প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বলার বিল খাল ও মইজগা-চাকুরিয়া ও ঢালিয় বিল খাল পুনঃখনন প্রকল্পের শ্রমিক তালিকা দাখিলের ক্ষেত্রে বিলম্ব এবং প্রকল্প স্থানে পানি বিদ্যমান থাকার কারণে সরকারের কোষাগারে ফেরত যাচ্ছে ৯৯ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
দুটি খালের বরাদ্দের পুরো অর্থ যদি ব্যয় না হয়, সেক্ষেত্রে অব্যায়িত অর্থ সংশ্লিষ্ট সরকারি তহবিলে জমা দিচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমিন পাপ্পা।
জানা গেছে যে, দুটি খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে দুটি খালে মোট বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৩১ লাখ ৮২ হাজার ২২৭ টাকা।
এর মধ্যে বলার বিল খালের পুনঃখনন প্রকল্পের ওয়েজ খাতের অংশ হিসাবে ৫৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা ও মইজগা-চাকুরিয়া এবং ঢালিয়া বিল খালের পুনঃখনন প্রকল্পের ননওয়েজ খাত থেকে ৪২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ফেরত যাচ্ছে।
দুটি খালের পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন এমপি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমীন পাপ্পা জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন। শ্রমিকদের তালিকা দাখিলে বিলম্ব, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, এবং নিয়োজিত শ্রমিকের সংখ্যা কম থাকায় খালের ড্রেসিং ও স্লোপিংয়ের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও জানান, প্রকল্পের কাজ শতভাগ সম্পন্ন না হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রকল্পের কাজে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে যে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলার সিধলা ইউনিয়নের ৬নং ও ৭নং ওয়ার্ডের বলার বিল খাল পুন:খনন কর্মসূচির অধীনে ওয়েজ খাতে ৭৬ লাখ ১০ হাজার ৮২৭ টাকা এবং ননওয়েজ হিসেবে ৬৩ লাখ ৮৯ হাজার ৮০১ কোটি ৪০ লাখ ৬২৭ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।
খালটির খনন কাজ সম্পন্ন হলে গড় গভীরতা ২.০ মিটার, ১ হাজার ৯শ মিটার উপরিভাগ ৬.৫ মিটার, তলদেশ ২.৫ মিটার এবং গড় গভীরতা ২ মিটার হবে।
অপরদিকে বোকাইনগর ইউনিয়নের মইজগা বিল থেকে চাকুরিয়া বিল হয়ে ঢালিয়া বিল পর্যন্ত খালের পুনঃখনন খাতে ওয়েজ ৪০ লাখ ৬০ হাজার ৩শ টাকা এবং ননওয়েজ হিসেবে ৫১ লাখ ২১ হাজার ৩শ টাকার মোট বরাদ্দ ৯১ লাখ ৮১ হাজার ৬শ টাকা প্রদান করা হয়েছে। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী কাজটি সম্পন্ন হলে খালের গড় গভীরতা ২.০ মিটার, দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৯৩৬ মিটার, উপরিভাগ ৭.৫ মিটার, তলদেশ ৩.৫ মিটার হবে এবং গড় গভীরতা ২ মিটার হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন