বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০২:৪২ পি.এম
‘দুর্নীতির অভিযোগ’ ওঠার কারণে বিমান বাংলাদেশের প্রকৌশল বিভাগে সব ধরনের পদোন্নতি কার্যক্রম স্থগিত করেছে বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
গত ৩ আগস্ট, মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব শারমিন আক্তার একটি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন যে, তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দাখিল না করা পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেডের সম্প্রতি গৃহীত পদোন্নতি সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
এ বিষয়ে অভিযোগটি করেন বিমানের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক কর্মকর্তা। অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগটিতে নিয়মবহির্ভূতভাবে পদোন্নতি, প্রশাসনিক অনিয়ম এবং দুর্নীতির মাধ্যমে একটি চক্র প্রভাব বিস্তার করে আসছে। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ থেকে ১৫টি অনুমোদিত পদ প্রত্যাহার করে বিধিবহির্ভূতভাবে পদোন্নতির প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। এই বিষয়ে গত ২৮ জুন একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
একই সঙ্গে, সিভিল এভিয়েশন অথোরিটির পার্ট-১৪৫ বিধিমালার আওতায় অনুমোদিত জনবল কমিয়ে দেওয়ায় অপারেশনাল নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২২ সালের শেষ দিকে যোগ দেওয়া কয়েকজন কনিষ্ঠ কর্মীকে অস্বাভাবিকভাবে গ্রুপ-৬ পদে পদোন্নতি দেওয়ার জন্য একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ৩১ লাখ টাকার অবৈধ আর্থিক লেনদেন ঘটেছে এমন দাবি করা হয়েছে।
এ ছাড়া, আটজন যোগ্য প্রকৌশলীর পদোন্নতির ফাইল দীর্ঘদিন আটকে রাখা, লাইসেন্স ভাতা বন্ধ রাখা এবং কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, দীর্ঘদিন ধরে যোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। বাধ্যতামূলক সাক্ষাৎকার ছাড়াই পদোন্নতি দেওয়া, বদলির মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে পদ শূন্য দেখানোর মতো বিভিন্ন অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে। আবার, জ্যেষ্ঠতা উপেক্ষা করে জুনিয়রদের পদোন্নতি দেওয়া, টেকনিক্যাল দায়িত্ব পালন না করেও ভাতা প্রদান, কাগজে-কলমে ভিন্ন পদায়ন দেখানো, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে স্বজনপ্রীতি এবং এক পদে নিয়োগ দিয়ে অন্য পদে কাজ করানোর মতো নানা অনিয়মও ঘটছে। সাংগঠনিক কাঠামোয় অস্তিত্ব না থাকা পদেও বেতন প্রদান করা হচ্ছে।
কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ ধরনের অনিয়ম সংঘটিত হলে, শাস্তির পরিবর্তে তাদের অন্য বিভাগে বদলি করার অভিযোগও এসেছে।
মুদ্রণ ও প্রকাশনা বিভাগের ব্যাপারেও অভিযোগ করা হয়েছে। সেখানে কিছু কর্মকর্তাকে বিধিবহির্ভূতভাবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, কিন্তু তাদের তুলনায় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি উঠেছে।
একই ধরনের কৌশলে একাধিক ব্যক্তিকে একই পদে পদোন্নতি দেওয়ার বিষয়টিও অভিযোগে উল্লেখিত হয়েছে।
এদিকে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কর্তৃপক্ষদের সঙ্গে আলোচনা করে জানা গেছে, তারা ইতিমধ্যে মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছে এবং এখন এই বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের তদন্তাধীন।
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব শারমিন আক্তার চিঠিতে উল্লেখ করেছেন যে, গুরুতর দুর্নীতি এবং স্বৈরাচারী সিন্ডিকেটের চক্রান্তের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। বিমান ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের গ্রুপ ৫ ও ৬ এর অবৈধ পদোন্নতি অবিলম্বে স্থগিত করতে আহ্বান জানানো হয়েছে। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দাখিল না করা পর্যন্ত, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেডের সম্প্রতি গৃহীত পদোন্নতি সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। গৃহীত পদোন্নতি সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি অর্থবছরের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তরের নির্বাচন, এই তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
তিনি বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে সিলেটের পারাইরচকে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন পরিদর্শন করতে গিয়ে বলেন, স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তর রয়েছে এবং সরকারি লক্ষ্য হলো চলতি অর্থবছরের মধ্যে সকল স্তরেই নির্বাচন সম্পন্ন করা। আগস্টের পর স্থানীয় সরকার, অর্থ বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন যৌথভাবে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন, স্থানীয় সরকারের কোন স্তরের নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে।
এসময় তিনি জানান, শেখ হাসিনার সরাসরি দেশে ফেরার কোনো সুযোগ নেই এবং বলেন, তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে রায় হয়ে গেছে। দেশে ফিরলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং তাঁকে জেলে যেতে হবে, সেই সঙ্গে রায় কার্যকর হবে।
সিলেট অন্যান্য নগরের তুলনায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাল খনন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ প্রকল্পে সিলেট সিটি করপোরেশন ভালো করছে।
পরিদর্শনকালে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট ৩ আসনের সংসদ সদস্য এমএ মালেক এবং সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাই রাফিন সরকরসহ অন্যান্য উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থ লেনদেনকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার লাকসাম সাইফুল ইসলাম সোহান হত্যা মামলায় মো. মিজানুর রহমান হাজারী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে, কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (পঞ্চম আদালত) মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের পর মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. মিজানুর রহমান হাজারী কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার চিকুনিয়া দক্ষিণপাড়ার হাজারী বাড়ির মৃত আলী হোসেনের পুত্র। এ সময় তাকে ৩০ হাজার টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়।
কিন্তু আদালত অভিযোগকে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর আসামি ও তার ছেলে মেহেদী হাসানকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ৮ এপ্রিল টাকা-পয়সা লেনদেনকে কেন্দ্র করে সাইফুল ইসলাম সোহানের সঙ্গে মিজানুর রহমানের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তিনি ধারালো দা দিয়ে সোহানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন।
সোহানকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে, তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে কুমিল্লায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখান থেকে ঢাকার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয়। দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর ২০২১ সালের ১৮ মে রাত ১১টার দিকে তিনি মারা যান।
এরপর, এই ঘটনার প্রেক্ষিতে নিহতের বাবা রুহুল আমিন ২০২১ সালের ২৬ এপ্রিল লাকসাম থানায় মিজানুর রহমান হাজারীসহ মোট পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। বহু প্রক্রিয়ার বিচার শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত বৃহস্পতিবার এই রায় দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে আনতে সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে আন্তর্জাতিক মানের একটি প্যারা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক একই সঙ্গে জানিয়েছেন আগামী এক মাসের মধ্যে আরও ২০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া ভাতার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরা সমাজের বোঝা নয়, বরং দেশের জন্য সম্ভাবনাময় সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। বৃহস্পতি (৬ আগস্ট) সকালে ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে এশিয়ান প্যারা গেমস ট্রেনিং ক্যাম্প-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের জন্য একটি জাতীয় পর্যায়ের আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতা আয়োজনের নীতিগত সম্মতি দিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী নিজেই সেই প্রতিযোগিতার উদ্বোধনে উপস্থিত থাকবেন। তিনি জানান, ‘যে সন্তানকে অনেক পরিবার লজ্জার কারণে আড়ালে রাখে, সেই সন্তানই একদিন অলিম্পিক, এশিয়ান গেমস বা প্যারা গেমসে বাংলাদেশের জন্য পদক এনে দিতে পারে। তাই তাদের নিয়ে লজ্জা নয়, গর্ব করার সময় এসেছে।’
তিনি আরও জানান, বর্তমানে ৩০০ জন ক্রীড়াবিদ নিয়মিত ক্রীড়া ভাতা পাচ্ছেন এবং আগামী এক মাসের মধ্যে আরও ২০০ জনকে এই কর্মসূচির আওতায় এনে মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে ভাতা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক বা উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনকারী নতুন ক্রীড়াবিদদেরও পর্যায়ক্রমে ক্রীড়া ভাতার অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
আমিনুল হক জানান, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের শুধু প্রতিযোগিতার আগে নয়, বরং সারা বছর নিয়মিত প্রশিক্ষণের আওতায় রাখতে হবে। তাদের আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তুলতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ, সুযোগ-সুবিধা এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নিচ্ছে।
তিনি আরও জানান, মিরপুর স্টেডিয়াম এলাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ স্পোর্টস হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে এবং পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের জন্য একটি আধুনিক ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণের বিষয়েও আলোচনা চলছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, রাজধানীকেন্দ্রিক কার্যক্রমের বাইরে দেশে ৬৪ জেলায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের খুঁজে বের করে তাদের নিয়ে নিয়মিত প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে। এ লক্ষ্যে ‘নতুন কুঁড়ি প্যারা স্পোর্টস’ নামে জাতীয় পর্যায়ের একটি প্রতিভা অন্বেষণমূলক প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
ক্রীড়াবিদদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা থাকবে। আমাদের একটাই প্রত্যাশা—আপনারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য পদক এনে দেবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের দিরাই থানার পুলিশ একটি বিশেষ অভিযানে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ০৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ২:১০ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দিরাই থানার পুলিশের একটি বিশেষ দল দিরাই বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের নেতৃত্ব দেন এসআই ইসমাইল, এএসআই দিবস, এএসআই মোতালেব এবং তাদের সঙ্গে অন্যান্য ফোর্স।
অভিযানকালে পুলিশের সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তাদের তল্লাশি চালিয়ে দুটি নীল রঙের প্যাকেটে রাখা মোট ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলো:
১. ফুল মিয়া (৫০), পিতা- মৃত শুকুর আলী, সাং- শ্যামারচর বাজার, থানা- দিরাই, জেলা- সুনামগঞ্জ।
২. আক্তার হোসেন (৪৫), পিতা- ওয়ারিছ আলী, সাং- আটগাঁও, থানা- শাল্লা, জেলা- সুনামগঞ্জ।
উদ্ধারকৃত আলামতসহ আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রেরণ করা হবে বলে থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছে। মাদক নির্মূলে দিরাই থানা পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ