ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে রাবিতে বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা


বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে রাবিতে বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) নিরাপত্তা ব্যবস্থা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের নিরাপদ এবং নির্বিঘ্ন পরিবেশে খেলা উপভোগ নিশ্চিত করার জন্য ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশের উপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রবেশপথে পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) যাচাই এবং যানবাহন তল্লাশির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১৯ জুলাই) রাতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপ ফাইনালের ফলে ক্যাম্পাসে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর সমাগম হবে। এ কারণে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের আইডি কার্ড সঙ্গে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি স্থানে জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা দেখার আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে জোহা চত্বর হয়ে প্যারিস রোড, রাকসুর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় স্টেডিয়ামে এবং ছাত্রদলের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ফাইনাল ম্যাচ সরাসরি জায়ান্ট স্ক্রিনে সম্প্রচার করা হবে।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন সময়সীমা ১ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়াল ইসি

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেছেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। গেটে পরিচয়পত্র যাচাই করা হবে এবং বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। সবাইকে প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হচ্ছে। গেটে অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা এড়াতে শিক্ষার্থীদের অবশ্যই পরিচয়পত্র সাথে নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন দশক পর সরল টমছমব্রিজ সড়ক থেকে অপসারিত অবৈধ কাঁচাবাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩০ পি.এম


তিন দশক পর সরল টমছমব্রিজ সড়ক থেকে অপসারিত অবৈধ কাঁচাবাজার

দীর্ঘ তিন দশক পর অবশেষে মুক্ত হলো কুমিল্লা নগরীর ব্যস্ততম টমছমব্রিজ সড়ক। সড়কের ওপর ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ কাঁচাবাজারের উচ্ছেদ করেছে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক)। রবিবার (১৯ জুলাই) বিকালে পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

দীর্ঘদিন ধরে এই বাজারের কারণে সৃষ্টি হওয়া তীব্র যানজটে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা দুর্ভোগ পোহাতে হতো নগরবাসীকে। এই বাজারটি অপসারণ করায় স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ মানুষের মাঝে। নগরবাসী এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, প্রধান সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলায় টমছমব্রিজ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তীব্র যানজট লেগে থাকত। এতে নগরবাসীর পাশাপাশি দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষের চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছিল। আজ বিকালে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেনের তত্ত্বাবধানে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে সড়ক ও ফুটপাত পুরোপুরি দখলমুক্ত করা হয়।

অভিযান চলাকালে উচ্ছেদ হওয়া টমছমব্রিজ কাঁচাবাজারের মুরগি ব্যবসায়ী জাবেদ বলেন, ‘আগে থেকেই উচ্ছেদের বিষয়টি আমাদের জানানো হয়েছিল। আমরা কোনোভাবে টিকে থাকার জন্য সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথাও বলেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত উচ্ছেদ করা হলো। এখন এই মালামাল নিয়ে কোথায় যাব?’

একই বাজারের সবজি ব্যবসায়ী হৃদয় হোসেন বলেন, ‘আমার দোকানটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। কোনো রকমে মালামাল সরাতে পেরেছি। আমরা এখানে ভাড়া দিয়ে ব্যবসা করতাম।’

উচ্ছেদ অভিযানের বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন বলেন, ‘নগরীতে যানজট কমানো, জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে।’

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, ‘যেকোনো স্থাপনা উচ্ছেদের আগে নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের নোটিশ দেওয়া হয়। যারা সেই নোটিশ মানেন না, কেবল তাদেরই অপসারণ করা হয়েছে। সড়কের ওপর যত অবৈধ স্থাপনা থাকবে, সবগুলোই আইনানুগভাবে উচ্ছেদ করা হবে।’

অভিযান চলাকালে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন এবং কুমিল্লা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা পেরিয়ে বাংলাদেশের সিরিজ জয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা পেরিয়ে বাংলাদেশের সিরিজ জয়

সফর শুরু করার সময় বাংলাদেশ জিম্বাবুয়েতে একমাত্র টেস্টে হেরে যায়। এরপর ওয়ানডে সিরিজও তাদের হাতছাড়া হয়। তবে পিছিয়ে পড়েও টি-টোয়েন্টি সিরিজটি নিজেদের করে নিতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। তারা শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৪ উইকেটে জিম্বাবুয়েকে পরাজিত করেছে।

বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে এদিন টসে জিতে জিম্বাবুয়ে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। টাইগার স্পিনার শেখ মেহেদী হাসান প্রথম ওভারেই স্বাগতিকদের দলের ওপর বড় ধাক্কা দেন। তাদিওয়ানাশে মারুমানি ৫ বল মোকাবিলা করে ৪ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। ফলে দলীয় ৬ রানে ভেঙে যায় জিম্বাবুয়ের এই ওপেনিং জুটি।

এরপরে ওপেনার ব্রায়ান বেনেট এবং তিনে নামা ডিয়ন মেয়ার্স দলকে এগিয়ে নিয়ে গেলেন। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে জিম্বাবুয়ে ১ উইকেট হারিয়ে ৪০ রান সংগ্রহ করে। বেনেট ও মেয়ার্স উভয়ই ফিফটির খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায়। তবে ফিফটির আগে বিদায় নেন বেনেট। তিনি ৩৮ বলে করেন ৪৭ রান এবং দলের ৭৭ রানে ফিরে যান। তাকে ফিরিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

মেয়ার্স ফিফটি পূর্ণ করেন। তবে বাংলাদেশের বোলারদের চাপের কারণে আরেক প্রান্তের ব্যাটাররা কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছিলেন না। একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে জিম্বাবুয়ে। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ৬ বলে ৩ রান করে বিদায় নেন রিশাদ হোসেনের হাতে। রায়ান বার্ল ৭ বলে ৭ রান করে ফিরেন আবদুল গাফফার সাকলাইনের বলেও। ১৯তম ওভারে একটি ক্যাচ মিস হওয়া সত্ত্বেও রিশাদ হোসেন দুর্দান্ত একটি থ্রোতে ব্র্যাড ইভান্সকে রান আউট করেন।

রানআউটের পরের বলেই ক্লিভ মাদান্দেকে কট বিহাইন্ড করে দেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। শেষ বলে মেয়ার্স বিশাল ছক্কা হাঁকান কিন্তু ৫৩ বলে ৭৩ রান করে শেষ ওভারে আউট হন তিনি। ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান তোলে জিম্বাবুয়ে।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে দুটি উইকেট পেয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। অন্যদিকে শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন এবং আবদুল গাফফার সাকলাইন পেয়েছেন ১টি করে উইকেট।

জবাবে বাংলাদেশ ৫ বলে ৪ রান করা ওপেনার সাইফ হাসানকে দ্রুত হারিয়ে ফেলে। পাওয়ার প্লেটে টাইগারদের ভালো সময়ে কাটেনি। ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে তারা করে ৩০ রান।

তারপর ২২ বলে ২৪ রান করে দলের ৫৯ রানে থামেন ইমন। এরপর অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়ের সঙ্গে যোগ দেন তানজিদ। তানজিদ এবং হৃদয় মিলে কার্যকরী ব্যাটিং করতে থাকেন।

হৃদয় ১৯ বলে ২৪ রান করে বিদায় নেন। পরে ইয়াসির আলী চৌধুরী ৯ বলে খেলেন ১০ রানের ইনিংস। এরপর ক্রিজে আসেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। শেষ ওভারে ৫ রান করতে হবে বাংলাদেশের। প্রথম বল থেকে ১ রান আসে। পরের বলে ব্র্যাড ইভান্স মোসাদ্দেককে ফেরান। তখন ৪ বলে ৪ রান করতে হবে। তবে পরের বল করার সময় ফিল্ডার মুভ করে ডেড বল ডাকেন আম্পায়ার। পরের বলেই শেখ মেহেদী হাসান চার মারেন। এভাবেই বাংলাদেশ ৪ উইকেটের মাধ্যমে দুর্দান্ত একটি জয় তুলে নেয়। ম্যাচের সাথে সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে জিতে নেয় বাংলাদেশ।

জিম্বাবুয়ের হয়ে ২টি উইকেট শিকার করেন ব্র্যাড ইভান্স, রিচার্ড এনগারাভা এবং সিকান্দার রাজা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওমরাহ পালনে শীর্ষে ৩ দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


ওমরাহ পালনে শীর্ষে ৩ দেশ

২০২৬ সালে নতুন ওমরাহ মৌসুমের শুরুতে সৌদি আরবের ওমরাহ ভিসায় আগতদের সংখ্যা ২২ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। জিলহজ মাসের ১৫ তারিখ থেকে মহররমের শেষ পর্যন্ত মোট ৯ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ জন ওমরাহ যাত্রী সৌদি আরবে প্রবেশ করেছেন।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এবং পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম যৌথভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একই সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি ওমরাহ যাত্রী সৌদি আরবে এসেছেন। সৌদি ভিশন ২০৩০ এবং পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রামের লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সংগতি রাখার মাধ্যমে দেশটির ওমরাহ খাতে এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা হয়েছে।

এই পরিসংখ্যান দেখা যাচ্ছে যে, ওমরাহ যাত্রীদের সেবায় সৌদি নেতৃত্বের নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বিত প্রচেষ্টা রয়েছে। ওমরাহ যাত্রী ও দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করার জন্য ডিজিটাল সেবার মান ক্রমাগত উন্নত করার কাজ করা হচ্ছে।

হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিদেশ থেকে আগত ওমরাহ যাত্রীদের ৭৫ শতাংশই আকাশপথে সৌদি আরবে প্রবেশ করেছেন। আর বাকি ২৫ শতাংশ এসেছেন স্থল ও সমুদ্র বন্দর দিয়ে।

যাত্রী আসার সংখ্যা অনুযায়ী দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তান থেকে প্রায় ২ লাখ মানুষ ওমরাহ পালনের জন্য এসেছে। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, যেখানে থেকে এসেছেন ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইরাক, যেখানে রয়েছেন ১ lakh ৩০ হাজার যাত্রী।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ওমরাহ যাত্রার পরিকল্পনাপ্রণয়ন থেকে শুরু করে প্রস্থান পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি যেন আরও সহজ, মসৃণ ও উচ্চ মানের হয়, সেজন্য তারা ডিজিটাল সেবার পরিধি বাড়ানো, সেবা প্রাপ্তি সহজীকরণ এবং পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কাজ অব্যাহত রেখেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিআরইউর মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত বিভিন্ন গণমাধ্যমের চিফ রিপোর্টারদের সঙ্গে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


ডিআরইউর মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত বিভিন্ন গণমাধ্যমের চিফ রিপোর্টারদের সঙ্গে

দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন গণমাধ্যমের চিফ রিপোর্টারদের সঙ্গে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-এর মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের চিফ রিপোর্টাররা অংশগ্রহণ করেন।

এ সভায় সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন, কল্যাণমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, আধুনিক প্রশিক্ষণ, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-কে আরো শক্তিশালী, আধুনিক ও স্বাবলম্বী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার আহ্বান জানান।

তারা সকলেই বলেন, সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় ডিআরইউকে আরো কার্যকরভাবে ভূমিকা পালন করতে হবে। এক্ষেত্রে সময়ের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতায় দক্ষ জনবল গড়ে তোলার গুরুত্বারোপ করেন।

রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে ডিআরইউর শফিকুল কবির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময়সভায় চিফ রিপোর্টাররা এসব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।

মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে আমার দেশ-এর এম আবদুল্লাহ সাংবাদিকদের সরকারি নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু, ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ, পরীক্ষাভিত্তিক নিবন্ধন, এন্ট্রি-লেভেলে ৩৫ হাজার টাকা বেতন এবং সাংবাদিকদের কল্যাণব্যবস্থা গড়ে তুলতে ডিআরইউকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস-এর সিদ্দিক ইসলাম আন্তর্জাতিক মানের সাংবাদিক গড়ে তুলতে এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সংবাদ-এর প্রধান প্রতিবেদক সালাম জুবায়ের বলেন, ডিআরইউ তার ঐতিহ্য ধরে রাখার সাথে সাথে আরো শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

ইত্তেফাক-এর শামসুদ্দিন আহমেদ নতুন সাংবাদিক তৈরির জন্য সুশৃঙ্খল প্রশিক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান। ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক ও সমকাল-এর মসিউর রহমান খান বলেন, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে ডিআরইউকে পরিচালনা করার নির্দেশনা দেন।

ডেইলি স্টারের পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের ওপর হামলা-মামলার বিষয়ে সরকারের সাথে কার্যকর আলোচনার ওপর গুরুত্ব দেন, পাশাপাশি এআইভিত্তিক প্রশিক্ষণের গুরুত্ব উল্লেখ করেন। সংগ্রাম-এর নাসির উদ্দিন শোয়েব বলেন, জাতীয় প্রেস ক্লাব যদি সাংবাদিকদের সেকেন্ড হোম হয়, তাহলে ডিআরইউ আমাদের ফার্স্ট হোম। তিনি ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ দুই বছর করার প্রস্তাব দেন।

বাসস-এর দিদারুল আলম তরুণ সাংবাদিকদের দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণের আহ্বান জানান। বাসস (ইংরেজি)-এর রাজিব হোসেন ডিআরইউর অরাজনৈতিক ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখার গুরুত্ব দেন।

মানবজমিন-এর লুৎফর রহমান বলেন, সংবাদের গুণগত মান উন্নয়নে ধারাবাহিক ও বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের মধ্যে বিকল্প নেই। কালের কণ্ঠের শরিফুল আলম সুমন প্রতি বছর এ ধরনের মতবিনিময়সভা আয়োজনের প্রস্তাব দেন। আজকের পত্রিকার শহীদুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের জন্য সপ্তাহে দুই দিন ছুটি কার্যকরে উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (টিবিএস)-এর আবুল কাশেম সাংবাদিকদের মর্যাদা রক্ষায় ডিআরইউকে আরো বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান এবং সরকার থেকে অনুদান আনার ব্যাপারে জোর দেন। সময়ের আলোর মামুন হোসেন সদস্যদের মধ্যে ফেলোশিপ চালু করার পাশাপাশি বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন। রাইজিংবিডির নইমুদ্দিন প্রিন্ট, অনলাইন ও টেলিভিশন সাংবাদিকদের জন্য অভিন্ন ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

এছাড়া বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম-এর ইসমাইল হোসেন ডিআরইউর কার্যক্রমের মাল্টিমিডিয়া প্রচার বাড়ানোর, আমাদের সময়ের সাজ্জাদ মাহমুদ খান ভুয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের, দেশ রূপান্তরের উৎপল রায় ডিআরইউ প্রাঙ্গণে ব্যাংকের বুথ স্থাপনের এবং টাইমস অব বাংলাদেশের সাইফুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে ভুয়া সাংবাদিকদের প্রবেশ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে আবু সালেহ আকন বলেন, সাংবাদিকদের অধিকার আদায় করা, পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংগঠনের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে ডিআরইউ অতীতের মতো ভবিষ্যতেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। এজন্য তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতা নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। পেশাগত অনিশ্চয়তা, নিরাপত্তাহীনতা, নিম্ন বেতন, হামলা-মামলা এবং সামাজিক নিরাপত্তার অভাব সাংবাদিকদের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। এই সকল সমস্যা সমাধানে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে ডিআরইউ নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে।

সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, বর্তমান কমিটি শুধুমাত্র সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। তিনি জানান, ডিআরইউ প্রাঙ্গণে আধুনিক মসজিদ কমপ্লেক্স, সদস্যদের জন্য হেলথ কর্নার, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এবং সংগঠনের স্থায়ী আয়ের উৎস তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সদস্যদের সন্তানদের জন্যও দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নের বিকল্প নেই। সেজন্য এআই, ডেটা জার্নালিজম, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টিং এবং ডিজিটাল নিরাপত্তাসহ সময়োপযোগী বিষয়গুলোর উপর দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নিয়মিত প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সভায় ডিআরইউর তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক জানান, শিগগিরই ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট চালু করা হবে। সেখানে সদস্যদের এবং তাদের সন্তানদের জন্যও ইংরেজি ভাষা, অ্যাবাকাস, চীনা ভাষা, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অন্যান্য দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে।

মতবিনিময়সভায় ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির সহসভাপতি মেহ্দী আজাদ মাসুম, যুগ্ম সম্পাদক মো. জাফর ইকবাল, অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিম, দপ্তর সম্পাদক রাশিম মোল্লা, নারীবিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না, ক্রীড়া সম্পাদক ওমর ফারুক রুবেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মনোয়ার হোসেন, আপ্যায়ন সম্পাদক আমিনুল হক ভূঁইয়া, কল্যাণ সম্পাদক রফিক মৃধা, কার্যনির্বাহী সদস্য মাহফুজ সাদি, আল-আমিন আজাদ, মোহাম্মদ নঈমুদ্দীন, সুমন চৌধুরীসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%