বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:৩৭ এম
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে নরওয়ে বড় দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছে। দলের একাধিক ফুটবলার অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, এবং গোলরক্ষক ওরিয়ান নিয়ল্যান্ড এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ফলে ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের সুস্থ করে তুলতে দলীয় চিকিৎসক ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
নরওয়ে আগামী শনিবার মায়ামিতে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। জয় পেলে তারা সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা অথবা সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে। কোয়ার্টার ফাইনালের আগে স্কোয়াডের কয়েকজন খেলোয়াড়ের অসুস্থ হওয়ার কারণে দলের প্রস্তুতিতে কিছুটা অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
ফক্স স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিয়ল্যান্ড বলেছেন, "খবরটি সত্যি। আমাদের কিছু সমস্যা হয়েছে। আমরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি এবং এই মুহূর্তে দলীয় চিকিৎসক খুব ব্যস্ত।" অসুস্থতার কারণ সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত নন, কিন্তু তার ধারণা, দলের ছুটির সময় কেউ সংক্রমিত হয়েছেন। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, শনিবারের ম্যাচের আগে সবাই সুস্থ হয়ে উঠবেন।
বিশ্বকাপ চলাকালীন নরওয়েকে টানা ভ্রমণের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তারা বস্টন, নিউ জার্সি, ডালাস এবং আবার নিউ জার্সিতে যাতায়াত করেছে। নরওয়ের সংবাদমাধ্যম ডাগব্লাদেত জানিয়েছে, দীর্ঘ বিমানযাত্রা ও ব্যস্ত_schedule-এর প্রভাব খেলোয়াড়দের শারীরিক অবস্থার ওপর পড়তে পারে।
অসুস্থতার কারণে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে ক্রিস্টাল প্যালেসের ফরোয়ার্ড জর্গেন স্ট্রান্ড লারসেন খেলতে পারেননি। একই কারণে ব্রাজিলের বিপক্ষের ম্যাচেও মার্কাস হোলমগ্রেন পেডারসেন মাঠে ছিলেন না।
এছাড়া প্রধান কোচ স্তালে সোলবাক্কেনও অসুস্থতার প্রভাবের শিকার হয়েছেন। ফ্রান্সের বিপক্ষে ৪-১ গোলের পরাজয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে তাকেও কিছুটা অসুস্থ দেখা যায়।
তবে পরিস্থিতিকে খুব গুরুতর মনে করছেন না নরওয়ের কোচ। তার ভাষ্য, "জর্গেনের মূলত জ্বর হয়েছিল। এছাড়া দলের কয়েকজন কাশি ও গলার সমস্যায় ভুগছেন। দীর্ঘ বিমানযাত্রা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং ড্রেসিংরুমের পরিবেশের কারণে এমনটা ঘটতে পারে। আমাদের দলে ৫০ জনের বেশি সদস্য রয়েছে, তাই কেউ না কেউ অসুস্থ হবেই।"
এভাবে সব মিলিয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে নরওয়ের শিবিরে কিছুটা উদ্বেগ থাকলেও, ম্যাচের আগেই খেলোয়াড়দের সুস্থ হয়ে ওঠার ব্যাপারে দলটি আশাবাদী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে দীর্ঘদিন ধরে যে সব বাস পার্কিং করে রাখা ছিল, তাদের অপসারণে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।
এই অভিযানে বুধবার (৮ জুলাই) টার্মিনালের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা টি আর ট্রাভেলসের একটি বাস ক্রেনের মাধ্যমে উত্তরা বিআরটিএ ডাম্পিং স্টেশনে পাঠানো হয়।
এছাড়া, টার্মিনালে পার্কিং করে রাখা আরও ৪২টি বাসও অপসারণ করা হয়েছে। এতে, টার্মিনালের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা খালি হয়েছে। এর ফলে টার্মিনালের যান চলাচল ও ব্যবস্থাপনা আরও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জনস্বার্থে রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনাল এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যান চলাচলে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতে এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকে। সপ্তাহের একেক দিন একেক এলাকার দোকান ও মার্কেট বন্ধ থাকার বিষয়টি জানা যায়। কিন্তু অনেক সময় গন্তব্যে পৌঁছানোর পর দেখা যেতে পারে যে, সেদিন ওই এলাকার দোকান ও মার্কেট বন্ধ রয়েছে। তাই আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর কোন কোন এলাকার দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে, তা জেনে নেওয়া জরুরি।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে: মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাজাহানপুর, মোহাম্মাদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর-১, মিরপুর স্টেডিয়াম, চিড়িয়াখানা এলাকা, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরারপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলী, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা, রমনা শিশু পার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।
এছাড়া যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে: শাহ্ আলী সুপার মার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্ণফুলি গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট, মাজার কো-অপারারেটিভ মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, গুলিস্তান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, আজিজ কো-অপারেটিভ মার্কেট, সাকুরা মার্কেট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের প্রস্তাবিত নতুন ‘ভিসা পলিসি ২০২৬’-এর খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যে সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। নবগঠিত ৮ সদস্যের কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই কমিটির মূল কার্যপরিধি হবে ‘ভিসা পলিসি ২০২৬’-এর খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণ। এই কমিটি কাজের সুবিধার্থে প্রয়োজনে যেকোনো নতুন সদস্য কো-অপ্ট (অন্তর্ভুক্ত) করতে পারবে। কমিটির সভা প্রয়োজনানুসারে অনুষ্ঠিত হবে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা দেবে। প্রজ্ঞাপনটিতে আরো বলা হয়, নবগঠিত কমিটি কর্তৃক পরিমার্জন করার পর ‘ভিসা পলিসি ২০২৬’-এর চূড়ান্ত খসড়া আগামী মাসের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৈরি আবহাওয়ার কারণে আমদানি-রফতানি ব্যবসা বিপর্যয়ের শিকার হচ্ছে। সাগর উত্তাল ও বৃষ্টির ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে লাইটারেজ জাহাজ ভিড়তে পারছে না। এ কারণে গত ৩ দিন ধরে ৫০টির বেশি মাদার ভ্যাসেল পণ্য খালাস না করেই অলসভাবে বসে রয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীদের দাবী, তাদের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ শত কোটি টাকার বেশি। নগরীর বিভিন্ন স্থানে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর মধ্যে নানামুখী সংকট দেখা দিয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বুধবার পর্যন্ত ৫৫টি মাদার ভ্যাসেল অবস্থান করছে, কিন্তু পণ্য খালাস করতে পারছে মাত্র ৩টি জাহাজ। বাকি ৫২টি জাহাজ দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য বসে রয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার ৪৬টি জাহাজের মধ্যে ৭টি এবং সোমবার ৫০টি জাহাজের মধ্যে ১৪টি পণ্য খালাস করতে পেরেছিল। মূলত সাগর উত্তাল থাকায় এবং বর্হিনোঙর এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়লে পণ্য খালাস বন্ধ রাখতে হয়। বর্তমানে লঘুচাপের কারণে সাগর উত্তাল, সাথে ঝড়ো হাওয়াসহ তুমুল বৃষ্টি আসছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামীম বলেন, বৃষ্টিতে যেসব পণ্য নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেমন: খাদ্যশস্য, সার, এসব পণ্য হ্যান্ডেলিং করতে গেলে ক্ষতি হতে পারে। এর কারণেই হ্যান্ডেলিং বিঘ্নিত হচ্ছে।
বিশাল আকৃতির মাদার ভ্যাসেলগুলো চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান জেটিতে ভেড়ার সুযোগ না পেয়ে বন্দরের নৌ সীমানায় বঙ্গোপসাগরের মহেশখালী-কুতুবদিয়ায় অবস্থান নিয়েছে। সেখান থেকে ছোট আকৃতির লাইটার শিপের মাধ্যমে পণ্য খালাস করা হচ্ছে। সাগরের ঝড়ো হাওয়া এবং ঢেউয়ের কারণে দু'টি জাহাজের মধ্যে সংঘর্ষের শঙ্কা থাকে। এই অবস্থায় মাদার ভ্যাসেল প্রতি দিন ১৫ থেকে ২০ হাজার মার্কিন ডলার ক্ষতির মুখে পড়ছে, বলছেন ব্যবসায়ীরা।
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. আরিফ বলেন, ৫৫টি জাহাজের মধ্যে যেগুলো খুলতে হয়না, সেগুলি ব্যতীত অন্য জাহাজগুলোর ড্যামারেজ প্রতি দিন ২০ থেকে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার আসবে।
প্রবল বর্ষণের ফলে নগরজুড়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে বন্দরের কেন্দ্রীক প্রতিষ্ঠানগুলো এর থেকে বাদ যায়নি। সমুদ্র উপকূলবর্তী স্থানে রাখা কন্টেইনারগুলোর মধ্যে পানি ঢুকে যাওয়ায় আমদানি-রফতানি পণ্য নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে তৈরি পোশাক খাত ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছে বলে দাবি করছেন বিজিএমইএ নেতা।
বিজিএমইএ পরিচালক এম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে গেছে, ফ্যাক্টরিতেও পানি উঠেছে। কন্টেইনারও পানিতে ডুবে গেছে। এখানে বিশাল ক্ষতির সম্ভাবনা আছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান জেটিতে জাহাজ ভেড়া কিংবা কন্টেইনার উঠানামা কার্যক্রম কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও বৃষ্টির কারণে ডেলিভারিতে কিছুটা ধীর গতি রয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে তিন হাজার কন্টেইনার ডেলিভারি হলেও বুধবার তা দুই হাজার ৬০০-এ নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ