বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:০৯ পি.এম
চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মরহুম আবুল কাশেম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৮২টি অসচ্ছল ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঢেউটিন, চিকিৎসা সহায়তা, চাল এবং গরিব মেয়েদের বিয়ের জন্য নগদ অর্থ বিতরণ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই মানবিক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক মাওলানা এখলাসুর রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মরহুম আবুল কাশেম ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক, কিউসি লজাস্টিকস লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপক এবং বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পরিষদের কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলাকার সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মাস্টার শাহ আলম এবং সমাজসেবক আখতার উদ্দিন খান।
বক্তব্যের সময় মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, সমাজের সামর্থ্যবান, সচেতন ও শিক্ষিত মানুষ যখন মানবকল্যাণে এগিয়ে আসবে, তখন বৈষম্য কমে যাবে এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা আরো সহজ হবে। তিনি আরও বলেন, রাউজানের সংসদ সদস্য আলহাজ গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী যে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন, সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সমাজের সব শ্রেণি ও পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য প্রদান করেন বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ রাউজান উপজেলা শাখার সভাপতি মাস্টার শাহ আলম, সমাজসেবক আখতার উদ্দিন খান এবং সিকদারপাড়া শাখার সভাপতি আব্দুল মালেক।
পরে প্রায় ৮২টি অসচ্ছল পরিবারের মাঝে চাল, ঢেউটিন, চিকিৎসা সহায়তার অর্থ এবং অসহায় কন্যাদের বিয়ের জন্য নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাস্টার মো. রাশেদ, সমাজসেবক মোহাম্মদ খোকন, মোহাম্মদ সরোয়ার কামাল আজাদ, মো. আব্বাস আলী খান, মো. শহিদুল ইসলাম খান, মো. জুবায়ের আলম চৌধুরী, মো. আব্দুল খালেকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমিকম্পে হারানো স্বজনের খোঁজে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছেন ভেনেজুয়েলার ইকুয়েডর, সুইজারল্যান্ড ও জার্মানিতে অবস্থানরত ভেনেজুয়েলার নাগরিক মারিয়া পেসিনা তাঁর ভাইবোনদের সঙ্গে গত আট দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন চ্যাট গ্রুপে তাদের মাকে খুঁজে ফিরছেন। প্যারিস থেকে এএফপি জানায়, চার দিনের দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর একটি ছবি তাঁদের সবচেয়ে আশঙ্কার খবরটি নিশ্চিত করে, ‘তাদের মা ম্যাগনোলিয়া কারাকাসে ভবন ধসে নিহত হয়েছেন।’ ‘যন্ত্রণার অবসান হলো,’ বলে মন্তব্য করেন পেসিনা, ৭৯ বছর বয়সী মায়ের মরদেহের গায়ে থাকা পোশাক দেখে পরিচয় নিশ্চিত করার পর এএফপিকে। ইকুয়েডরের রাজধানী কুইটোতে কর্মরত এই ভেনেজুয়েলীয় গবেষক নিজের দিক থেকেও ওই দুর্ঘটনার শিকার হতে পারতেন। তিনি তিন সপ্তাহ ধরে মায়ের সঙ্গে কাটিয়ে ২৪ জুন দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে বিমানে ওঠেন। বিমান ওঠার পর কয়েক ঘণ্টা পরই ভেনেজুয়েলায় ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার যুগ্ম ভূমিকম্প আঘাত হানে। ‘ভূমিকম্পটি সংঘটিত হওয়ার সময় আমি বিমানে ছিলাম,’ বলেন তিনি। অবতরণের পর, ‘আমার ফোনে বার্তার এক ভূমিকা বয়ে যায়। সবাই ভেবেছিল আমি এখনও কারাকাসেই আছি।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘বাড়ি পৌঁছানোর আগেই ধসে পড়া ভবনের একটি ভিডিও হাতে পাই। তখন আতঙ্ক আরও বেড়ে যায়।’ এরপর তিনি ও তার ভাইবোনেরা মরিয়া হয়ে মায়ের খোঁজ শুরু করেন। পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের চ্যাটগ্রুপে তথ্য চান। একই সঙ্গে একজনকে নিয়োগ করেন, যিনি কারাকাসের বিভিন্ন হাসপাতালে জীবিত, আহত ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকা খুঁজে দেখেন। হোয়াটসঅ্যাপের একটি গ্রুপের মাধ্যমে ম্যাগনোলিয়ার বসবাস করা ১৪ তলা ‘পেটুনিয়া’ ভবনের বাসিন্দারা যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, পানামা ও ইকুয়েডরে থাকা স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হন। শুক্রবার ওই গ্রুপে একটি বার্তায় জানানো হয়, ম্যাগনোলিয়ার বর্ণনার সঙ্গে মিলে এমন একটি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। পরদিন পোশাক দেখে নিশ্চিত হন সেটি তাঁর মায়ের মরদেহ। পেসিনা বলেন, ‘তিন সপ্তাহ ধরে আমি তার কাপড় ধুয়ে গুছিয়ে রেখেছিলাম। তাই ছবিতে তিনি কী পোশাক পরেছিলেন, তা চিনতে পেরেছি।’ ঘুম হারাম হয়ে গেছে পেসিনা পরিবারের মতো আরও অসংখ্য প্রবাসী ভেনেজুয়েলীয় দূরদেশ থেকে স্বজনদের খুঁজছেন। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৩০০ জন নিহত হয়েছেন এবং এখনও কয়েক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে প্রায় ৭৯ লাখ মানুষ ভেনেজুয়েলা ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। এটি সাম্প্রতিক লাতিন আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জনপলায়ন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা এই প্রবাসীরা ওষুধ, ডায়াপার ও শিশু খাদ্য পাঠানোর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে আবেদন জানাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি থেকে এএফপিকে আন্দ্রে (পূর্ণ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, তার ভগ্নিপতি প্লায়া গ্রান্দের ভায়ার্তা ভবনে ছিলেন। ‘এখনও তার কোনো খবর পাইনি,’ বলেন তিনি। ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়াইরা অঞ্চলের ওই এলাকায় উদ্ধারকারী দল পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দারাই উদ্ধারকাজ চালান। পরে এল সালভাদরের উদ্ধারকারী দল সেখানে যোগ দেয়। আন্দ্রে বলেন, ‘এই বিপর্যয়ের পর থেকে আমি ঘুমাইনি। সাহায্যের আবেদন জানাই, অনুদান সংগ্রহ করি, মানুষকে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিই। সবকিছুরই প্রয়োজন, আর আমার কাছে হাজার হাজার বার্তা আসছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার তার ভগ্নিপতির ভবনে উদ্ধার অভিযান স্থগিত হয়ে যায়, কারণ স্থানীয় বাসিন্দারা ধ্বংসস্তূপ থেকে অর্থ চুরির সময় কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। ‘তারা মানুষের প্রাণ বাঁচাতে সময়মতো আসেনি। হয়তো প্রথম কয়েক ঘণ্টায় আমার ভগ্নিপতি জীবিত ছিলেন। কিন্তু চুরি করতে তারা ঠিকই সময়মতো এসে গেছে,’ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আন্দ্রে। শরীর এখানে, মন পড়ে আছে ওখানে স্পেনে বসবাসরত ব্রোলি রুম্বোস জানতে পারেন, তার এক বন্ধু লা গুয়াইরার ধসে পড়া একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিজের পরিবারের সদস্যদের খুঁজেছেন। স্কুলজীবনের বন্ধুদের চ্যাটগ্রুপে তিনি লেখেন, ‘এত দূরে থেকে স্বাভাবিক জীবন চালিয়ে যাওয়া খুব অদ্ভুত লাগে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘আমরা এখানে আছি, কিন্তু আমাদের মন পড়ে আছে ওখানে।’ এদিকে পেসিনা পরিবার এখন ভাবছে, কীভাবে তাঁদের মাকে শেষ বিদায় জানানো হবে। ম্যাগনোলিয়ার দেহভস্ম তার বোনদের কাছে পৌঁছানোর পর সম্ভবত অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। পেসিনা বলেন, ‘কবে হবে, জানি না। এখন সবকিছুই সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল।’ তবে একটি বিষয়ে তিনি নিশ্চিত—শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে গান থাকবে। কারণ, ‘আমার মা গান গাইতে খুব ভালোবাসতেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল বিশ্বকাপের অভিষেকেই কেপ ভার্ডে সবাইকে চমকে দিয়েছে। তাদের গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই ড্র করে ৩২’এ জায়গা করে নিয়েছে। এবার তারা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে।
কেপ ভার্ডের সহকারী কোচ উমবেহতো বেতোকু জানিয়েছেন, আর্জেন্টিনার সেরা খেলোয়াড় লিওনেল মেসির জন্য তারা কোন বাড়তি পরিকল্পনা নেই।
তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, 'লিওনেল মেসিকে নিয়ে আমাদের কোন বাড়তি পরিকল্পনা নেই। আমাদের নজর থাকবে প্রতিপক্ষের পরিকল্পনার দিকে।'
বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান স্পেনের সাথে গোলশূন্য ড্র করে কেপ ভার্ডে। 'এইচ' গ্রুপের পরের ম্যাচে যদিও তারা পিছিয়ে পড়েও উরুগুয়ের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে। তৃতীয় এবং শেষ ম্যাচে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করে তারা গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে ৩২’এ স্থান করে নেয়।
গ্রুপ পর্বের পারফরমেন্সকে ধরে রেখে কেপ ভার্ডে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সাফল্য কামনা করছে। যদিও আর্জেন্টিনা ফেভারিট, বেতোকু পরিসংখ্যান নিয়ে চিন্তিত নন। তিনি বলছেন, 'আলবিসেলেস্তেদের মুখোমুখি হওয়া একটি আনন্দের বিষয়। তবে পরিসংখ্যান কোন কিছুই নয়। ফুটবলে ইতিহাসের অসংখ্য ম্যাচের ফলাফল দেখাচ্ছে মাঠে কি ঘটছে সেটাই মূল বিষয়। এছাড়াও, আমরা আমাদের লক্ষ্য ও প্রত্যাশার উপর বেশ মনোযোগী।'
মেসি সম্পর্কে বেতোকু জানান, 'ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়ার ক্ষমতা মেসির মধ্যে রয়েছে। তবে আমরা সবসময় দলের সমন্বয়ের উপর নজর রাখি। যেমন, প্রতিপক্ষের কি ধরনের কম্বিনেশন থাকতে পারে এবং মেসির জন্য তারা কিভাবে জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করবে।'
আগামী ৪ জুলাই ভোর ৪টায় কেপ ভার্ডে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নবগঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জাসাসের রাউজান উপজেলা এবং পৌরসভা শাখার যৌথ উদ্যোগে একটি পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভাটি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জননেতা গোলাম আকবর খোন্দকারের গহিরাস্থ বাসভবনের আঙিনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জাসাসের সভাপতি আল মারুফ চৌধুরী এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মো. শফিউল আলম চৌধুরী, রাউজান পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার উদ্দিন খান চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জি. এম. মোরশেদ চৌধুরী, রাউজান উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আলহাজ আব্দুল মান্নান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি বাবু কমলেন্দু শীল ও মুরাদুল ইসলাম, রাউজান পৌর যুবদলের সভাপতি মহিউদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সেফায়েত হোসেন রাকিব, আরাফাত হোসেন সানি, রাউজান উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি মোহাম্মদ ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এনাম, উপজেলা তাঁতী দলের সভাপতি মোহাম্মদ জানে আলম, উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাবের, সাংগঠনিক সম্পাদক আসক বড়ুয়া, পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি মোহাম্মদ আরিফ এবং সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন সিকদার। এছাড়াও অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পাহাড়তলী বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, নোয়াপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম, সিগদাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহবুল আলম, রাউজান পৌর জাসাসের সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারেক, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সামির, তপু বড়ুয়া, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, ওয়াইস করনি, মো. জাহাঙ্গীর, আক্কাস, আলাউদ্দিনসহ রাউজান উপজেলা বিএনপি ও এটির বিভিন্ন অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভায় বক্তারা সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তারা জাসাসের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পরিচিতি সভা শেষে রাউজান পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার উদ্দিন খান চৌধুরীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি বিনামূল্যে খতনা (সুন্নতে খতনা) কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ন্যাটোভুক্ত দেশের সুইডেনের অবস্থানরত রাশিয়ার দূতাবাসে একটি অভিনব ড্রোন হামলা ঘটে। এ সময় একটি ড্রোন থেকে লাল রং ভর্তি একটি বাক্স ফেলা হয়েছে এবং অন্য একটি ড্রোন থেকে একটি নকল বিস্ফোরক ফেলা হয়েছে, এ কথা দাবি করেছে সুইডিশ কর্তৃপক্ষ।
রুশ বার্তা সংস্থা তাস নিউজ জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার দূতাবাসের টেলিগ্রাম চ্যানেলের মাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সুইডেনে রাশিয়ার দূতাবাস ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। একটি কোয়াডকপ্টার দূতাবাসের প্রাঙ্গণে লাল রং ভর্তি একটি বাক্স ফেলেছে। অন্য একটি ড্রোনের সঙ্গে নকল বিস্ফোরক যন্ত্রটি দূতাবাসের নির্মাণের পাশেই পড়ে যায়।
দূতাবাস এই ঘটনার উল্লেখ করে বলেছে যে, এটি রাশিয়ার কূটনৈতিক মিশনকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের পরিষ্কার চেষ্টা। পাশাপাশি তারা দাবি করেছে যে, এ ধরনের ধারাবাহিক হামলা এবং এর পরিণতির জন্য পুরো দায়ী সুইডেন।
এর আগে রাশিয়ার কূটনৈতিক মিশন জানিয়েছিল, মে ২০২৪ থেকে এখন পর্যন্ত রাশিয়ার কূটনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ১৫টিরও বেশি ড্রোন হামলার ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে।
দূতাবাসের বিবৃতিতে বলা হয়, বহু ঘটনা ঘটেছিল যেখানে ভারী কাচের পাত্রে রং বহন করা হয়েছে, যা বিধ্বস্ত হলে কাচের টুকরা ও ওজনের কারণে গুরুতর আঘাতের সম্ভাবনা তৈরি করে।
রাশিয়ার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিটি ঘটনার পর পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, স্বাগতিক দেশ হিসেবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সুইডেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কূটনৈতিক নোট পাঠানো হয়েছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা অভিযোগ তুলেছেন যে, সুইডিশ সরকার এই ড্রোন হামলার ক্ষেত্রে নীরব সমর্থন জুগিয়ে চলছে।
তিনি সুইডেনকে ভিয়েনা কনভেনশনের অধীনে তার আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা কঠোরভাবে পালনের আহ্বান জানান।
এ মুহূর্তে কোনো হামলাকারী শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি এবং একই ধরনের ঘটনার সংখ্যা অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ