প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে বিদায় নিলেও, এবারের আসর থেকে বেশ বড় আর্থিক প্রাপ্তি নিয়ে দেশে ফিরছে মিশর। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছ থেকে তারা প্রায় ১৮.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২৮ কোটি টাকা) পুরস্কার পেতে যাচ্ছে ইজিপশিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ)।
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দুর্দান্ত লড়াই করে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। ম্যাচটি চলাকালীন সময়ে মিশর একসময় ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল। তবে শেষের দিকে লিওনেল মেসিদের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের ফলে ৩-২ গোলের নাটকীয় হারে তারা টুর্নামেন্টের বাইরে চলে যায়। মোহাম্মদ সালাহদের দলটি শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হয়।
তবুও, এবারের বিশ্বকাপ মিশরের ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সফল অভিযান হিসেবেই পরিচিত হয়ে থাকবে। নকআউট পর্বে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে তারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউটে জয় পেয়েছে। পরবর্তীতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দীর্ঘ সময় দাপট দেখিয়ে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করেছে।
২০২৬ বিশ্বকাপে মিশর নতুন কিছু রেকর্ডও সৃষ্টি করেছে। তারা বিশ্বকাপের একক আসরে প্রথমবারের মতো পাঁচটি ম্যাচ খেলেছে। পাশাপাশি, পুরো টুর্নামেন্টে ৮ গোল করে বিশ্বকাপের এক আসরে নিজেদের সর্বোচ্চ গোল করার কীর্তিও গড়েছে মিশরীয়রা।
মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি, আর্থিক দিক থেকেও বড় অর্জন এসেছে তাদের। ফিফার বর্তমান প্রাইজমানি কাঠামো অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক ব্যয়ের জন্য অংশগ্রহণকারী প্রতিটি ফেডারেশন পেয়েছে ২.৫ মিলিয়ন ডলার। বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করার জন্য ১০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে। আর শেষ ষোলোতে ওঠার পুরস্কার হিসেবে যোগ হয়েছে অতিরিক্ত ৬ মিলিয়ন ডলার।
সব মিলিয়ে, ফিফার কাছ থেকে মিশরের মোট প্রাপ্তি ১৮.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২৮ কোটি টাকা। মাঠের সফলতার পাশাপাশি এই আর্থিক প্রাপ্তি দেশের ফুটবল উন্নয়নে ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন