ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যশোরে প্রাইভেটকার থেকে ৯০ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২


যশোরে প্রাইভেটকার থেকে ৯০ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২

যশোরে দুইজন মাদক কারবারিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর (ডিএনসি) ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ। জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৯০ লাখ টাকা। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়।

শনিবার (৪ জুলাই) দিবাগত রাত ১০টার সময় যশোর-নড়াইল মহাসড়কের ঝুমঝুমপুর এলাকার ময়লাখানার সামনে ইয়াবার এই বড় চালানটি উদ্ধার হয়েছে।

আটককৃতদের মধ্যে একজন হচ্ছেন যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার দক্ষিণ বারোপোতা গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে রনি মাহমুদ (৩৫) এবং অন্যজন শার্শা উপজেলার শ্যামলাগাছি গ্রামের মৃত আতিয়ার রহমানের ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৮)।

আরও পড়ুন: শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযান বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক জব্দ

ডিএনসি যশোর সার্কেলের উপ-পরিদর্শক মদন মোহন সাহা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসির একটি দল ঝুমঝুমপুর এলাকায় অবস্থান নিয়েছিল। এ সময় সন্দেহভাজন একটি প্রাইভেটকার থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির এক পর্যায়ে গাড়ির ড্যাশবোর্ড কেটে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিএনসি সূত্র জানিয়েছে, জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৯০ লাখ টাকা। এ ঘটনায় আটককৃতদের বিরুদ্ধে যশোর কোতোয়ালি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন ডিএনসির উপ-পরিদর্শক মদন মোহন সাহা।

আরও পড়ুন: মোঃ আবুল কাশেম জগদল আল-ফারুক উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত, এলাকাবাসীর অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুন মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৩৮ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৩ পি.এম


জুন মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৩৮ জন

গত জুন মাসে দেশে ৪৭২টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন total ৪৩৮ জন। নিহতদের মধ্যে প্রায় ৩১ শতাংশ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন।

রোববার (৫ জুলাই) প্রকাশিত রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মাসিক দুর্ঘটনা বিশ্লেষণ প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদনটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং সংগঠনটির নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে।

জুন মাসে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সংখ্যা ১৪৫টি, যা মোট দুর্ঘটনার ৩০ দশমিক ৭২ শতাংশ। এ সময়ে পথচারী নিহত হয়েছেন ৯১ জন, যা মোট প্রাণহানির ২০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আরো জানা গেছে, ৫৭ জন চালক ও পরিবহন-সহকারীও প্রাণ হারিয়েছেন।

যানবাহনভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের পর সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে থ্রি-হুইলারে। এসব যানবাহনে ১১২ জন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এছাড়া, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, পিকআপ ও ট্রলিতে ৩৭ জন, বাসে ২৭ জন এবং প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্সে ১৪ জন নিহত হয়েছেন।

জুনে জাতীয় মহাসড়কে ১৫১টি, আঞ্চলিক সড়কে ১৯৪টি, গ্রামীণ সড়কে ৬৪টি এবং শহরের সড়কে ৫৭টি দুর্ঘটনা ঘটে। সেখান থেকে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২০৬টি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যা মোট দুর্ঘটনার প্রায় ৪৪ শতাংশ। এছাড়াও, ১০৯টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৯৭টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেয়ার ঘটনা এবং ৫৩টি দুর্ঘটনা সামনে থাকা যানবাহনের পেছনে ধাক্কা লাগার কারণে ঘটেছে।

বিভাগভিত্তিক হিসেবে, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঢাকা বিভাগে হয়েছে। সেখানে ১১৬টি দুর্ঘটনায় ১১৮ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ৩২টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত ও ৪৯ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, সবচেয়ে কম ১৯টি দুর্ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহ বিভাগে, যেখানে নিহত হয়েছেন ১৬ জন।

সড়ক দুর্ঘটনার পাশাপাশি জুন মাসে দেশের নৌপথেও ৯টি দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ৭ জন নিহত এবং ৪ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে ২১টি রেল দুর্ঘটনায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন আরো ৭ জন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, সড়ক দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে একাধিক কাঠামোগত ও ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে অনুপযোগী সড়ক, ত্রুটিযুক্ত যানবাহন, অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, চালকদের দক্ষতার অভাব ও শারীরিক অসুস্থতা, নির্ধারিত কর্মঘণ্টা ও ন্যায্য পারিশ্রমিকের অভাব, মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচল, তরুণদের ঝুঁকিপূর্ণ মোটরসাইকেল চালানোর প্রবণতা, ট্রাফিক আইন না মানা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিআরটিএর প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি।

প্রতিবেদনে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ১২ দফা সুপারিশও দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলকে কার্যকর করা, বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সংস্কার, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন চলাচল বন্ধ করা, দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগে জোরদার করা, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা এবং মহাসড়কে নিরাপদ অবকাঠামো নিশ্চিত করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ডিএমপির ৮৫৮ মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৫ পি.এম


রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ডিএমপির ৮৫৮ মামলা

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকা জুড়ে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ মোট ৮৫৮টি মামলা করেছে।

ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী আজ রবিবার (৫ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন।

মামলার বিস্তারিত সম্পর্কে তিনি জানান, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৩টি বাস, ২টি কাভার্ডভ্যান, ৬টি সিএনজি এবং ১০টি মোটরসাইকেল সহ মোট ৩৫টি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৪টি বাস, ৪টি ট্রাক, ১টি কাভার্ডভ্যান, ১৭টি সিএনজি এবং ৩৩টি মোটরসাইকেল মিলিয়ে মোট ৮৯টি মামলা হয়েছে।

একইভাবে, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২টি বাস, ১টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ডভ্যান, ১৬টি সিএনজি এবং ৪৬টি মোটরসাইকেল সহ মোট ৯২টি মামলা করা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৩১টি বাস, ১১টি ট্রাক, ১৬টি কাভার্ডভ্যান, ৪৪টি সিএনজি এবং ৯১টি মোটরসাইকেল নিয়ে মোট ২৩৪টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৮টি বাস, ২টি ট্রাক, ২টি কাভার্ডভ্যান, ১৬টি সিএনজি এবং ২৩টি মোটরসাইকেল সহ মোট ৭৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৩টি বাস, ৩টি ট্রাক, ৪টি কাভার্ডভ্যান, ১৪টি সিএনজি এবং ৮০টি মোটরসাইকেল নিয়ে মোট ১১৬টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ১১টি বাস, ৬টি ট্রাক, ৪টি কাভার্ডভ্যান, ৩৬টি সিএনজি এবং ৪৮টি মোটরসাইকেল সহ মোট ১৫৮টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৯টি বাস, ৪টি কাভার্ডভ্যান, ১৩টি সিএনজি এবং ১৮টি মোটরসাইকেলে মিলিয়ে মোট ৫৯টি মামলা আছে।

এছাড়াও, অভিযান চলাকালে মোট ৪১৮টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ৩৯৮টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের এইসব অভিযান অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা মহানগর এলাকার ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও নিশ্চিত করেছেন নিয়াজ মেহেদী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন দিন ধরে সমুদ্রে ভাসছে ট্রলার, উদ্ধারের অপেক্ষায় ১৭ জেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৭ পি.এম


তিন দিন ধরে সমুদ্রে ভাসছে ট্রলার, উদ্ধারের অপেক্ষায় ১৭ জেলে

বরগুনার পাথরঘাটা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের দুবলার চরসংলগ্ন এলাকায় মাছ শিকারে গিয়ে এফবি জাহান ট্রলারের সেফ (পাখা) ভেঙে ট্রলারটি বিকল হয়ে পড়েছে। এর ফলস্বরূপ গত তিন দিন ধরে ট্রলারটি সাগরে ভাসছে এবং এতে থাকা ১৭ জন জেলে চরম বিপদে রয়েছেন।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে বরগুনা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শুক্রবার রাতে ট্রলারের মালিক মো. বেল্লাল হোসেন বিষয়টি সমিতির সভাপতিকে জানান।

জানা গেছে, পাঁচ দিন আগে পাথরঘাটা বিএফডিসি ঘাট থেকে ১৭ জন জেলেকে নিয়ে এফবি জাহান ট্রলারটি গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। ট্রলারে থাকা জেলেদের সবাই পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

গোলাম মোস্তফা চৌধুরী ট্রলার মালিকের বরাত দিয়ে বলেন, যাত্রার তিন দিন পর ট্রলারের সেফ (পাখা) ভেঙে যায়, ফলে এটি বিকল হয়ে পড়ে। এরপর ট্রলারটি সাগরে ভাসতে ভাসতে মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় এলে জেলেরা মালিককে ফোনে বিষয়টি জানান এবং উদ্ধারের জন্য অনুরোধ করেন।

তিনি আরও বলেন, ভাসমান জেলেদের উদ্ধারের জন্য কোস্ট গার্ডের পশ্চিম জোনকে জানানো হয়েছে এবং তারা উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। পাশাপাশি মৎসমালিক সমিতির পক্ষ থেকেও উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


রাজধানীতে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

রাজধানী ঢাকা মিরপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়েছে, এমন এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এই নেতার বিরুদ্ধে হত্যা সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি মামলা খোলা রয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরপুরের দিয়াবাড়ি এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারৃত ব্যক্তির নাম জহির, যিনি মিরপুরের দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বলেও পরিচিত।

এ বিষয়ে মিরপুর মডেল থানার ওসি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, জহির ৫ আগস্টের পর ছাত্র হত্যা মামলার আসামি হলেও তিনি এলাকায় প্রকাশ্যে অবস্থান করছিলেন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ঢাকা-১৪ আসনের সাবেক প্রয়াত সংসদ সদস্য আসলামুল হকের ভাই মফিজুল ইসলাম বেবুর মাধ্যমে তার রাজনৈতিক হাতে খড়ি হয়।

ওসি হাফিজুর রহমান জানান, জহিরের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের মিছিল-মিটিংয়ে অর্থায়নের অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে সর্বশেষ একটি মিছিলের নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়। এই কারণে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জহিরের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%