুরো ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নামেই পরিচালিত হবে।
কর্মকর্তারা আরো জানান, একজন নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক দায়িত্ব নেওয়ার পর একই প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক রাখার আর প্রয়োজন নেই। কারণ দুই পদের মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। এজন্য ধাপে ধাপে প্রশাসকদের সরানো হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, এক্সিম ব্যাংক থেকে প্রথম প্রশাসক সরানো হয়েছে, কারণ নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওই ব্যাংকের কার্যালয় থেকে প্রধান কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। তাই এক্সিম ব্যাংকের দায়িত্ব হস্তান্তরের কাজ আগে সম্পন্ন হয়েছে। বাকি চারটি ব্যাংকও ১৫ আগস্টের মধ্যে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নতুন ব্যবস্থাপনার অধীনে চলে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লালমনিরহাট, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : পানির নিচে বিশেষ পদ্ধতিতে যে ‘মজা সুপারি’ সংরক্ষণ করা হচ্ছে, তা দীর্ঘদিন ধরে লালমনিরহাটের কৃষক ও ব্যবসায়ীদের আয়ের অন্যতম উৎস। তবে এবারে মৌসুম শেষ হয়ে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার কারণে সংরক্ষিত এ সুপারির দাম গত বছরের তুলনায় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এই পরিস্থিতির কারণে ন্যায্যমূল্য না পেয়ে লোকসানের শঙ্কায় পড়েছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
লালমনিরহাটের আদিতমারী, কালীগঞ্জ, সদর, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। জেলার অন্যতম বড় সুপারির বাজার সদর উপজেলার বড়বাড়ী হাটে প্রতি বুধবার ও শনিবার কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী এবং রাজারহাট, রংপুরের কাউনিয়া ও মিঠাপুকুরসহ নানা এলাকা থেকে কৃষক, পাইকার ও মহাজনরা সুপারি কেনাবেচা করার জন্য আসেন।
হাট সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর এ সময়ে দেশি মজা সুপারি প্রতি পোন (৮০টি) ৩০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমান বাজার পরিস্থিতি তা ১৫০ থেকে ৩৫০ টাকায় নেমে আসছে। একইভাবে প্রতি কাউন (১৬ পোন) সুপারির দাম গত বছরের ৪ হাজার ৮০০ থেকে ৯ হাজার ৬০০ টাকার পরিবর্তে বর্তমানে ২ হাজার ৪০০ থেকে ৫ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কৃষক সাঈদ আলী বলছেন, গত বছরের তুলনায় এবার মজা সুপারি বিক্রি করে ন্যায্যমূল্য পাওয়া যাচ্ছে না। বড়বাড়ী ইউনিয়নের কৃষক জাহিদুল ইসলাম জানান, প্রায় অর্ধেক দামে সুপারি বিক্রি করতে হচ্ছে। এই অবস্থায় সংরক্ষণ ও শ্রমিকের খরচও উঠে আসছে না।
ব্যবসায়ী মোস্তফা হোসেন জানাচ্ছেন, তিনি লাভের আশায় মৌসুমের শুরুতে সুপারি কিনে পানির নিচে সংরক্ষণ করেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে বাজারের দরে ক্রয়মূল্যই উঠছে না। পরিবহন ও সংরক্ষণ ব্যয় যোগ হওয়ায় তার লোকসান আরও বেড়ে গেছে।
মহাজন ফজলুর রহমান বলছেন, সাধারণত মৌসুমের শেষ দিকে সংরক্ষিত সুপারির চাহিদা বেড়ে যায়। কিন্তু এবারে বাজারে সরবরাহ বেশি রয়েছে, ফলে সেই চাহিদা তৈরি হয়নি। অপর মহাজন আব্দুল আজিজের মতে, অতিরিক্ত সংরক্ষিত সুপারি একসঙ্গে বাজারে আসার কারণে প্রতিযোগিতা বেড়ে গেছে এবং দাম হ্রাস পেয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. সাইখুল আরিফিন মন্তব্য করেছেন, লালমনিরহাটে গ্রামাঞ্চলের বাড়ির আঙিনা, পুকুরপাড় ও নদী তীর জুড়ে প্রচুর সুপারি গাছ রয়েছে। এ ছাড়া জেলায় ৫১৪ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে সুপারির চাষ হয়। সুপারির দাম মূলত উৎপাদন, সরবরাহ ও বাজারের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়ে থাকে।
জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ বলেছেন, মজা সুপারির বর্তমান বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তার কাছে নেই। তিনি এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বাজারে চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য ফিরলে দাম বাড়তে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি যদি দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে উত্তরাঞ্চলের মজা সুপারি খাতের সঙ্গে যুক্ত হাজারো কৃষক ও ব্যবসায়ী বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়তে পারেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দুস্থ, অসহায়, অসুস্থ, প্রতিবন্ধী ও গৃহহীন এবং দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য নগদ অর্থ সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজিত কাজের অংশ হিসেবে উপজেলা পরিষদের হলরুমে ৫৭ জন উপকার ভোগীর হাতে নগদ অর্থ সহায়তার চেক তুলে দেন পটুয়াখালী-৪, কলাপাড়া আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি।
কলাপাড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় এবং ইউএনও মো. আরিফুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ূন সিকদার, পৌর বিএনপির সভাপতি গাজী মো. ফারুক, সাধারন সম্পাদক মুসা তাওহীদ নান্নু মুন্সি, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার নাসির উদ্দিন, কৃষি কর্মকর্তা মো. আরাফাত হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান প্রমুখ।
কলাপাড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ হতে ৫৭ জন উপকারভোগী প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে মোট ৫ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার অর্থ সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ