এইচ এম নোমান চরফ্যাশন প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:২৩ পি.এম
জুলাই শহিদ ও আহত যোদ্ধাদেরকে কেন্দ্র করে কটূক্তি, অবমাননাকর মন্তব্য কিংবা বৈষম্যমূলক আচরণ করার ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে বক্তারা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের চেতনা ও অর্জন রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর এবং প্রতিষ্ঠানের সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ১০টায় ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ‘জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব বক্তব্য প্রদান করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মামুন হোসাইন উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় জুলাই আন্দোলনের আহত যোদ্ধাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “অনেক ত্যাগ ও কষ্টের বিনিময়ে জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে অনেক যোদ্ধা কটূক্তি ও বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার হচ্ছেন।”
বক্তারা বলতে থাকেন, জুলাই শহিদ এবং আহত যোদ্ধাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনসহ সকল সংশ্লিষ্ট বিভাগকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নাজমুল হুদা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু, মেডিকেল অফিসার ডা. আশরাফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতীয়া, সাবেক সহ-সভাপতি কয়সর আহমেদ কমল, উপজেলা জামায়াতের দপ্তর সম্পাদক ও সহকারী অধ্যাপক রেজাউল হাসান ইমরান, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি বাহার উদ্দিন, শশীভূষণ থানার ওসি ফিরোজ আহম্মেদ, দক্ষিণ আইচা থানার ওসি আহসান কবির, সংবাদ কমী, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. নুরনবী, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, এনজিও সুশীলনের কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ, জুলাই আন্দোলনের আহত যোদ্ধাসহ বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৬ জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, নারায়ণগঞ্জের উদ্যোগে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়, এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আবদুল্লাহ আল আমিন, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা, আহত জুলাইযোদ্ধা এবং তাঁদের পরিবারবর্গ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দসহ জেলার অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন, এবং তাঁদের আদর্শ ধারণ করে দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যৌন নিপীড়নের অভিযোগে, দুই বছরের জন্য অব্যাহতি পাওয়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) বাংলা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. রুবেল আনছার উপাচার্যের সঙ্গে অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মতবিনিময় সভায় আমন্ত্রণ পেয়েছেন। তবে উল্লেখ্য, শাস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তিনি এ সভায় আমন্ত্রণ পান।
এ নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে যে, ১৫ জুলাই বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের চতুর্থ তলার সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর'স অ্যাওয়ার্ড, ইউজিসি অ্যাওয়ার্ড, বিইউএস-ইউএসডিএ অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষক ও চলমান বিইউএস-ইউএসডিএ প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নূরুন্নবী সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
আমন্ত্রণের বিষয়ে অধ্যাপক ড. রুবেল আনছার বলেন, ‘হ্যাঁ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাকে ইনভাইটেশন দিয়েছে তাই আমি গিয়েছিলাম। এটা অনেক আগের অ্যাওয়ার্ড, সেই সূত্র ধরে হয়তো ডেকেছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমরা তো ওই বিষয়টি দেখিনি, অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত হিসেবে আমন্ত্রণ করেছি। উনি মিটিংয়ে আলোচনায় আসছে, উনার দক্ষতা আমরা নেওয়ার চেষ্টা করেছি।
কোনো কর্মকাণ্ড উনি অংশগ্রহণ করবে না ২ বছর, কিন্তু উনাকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে, যেহেতু উনি অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত। এজন্য উনার মতামত নেওয়ার জন্য, উনার মতামত যদি আমাদের কাজে লাগে তাহলে কেন আসবে না উনি।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি পাওয়া যাননি।
প্রসঙ্গত, অধ্যাপক ড. রুবেল আনছারের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের দুটি অভিযোগের মধ্যে একটি তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দুই বছরের জন্য পাঠদান, পরীক্ষা গ্রহণসহ সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। অন্য অভিযোগটি প্রমাণিত না হওয়ায় সে অভিযোগ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ২৩৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ নিয়ে আলোচনা তীব্র হয়ে উঠেছে। ১৬ জুন এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক মো. রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে একই ডিসিপ্লিনের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীর অভিযোগের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। অভিযোগে বলা হয়, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব ও অশালীন বার্তা পাঠিয়েছেন। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় ইয়াবাসহ হাসিনা বেগম (৩৭) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। গতকাল বুধবার, উত্তর সাগরনাল গ্রামে অভিযান চালিয়ে এই নারীকে আটক করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হাসিনা বেগম ওই গ্রামের এনামুল হক জিলিমের স্ত্রী।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে হাসিনা বেগমের কাছে থাকা একটি লেডিস পার্স থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ও বিক্রির ২ হাজার ৯০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে বাড়ির ঘরের একটি প্যাকেট থেকে আরো ৩০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় হাসিনা বেগমকে গ্রেপ্তার করার মধ্যে পড়লেও তার স্বামী এনামুল হক জিলিম (৩৮) পালিয়ে যান।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে জুড়ী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং হাসিনা বেগমের স্বামীকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে অধিদপ্তর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। তিনি বলেন, রায় কার্যকর করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, বন্দি বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে চায়।
একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে বন্দি চুক্তি অনুসারে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ভারত সরকারকে পত্র দেওয়া হয়েছে। এরপর আমরা ওই বিষয়ে তাগাদা দিয়েছি।
মন্ত্রী বলেন, 'আমরা তো তাকে ফেরত চাই এবং চাই বিচারের মুখোমুখি হোক।'
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে যেহেতু তিনি (শেখ হাসিনা) সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন, আদালতে তার আত্মসমর্পণের সুযোগ আছে কিনা সেটা আইনজ্ঞরা বলবেন। তবে তিনি দেশের বাইরে থাকাকালীন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং রায় কার্যকর করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের বিদেশ থেকে ফেরত আনতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও পাঠানো হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, 'সরকারকে বিব্রত করতেই কিছু শিক্ষার্থীকে ব্যবহার করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে একটি মহল।'
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পরিকল্পনার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ