বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:৪৫ এম
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকে। সপ্তাহের একেক দিন একেক এলাকার দোকান ও মার্কেট বন্ধ থাকার বিষয়টি জানা যায়। কিন্তু অনেক সময় গন্তব্যে পৌঁছানোর পর দেখা যেতে পারে যে, সেদিন ওই এলাকার দোকান ও মার্কেট বন্ধ রয়েছে। তাই আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর কোন কোন এলাকার দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে, তা জেনে নেওয়া জরুরি।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে: মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাজাহানপুর, মোহাম্মাদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর-১, মিরপুর স্টেডিয়াম, চিড়িয়াখানা এলাকা, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরারপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলী, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা, রমনা শিশু পার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।
এছাড়া যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে: শাহ্ আলী সুপার মার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্ণফুলি গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট, মাজার কো-অপারারেটিভ মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, গুলিস্তান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, আজিজ কো-অপারেটিভ মার্কেট, সাকুরা মার্কেট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের প্রস্তাবিত নতুন ‘ভিসা পলিসি ২০২৬’-এর খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যে সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। নবগঠিত ৮ সদস্যের কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই কমিটির মূল কার্যপরিধি হবে ‘ভিসা পলিসি ২০২৬’-এর খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণ। এই কমিটি কাজের সুবিধার্থে প্রয়োজনে যেকোনো নতুন সদস্য কো-অপ্ট (অন্তর্ভুক্ত) করতে পারবে। কমিটির সভা প্রয়োজনানুসারে অনুষ্ঠিত হবে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা দেবে। প্রজ্ঞাপনটিতে আরো বলা হয়, নবগঠিত কমিটি কর্তৃক পরিমার্জন করার পর ‘ভিসা পলিসি ২০২৬’-এর চূড়ান্ত খসড়া আগামী মাসের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৈরি আবহাওয়ার কারণে আমদানি-রফতানি ব্যবসা বিপর্যয়ের শিকার হচ্ছে। সাগর উত্তাল ও বৃষ্টির ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে লাইটারেজ জাহাজ ভিড়তে পারছে না। এ কারণে গত ৩ দিন ধরে ৫০টির বেশি মাদার ভ্যাসেল পণ্য খালাস না করেই অলসভাবে বসে রয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীদের দাবী, তাদের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ শত কোটি টাকার বেশি। নগরীর বিভিন্ন স্থানে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর মধ্যে নানামুখী সংকট দেখা দিয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বুধবার পর্যন্ত ৫৫টি মাদার ভ্যাসেল অবস্থান করছে, কিন্তু পণ্য খালাস করতে পারছে মাত্র ৩টি জাহাজ। বাকি ৫২টি জাহাজ দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য বসে রয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার ৪৬টি জাহাজের মধ্যে ৭টি এবং সোমবার ৫০টি জাহাজের মধ্যে ১৪টি পণ্য খালাস করতে পেরেছিল। মূলত সাগর উত্তাল থাকায় এবং বর্হিনোঙর এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়লে পণ্য খালাস বন্ধ রাখতে হয়। বর্তমানে লঘুচাপের কারণে সাগর উত্তাল, সাথে ঝড়ো হাওয়াসহ তুমুল বৃষ্টি আসছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামীম বলেন, বৃষ্টিতে যেসব পণ্য নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেমন: খাদ্যশস্য, সার, এসব পণ্য হ্যান্ডেলিং করতে গেলে ক্ষতি হতে পারে। এর কারণেই হ্যান্ডেলিং বিঘ্নিত হচ্ছে।
বিশাল আকৃতির মাদার ভ্যাসেলগুলো চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান জেটিতে ভেড়ার সুযোগ না পেয়ে বন্দরের নৌ সীমানায় বঙ্গোপসাগরের মহেশখালী-কুতুবদিয়ায় অবস্থান নিয়েছে। সেখান থেকে ছোট আকৃতির লাইটার শিপের মাধ্যমে পণ্য খালাস করা হচ্ছে। সাগরের ঝড়ো হাওয়া এবং ঢেউয়ের কারণে দু'টি জাহাজের মধ্যে সংঘর্ষের শঙ্কা থাকে। এই অবস্থায় মাদার ভ্যাসেল প্রতি দিন ১৫ থেকে ২০ হাজার মার্কিন ডলার ক্ষতির মুখে পড়ছে, বলছেন ব্যবসায়ীরা।
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. আরিফ বলেন, ৫৫টি জাহাজের মধ্যে যেগুলো খুলতে হয়না, সেগুলি ব্যতীত অন্য জাহাজগুলোর ড্যামারেজ প্রতি দিন ২০ থেকে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার আসবে।
প্রবল বর্ষণের ফলে নগরজুড়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে বন্দরের কেন্দ্রীক প্রতিষ্ঠানগুলো এর থেকে বাদ যায়নি। সমুদ্র উপকূলবর্তী স্থানে রাখা কন্টেইনারগুলোর মধ্যে পানি ঢুকে যাওয়ায় আমদানি-রফতানি পণ্য নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে তৈরি পোশাক খাত ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছে বলে দাবি করছেন বিজিএমইএ নেতা।
বিজিএমইএ পরিচালক এম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে গেছে, ফ্যাক্টরিতেও পানি উঠেছে। কন্টেইনারও পানিতে ডুবে গেছে। এখানে বিশাল ক্ষতির সম্ভাবনা আছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান জেটিতে জাহাজ ভেড়া কিংবা কন্টেইনার উঠানামা কার্যক্রম কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও বৃষ্টির কারণে ডেলিভারিতে কিছুটা ধীর গতি রয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে তিন হাজার কন্টেইনার ডেলিভারি হলেও বুধবার তা দুই হাজার ৬০০-এ নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে বিদায় নিলেও, এবারের আসর থেকে বেশ বড় আর্থিক প্রাপ্তি নিয়ে দেশে ফিরছে মিশর। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছ থেকে তারা প্রায় ১৮.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২৮ কোটি টাকা) পুরস্কার পেতে যাচ্ছে ইজিপশিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ)।
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দুর্দান্ত লড়াই করে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। ম্যাচটি চলাকালীন সময়ে মিশর একসময় ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল। তবে শেষের দিকে লিওনেল মেসিদের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের ফলে ৩-২ গোলের নাটকীয় হারে তারা টুর্নামেন্টের বাইরে চলে যায়। মোহাম্মদ সালাহদের দলটি শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হয়।
তবুও, এবারের বিশ্বকাপ মিশরের ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সফল অভিযান হিসেবেই পরিচিত হয়ে থাকবে। নকআউট পর্বে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে তারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউটে জয় পেয়েছে। পরবর্তীতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দীর্ঘ সময় দাপট দেখিয়ে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করেছে।
২০২৬ বিশ্বকাপে মিশর নতুন কিছু রেকর্ডও সৃষ্টি করেছে। তারা বিশ্বকাপের একক আসরে প্রথমবারের মতো পাঁচটি ম্যাচ খেলেছে। পাশাপাশি, পুরো টুর্নামেন্টে ৮ গোল করে বিশ্বকাপের এক আসরে নিজেদের সর্বোচ্চ গোল করার কীর্তিও গড়েছে মিশরীয়রা।
মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি, আর্থিক দিক থেকেও বড় অর্জন এসেছে তাদের। ফিফার বর্তমান প্রাইজমানি কাঠামো অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক ব্যয়ের জন্য অংশগ্রহণকারী প্রতিটি ফেডারেশন পেয়েছে ২.৫ মিলিয়ন ডলার। বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করার জন্য ১০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে। আর শেষ ষোলোতে ওঠার পুরস্কার হিসেবে যোগ হয়েছে অতিরিক্ত ৬ মিলিয়ন ডলার।
সব মিলিয়ে, ফিফার কাছ থেকে মিশরের মোট প্রাপ্তি ১৮.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২৮ কোটি টাকা। মাঠের সফলতার পাশাপাশি এই আর্থিক প্রাপ্তি দেশের ফুটবল উন্নয়নে ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ৫ দিন বন্ধ থাকবে।
গ্রীষ্মকালীন ছুটি উপলক্ষে আগামী ১২ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত পাঁচ দিন দেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকছে।
বুধবার, ৮ জুলাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১২ জুলাই রবিবার থেকে ১৬ জুলাই সময়ের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস বন্ধ থাকবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিত করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ও আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, সরকারি সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ১০ ও ১১ জুলাই, শুক্রবার ও শনিবার, অফিস বন্ধ থাকবে। গ্রীষ্মকালীন ছুটির পর ১৭ ও ১৮ জুলাই, শুক্রবার ও শনিবার, সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে টানা প্রায় ৯ দিনের বিরতি তৈরি হবে।
তবে উল্লেখ্য, এ ছুটি প্রশাসনিক কার্যক্রমের জন্য প্রযোজ্য। একাডেমিক বা পরীক্ষাসংক্রান্ত কার্যক্রমের বিষয়ে পৃথক নির্দেশনা থাকলে তা অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ