বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৫৯ পি.এম
ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) সদর দফতরে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। হুমকি সম্বলিত একটি ই-মেইল পাঠানোর পরপরই তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ইসরো-এর চেয়ারম্যান ড. ভি নারায়ণনের কার্যালয়ে এই হুমকিমূলক ই-মেইলটি পাঠানো হয়। সতর্কবার্তা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ এবং বম্ব স্কোয়াডের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং পুরো কার্যালয় চত্বরে পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি চালান।
তবে, তল্লাশি চলাকালে বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত ওই সদর দফতর থেকে কোনও বিস্ফোরক ডিভাইস বা বস্তু উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এদিকে, ই-মেইলটি কে পাঠিয়েছে এবং এর পেছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে তা উদঘাটন করতে ইতোমধ্যেই পুলিশের একাধিক দল মাঠে নেমেছে। এই ই-মেইলের উৎস দেশের বাইরে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে, এই ধরনের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। গত বছরও দিল্লির ডিপিএস দ্বারকা, কৃষ্ণা মডেল স্কুল এবং সর্বোদয় বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি স্কুলে একই ধরনের হুমকিমূলক ই-মেইল পাঠানো হয়েছিল, যার ফলে স্কুলগুলোতে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়।
ইসরো কার্যালয়ে পাঠানো এই হুমকির ঘটনায় তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হারারেতে অনুষ্ঠিত সিরিজের একমাত্র টেস্টে সফরকারী বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ও ৮৫ রানের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে। ২৫ বছর পরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে হারে হাঁটার কারণে তাদের একাদশ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার ধারণা নাকচ করে দিয়েছেন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন। তিনি জানান, দলের পরিকল্পনায় বিশাল কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি, যদিও অনেক নিয়মিত খেলোয়াড় মাঠে ছিলেন না।
বাংলাদেশ দুই ইনিংসে ২শ রানের গন্ডি স্পর্শ করতে পারেনি। ২৫ বছর পরে ইনিংস ব্যবধানে হারের পেছনে এই বিষয়টি ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ না হওয়া এই ম্যাচে নিয়মিত খেলোয়াড় তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানা বিশ্রামে ছিলেন। অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজও খেলেননি। ইনজুরির কারণে ব্যাটার লিটন দাসকে মাঠে দেখা যায়নি। এই ম্যাচেই দুই নতুন খেলোয়াড় তাওহিদ হৃদয় ও উইকেটরক্ষক অমিত হাসানের টেস্ট অভিষেক হয়।
বাশার এ পরিবর্তনগুলোকে কোনোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হিসেবে গণ্য করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, 'আমরা ওয়ানডেতে কোনো পরিবর্তন করিনি। টেস্টেও খুব বেশি পরিবর্তন আনা হয়নি। ব্যাটিং লাইনআপ আগের মতোই ছিল। নিয়মিত ব্যাটারদের মধ্যে লিটন ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি।'
বিশ্রামের পেসারদের বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন প্রধান নির্বাচক। তিনি জানান, কাজের চাপ সামলানো গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি আরো বলেন, 'তাসকিন ও নাহিদকে দিয়ে সব টেস্ট খেলা সম্ভব নয়। যারা খেলেছে, তারা সবাই মূল স্কোয়াডেরই সদস্য। এবাদত, নাঈম ও খালেদ টেস্ট স্কোয়াডের অংশ এবং তারা নিয়মিতভাবেই টেস্ট খেলে থাকে। টেস্ট দলের জন্য নতুন খেলোয়াড় খুব বেশি নেওয়া হয়নি।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এ বছর সফলভাবে হজ-পরবর্তী ফ্লাইট কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে এবং সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশি হাজিদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করেছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের ম্যানেজার আনন্দ সান্যাল আজ বাসসকে এ কথা জানান, জাতীয় পতাকাবাহী এ সংস্থা ২০২৬ সালের হজ ফ্লাইট কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এ সময় তারা ২২০টি বিশেষ ও নিয়মিত ফ্লাইটের মাধ্যমে মোট ৭০ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রীকে পরিবহন করেছে।
তিনি আরও জানান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এয়ারলাইন্সটি ১২টি নিয়মিত ফ্লাইটের মাধ্যমে সৌদি আরব থেকে আরো ২ হাজার ২০৮ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে।
তিনি বলেন, জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থাটি হজ-পরবর্তী ১০৪টি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করে সৌদি আরব থেকে ৩২ হাজার ২৫৬ জন হাজিকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনেছে। এর পাশাপাশি, হজ-পূর্ব ৯৮টি ফ্লাইটে ৩৮ হাজার ৬৭৯ জন হাজিকে সৌদি আরবে পৌঁছে দিয়েছে।
বিমানের কর্মকর্তা জানান, জাতীয় পতাকাবাহী এ সংস্থা হজ-পরবর্তী কার্যক্রমে নিরাপদ, সময়ানুবর্তী ও মানসম্মত যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
গত ৩০ মে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স হজ-পরবর্তী ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে এবং হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরব থেকে ফেরা হাজিদের ফুল ও পবিত্র জমজমের পানি দিয়ে স্বাগত জানায়।
জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থাটির প্রথম ফিরতি হজ ফ্লাইট বিজি-৩৩৬ জেদ্দা থেকে হাজিদের নিয়ে ওই দিন সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর মাধ্যমে চলতি বছরের হজ-পরবর্তী ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ বিমানবন্দরে হাজিদের স্বাগত জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মরহুম আবুল কাশেম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৮২টি অসচ্ছল ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঢেউটিন, চিকিৎসা সহায়তা, চাল এবং গরিব মেয়েদের বিয়ের জন্য নগদ অর্থ বিতরণ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই মানবিক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক মাওলানা এখলাসুর রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মরহুম আবুল কাশেম ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক, কিউসি লজাস্টিকস লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপক এবং বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পরিষদের কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলাকার সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মাস্টার শাহ আলম এবং সমাজসেবক আখতার উদ্দিন খান।
বক্তব্যের সময় মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, সমাজের সামর্থ্যবান, সচেতন ও শিক্ষিত মানুষ যখন মানবকল্যাণে এগিয়ে আসবে, তখন বৈষম্য কমে যাবে এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা আরো সহজ হবে। তিনি আরও বলেন, রাউজানের সংসদ সদস্য আলহাজ গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী যে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন, সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সমাজের সব শ্রেণি ও পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য প্রদান করেন বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ রাউজান উপজেলা শাখার সভাপতি মাস্টার শাহ আলম, সমাজসেবক আখতার উদ্দিন খান এবং সিকদারপাড়া শাখার সভাপতি আব্দুল মালেক।
পরে প্রায় ৮২টি অসচ্ছল পরিবারের মাঝে চাল, ঢেউটিন, চিকিৎসা সহায়তার অর্থ এবং অসহায় কন্যাদের বিয়ের জন্য নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাস্টার মো. রাশেদ, সমাজসেবক মোহাম্মদ খোকন, মোহাম্মদ সরোয়ার কামাল আজাদ, মো. আব্বাস আলী খান, মো. শহিদুল ইসলাম খান, মো. জুবায়ের আলম চৌধুরী, মো. আব্দুল খালেকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমিকম্পে হারানো স্বজনের খোঁজে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছেন ভেনেজুয়েলার ইকুয়েডর, সুইজারল্যান্ড ও জার্মানিতে অবস্থানরত ভেনেজুয়েলার নাগরিক মারিয়া পেসিনা তাঁর ভাইবোনদের সঙ্গে গত আট দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন চ্যাট গ্রুপে তাদের মাকে খুঁজে ফিরছেন। প্যারিস থেকে এএফপি জানায়, চার দিনের দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর একটি ছবি তাঁদের সবচেয়ে আশঙ্কার খবরটি নিশ্চিত করে, ‘তাদের মা ম্যাগনোলিয়া কারাকাসে ভবন ধসে নিহত হয়েছেন।’ ‘যন্ত্রণার অবসান হলো,’ বলে মন্তব্য করেন পেসিনা, ৭৯ বছর বয়সী মায়ের মরদেহের গায়ে থাকা পোশাক দেখে পরিচয় নিশ্চিত করার পর এএফপিকে। ইকুয়েডরের রাজধানী কুইটোতে কর্মরত এই ভেনেজুয়েলীয় গবেষক নিজের দিক থেকেও ওই দুর্ঘটনার শিকার হতে পারতেন। তিনি তিন সপ্তাহ ধরে মায়ের সঙ্গে কাটিয়ে ২৪ জুন দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে বিমানে ওঠেন। বিমান ওঠার পর কয়েক ঘণ্টা পরই ভেনেজুয়েলায় ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার যুগ্ম ভূমিকম্প আঘাত হানে। ‘ভূমিকম্পটি সংঘটিত হওয়ার সময় আমি বিমানে ছিলাম,’ বলেন তিনি। অবতরণের পর, ‘আমার ফোনে বার্তার এক ভূমিকা বয়ে যায়। সবাই ভেবেছিল আমি এখনও কারাকাসেই আছি।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘বাড়ি পৌঁছানোর আগেই ধসে পড়া ভবনের একটি ভিডিও হাতে পাই। তখন আতঙ্ক আরও বেড়ে যায়।’ এরপর তিনি ও তার ভাইবোনেরা মরিয়া হয়ে মায়ের খোঁজ শুরু করেন। পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের চ্যাটগ্রুপে তথ্য চান। একই সঙ্গে একজনকে নিয়োগ করেন, যিনি কারাকাসের বিভিন্ন হাসপাতালে জীবিত, আহত ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকা খুঁজে দেখেন। হোয়াটসঅ্যাপের একটি গ্রুপের মাধ্যমে ম্যাগনোলিয়ার বসবাস করা ১৪ তলা ‘পেটুনিয়া’ ভবনের বাসিন্দারা যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, পানামা ও ইকুয়েডরে থাকা স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হন। শুক্রবার ওই গ্রুপে একটি বার্তায় জানানো হয়, ম্যাগনোলিয়ার বর্ণনার সঙ্গে মিলে এমন একটি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। পরদিন পোশাক দেখে নিশ্চিত হন সেটি তাঁর মায়ের মরদেহ। পেসিনা বলেন, ‘তিন সপ্তাহ ধরে আমি তার কাপড় ধুয়ে গুছিয়ে রেখেছিলাম। তাই ছবিতে তিনি কী পোশাক পরেছিলেন, তা চিনতে পেরেছি।’ ঘুম হারাম হয়ে গেছে পেসিনা পরিবারের মতো আরও অসংখ্য প্রবাসী ভেনেজুয়েলীয় দূরদেশ থেকে স্বজনদের খুঁজছেন। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৩০০ জন নিহত হয়েছেন এবং এখনও কয়েক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে প্রায় ৭৯ লাখ মানুষ ভেনেজুয়েলা ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। এটি সাম্প্রতিক লাতিন আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জনপলায়ন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা এই প্রবাসীরা ওষুধ, ডায়াপার ও শিশু খাদ্য পাঠানোর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে আবেদন জানাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি থেকে এএফপিকে আন্দ্রে (পূর্ণ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, তার ভগ্নিপতি প্লায়া গ্রান্দের ভায়ার্তা ভবনে ছিলেন। ‘এখনও তার কোনো খবর পাইনি,’ বলেন তিনি। ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়াইরা অঞ্চলের ওই এলাকায় উদ্ধারকারী দল পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দারাই উদ্ধারকাজ চালান। পরে এল সালভাদরের উদ্ধারকারী দল সেখানে যোগ দেয়। আন্দ্রে বলেন, ‘এই বিপর্যয়ের পর থেকে আমি ঘুমাইনি। সাহায্যের আবেদন জানাই, অনুদান সংগ্রহ করি, মানুষকে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিই। সবকিছুরই প্রয়োজন, আর আমার কাছে হাজার হাজার বার্তা আসছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার তার ভগ্নিপতির ভবনে উদ্ধার অভিযান স্থগিত হয়ে যায়, কারণ স্থানীয় বাসিন্দারা ধ্বংসস্তূপ থেকে অর্থ চুরির সময় কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। ‘তারা মানুষের প্রাণ বাঁচাতে সময়মতো আসেনি। হয়তো প্রথম কয়েক ঘণ্টায় আমার ভগ্নিপতি জীবিত ছিলেন। কিন্তু চুরি করতে তারা ঠিকই সময়মতো এসে গেছে,’ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আন্দ্রে। শরীর এখানে, মন পড়ে আছে ওখানে স্পেনে বসবাসরত ব্রোলি রুম্বোস জানতে পারেন, তার এক বন্ধু লা গুয়াইরার ধসে পড়া একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিজের পরিবারের সদস্যদের খুঁজেছেন। স্কুলজীবনের বন্ধুদের চ্যাটগ্রুপে তিনি লেখেন, ‘এত দূরে থেকে স্বাভাবিক জীবন চালিয়ে যাওয়া খুব অদ্ভুত লাগে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘আমরা এখানে আছি, কিন্তু আমাদের মন পড়ে আছে ওখানে।’ এদিকে পেসিনা পরিবার এখন ভাবছে, কীভাবে তাঁদের মাকে শেষ বিদায় জানানো হবে। ম্যাগনোলিয়ার দেহভস্ম তার বোনদের কাছে পৌঁছানোর পর সম্ভবত অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। পেসিনা বলেন, ‘কবে হবে, জানি না। এখন সবকিছুই সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল।’ তবে একটি বিষয়ে তিনি নিশ্চিত—শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে গান থাকবে। কারণ, ‘আমার মা গান গাইতে খুব ভালোবাসতেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ