০৮:৪৭ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে গেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি হাসপাতালের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করার সময় রোগীদের প্রতি অবহেলা, হয়রানি, খাদ্য সরবরাহে অনিয়ম কিংবা স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে আপস না করার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। স্বাস্থ্য সচিব বলেন, ‘জনগণ চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসে শেষ ভরসা নিয়ে। সেই ভরসার জায়গায় কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা দায়িত্বহীনতা বরদাস্ত করা যাবে না। প্রতিটি রোগীকে মানবিক আচরণ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে।’ ষ্টাফের সঙ্গে তিনি আলোচনা করেন, যাতে সরকারী হাসপাতালগুলোতে যেকোনো সমস্যা সমাধানে সতর্কতা ডাকা যায়।
শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন বিভাগ যেমন জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ, পুরুষ ও নারী ওয়ার্ড, প্রসূতি বিভাগ, শিশু ওয়ার্ড, প্যাথলজি বিভাগ এবং রোগীদের জন্য সরবরাহকৃত খাবারের মান পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনের সময়ে তিনি চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন, যাতে স্বাস্থ্যসেবার মান, ওষুধ সরবরাহ, চিকিৎসকদের উপস্থিতি এবং সামগ্রিক পরিবেশ সম্পর্কে যথাযথ তথ্য সংগ্রহ করা যায়।
রোগীদের উদ্দেশ্যে তিনি সুস্পষ্টভাবে জানান, ‘সরকার জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য ও উন্নত করতে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। কোথাও কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি বা সেবায় অবহেলার অভিযোগ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা জনগণের অধিকার, এটি নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।’
তিনি হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় যুক্ত হয়ে বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে সেবার মান উন্নত করার জন্য অবকাঠামো উন্নয়নসহ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মনোভাবেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। রোগীর সঙ্গে ভালো আচরণ এবং দায়িত্বশীলতা স্বাস্থ্যসেবার এক অসাধারণ গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি আরো যোগ করেছেন, ‘বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ, জনবল বৃদ্ধি, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ এবং চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’
তিনি জানান, উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করবে। কোনো হাসপাতালের বিরুদ্ধে অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সভায় জয়পুরহাটের সিভিল সার্জন ডা. মো. আল মামুন বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘জেলার স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জনগণের জন্য আরও উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম চলছে।’
জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রাশেদ মোবারক জুয়েল বলেন, সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি করার জন্য চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আরও আন্তরিক হতে হবে। রোগীদের সঙ্গে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে আমরা সর্বদা গুরুত্ব দিচ্ছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আরা বলেছিলেন, ‘জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ একত্রে কাজ করছে। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।’ কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং জানান, ‘সীমিত জনবল ও নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও আমরা রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। সরকারের সহায়তা অব্যাহত থাকলে সেবার মান আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।’ এ সময় আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফাহমিদা আক্তার লিনা, ডা. নাহিদ নাজনীন ডেইজী, ডা. আহসান হাবীবসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্য সচিবের এই পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, সরকারের উচ্চপর্যায়ের এ ধরনের তদারকি অব্যাহত থাকলে উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর গুলিস্তানের একটি আবাসিক হোটেলে আল আমিন (৪০) নামের এক সৌদি প্রবাসীর মৃত্যু ঘটেছে। আল আমিন শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে ফেসবুকে পরিচিত একটি নারী বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে এসে এই ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন।
তবে, আল আমিনের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানানো হয়নি।
আল আমিন গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বাহাদুর রাস্তা এলাকার মৃত ফেরদৌস উদ্দীনের ছেলে। তার নারী বন্ধু বাগেরহাটের বাসিন্দা এবং ঢাকায় এলে তারা গুলিস্তানে দেখা করেন। তারা হোটেল রমনার নবম তলার একটি রুমে উঠেছিলেন এবং সেখানে বিষয়গুলোর ওপর আলোচনা হয়।
ওই নারী বন্ধু জানান, তাদের মধ্যে ফেসবুকে যোগাযোগ হওয়ার প্রায় ৬ মাস হয়ে গেছে। এই সময় তাদের মধ্যে একটি সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা প্রায়শই কথা বলতেন। চলতি মাসের ১৩ তারিখে আল আমিন সৌদি থেকে দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার তাদের মধ্যে যোগাযোগ হয় এবং শুক্রবার সকালে তিনি বাগেরহাট থেকে গুলিস্তানে আসেন।
তিনি আরও বলেন, আল আমিন ওয়াশরুমে যান। সেখানে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ একটি ভারী শব্দ শুনতে পান। ভেতরে গিয়ে দেখেন ওয়াশরুমের দরজা খোলা অবস্থায় আল আমিন মেঝেতে পড়ে আছেন। এ ঘটনাটি দেখে তিনি চিৎকার করলে হোটেলের বয় হানিফসহ কর্তৃপক্ষ এসে উপস্থিত হন। তারা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান, কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃতের ছোট ভাই রুহুল আমিন জানিয়েছেন, তার বড় ভাই আল আমিন চলতি মাসের ১৩ তারিখে বাংলাদেশে এসেছেন। তিনি সৌদি থেকে কিছু মালামাল কাউকে দিতে ঢাকায় এসেছিলেন এবং এরপর সংবাদ পেলেন যে রমনা হোটেলের ওয়াশরুমে পড়ে মারা গেছেন। ঢাকা মেডিকেলে এসে তিনি ভাইয়ের মৃতদেহ দেখতে পান।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। পল্টন থানাকে অবগত করা হয়েছে এবং বিষয়টি তারা তদন্ত করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, আগামী একনেক সভায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্প পাশ হবে, তবে কাজ শুরু হবে বিশেষজ্ঞ টিমের পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে। প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্পকে অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করেছেন। তাই তিস্তাপারের বাসিন্দাদের চিন্তার কিছুই নেই।
মন্ত্রী আজ শুক্রবার রংপুরের কাউনিয়ায় তিস্তা সেতু এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেছেন। তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল, রংপুর জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন এবং লালমনিরহাট ও রংপুরের জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, তিস্তা নদীকে ঘিরে মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই প্রকল্পটি সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে এবং দেশি-বিদেশি কারিগরি সহযোগিতায় দ্রুততম সময়ে বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি জানান, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। বিশেষ প্রকল্পের আওতায় প্রয়োজনীয় অর্থায়নের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়িত হবে এবং প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই কাজের সার্বিক অগ্রগতি তদারকি করছেন। পরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ এবং পরিকল্পিত ড্রেজিং করলে আমরা ইনশাআল্লাহ এই অঞ্চলের মানুষকে রক্ষা করতে সক্ষম হবো।
পানি সম্পদ মন্ত্রী আরও বলেন, যদি আমরা তিস্তাপারের সকল দিক বিবেচনা করি, তাহলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা সত্যিই অত্যন্ত প্রয়োজন। তিস্তা নদী শুধু লালমনিরহাট এবং রংপুরের দুঃখ নয়, এটি সারা বাংলাদেশে দুঃখ। এই কাজগুলো যখনই দৃশ্যমান হয়ে সমাপ্ত করতে পারব, হয়তো ২ থেকে ৪ বছর বা ৬ থেকে ৭ বছর সময় লাগবে। কিন্তু এর সুফল এই অঞ্চলের মানুষ পাবে এবং পুরো দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। অর্থনীতির ভিত মজবুত হবে এবং এখানে কৃষি উপকরণ এবং কৃষিভিত্তিক অঞ্চল গড়ে উঠবে, যা আপনারা এই অঞ্চলের পাঁচটি জেলার দুঃখকে আনন্দে পরিণত করবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই অঞ্চলের মানুষকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, তিনি তিস্তার দুঃখ দূর করবেন। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই এই কাজের জন্য একাধিক কমিটি গঠন করেছেন।
তিনি জানান, প্রকল্পের প্রাথমিক সমীক্ষা ও সমীকরণের কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। ৯ সদস্যের বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী দল এই প্রকল্পটির রূপরেখা তৈরিতে কাজ করছেন। আগামী দুই-এক মাসের মধ্যেই এই মহাপরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, 'শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ অঞ্চলের কৃষিতে বিপ্লব ঘটানোর লক্ষ্যে তিস্তা সেচ প্রকল্পে সূচনা করেছিলেন। আজ তাঁরই যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তিস্তা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।'
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা কেবল নদী শাসন বা ভাঙন রোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং শুষ্ক মৌসুমে কিভাবে নদীটিতে পর্যাপ্ত পানি ধরে রাখা যায়, সেই স্থায়ী ব্যবস্থাও এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।'
মতবিনিময়ের পর মন্ত্রী তিস্তা তীরবর্তী নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন। এর আগে, তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে তিস্তা মেগা প্রকল্পের কারিগরি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।
তিস্তা ব্যারাজ ও কাউনিয়া এলাকায় তিস্তা সেতু পরিদর্শন শেষে ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু সাংবাদিকদের বলেন, বিভিন্ন ব্যক্তি নানা বিতর্ক ছড়াচ্ছে, তিস্তাপারের মানুষ যেন এসব বিতর্কিত কথা না শোনেন। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং ধৈর্য ধারণ করে আমাদের কাজ সফল করতে হবে।
দুলু বলেন, প্রধানমন্ত্রী খুব গুরুত্ব সহকারে তিস্তা মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। অবশ্যই আমরা সফল হব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ