ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খুলনায় স্কুলছাত্রী নির্জনা হত্যা: মায়ের পর এবার বাবার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি


খুলনায় স্কুলছাত্রী নির্জনা হত্যা: মায়ের পর এবার বাবার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

খুলনার আলোচিত স্কুলছাত্রী আরফানা হোসেন নির্জনা (১৭) হত্যা মামলায় এবার বাবা মো. আলীম হোসেন আকাশ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন, যা মায়ের পর হওয়া দ্বিতীয় ঘটনা। রবিবার (১৯ জুলাই), খুলনার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-১ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার পর তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদালত সূত্রে জানানো হয়েছে, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুর জামানের আদালতে আলীম হোসেন আকাশ (৪০) নিজের মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডুমুরিয়া উপজেলার ডুমুরিয়া বাজার এলাকা থেকে র‌্যাব-৬ স্পেশাল কম্পানি এবং কেএমপির সদর থানার যৌথ অভিযানে আলীম হোসেন আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে খুলনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

আরও পড়ুন: খুলনায় বিভাগীয় বইমেলা শুরু ১০ নভেম্বর

মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ জুলাই রাতে খুলনা সরকারি ইকবাল নগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী নির্জনাকে হত্যা করে তার মরদেহ একটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে খুলনা সদর থানাধীন নিরালা-সংলগ্ন প্রান্তিকা আবাসিক এলাকার ৩ নম্বর সড়কে ফেলে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনায় খুলনা সদর থানার নারী উপপরিদর্শক (এসআই) লাভলী আক্তার বাদী হয়ে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। তদন্তে প্রযুক্তিগত তথ্য, আলামত ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে নিহতের বাবা আলীম হোসেন আকাশের সম্পৃক্ততার তথ্য পায় পুলিশ।

এর আগে, গত ১০ জুলাই নিহতের মা আরিফা ইয়াসমিন সিমাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তিনিও একই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, পারিবারিক বিরোধের কারণে নির্জনাকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পরে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে তার মরদেহ বস্তাবন্দি করে প্রান্তিকা আবাসিক এলাকায় ফেলে রাখা হয়েছিল, যা তদন্তে উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন: গোবিন্দগঞ্জে দোকানিকে অপহরণ করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ: দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার দাবি বিদ্যুতের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউএনওর বদলির খবরে জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ পি.এম


ইউএনওর বদলির খবরে জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম খোদাদাদ হোসেনের বদলির সংবাদ শোনার পর জুলাই যোদ্ধারা মিষ্টি বিতরণ করেছে।

রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরের সময় উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে জনসাধারণের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা গেছে তাদের। এই সময় জড়ো হওয়া জুলাই যোদ্ধাদের অসম্মানসহ বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করতে দেখা যায়।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ জুলাই উপজেলা পরিষদ হলরুমে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় স্থানীয় জুলাই যোদ্ধাদের ডেকে এনে বসতে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়টি উপজেলা জুড়ে বিভিন্ন সমালোচনা সৃষ্টি করে। জুলাই যোদ্ধাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপক ভাইরাল হয়ে যায়।

বুধবার (১৬ জুলাই) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ আলমের স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে চার্জ অফিসার জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস ফরিদপুরে বদলি করা হয়। রোববার উপজেলা জুড়ে এই বিষয়টি জানাজানি হলে তারা মিষ্টি বিতরণ করতে শুরু করে।

জাতীয় যুবশক্তির উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কমিটির মুখ্য সংগঠক মোবাশ্বর মীম বলেন, এই ইউএনও যোগদানের পর থেকে উপজেলাতে উন্নয়ন কাজের গতি কমে গেছে। তিনি প্রতিদিন দুপুর ১টার পরে অফিসে থাকেন না, যার কারণে অসংখ্য মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় কাজ করতে এসে হয়রানির শিকার হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, এরই মাঝে গত ১৬ তারিখে তিনি আমাদেরকে অফিসে ডেকে নেন। কিন্তু তিনি আমাদের বসতে না দিয়ে অসম্মান দেন।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে সাবেক বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সানাউল কবির সাদ তার ফেসবুক আইডিতে অভিযোগ করে লেখেন, ‘জুলাই যোদ্ধাদের ডাকার নামে অদ্ভুত নাটক করে প্রশাসন। নাগেশ্বরীর শতশত জুলাই যোদ্ধাদের উপেক্ষা করার সাহস প্রশাসন কোথা থেকে পায়।’ এরপর এই বিষয়ে সমালোচনা শুরু হয়।

৩৫ বিসিএসের কর্মকর্তা এইচ এম খোদাদাদ হোসেন চলতি বছরের ১২ মে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ও পৌরসভার কার্যালয়ে সঠিক সময়ে অফিস না করা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং পৌরসভার অন্যান্য কর্মচারী ও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে দুর্ব্যবহার, এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণে বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা, বন্যার কারণে বানবাসীদের জন্য বরাদ্দকৃত ৩০ মেট্রিকটন জিআর চাল বিতরণ না করার মতো নানা অভিযোগ তার বিরুদ্ধে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গালাগাল, কুরুচিপূর্ণ শব্দ অশ্লীলতা নয়: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ পি.এম


গালাগাল, কুরুচিপূর্ণ শব্দ অশ্লীলতা নয়: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, শুধু গালাগাল বা কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার করলেই তা আইনের দৃষ্টিতে অশ্লীলতা হিসেবে গণ্য হবে না। বিচারপতি সঞ্জয় কারোল ও বিচারপতি বিপুল এম. পাঁচোলির বেঞ্চ শুক্রবার (১৭ জুলাই) একটি মামলার শুনানিতে এই রায় দেন।

আদালতের বক্তব্য উল্লেখ করে জানানো হয়েছে, কোনো বক্তব্যকে অশ্লীল হিসেবে গণ্য করতে হলে সেটি অবশ্যই যৌন উত্তেজনা তৈরি করতে হবে, কুরুচিপূর্ণ আগ্রহ উসকে দিতে হবে এবং মানুষের নৈতিক অবক্ষয় ঘটানোর প্রবণতা ব্যক্ত করতে হবে—এটি প্রমাণ করতে হবে।

রায়ে সুপ্রিম কোর্ট আরও বলে, শুধুমাত্র গালাগাল বা কটু ভাষা ব্যবহার করা যতটা আপত্তিকর বা অভদ্র হলেও, তা ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯৪ (খ) ধারার আওতায় অশ্লীলতার অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।

আদালত আরও জানায়, ভারতীয় দণ্ডবিধির (আইপিসি) ২৯৪(খ) ধারায় অপরাধ প্রমাণের জন্য জনসমক্ষে অন্যদের বিরক্তি বা উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে—এটি প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু আলোচিত মামলায় এমন কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

বেঞ্চের ভাষ্যমতে, অভিযোগকারীসহ অন্য কেউ জনসমক্ষে সেই শব্দ ব্যবহারে বিরক্ত হয়েছেন—এমন দাবি বা প্রমাণ নেই। তাই আইপিসির ২৯৪(খ) ধারায় অপরাধের উপাদান এখানে পূরণ হয়নি।

এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, মামলাটি ২০১৭ সালের আগস্টে তামিলনাড়ুর একটি কৃষিজমি নিয়ে বিরোধের প্রেক্ষাপটে ঘটে। শুরুতে আবেদনকারী ও তার ভগ্নিপতির মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

দুই দিন পর একই জমি নিয়ে অভিযোগকারীর ভাতিজার সঙ্গে আবারও একটি কলহে জড়ান আবেদনকারী।

অভিযোগে বলা হয়, মধ্যস্থতার প্রয়োজনে অভিযোগকারী আবেদকের কাছে গেলে আবেদনকারী তাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল ও জাতিগত বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেন।

এর আগে ট্রায়াল কোর্ট আবেদনকারীকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯৪(খ) (অশ্লীল আচরণ), ৩২৬ (গুরুতর আঘাত) এবং ৫০৬(২) (ফৌজদারি ভয়ভীতি প্রদর্শন) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেছিল। পরে হাইকোর্টও সেই রায় বহাল রাখে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাটোরে ভেজাল ওষুধ কারখানায় অভিযান, গ্রেপ্তার ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ পি.এম


নাটোরে ভেজাল ওষুধ কারখানায় অভিযান, গ্রেপ্তার ৩

নাটোর সদর উপজেলায় ভেজাল ও অনুমোদনহীন ওষুধ তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালানো হয়েছে। এ অভিযানে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানের সময় বিপুল পরিমাণ ভেজাল ওষুধ, বিভিন্ন কাঁচামাল এবং ওষুধ তৈরির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়।

রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক নিজ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান। পুলিশ সুপার বলেন, সদর উপজেলার পার আটঘরিয়া গ্রামের খোকন মিয়ার বাড়িতে প্রায় এক বছর ধরে যৌন উত্তেজকসহ বিভিন্ন রোগের জন্য প্রায় ৪০ ধরনের অনুমোদনহীন ভেজাল ওষুধ তৈরি ও বিক্রি হচ্ছিল। এই পণ্যগুলো প্রচার ও বিক্রির জন্য দুটি ফেসবুক পেজ, ‘এসকে নিউট্রিশন’ ও ‘অর্গানিক বায়ো কেয়ার সলিউশন’ ব্যবহার করা হচ্ছিল।

প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ জন ক্রেতার কাছে এসব ভেজাল ওষুধ বিক্রি করে এই চক্রটি বছরে আনুমানিক ৮০ থেকে ৯০ লাখ টাকা আয় করত। শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত খোকন মিয়া (২৮), তার সহযোগী শরিফুল ইসলাম (২৮) এবং তারিকুল ইসলাম (২৪)-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযানের সময় ক্যাপসুল তৈরির একাধিক মেশিন, ডাই মেশিন, কম্প্রেসার, প্যাকেজিং মেশিনসহ অন্যান্য উৎপাদন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া, উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ২৫০ কেজি প্রস্তুত ক্যাপসুল, কাঁচামাল, বিভিন্ন ধরনের ক্রিম, ওষুধ এবং বিপুল পরিমাণ প্যাকেজিং সামগ্রী।

গ্রেপ্তারের পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের মাধ্যমে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ইফতে খায়ের আলম এবং জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে রাবিতে বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩০ পি.এম


বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে রাবিতে বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) নিরাপত্তা ব্যবস্থা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের নিরাপদ এবং নির্বিঘ্ন পরিবেশে খেলা উপভোগ নিশ্চিত করার জন্য ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশের উপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রবেশপথে পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) যাচাই এবং যানবাহন তল্লাশির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১৯ জুলাই) রাতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপ ফাইনালের ফলে ক্যাম্পাসে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর সমাগম হবে। এ কারণে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের আইডি কার্ড সঙ্গে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি স্থানে জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা দেখার আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে জোহা চত্বর হয়ে প্যারিস রোড, রাকসুর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় স্টেডিয়ামে এবং ছাত্রদলের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ফাইনাল ম্যাচ সরাসরি জায়ান্ট স্ক্রিনে সম্প্রচার করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেছেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। গেটে পরিচয়পত্র যাচাই করা হবে এবং বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। সবাইকে প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হচ্ছে। গেটে অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা এড়াতে শিক্ষার্থীদের অবশ্যই পরিচয়পত্র সাথে নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%