ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের মূলভিত্তি: আজ সংবিধান দিবস


গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের মূলভিত্তি: আজ সংবিধান দিবস

॥ এস এম আশিকুজ্জামান ॥

ঢাকা, ৪ নভেম্বর, ২০২৬ : আজ বাংলাদেশের সংবিধান দিবস পালিত হচ্ছে। ১৯৭২ সালের এই দিনে গণপরিষদে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে এটি কার্যকর হয়।

একটি স্বাধীন দেশের জন্য সংবিধান একটি অনন্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি কেবল একটি আইনি দলিল নয়, বরং একটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক দর্শনের প্রতিফলন। এই দর্শনের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো ‘সাংবিধানিক প্রাধান্য’ বা কনস্টিটিউশনাল সুপ্রিমেসি।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন, তাই ভাঙা রাস্তায় পড়ছে নতুন পিচ!

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত হিসেবে সাংবিধানিক প্রাধান্যকে দেখা হয়। এর মানে হলো, দেশের সকল নাগরিক আইনের চোখে সমান এবং কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।

সাংবিধানিক প্রাধান্য কী?

সাংবিধানিক প্রাধান্যের অর্থ হলো রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যে সংবিধানই সর্বোচ্চ আইন। রাষ্ট্রের তিনটি মূল অঙ্গ— আইনসভা (সংসদ), শাসনবিভাগ (সরকার) ও বিচারবিভাগ— তাদের সকল ক্ষমতা সংবিধান থেকে প্রাপ্ত হয় এবং তাদের কার্যক্রমও সংবিধানের গণ্ডির মধ্যে পরিচালিত হতে হয়।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদে সাংবিধানিক প্রাধান্যের বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। সংবিধানের ৭(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে।’

আরও পড়ুন: মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

অন্যদিকে, আমাদের সংবিধানের ৭(২) অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসামঞ্জস্য হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে।’ এর মানে হলো, এমন কোনো আইন পাস করা যাবে না, যা সংবিধানের মূল কাঠামোর পরিপন্থী।

সাংবিধানিক প্রাধান্যের গুরুত্ব কী? সংবিধানে নাগরিকদের জীবন, স্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা, চলাফেরা ও সমাবেশের অধিকারসহ নানা মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। সাংবিধানিক প্রাধান্য নিশ্চিত করে যে রাষ্ট্র বা সরকার নাগরিকদের এসব অধিকার খেয়াল খুশিমতো খর্ব করতে পারবে না।

এছাড়া, রাষ্ট্রের কোনো একটি অঙ্গ যেন অতিরিক্ত ক্ষমতাশালী হয়ে স্বৈরাচারী রূপ নিতে না পারে, তা নিশ্চিত করে সংবিধান। আইনসভা আইন তৈরি করবে, শাসনবিভাগ তা প্রয়োগ করবে এবং বিচারবিভাগ তা ব্যাখ্যা করবে— এই ‘চেকস অ্যান্ড ব্যালেন্স’ বা ক্ষমতার ভারসাম্য সাংবিধানিক প্রাধান্যের ফল।

তবে দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন সময় অগণতান্ত্রিক পন্থায় সংবিধানকে কাঁটাছেঁড়া করার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে বিচারবিভাগ তার বিভিন্ন ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে সংবিধানের মূল কাঠামোকে রক্ষার চেষ্টা করেছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ : রিজভী

সর্বোপরি, সাংবিধানিক প্রাধান্যকে কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবে রূপ দিতে হলে বিচারবিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা অপরিহার্য। সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের অভিভাবক। কোনো আইন বা পদক্ষেপ সংবিধানের পরিপন্থী হলে, তা বাতিল করার ক্ষমতা (জুডিশিয়াল রিভিও) সুপ্রিম কোর্টের রয়েছে। এই ক্ষমতার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রয়োগই সাংবিধানিক প্রাধান্যকে সমুন্নত রাখতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লক্ষ্মীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনে ভস্মীভূত বেদে সম্প্রদায়ের ৪ বসতঘর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০২ পি.এম


লক্ষ্মীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনে ভস্মীভূত বেদে সম্প্রদায়ের ৪ বসতঘর

লক্ষ্মীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন লাগার কারণে চারটি বসতঘর সম্পূর্ণরূপে পুড়ে গেছে। ওই চারটি ঘরে বেদে সম্প্রদায়ের ১১টি পরিবারের বসবাস ছিল।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ মজুপুর গ্রামের নির্বাচন অফিসের পেছনে এই ঘটনা ঘটে।

আগুন নেভানোর সময় ইসমাত আরা নামে এক নারী আহত হন। এছাড়া দুর্ঘটনাস্থলে শিকলে বাঁধা একটি বানরও পুড়ে মারা যায়।

ফায়ারসার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগুনের ফলে ১০-১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, তাদের ৪০ লক্ষাধিক টাকার সম্পদ ক্ষতি হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রওশন আলী নামে এক ব্যক্তির ঘরে তার পুত্রবধু গ্যাস সিলিন্ডারে রান্না করছিলেন। হঠাৎ সিলিন্ডারের মুখে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে ঘরের আসবাবপত্রে আগুন লেগে যায়। এ সময় সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে আগুন পুরো ঘর এবং আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন জাতীয় জরুরী সেবা নাম্বার ৯৯৯-এ কল করে ফায়ারসার্ভিসকে ঘটনাস্থলে ডেকে আনে এবং তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ফলে পাশের অন্য ঘরগুলো রক্ষা পায়।

আগুন নেভানোর সময় মাথায় কাঠ পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নারী ইসমাত আরা মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন। তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল ও ফয়জুল আজিম বলেন, আগুনের লেলিহান শিখা মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। ফলে চারটি বসতঘর একেবারে ভস্মীভূত হয়ে যায়। ওই চারঘরে রওশন আলী ও খলিলুর রহমানের ১১ ছেলে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন।

ক্ষতিগ্রস্ত মোশাররফ হোসেন বলেন, ঘরে স্বর্ণালংকার ছিল। আগুনে আমার ৭-৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এভাবে আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত। সবমিলিয়ে আমাদের ৪০ লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি হতে পারে।

১০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলা উদ্দিন বলেন, ভুক্তভোগীরা বেদে সম্প্রদায়ের বাসিন্দা। তারা স্থায়ীভাবে বসতঘর তৈরি করে বসবাস করছেন। তারা একেবারে নিরীহ। বসতঘর ছাড়া তাদের আর কিছু ছিল না। ১১টি পরিবার তাদের মাথাগোঁজার ঠাঁই হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে। সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা কামনা করছি।

লক্ষ্মীপুর ফায়ারসার্ভিসের স্টাফ অফিসার মো. জসীম উদ্দীন বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আমরা ১৫ মিনিটের মধ্যে আগুন নেভাতে সক্ষম হই। গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। দুই ব্যক্তির মালিকানাধীন ১১টি কক্ষ পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ১০-১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মেহেদী হাসান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মো: রফিকুল ইসলাম। পরিদর্শন শেষে ক্ষতিগ্রস্তদের ঢেউটিন এবং নগদ অর্থ সহায়তার আশ্বাস দেন ইউএনও।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কঙ্গো শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ১৩৫ সদস্যের প্রতিস্থাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


কঙ্গো শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ১৩৫ সদস্যের প্রতিস্থাপন

ঢাকা, ৪ নভেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক কঙ্গোতে নিয়োজিত ইউটিলিটি এভিয়েশন ইউনিট কন্টিনজেন্টের ১৩৫ জন শান্তিরক্ষীকে প্রতিস্থাপন করার কার্যক্রম শুরু করেছে।

বর্তমানে কঙ্গোতে অবস্থানরত কন্টিনজেন্টটি নতুন কন্টিনজেন্ট দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে, যার অংশ হিসেবে বিমান বাহিনীর ১১১ জন সদস্য আজ বুধবার ঢাকা থেকে কঙ্গোর উদ্দেশ্যে একটি জাতিসংঘের ভাড়াকৃত বিমানে (ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স) যাত্রা শুরু করেছে।

এই কন্টিনজেন্টের নেতৃত্বে থাকবেন এয়ার কমডোর এ টি এম ইরফানুর রহমান।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, কঙ্গোতে চলমান সংঘাত নিরসনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্যরা তাদের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং আন্তরিকতার মাধ্যমে সরকারের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। তাদের অর্জিত সুনাম ও সাফল্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে, শান্তিরক্ষীরা ভবিষ্যতে আরো উৎকর্ষ অর্জনের প্রত্যাশায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে একটি বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিদায়ী সদস্যদের বিদায় জানানোর জন্য বিমান বাহিনীর সহকারী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল রুসাদ দীন আছাদ এবং বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বিমান বন্দরে উপস্থিত ছিলেন।

গত ১ নভেম্বর বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন কঙ্গোগামী বিমান বাহিনী কন্টিনজেন্ট সদস্যদের উদ্দেশ্যে বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে একটি ব্রিফিং প্রদান করেন এবং মিশনের সাফল্য কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সদস্যদের সততা, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের আহবান জানান, যাতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এবং দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনা সম্ভব হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৭ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নদের তালিকায় বাংলাদেশকে দেখছেন না ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


২০২৭ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নদের তালিকায় বাংলাদেশকে দেখছেন না ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক

ওয়ানডে বিশ্বকাপের শুরুতে এখনো প্রায় ১ বছর বাকি রয়েছে। তবে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। মাইকেল ভনের ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, এটি অস্বাভাবিক নয় যে তিনি এত তাড়াতাড়ি ভবিষ্যদ্বাণীতে নাম লেখাচ্ছেন।

ভন ২০২৭ বিশ্বকাপে সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। তার মতে, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড এবং স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা শিরোপা জয়ের জন্য প্রতিযোগিতা করতে পারে। ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক এই মন্তব্য করেছেন ‘স্টিক টু ক্রিকেট’ পডকাস্টে।

বাংলাদেশ এই তালিকায় রয়েছে কি না জানতে চাইলে ভন জানান, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় থাকবে তবে শিরোপা জিততে পারবে না। ৫২ বছর বয়সী সাবেক ব্যাটার বলেছেন, ‘এই তালিকায় নেই বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা আমি দেখছি না। তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ঠিকই। তবে শিরোপা যাবে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরে।’

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ হবে আইসিসির ১৪তম আসর। এই আসরের আয়োজক তিন দেশ হলো—দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে এবং নামিবিয়া। ১৪ দলের এই টুর্নামেন্ট শুরু হবে আগামী বছরের ৪ অক্টোবর। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২১ নভেম্বর। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হলো ৬ বারের অস্ট্রেলিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বার্সেলোনা আর্সেনালের তারকাকে দলে চায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৪ পি.এম


বার্সেলোনা আর্সেনালের তারকাকে দলে চায়

আসন্ন শীতকালীন দলবদলের জন্য ইকুয়েডরের প্রতিভাবান ডিফেন্ডার পিয়ারো হিনক্যাপিকে নতুন টার্গেট হিসেবে চিহ্নিত করেছে বার্সেলোনা। কাতালান ক্লাবটির স্পোর্টিং ডিরেক্টর ডেকো ইতিমধ্যেই ২৪ বছর বয়সী এই দক্ষিণ আফ্রিকান তারকার এজেন্টের সঙ্গে প্রাথমিক যোগাযোগ শুরু করেছেন, যাতে এই দলবদলের সম্ভাবনা ও সম্ভাব্যতা যাচাই করা যায়।

চলতি মৌসুমে ইংলিশ ক্লাব আর্সেনালের হয়ে কাঙ্ক্ষিত ম্যাচ খেলার সময় পাচ্ছেন না এই তরুণ ডিফেন্ডার। আর্সেনালে তার এই পরিস্থিতির সুযোগ নিতে চাইছে বার্সেলোনা। বার্সার ডেকো এবং দলের প্রধান কোচ হান্সি ফ্লিক হিনক্যাপির বহুমুখী প্রতিভার বড় ভক্ত। সেন্ট্রাল ব্যাক (সেন্টার ব্যাক) এবং লেফট-ব্যাক—উভয় পজিশনে সমান দক্ষতার সঙ্গে পারফর্ম করার সক্ষমতা রয়েছে এই তারকার।

তবে বার্সার তীব্র আগ্রহ ও প্রাথমিক উদ্যোগ সত্ত্বেও, এই ট্রান্সফার প্রক্রিয়াটি শুরুতেই বড় এক বাধার সম্মুখীন হয়েছে। জানুয়ারি উইন্ডোতে এই ইকুয়েডরিয়ান তারকাকে ছাড়তে রাজি নন আর্সেনালের স্প্যানিশ বস মিকেল আর্তেতা। ফলে শীতকালীন দলবদলে তাকে ন্যু ক্যাম্পে নিয়ে আসা বার্সেলোনার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%